বাংলাদেশের গণহত্যার কথা বিশ্বব্যাপী জানিয়েছিলেন যে বিদেশি সাংবাদিক১৯৭১ সালে বাংলাদেশের গণহত্যা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সবচেয়ে বেশি রিপোর্ট করেছিলেন নিউইয়র্ক টাইমসের সংবাদদাতা সিডনি এইচ শনবার্গ। ২৫ মার্চ রাতে অপারেশন সার্চলাইটের ভয়াবহ গণহত্যার তিনি ছিলেন প্রত্যক্ষদর্শী।০৭ ডিসেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশের জন্য বিমান ছিনতাইকারী জ্যঁ ক্যুঁয়ে২৮ বছর বয়সী এক ফরাসি যুবক, যার চোখেমুখে এক অদ্ভুত উন্মাদনা, নিরাপত্তার সব বাধা টপকে আচমকা ককপিটে ঢুকে পড়লেন। তার এক হাতে একটি লোডেড ৯ এমএম রিভলবার, অন্য হাতে একটি কালো সুটকেস—যার ভেতর থেকে উঁকি দিচ্ছে কিছু বৈদ্যুতিক তার। তিনি পাইলটের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে শান্ত কিন্তু ইস্পাতকঠিন গলায় বললেন, ‘এই বিমান০৭ ডিসেম্বর ২০২৫
অপারেশন ওমেগা: ত্রাণ দিতে এসে কারাগারে গেলেন এলেন কনেটদুপুর সোয়া বারোটা। যশোর রোড ধরে ধুলো উড়িয়ে বাংলাদেশে ঢুকে পড়ল ওমেগার গাড়ি। কিন্তু বেশিদূর যাওয়া গেল না। কয়েকশ গজ ভেতরে ঢুকতেই পাকিস্তানি সেনারা পথ আটকে দাঁড়াল। শুরু হলো তর্ক।০৭ ডিসেম্বর ২০২৫
ট্রাক থেকে ছুড়ে ফেলে দিলেন সন্তানের লাশ: জন সারের চোখে একাত্তরের ভয়াবহতাকরিমপুর সীমান্তের পথে নেমে দেখলেন মাইলের পর মাইলজুড়ে মানুষের স্রোত। তাঁরা কেউ পর্যটক নন, তাঁরা শরণার্থী। পেছনে ফেলে এসেছেন নিজেদের ভিটামাটি, সাজানো সংসার আর প্রিয়জনের লাশ।০৬ ডিসেম্বর ২০২৫
মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে চেয়েছিলেন যুদ্ধবিমান•জীবিতদের চেয়ে শহীদের সংখ্যা বেশি, বলেছিলেন অঁদ্রে মালরো‘ফাঁকা বুলি আওড়াবার অভ্যাস আমার নেই। ট্যাংক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা আমার আছে। বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনীর অধীনে একটি ট্যাংক ইউনিটে অংশগ্রহণে আমি অটল।’ হুঙ্কার ছাড়লেন ৭০ বছর বয়সী অঁদ্রে মালরো। ওয়াশিংটন নিউজ পত্রিকায় ১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ সালে প্রকাশিত হলো এ প্রসঙ্গে একটি সম্পাদকীয়।০৫ ডিসেম্বর ২০২৫
একাত্তরে জুতা পলিশের টাকা ‘মহারাষ্ট্রের বাংলাদেশ-সহায়ক সমিতি’তে দেয় পথশিশুরাসাধারণত পথশিশুরা মানুষের কাছে হাত পাতে, সাহায্য চায়। কিন্তু সেদিন তাঁরা ছিল দাতা। সারা দিন তাঁরা যাত্রীদের জুতা পলিশ করল, হাঁকডাক করে লোক জড়ো করল, সবাইকে বাংলাদেশের মানুষের দুঃখের কথা বলল। দিনশেষে তাঁদের ছোট ছোট হাতে জমেছিল উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ।০৪ ডিসেম্বর ২০২৫
মুক্তিযোদ্ধাদের ধরিয়ে দিলেই মিলবে ‘নগদ পুরস্কার’, কী ছিল ৭১ সালের পত্রিকায়১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর একাধিক পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল মুক্তিযোদ্ধাদের ধরিয়ে দেওয়ার বিজ্ঞপ্তি। মুক্তিযোদ্ধাদের গ্রেপ্তার করা অথবা তাঁদের যাতে নিশ্চিতভাবে ধরা যায় এ ব্যাপারে পুলিশের কাছে তথ্য দিলে ১৪ মণ আমন চালের সমপরিমাণ টাকা পাওয়া যেত।০৩ ডিসেম্বর ২০২৫
১৯৭১ সালে যেভাবে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে লুকিয়ে ছিলেন সায়মন ড্রিংলন্ডনভিত্তিক ‘দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ’-এর রিপোর্টার সায়মন ড্রিং। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতের সেই বিভীষিকা যখন শুরু হয়, তখন পাকিস্তান সেনাবাহিনী সকল বিদেশি সাংবাদিকদের বন্দুকের মুখে ঢাকা ছাড়ার নির্দেশ দেয়। কিন্তু জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একজন সাংবাদিক থেকে গেলেন এই মৃত্যুপুরীতে। তিনি সায়মন ড্রিং।০৩ ডিসেম্বর ২০২৫
ছিল না ডাক্তারি ডিগ্রি, তবুও একাত্তরে সার্জারি করে সুস্থ করেছেন মুক্তিযোদ্ধাদের‘ফাদার, আপনি চলে যান। ওরা আপনাকে মেরে ফেলবে।’ শেলাবুনিয়ার গ্রামবাসী অনুরোধ করেন তাঁকে। শান্ত চোখে তাকালেন তিনি। ভাঙা ভাঙা বাংলায় বললেন, ‘আমার সন্তানেরা বিপদে, আর আমি বাবা হয়ে পালিয়ে যাব? আমি কোথাও যাব না। তোমাদের সঙ্গেই থাকব, তোমাদের সঙ্গেই মরব।’০৩ ডিসেম্বর ২০২৫
লাইফ ম্যাগাজিনের জন সারের চোখে ১৯৭১ এর শরণার্থী শিবির১৯৭১ সালের জুন মাসে লাইফ ম্যাগাজিনের সাংবাদিক জন সার এবং ফটোগ্রাফার মার্ক গডফেরি সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেছিলেন পূর্ব পাকিস্তান থেকে পালিয়ে আসা শরণার্থীদের অবর্ণনীয় দুঃখ-দুর্দশা। করিমপুর থেকে কৃষ্ণনগর—রাস্তার ধারের সেই মৃত্যুর মিছিল, কলেরার মহামারী এবং পাক হানাদার বাহিনীর বর্বরতার শিকার অসহায় মানুষের০২ ডিসেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশের জন্য বিমান ছিনতাই করেছিলেন জ্যঁ ক্যুঁয়ে, চেয়েছিলেন ২০ টন ওষুধ৩ ডিসেম্বর, ১৯৭১। প্যারিসের অরলি বিমানবন্দর। হাড়কাঁপানো শীতের দুপুর। রানওয়েতে দাঁড়িয়ে আছে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের বিশাল বোয়িং ৭২০ বিমান, ফ্লাইট ৭১২। গন্তব্য করাচি হয়ে ঢাকা। সিটবেল্ট বেঁধে তৈরি যাত্রীরা। ইঞ্জিনে থ্রাস্ট দেওয়ার অপেক্ষায় পাইলট।০২ ডিসেম্বর ২০২৫