অধ্যাপক, রাজনীতি ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, : নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়

‘বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ (বিআরই) চীনের এমন একটি উদ্যোগ যা চীনকে সমগ্র বিশ্বের সাথে যুক্ত রাখছে। চীনের জন্যে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা। এই উদ্যোগ মূলত চীনের প্রাচীন যোগাযোগ ব্যবস্থারই একটি আধুনিক ও বিস্তৃত রূপ।
০৭ জুলাই ২০২৬
চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের ভিত্তিটি ঐতিহাসিক। আমরা সেই ষাটের দশকের থেকে দেখে আসছি চীন বিভিন্ন সময় বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক নেতাদের চীনের সমাজ ও উন্নয়নকে দেখানোর জন্য নিয়ে যেতেন। এখানে যেমন শেখ মুজিবুর রহমানের নাম রয়েছে তেমনি রয়েছে মাওলানা ভাসানীর নামও।
২৪ জুন ২০২৬
ইউএনএইচসিআর-এর তথ্য অনুসারে ২০২৫ সালের শেষ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে শরণার্থীদের সংখ্যা ছিল ৪১ দশমিক ৬ মিলিয়ন, যা ২০১৫ সালে ছিল ২১ দশমিক ৩ মিলিয়ন। এই পরিসংখানের সঙ্গে শরণার্থী ব্যতীতও বিশ্বের সমগ্র বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠী যারা নানা কারণে নিজ দেশেই বাস্তুচ্যুত হয়ে পরে (আইডিপি) এবং বিভিন্ন দেশে যারা শরণার্থী
২০ জুন ২০২৬
আধুনিক জাতিরাষ্ট্রে সীমান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচিত হয়। সীমানার মধ্য দিয়ে দুটি রাষ্ট্রের সীমানাই কেবল নির্ধারিত হয় না, বরং রাষ্ট্রের নাগরিকদের অবাধ চলাচলের সীমারেখা ও নিয়ন্ত্রণের যৌক্তিকতাও নির্ধারিত হয়।
০৫ জুন ২০২৬
রাজনীতি ও রাজনৈতিক সংস্কৃতি খুব সহজে বদলায় না। স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশে সুস্থ ধারার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থার অভাব। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পরে যে সুযোগ এসেছিল তার সদ্ব্যবহার আমরা করতে পারিনি। তবে বিভিন্ন সময় প্রচেষ্টা যে ছিল না, তা কিন্তু নয়। এর পরও সুযোগ এসেছে। সেসবের মধ্যে বোধ হয় জুলা
০১ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস মূলত নানা রাজনৈতিক জটিলতা ও ক্রান্তিকালের ইতিহাস। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা-পরবর্তী সময় থেকে বাংলাদেশকে জাতি গঠনের নানা জটিল সমীকরণের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। এ সময় আমাদের যেমন নানাবিধ সংকট মোকাবিলা করতে হয়েছে, তেমনি দেশ গঠনের অনেক সুযোগও আমাদের সামনে এসেছে।
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি অনেকটাই ভারত এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন দ্বারা প্রভাবিত ছিল। জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের কূটনৈতিক ব্যবস্থাকে আরও প্রসারিত করেন এবং অন্যান্য দেশের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করার ইতিবাচক প্রচেষ্টা হাতে নেন।
১৯ জানুয়ারি ২০২৬
প্রতিবছর ২৫ আগস্টকে স্মরণ করা হয় রোহিঙ্গা গণহত্যা স্মরণ দিবস হিসেবে। ২০১৭ সালের এই সময়ে মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের বিতাড়িত হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। সে সময়ে মিয়ানমারে অবস্থিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী রাষ্ট্রের দ্বারা পরিচালিত সহিংসতা ও গণহত্যার শিকার হয়।
২৫ আগস্ট ২০২৫.png)