গবেষক ও লেখক, ঢাকা স্ট্রিম

ভারত যদি সাগরে অবরোধ না দিত, তবে পাকিস্তান থেকে জাহাজ রসদ, গোলাবারুদ বা তেল নিয়ে এখানে আসতে পারত। এই অবরোধ আমাদের বিজয়কে ত্বরান্বিত করেছে। যেকোনো সময় আমাদের ওপরও এমন অবরোধ আসতে পারে, যেমনটা বর্তমানে আমেরিকা দিচ্ছে। অবরোধ দিলে আমাদের তেল আনার বিকল্প কোনো স্থলপথ বা রুট নেই।

১৯৭৫ সালের ২১ এপ্রিল ফারাক্কা বাঁধের কমিশনিং অনুষ্ঠানে পূর্বনির্ধারিত প্রতিনিধি হয়েও তৎকালীন বাকশাল সরকারের পানিসম্পদমন্ত্রী আব্দুর রব সেরনিয়াবাত সেই অনুষ্ঠানে শেষতক যাননি। কারণ তৎকালীন সরকার ১৮ এপ্রিলে দেওয়া একটি সাময়িক অনুমোদনের ভিত্তিতে ২১ এপ্রিলেই ভারতের ফারাক্কা বাঁধ কমিশনিংয়ের সিদ্ধান্তে হতাশ

তবে এই জয় কি আসলেই বাংলাদেশের জন্য পানির নিশ্চয়তা আনবে, নাকি দিল্লির মহাপ্রকল্পের আড়ালে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে, তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশের জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য হরমুজ দিয়ে আমাদের জাহাজের নির্বিঘ্নে চলাচল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইউএন কনভেনশন অন দ্য ল অব দ্য সি বা (UNCLOS) সাপেক্ষে কি কূটনৈতিক তৎপরতা চালাতে পারে বাংলাদেশ? বিস্তারিত আলোচনা করেছেন এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ রিয়ার এডমিরাল (অবসরপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ খুরশেদ আলম।

এটা মূলত রাজনৈতিক ব্যাপার, কাজেই তারাই ব্যাপারটা দেখবেন। আবার রাজনীতির ব্যাপার হলেও এটা দেখা হয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে। গত ৬ এপ্রিল বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার দেখা করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে।

১৯৭১ সালের ২৫-২৬ মার্চ রাত ‘কালরাত্রি’ হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশের মানুষের জাতীয় জীবনের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দিয়েছিল ১৯৭১ সালের এই রাত। এর আগ অবধি স্বাধীনতা কিভাবে অর্জিত হবে তা নিয়ে জাতীয় জীবনে ছিল নানা জল্পনা-কল্পনা। বিষয়টি উঠে এসেছে কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমানের স্মৃতিচারণামূলক ‘কালরাত্রির খণ্ডচিত

জাতিসংঘ ঘোষিত বিশ্ব শান্তি দিবস (২১ সেপ্টেম্বর) কথা শুনলে মানুষের মনে এমন ক্ষোভ ও ব্যঙ্গ জাগতেই পারে যে, এসব দিবস দিয়ে আর কী আসে যায়, যেখানে যোগাযোগ মাধ্যম খুললেই দেশবিদেশ নির্বিশেষে কেবল নিরন্তর যুদ্ধ, সন্ত্রাস ও সংঘর্ষের খবর। সঙ্গে সঙ্গে এমন হতাশাও তৈরি হয় যে বাংলাদেশেও শান্তি বলে কিছু নেই!

‘তীব্র গরম কেবল একটি ঋতুকালীন অসুবিধা নয়। এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী। আমরা বাংলাদেশে দেখছি যে ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা আমাদের স্বাস্থ্য, কর্মক্ষমতা এবং দেশের সমৃদ্ধিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।’

ভারত নতুন করে বাংলাদেশের পাটপণ্যের ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে, যার ফলে দেশের সোনালি আঁশ খ্যাত শিল্পের অন্যতম প্রধান রপ্তানি বাজার অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য জোরদারের লক্ষ্যে একটি নতুন যৌথ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কমিশন গঠনে সম্মত হয়েছে। একই সঙ্গে একটি প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড এগ্রিমেন্ট (পিটিএ) প্রণয়ন এবং যৌথ অর্থনৈতিক কমিশন (জেইসি) পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনাও করছে।

বাংলাদেশের উপকূলীয় তিন অঞ্চলের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সবচেয়ে বেশি হুমকির মুখে রয়েছে পূর্বাঞ্চলীয় চট্টগ্রাম উপকূল। নতুন এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। এর ফলে দেশের বাণিজ্য, শিল্প ও পর্যটনের অন্যতম কেন্দ্র চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চল হয়ে উঠবে আরও ঝুঁকিপূর্ণ।