‘খ্রিস্টান হত্যার’ অভিযোগে নাইজেরিয়ায় হামলার হুমকি ট্রাম্পেরযুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নাইজেরিয়ায় খ্রিস্টানদের ওপর সহিংসতার অভিযোগ তুলে দেশটিতে হামলার হুমকি দিয়েছেন। ট্রাম্প জানান, যুদ্ধ মন্ত্রণালয়কে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
আমেরিকার প্রথম ‘সৎ’ প্রেসিডেন্টক্ষোভ এখন এক ধরনের জীবনধারা, নৈরাশ্য এক ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাশন। রাজনৈতিক সমালোচনা এখন পণ্য—মিডিয়া ও প্রকাশনা শিল্প মানুষের ক্ষোভকে বই, ডকুমেন্টারি, বা সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে রূপ দিচ্ছে।
ট্রাম্পের এশিয়া সফরে যুক্তরাষ্ট্র কী পেলো, বাণিজ্যযুদ্ধ কি শেষ হলোচীনের সঙ্গে বাণিজ্য-যুদ্ধের দামার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার পাঁচ দিনের এশিয়া সফর শেষ করেন বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর)। ট্রাম্প মালয়েশিয়া, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া সফর এবং দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন।
ট্রাম্পের এশিয়া সফরে অর্জন ভালো, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের দুর্বলতা ফুটে উঠেছেযুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টদের বিদেশ সফর সাধারণত বিশ্বমঞ্চে আমেরিকার শক্তি প্রদর্শনের সুযোগ হিসেবে দেখা হয়। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক পাঁচ দিনের পূর্ব এশিয়া সফরও ছিল মূলত তার ক্ষমতা ও প্রভাবের প্রদর্শন। তবে এবার একই সঙ্গে, সেই ক্ষমতার সীমাবদ্ধতাও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
ট্রাম্প ও শি বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছেছেন, যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রতিদ্বন্দ্বিতার উত্তেজনা কমলোদুই নেতা দক্ষিণ কোরিয়ায় এপেক সম্মেলনের ফাঁকে এক বছরের জন্য এই বাণিজ্য চুক্তি করেন। এটি ছিল ২০১৯ সালের পর তাদের প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ।
চীনা পণ্যে ১০ শতাংশ শুল্ক কমালেন ট্রাম্পচীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর দেশটির পণ্যের ওপর শুল্ক ১০ শতাংশ কমিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প বলেন, চীনের পণ্যে শুল্ক হার ৫৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪৭ শতাংশ করা হয়েছে।
বৈঠক শেষে ট্রাম্প বললেন, ‘আমরা প্রায় সবকিছুতেই একমত’প্রত্যাশার চেয়ে কম সময়েই চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বহুল প্রতীক্ষিত বৈঠক শেষ হয়েছে। বৈঠক শেষে ট্রাম্প বলেছেন, তিনি এবং শি ‘প্রায় সবকিছুতেই একমত’ হয়েছেন।
দ. কোরিয়ায় বৈঠকে ট্রাম্প-শিমার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বহুল প্রতীক্ষিত বৈঠকটি শুরু হয়েছে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ট্রাম্প কি প্রভাব ফেলতে পারবেনমালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে ৪৭তম আসিয়ান সম্মেলনে যোগ দেওয়ার মধ্য দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর এশিয়া সফর শুরু করেন। এই সফর এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া মার্কিন-চীন বাণিজ্যযুদ্ধের চাপের মধ্যে কৌশলগত স্বাধীনতা রক্ষার চেষ্টা করছে।
প্রতিবাদের প্রতীক যখন ব্যাঙসবুজ ফোলানো ব্যাঙের পোশাক পরে যুক্তরাষ্ট্রের রাস্তায় নেমেছেন হাজারো মানুষ। গত সপ্তাহের পর থেকেই টিকটক, ইন্সটাগ্রাম, ব্লুস্কাইসহ যুক্তরাষ্ট্রের নানা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভরে গেছে ফোলানো ব্যাঙের ছবি ও ভিডিওতে। কিন্তু কেন?
চীনের সঙ্গে উত্তেজনার মাঝে লম্বা এশিয়া সফরে ট্রাম্পপাঁচ থেকে ছয় দিনের এই সফরে তিনি মালয়েশিয়া, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় যাবেন। সফরের মূল লক্ষ্য হলো ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির আলোকে এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। এটি এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য বিরোধ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংকট তীব্র হয়ে উঠছে।
ক্যারিবীয় সাগরে মার্কিন রণতরী, মাদুরোকে হটাতেই কি ট্রাম্পের এত আয়োজনযুক্তরাষ্ট্র হঠাৎ করেই ক্যারিবীয়ান সাগরে ভেনেজুয়েলার আশপাশে সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে থাকে। সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো মানে—বিশ্বের সর্ববৃহৎ রণতরী থেকে শুরু করে এফ-৩৫ যুদ্ধ বিমান, পরমাণু শক্তি চালিত সাবমেরিন এবং কয়েক হাজার সেনার উপস্থিতি।
ট্রাম্পের কঠোর হুঁশিয়ারিপশ্চিম তীরকে যুক্ত করলে সমর্থন হারাবে ইসরায়েলইসরায়েলকে সতর্ক করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, দখলকৃত পশ্চিম তীরকে নিজেদের সঙ্গে যুক্ত করার যেকোনো প্রচেষ্টা চালালে দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের সমর্থন হারাতে পারে।
ট্রাম্প-পুতিন বৈঠক ভেস্তে গেল কেন, ইউক্রেনের ওপর এর কী প্রভাব পড়বেযুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে বৈঠকের সময় নির্ধারিত ছিল। কিন্তু সেই পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে। মঙ্গলবার ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়ে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ‘বর্তমান সীমান্তে স্থগিত’ রাখার আহ্বান
ট্রাম্প কি অর্থনৈতিক যুদ্ধে হেরে যাবেনযুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে তাঁর মূল অর্থনৈতিক নীতি আবারও চীনের সঙ্গে পূর্ণ মাত্রার বাণিজ্য যুদ্ধের রূপ নিয়েছে। এই নীতিতে রয়েছে উচ্চ শুল্ক, রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ, এবং ‘আমেরিকা ফার্স্ট’-ভিত্তিক অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতার হুমকি। বিশ্লেষকদের মতে, এটি এক ধরনের ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ’।
‘নো কিং’ বিক্ষোভ: স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এক আধুনিক প্রতিরোধসাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ‘নো কিং’ (কোনো রাজা মানি না) আন্দোলনের ব্যানারে দেশব্যাপী বিক্ষোভের এক জোয়ার দেখা গেছে। দেশটির ছোট-বড় শহরগুলোতে হাজার হাজার মানুষ একত্রিত হয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের স্বৈরাচারসদৃশ কর্মকাণ্ড ও বক্তব্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে।