স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ২২১ রানে গুটিয়ে গেছে। ফলে তিন ম্যাচ সিরিজে সফরকারী নিউজিল্যান্ড ২৬ রানের জয়ে এগিয়ে গেল। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে টসে জিতে নিউজিল্যান্ড ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে করে ২৪৭ রান।
জবাব দিতে গিয়ে শুরুতেই বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। ২১ রানে হারিয়ে বসে দুই উইকেট। এরপর ওপেনার সাইফ হাসানের সঙ্গে জুটি গড়ে টাইগারদের ম্যাচে রাখেন লিটন কুমার দাস। তাদের ৯৩ রানের জুটি ভাঙার পর বলা চলে তাসের ঘরের মতো হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে স্বাগতিকরা। সাইফের পরে শেষ দিকে তাওহীদ হৃদয় অর্ধশতক করলেও দলকে জয়ের বন্দরে নিতে পারেননি তিনি।
২৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি টাইগারদের। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে নাথান স্মিথের ব্যাক-টু-ব্যাক ডেলিভারিতে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম (২) ও নাজমুল হোসেন শান্ত (০)। ২১ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা।
সাইফ ও লিটন এই বিপর্যয় সামাল দেন। সাইফ আক্রমণাত্মক খেললেও লিটন ছিলেন সাবধানী। ২২তম ওভারের তৃতীয় বলে কিউই পেসার ও’রুর্কের বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ দেন সাইফ। ইনিংসের ২৭তম ওভারের দ্বিতীয় বলে অফ স্পিনার ডিন ফক্সক্রফটের শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন লিটন।
সাইফ ৫৭ রান করেন ৮ চার ও এক ছক্কায়। লিটনের সংগ্রহ ৪৬ রান। তাদের আউটের পর বাংলাদেশ আবার চাপে পড়ে। মিডল অর্ডারে তাওহীদ হৃদয় এক প্রান্ত আগলে দারুণ লড়াই করেন। তিনি ৬০ বলে সমান দুটি করে চার-ছক্কায় ৫৫ রান করেন। আফিফ হোসেন (২৭) ছাড়া কেউই তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি।
লেজের সারির ব্যাটাররা দ্রুত আউট হলে বাংলাদেশ ৪৮.৩ ওভারে ২২১ রানে গুটিয়ে যায়। কিউই বোলার ব্লেয়ার টিকনার ৪ উইকেট নিয়ে একাই বাংলাদেশের ব্যাটিং মেরুদণ্ড ভেঙে দেন। এছাড়া নাথান স্মিথ নিয়েছেন ৩ উইকেট।
এর আগে টসে জিতে নিউজিল্যান্ড ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে করে ২৪৭ রান। পাওয়ার প্লেতে স্বাগতিক বোলাররা নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন। শরিফুল ইসলামের পেসে বিদ্ধ হয়ে ইনিংসের ৬.৩ ওভারে ফেরেন কেলি। প্রথম পাওয়ার প্লে শেষে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৩৮ রান। নিজের প্রথম স্পেলের ৫ ওভারে ২৭টি ডট আদায় করেন বামহাতি পেসার শরিফুল।
দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে উইল ইয়াং (৩০) কিছুটা প্রতিরোধের আভাস দিলেও রিশাদ হোসেনের ঘূর্ণিতে তা স্থায়ী হয়নি। তবে দলকে একাই টেনছেন হেনরি নিকোলস। তাঁর ৮৩ বলে ৯ চারের সাহায্যে ৬৮ রানের ইনিংসই কিউইদের সম্মানজনক স্কোরের ভিত গড়ে দেন।
কিউই ক্যাপ্টেন টম ল্যাথাম (১৪) রান করে মিরাজের বলে বোল্ড হন। লেগি রিশাদ ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। ১০ ওভারে ৪৪ রানে তিনি তুলে নিয়েছেন উইল ইয়ং ও হেনরি নিকোলসের মতো তারকার উইকেট। অবশ্য শেষ দিকে ডিন ফক্সক্রফট ৫৮ বলে ৫৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেললে সফরকারীদের স্কোর দাঁড়ায় ৮ উইকেটে ২৪৭।
শরিফুল ১০ ওভারে মাত্র ২৭ রান দিয়ে পেয়েছেন ২ উইকেট। উইকেট ২ পেলেও তাসকিন আহমেদ ১০ ওভারে দিয়েছেন ৫০ রান। নাহিদ রানা ও অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ একটি করে উইকেট পেয়েছেন।

বাংলাদেশ ২২১ রানে গুটিয়ে গেছে। ফলে তিন ম্যাচ সিরিজে সফরকারী নিউজিল্যান্ড ২৬ রানের জয়ে এগিয়ে গেল। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে টসে জিতে নিউজিল্যান্ড ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে করে ২৪৭ রান।
জবাব দিতে গিয়ে শুরুতেই বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। ২১ রানে হারিয়ে বসে দুই উইকেট। এরপর ওপেনার সাইফ হাসানের সঙ্গে জুটি গড়ে টাইগারদের ম্যাচে রাখেন লিটন কুমার দাস। তাদের ৯৩ রানের জুটি ভাঙার পর বলা চলে তাসের ঘরের মতো হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে স্বাগতিকরা। সাইফের পরে শেষ দিকে তাওহীদ হৃদয় অর্ধশতক করলেও দলকে জয়ের বন্দরে নিতে পারেননি তিনি।
২৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি টাইগারদের। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে নাথান স্মিথের ব্যাক-টু-ব্যাক ডেলিভারিতে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম (২) ও নাজমুল হোসেন শান্ত (০)। ২১ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা।
সাইফ ও লিটন এই বিপর্যয় সামাল দেন। সাইফ আক্রমণাত্মক খেললেও লিটন ছিলেন সাবধানী। ২২তম ওভারের তৃতীয় বলে কিউই পেসার ও’রুর্কের বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ দেন সাইফ। ইনিংসের ২৭তম ওভারের দ্বিতীয় বলে অফ স্পিনার ডিন ফক্সক্রফটের শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন লিটন।
সাইফ ৫৭ রান করেন ৮ চার ও এক ছক্কায়। লিটনের সংগ্রহ ৪৬ রান। তাদের আউটের পর বাংলাদেশ আবার চাপে পড়ে। মিডল অর্ডারে তাওহীদ হৃদয় এক প্রান্ত আগলে দারুণ লড়াই করেন। তিনি ৬০ বলে সমান দুটি করে চার-ছক্কায় ৫৫ রান করেন। আফিফ হোসেন (২৭) ছাড়া কেউই তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি।
লেজের সারির ব্যাটাররা দ্রুত আউট হলে বাংলাদেশ ৪৮.৩ ওভারে ২২১ রানে গুটিয়ে যায়। কিউই বোলার ব্লেয়ার টিকনার ৪ উইকেট নিয়ে একাই বাংলাদেশের ব্যাটিং মেরুদণ্ড ভেঙে দেন। এছাড়া নাথান স্মিথ নিয়েছেন ৩ উইকেট।
এর আগে টসে জিতে নিউজিল্যান্ড ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে করে ২৪৭ রান। পাওয়ার প্লেতে স্বাগতিক বোলাররা নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন। শরিফুল ইসলামের পেসে বিদ্ধ হয়ে ইনিংসের ৬.৩ ওভারে ফেরেন কেলি। প্রথম পাওয়ার প্লে শেষে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৩৮ রান। নিজের প্রথম স্পেলের ৫ ওভারে ২৭টি ডট আদায় করেন বামহাতি পেসার শরিফুল।
দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে উইল ইয়াং (৩০) কিছুটা প্রতিরোধের আভাস দিলেও রিশাদ হোসেনের ঘূর্ণিতে তা স্থায়ী হয়নি। তবে দলকে একাই টেনছেন হেনরি নিকোলস। তাঁর ৮৩ বলে ৯ চারের সাহায্যে ৬৮ রানের ইনিংসই কিউইদের সম্মানজনক স্কোরের ভিত গড়ে দেন।
কিউই ক্যাপ্টেন টম ল্যাথাম (১৪) রান করে মিরাজের বলে বোল্ড হন। লেগি রিশাদ ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। ১০ ওভারে ৪৪ রানে তিনি তুলে নিয়েছেন উইল ইয়ং ও হেনরি নিকোলসের মতো তারকার উইকেট। অবশ্য শেষ দিকে ডিন ফক্সক্রফট ৫৮ বলে ৫৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেললে সফরকারীদের স্কোর দাঁড়ায় ৮ উইকেটে ২৪৭।
শরিফুল ১০ ওভারে মাত্র ২৭ রান দিয়ে পেয়েছেন ২ উইকেট। উইকেট ২ পেলেও তাসকিন আহমেদ ১০ ওভারে দিয়েছেন ৫০ রান। নাহিদ রানা ও অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ একটি করে উইকেট পেয়েছেন।

ফুটবল বিশ্বকাপের মূল আসরে মাঠে নামার আগে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে জয় পেতে ঘাম ছুটেছে পর্তুগালের। নাইজেরিয়ার বিপক্ষে শেষপর্যন্ত ২-১ ব্যবধানের জিতলেও এক সময় ড্রয়ের শঙ্কা ভর করেছিল রবার্তো মার্তিনেজের দলের ওপর। দলের সুপারস্টার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো শুরু থেকে থাকলেও মাঠে ক্যারিশমা দেখাতে পারেননি।
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে নেমেই বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া। শূন্য রানেই তিন উইকেট হারিয়ে ফেলেছে অজিরা। বাংলাদেশে হয়ে ২টি উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান। আরেকটি পকেটে পুরেছেন আগের ম্যাচেও শুরুতে আঘাত হানা তাসকিন আহমেদ।
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। সিরিজের প্রথম ম্যাচেও টসে জেতা অজিরা বাংলাদেশকে পাঠিয়েছিল ব্যাটিংয়ে। সেই ম্যাচ তাঁরা হারে ৮৬ রানে।
১ ঘণ্টা আগে
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে রয়েছে গ্রুপ পর্বের ৩২টি ম্যাচ, নকআউট রাউন্ডের ৫২টি ম্যাচ, কোয়ার্টারফাইনাল, সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী এবং ফাইনাল।
১২ ঘণ্টা আগে