স্পোর্টস ডেস্ক

ডালাসে শেষ বত্রিশের ম্যাচে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে ১-১ সমতার পর, টাইব্রেকারের স্নায়ুর পরীক্ষায় অস্ট্রেলিয়াকে ৪–২ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোয় জায়গা করেছে মিসর। ৯২ বছর পর, এবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ওঠে আফ্রিকার দলটি। নকআউটে প্রথম জয়ও পেল তারা।
শনিবার (৪ জুলাই) হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট কাটিয়ে এই ম্যাচে মিসরের মোহাম্মদ সালাহর শুরুর একাদশে ফেরাটা ফারাওদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল।
ম্যাচের ১২ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরের থেকে নেওয়া সালাহ’র ফ্রিকিক অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণভাগ ব্লক করে দেয়। তবে রিবাউন্ড থেকে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লেফট ব্যাক করিম হাফেজের বাঁকানো শটে হেড নিয়ে দলকে ১-০ গোলের লিড এনে দেন মিসরের মিডফিল্ডার ইমাম আশুর।
বল জালে জড়াতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে স্টেডিয়ামের মিসরীয় সমর্থকেরা; তাদের উল্লাস আরও বাড়ে যখন ভিএআর গোলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখে।
পিছিয়ে পড়ে সমতায় ফিরতে মরিয়া হয় অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ান উইঙ্গার ক্রিস্টিয়ান ভলপাটো শটটি ক্রসবারের বাইরের অংশে লেগে প্রতিহত হলে নিশ্চিত গোল থেকে বঞ্চিত হয়। আর কোনো গোল না হলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধের বিরতিতে যায় মিসর।
প্রথমার্ধে বারবার গোল বঞ্চিত হওয়া অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের ৫৫ মিনিটে মিসরের ডিফেন্ডার মোহামেদ হানির আত্মঘাতী গোলের বদৌলতে ১-১ এ সমতায় ফেরে। চলতি বিশ্বকাপে এটি ছিল হানির দ্বিতীয় আত্মঘাতী গোল। দ্বিতীয়ার্ধে গোল হজম করে অস্ট্রেলিয়ার অর্ধে প্রেসিং ফুটবল খেলতে শুরু করে মিসর। ম্যাচের যোগ করা সময়ে মিসরের ডিফেন্ডা রাবিয়ার শটটি দারুণভাবে প্রতিহত করে অস্ট্রেলিয়াকে গোল হজম থেকে বাঁচান গোলরক্ষক প্যাট্রিক। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ১-১ সমতায় থেকে ম্যাচ অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে গড়ায়।
ম্যাচ যখন টাইব্রেকারে যাওয়ার পথে ঠিক তখন ১১৯ মিনিটে অস্ট্রেলিয়া দল তাদের গোলরক্ষক বিচের পরিবর্তে ম্যাথু রায়ান, অন্যদিকে মিসর নামায় সাবেরকে। অতিরিক্ত সময়ের পর ১-১ সমতায় থাকায় ম্যাচ টাইব্রেকারে গড়ায়।
শুটআউটের চরম উত্তেজনার পূর্বে মিসরের ভিডিও অ্যানালাইসিস অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক রায়ানের টাইব্রেকারের মুভমেন্টের ক্লিপ দেখাতে থাকেন। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শট নিতে আসা হ্যারি সুটার পেনাল্টি মিস করেন। অন্যদিকে রায়ানের টাইব্রেকারের ভিডিও দেখে মিসরের পক্ষে একে একে সফল স্পট কিকে গোল করেন ১২০ মিনিটে নামা বদলি খেলোয়াড় মাহমুদ সাবের, রাবিয়া এবং দলের সবচেয়ে বড় তারকা সালাহ। অস্ট্রেলিয়ার হ্যারিংটন তার শটটি মিস করলে মিসরের জয় সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। শেষ পর্যন্ত হোসাম মিসরের হয়ে চতুর্থ গোলটি করতেই ৪-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয় ফারাওদের। এ জয়ে বিশ্বকাপের শেষ ১৬ নিশ্চিত করে মিসর।

