স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশের অর্থনীতি বর্তমানে দ্বৈত বাস্তবতার মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে—একদিকে কিছু সূচকে উন্নতির আভাস, অন্যদিকে মৌলিক চ্যালেঞ্জগুলোর স্থায়ী উপস্থিতি।
পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) প্রকাশিত সর্বশেষ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, মূল্যস্ফীতিতে সামান্য স্বস্তি, প্রবাসী আয় বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের স্থিতিশীলতা অর্থনীতিকে কিছুটা সহায়তা করলেও উচ্চ অখাদ্য মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব ঘাটতি, সরকারি ঋণের দ্রুত বৃদ্ধি, বেসরকারি খাতে ঋণে ধীরগতির ইঙ্গিত দেয় এবং রপ্তানিতে পতন সামগ্রিক পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে।
জিইডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের মার্চে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৭১ শতাংশে, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। এই হ্রাসের মূল কারণ খাদ্য মূল্যস্ফীতির পতন, যা ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ থেকে কমে ৮ দশমিক ২৪ শতাংশে নেমে এসেছে। বিশেষ করে চালের মূল্যস্ফীতি ঋণাত্মক হয়ে দাঁড়িয়েছে মাইনাস ২ দশমিক ২০ শতাংশে, যা সামগ্রিক খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে মাইনাস ৬ দশমিক ৪৬ শতাংশ অবদান রেখেছে। বোরো ধানের ভালো ফলন, আমদানি বৃদ্ধি এবং বাজার ব্যবস্থাপনার কারণে এই পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে। তবে খাদ্যপণ্যের অন্যান্য খাতে চাপ অব্যাহত রয়েছে। মাংসের মূল্যস্ফীতি ফেব্রুয়ারির ৬ দশমিক ৩২ শতাংশ থেকে বেড়ে মার্চে ১৫ দশমিক ১১ শতাংশে পৌঁছেছে। মাছ ও শুঁটকি মিলিয়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে ২৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ অবদান রেখেছে। একই সঙ্গে সবজির মূল্যস্ফীতি ২৮ দশমিক ৭৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা মৌসুমি সরবরাহ ঘাটতির ফল।
খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমলেও অখাদ্য মূল্যস্ফীতি উদ্বেগজনকভাবে উচ্চ অবস্থানে রয়েছে। মার্চে অখাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ০৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯ দশমিক ০১ শতাংশ। বাসাভাড়া, পরিবহন, জ্বালানি ও সেবা খাতে ব্যয় বৃদ্ধিই এর প্রধান কারণ। বৈশ্বিক জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধি এবং বিনিময় হারজনিত প্রভাব এই চাপকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। আয়ের ক্ষেত্রে কিছুটা উন্নতি হলেও তা যথেষ্ট নয়। মার্চে মজুরি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ০৯ শতাংশে, যা মূল্যস্ফীতির তুলনায় এখনও কম। ফলে প্রকৃত আয় কমে যাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা চাপের মুখে রয়েছে।
ব্যাংকিং খাতে আমানত বৃদ্ধি একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখা যাচ্ছে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে মোট আমানত দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৯৫ হাজার ৪৬১ দশমিক ৩ কোটি টাকায়, যা আগের বছরের তুলনায় ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ বেশি। তবে একই সময়ে সরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি বেড়ে ২৯ দশমিক ৬১ শতাংশে পৌঁছেছে, যা গত পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিপরীতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি মাত্র ৬ দশমিক ০৩ শতাংশ, যা বিনিয়োগে ধীরগতির ইঙ্গিত দেয়।
রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের ঘাটতি লক্ষ্য করা গেছে। মার্চে সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫৩ হাজার ২৯০ কোটি টাকা, কিন্তু আদায় হয়েছে মাত্র ৩৩ হাজার ৫২১ কোটি টাকা—অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার ৬২ দশমিক ৯০ শতাংশ। এতে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৭৬৯ কোটি টাকা। আমদানি-রপ্তানি শুল্ক, ভ্যাট এবং আয়কর—সব ক্ষেত্রেই এই ঘাটতি পরিলক্ষিত হয়েছে। উন্নয়ন ব্যয় বাস্তবায়নেও ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে মোট উন্নয়ন ব্যয় কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭৫ হাজার ৬০৭ কোটি টাকা, যেখানে আগের অর্থবছরে একই সময়ে ছিল ৮২ হাজার ৮৯৪ কোটি টাকা। বাস্তবায়ন হারও ৩৬ দশমিক ৬৫ শতাংশ থেকে সামান্য কমে ৩৬ দশমিক ১৯ শতাংশে নেমেছে। মার্চে ব্যয় কমে ১২ হাজার ২৮০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৫ হাজার ৩৪১ কোটি টাকা।
বৈদেশিক খাতে কিছুটা স্থিতিশীলতা রয়েছে। মার্চে বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৩৫ দশমিক ১১ বিলিয়ন ডলার। বিপিএম৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ২৯ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়ে ৩ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার। তবে রপ্তানি খাতে উল্লেখযোগ্য দুর্বলতা দেখা গেছে। মার্চে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি বছরওয়ারি হিসাবে মাইনাস ১৮ দশমিক ০৭ শতাংশে নেমে গেছে। তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি জানুয়ারির ৩ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার থেকে মার্চে কমে ২ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে আমদানি খাতে ‘অন্যান্য আমদানি’ ফেব্রুয়ারিতে বেড়ে ৬ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা অভ্যন্তরীণ চাহিদার স্থিতিশীলতা নির্দেশ করে।
ডলারের বিনিময় হার তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে; মার্চে ডলারপ্রতি গড় হার ছিল প্রায় ১২২ দশমিক ৬২ টাকা। তবে রিয়েল ইফেক্টিভ এক্সচেঞ্জ রেট (আরইইআর) বেড়ে ১২৬ দশমিক ০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা প্রকৃত অর্থে মুদ্রার অবমূল্যায়ন নির্দেশ করে এবং রপ্তানি প্রতিযোগিতায় প্রভাব ফেলতে পারে।
সার্বিকভাবে অর্থনীতি এখন একটি জটিল ভারসাম্যের মধ্যে রয়েছে। একদিকে প্রবাসী আয় ও রিজার্ভ শক্তিশালী অবস্থানে থাকলেও মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব ঘাটতি, উন্নয়ন ব্যয়ের ধীরগতি এবং রপ্তানি খাতের দুর্বলতা ভবিষ্যৎ ঝুঁকি তৈরি করছে। এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকট মোকাবিলা, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, উন্নয়ন প্রকল্পের গতি বাড়ানো এবং রপ্তানি খাতকে প্রতিযোগিতামূলক করে তোলা—এসব ক্ষেত্রে কার্যকর নীতিনির্ধারণই অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার প্রধান শর্ত হয়ে উঠেছে।

দেশের অর্থনীতি বর্তমানে দ্বৈত বাস্তবতার মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে—একদিকে কিছু সূচকে উন্নতির আভাস, অন্যদিকে মৌলিক চ্যালেঞ্জগুলোর স্থায়ী উপস্থিতি।
পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) প্রকাশিত সর্বশেষ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, মূল্যস্ফীতিতে সামান্য স্বস্তি, প্রবাসী আয় বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের স্থিতিশীলতা অর্থনীতিকে কিছুটা সহায়তা করলেও উচ্চ অখাদ্য মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব ঘাটতি, সরকারি ঋণের দ্রুত বৃদ্ধি, বেসরকারি খাতে ঋণে ধীরগতির ইঙ্গিত দেয় এবং রপ্তানিতে পতন সামগ্রিক পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে।
জিইডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের মার্চে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৭১ শতাংশে, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। এই হ্রাসের মূল কারণ খাদ্য মূল্যস্ফীতির পতন, যা ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ থেকে কমে ৮ দশমিক ২৪ শতাংশে নেমে এসেছে। বিশেষ করে চালের মূল্যস্ফীতি ঋণাত্মক হয়ে দাঁড়িয়েছে মাইনাস ২ দশমিক ২০ শতাংশে, যা সামগ্রিক খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে মাইনাস ৬ দশমিক ৪৬ শতাংশ অবদান রেখেছে। বোরো ধানের ভালো ফলন, আমদানি বৃদ্ধি এবং বাজার ব্যবস্থাপনার কারণে এই পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে। তবে খাদ্যপণ্যের অন্যান্য খাতে চাপ অব্যাহত রয়েছে। মাংসের মূল্যস্ফীতি ফেব্রুয়ারির ৬ দশমিক ৩২ শতাংশ থেকে বেড়ে মার্চে ১৫ দশমিক ১১ শতাংশে পৌঁছেছে। মাছ ও শুঁটকি মিলিয়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে ২৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ অবদান রেখেছে। একই সঙ্গে সবজির মূল্যস্ফীতি ২৮ দশমিক ৭৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা মৌসুমি সরবরাহ ঘাটতির ফল।
খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমলেও অখাদ্য মূল্যস্ফীতি উদ্বেগজনকভাবে উচ্চ অবস্থানে রয়েছে। মার্চে অখাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ০৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯ দশমিক ০১ শতাংশ। বাসাভাড়া, পরিবহন, জ্বালানি ও সেবা খাতে ব্যয় বৃদ্ধিই এর প্রধান কারণ। বৈশ্বিক জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধি এবং বিনিময় হারজনিত প্রভাব এই চাপকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। আয়ের ক্ষেত্রে কিছুটা উন্নতি হলেও তা যথেষ্ট নয়। মার্চে মজুরি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ০৯ শতাংশে, যা মূল্যস্ফীতির তুলনায় এখনও কম। ফলে প্রকৃত আয় কমে যাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা চাপের মুখে রয়েছে।
ব্যাংকিং খাতে আমানত বৃদ্ধি একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখা যাচ্ছে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে মোট আমানত দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৯৫ হাজার ৪৬১ দশমিক ৩ কোটি টাকায়, যা আগের বছরের তুলনায় ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ বেশি। তবে একই সময়ে সরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি বেড়ে ২৯ দশমিক ৬১ শতাংশে পৌঁছেছে, যা গত পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিপরীতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি মাত্র ৬ দশমিক ০৩ শতাংশ, যা বিনিয়োগে ধীরগতির ইঙ্গিত দেয়।
রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের ঘাটতি লক্ষ্য করা গেছে। মার্চে সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫৩ হাজার ২৯০ কোটি টাকা, কিন্তু আদায় হয়েছে মাত্র ৩৩ হাজার ৫২১ কোটি টাকা—অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার ৬২ দশমিক ৯০ শতাংশ। এতে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৭৬৯ কোটি টাকা। আমদানি-রপ্তানি শুল্ক, ভ্যাট এবং আয়কর—সব ক্ষেত্রেই এই ঘাটতি পরিলক্ষিত হয়েছে। উন্নয়ন ব্যয় বাস্তবায়নেও ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে মোট উন্নয়ন ব্যয় কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭৫ হাজার ৬০৭ কোটি টাকা, যেখানে আগের অর্থবছরে একই সময়ে ছিল ৮২ হাজার ৮৯৪ কোটি টাকা। বাস্তবায়ন হারও ৩৬ দশমিক ৬৫ শতাংশ থেকে সামান্য কমে ৩৬ দশমিক ১৯ শতাংশে নেমেছে। মার্চে ব্যয় কমে ১২ হাজার ২৮০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৫ হাজার ৩৪১ কোটি টাকা।
বৈদেশিক খাতে কিছুটা স্থিতিশীলতা রয়েছে। মার্চে বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৩৫ দশমিক ১১ বিলিয়ন ডলার। বিপিএম৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ২৯ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়ে ৩ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার। তবে রপ্তানি খাতে উল্লেখযোগ্য দুর্বলতা দেখা গেছে। মার্চে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি বছরওয়ারি হিসাবে মাইনাস ১৮ দশমিক ০৭ শতাংশে নেমে গেছে। তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি জানুয়ারির ৩ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার থেকে মার্চে কমে ২ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে আমদানি খাতে ‘অন্যান্য আমদানি’ ফেব্রুয়ারিতে বেড়ে ৬ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা অভ্যন্তরীণ চাহিদার স্থিতিশীলতা নির্দেশ করে।
ডলারের বিনিময় হার তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে; মার্চে ডলারপ্রতি গড় হার ছিল প্রায় ১২২ দশমিক ৬২ টাকা। তবে রিয়েল ইফেক্টিভ এক্সচেঞ্জ রেট (আরইইআর) বেড়ে ১২৬ দশমিক ০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা প্রকৃত অর্থে মুদ্রার অবমূল্যায়ন নির্দেশ করে এবং রপ্তানি প্রতিযোগিতায় প্রভাব ফেলতে পারে।
সার্বিকভাবে অর্থনীতি এখন একটি জটিল ভারসাম্যের মধ্যে রয়েছে। একদিকে প্রবাসী আয় ও রিজার্ভ শক্তিশালী অবস্থানে থাকলেও মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব ঘাটতি, উন্নয়ন ব্যয়ের ধীরগতি এবং রপ্তানি খাতের দুর্বলতা ভবিষ্যৎ ঝুঁকি তৈরি করছে। এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকট মোকাবিলা, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, উন্নয়ন প্রকল্পের গতি বাড়ানো এবং রপ্তানি খাতকে প্রতিযোগিতামূলক করে তোলা—এসব ক্ষেত্রে কার্যকর নীতিনির্ধারণই অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার প্রধান শর্ত হয়ে উঠেছে।

শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সহজ করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে সব ধরনের শুল্ক ও কর মওকুফ করেছে সরকার। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত আমদানিকারকরা এই বিশেষ সুবিধা পাবেন বলে জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
১ ঘণ্টা আগে
অসদাচরণের দায়ে বেতন কমানোর পর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তা সুলতানা হাবীবকে নতুন কর্মস্থলে বদলি করা হয়েছে। গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক আদেশের মাধ্যমে তাঁর সাময়িক বরখাস্তের আদেশও প্রত্যাহার করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশের বাজারে সোনার দাম কমেছে। আজ ২২ ক্যারেট সোনার দাম ভরিপ্রতি ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
৫ ঘণ্টা আগে
বৈরী আবহাওয়ার কারণে প্রায় ১৫ ঘণ্টা বিলম্বে ২৬ হাজার টন অকটেনবাহী একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে এসে পৌঁছেছে।
১০ ঘণ্টা আগে