ডালাসে শেষ বত্রিশের ম্যাচে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে ১-১ সমতার পর, টাইব্রেকারের স্নায়ুর পরীক্ষায় অস্ট্রেলিয়াকে ৪–২ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোয় জায়গা করেছে মিসর। ৯২ বছর পর, এবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ওঠে আফ্রিকার দলটি। নকআউটে প্রথম জয়ও পেল তারা।
শনিবার (৪ জুলাই) হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট কাটিয়ে এই ম্যাচে মিসরের মোহাম্মদ সালাহর শুরুর একাদশে ফেরাটা ফারাওদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল।
ম্যাচের ১২ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরের থেকে নেওয়া সালাহ’র ফ্রিকিক অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণভাগ ব্লক করে দেয়। তবে রিবাউন্ড থেকে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লেফট ব্যাক করিম হাফেজের বাঁকানো শটে হেড নিয়ে দলকে ১-০ গোলের লিড এনে দেন মিসরের মিডফিল্ডার ইমাম আশুর।
বল জালে জড়াতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে স্টেডিয়ামের মিসরীয় সমর্থকেরা; তাদের উল্লাস আরও বাড়ে যখন ভিএআর গোলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখে।
পিছিয়ে পড়ে সমতায় ফিরতে মরিয়া হয় অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ান উইঙ্গার ক্রিস্টিয়ান ভলপাটো শটটি ক্রসবারের বাইরের অংশে লেগে প্রতিহত হলে নিশ্চিত গোল থেকে বঞ্চিত হয়। আর কোনো গোল না হলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধের বিরতিতে যায় মিসর।
প্রথমার্ধে বারবার গোল বঞ্চিত হওয়া অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের ৫৫ মিনিটে মিসরের ডিফেন্ডার মোহামেদ হানির আত্মঘাতী গোলের বদৌলতে ১-১ এ সমতায় ফেরে। চলতি বিশ্বকাপে এটি ছিল হানির দ্বিতীয় আত্মঘাতী গোল। দ্বিতীয়ার্ধে গোল হজম করে অস্ট্রেলিয়ার অর্ধে প্রেসিং ফুটবল খেলতে শুরু করে মিসর। ম্যাচের যোগ করা সময়ে মিসরের ডিফেন্ডা রাবিয়ার শটটি দারুণভাবে প্রতিহত করে অস্ট্রেলিয়াকে গোল হজম থেকে বাঁচান গোলরক্ষক প্যাট্রিক। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ১-১ সমতায় থেকে ম্যাচ অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে গড়ায়।
ম্যাচ যখন টাইব্রেকারে যাওয়ার পথে ঠিক তখন ১১৯ মিনিটে অস্ট্রেলিয়া দল তাদের গোলরক্ষক বিচের পরিবর্তে ম্যাথু রায়ান, অন্যদিকে মিসর নামায় সাবেরকে। অতিরিক্ত সময়ের পর ১-১ সমতায় থাকায় ম্যাচ টাইব্রেকারে গড়ায়।
শুটআউটের চরম উত্তেজনার পূর্বে মিসরের ভিডিও অ্যানালাইসিস অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক রায়ানের টাইব্রেকারের মুভমেন্টের ক্লিপ দেখাতে থাকেন। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শট নিতে আসা হ্যারি সুটার পেনাল্টি মিস করেন। অন্যদিকে রায়ানের টাইব্রেকারের ভিডিও দেখে মিসরের পক্ষে একে একে সফল স্পট কিকে গোল করেন ১২০ মিনিটে নামা বদলি খেলোয়াড় মাহমুদ সাবের, রাবিয়া এবং দলের সবচেয়ে বড় তারকা সালাহ। অস্ট্রেলিয়ার হ্যারিংটন তার শটটি মিস করলে মিসরের জয় সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। শেষ পর্যন্ত হোসাম মিসরের হয়ে চতুর্থ গোলটি করতেই ৪-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয় ফারাওদের। এ জয়ে বিশ্বকাপের শেষ ১৬ নিশ্চিত করে মিসর।

ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালে অন্যতম সেরা লিওনেল মেসি, গোলপোস্টের নিচে ‘চীনের প্রাচীর’ এমিলিয়ানো মার্তিনেজের কথা বাদ দেন। দলের র্যাঙ্কিংয়ের হিসাবেও আর্জেন্টিনা (২ নম্বর) ও কেপ ভার্দের (৬৪ নম্বর) তুলনা চলে না। তবে ছোট দ্বীপরাষ্ট্রটিই বিশ্বকাপের শেষ ৩২ এর ম্যাচে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই অবিশ্বাস্য সব রূপকথা। এবার নিজেদের অভিষেকেই রূপকথার গল্প লিখছে কেপ ভার্দে। নকআউট খেলার রেকর্ড গড়েছে দেশটি।
১৭ ঘণ্টা আগে
টানা তিন আসরের নকআউট ‘জুজু’ কাটিয়ে অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে পৌঁছেছে স্পেন। ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা আজ শুক্রবার (৩ জুলাই) দাপুটে ফুটবল খেলে ‘রাউন্ড অব ৩২’-এর বাধা টপকে রাজকীয়ভাবে পরের পর্বে জায়গা করে নিয়েছে।
০৩ জুলাই ২০২৬
চলতি বিশ্বকাপের পরই জাতীয় দল থেকে অবসর নেবেন বিশ্ব ফুটবলের মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। বৃহস্পতিবার কানাডার টরোন্টোতে পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়ার শেষ বত্রিশের বাঁচা-মরার লড়াইয়ের আগে এই তথ্য দিয়েছেন তাঁর বোন কাতিয়া আভেইরো।
০৩ জুলাই ২০২৬