স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাষ্ট্রায়ত্ত ৪৪টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবিত করতে দেশি-বিদেশি বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ উন্মুক্ত করেছে সরকার। এ লক্ষ্যে পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার অধীনে ১০ হাজার একরের বেশি আয়তনের এই শিল্প সম্পদগুলোর তালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।
পাঁচ রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলো হলো—বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন (বিএসইসি), বাংলাদেশ রাসায়নিক শিল্প কর্পোরেশন (বিসিআইসি), বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (বিএসএফআইসি), বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশন (বিটিএমসি) এবং বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশন (বিজেএমসি)।
এ বিষয়ে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন লিংকডইন পোস্টে বলেন, ‘বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় বেসরকারি খাতই সবচেয়ে উপযুক্ত। সরকারের উচিত বেসরকারি বিনিয়োগের সঙ্গে প্রতিযোগিতা না করে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা।’
এই উদ্যোগকে ‘উইন-উইন’ মডেল হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, বেসরকারি খাত বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহার করে দ্রুত উৎপাদন শুরু করতে পারবে। অন্যদিকে সরকার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও রাষ্ট্রীয় আর্থিক চাপ কমানোর সুবিধা পাবে। কিছু ক্ষেত্রে নতুন শিল্প স্থাপনের মাধ্যমে আমদানি নির্ভরতা কমানো বা রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হতে পারে।
আশিক মাহমুদ জানান, এ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন জেলার শিল্পাঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত ইস্পাত, বস্ত্র, রাসায়নিক, চিনি, খাদ্য ও পাট খাতের ৪৪টি বিনিয়োগ সুযোগ চিহ্নিত হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এগুলো বিচ্ছিন্ন বা অনিয়ন্ত্রিত সম্পদ নয়। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এসব শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছিল। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেখানে প্রয়োজনীয় ইউটিলিটি, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং শিল্পভিত্তিক জনবল ও শিল্প কমিউনিটি বিদ্যমান রয়েছে।’
আশিক মাহমুদ জানান, দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে ইতোমধ্যে আলোচনা চলছে।
বিডার পক্ষ থেকে আগ্রহী বিনিয়োগকারীদের জন্য ৪৪টি শিল্প সম্পদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে একটি অনলাইন পোর্টাল (https://investbangladesh.gov.bd/) উন্মুক্ত করা হয়েছে। পোর্টালে প্রতিটি সম্পদের অবস্থান, আয়তন, অবকাঠামো এবং সম্ভাব্য বিনিয়োগ কাঠামো সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য রয়েছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত ৪৪টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবিত করতে দেশি-বিদেশি বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ উন্মুক্ত করেছে সরকার। এ লক্ষ্যে পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার অধীনে ১০ হাজার একরের বেশি আয়তনের এই শিল্প সম্পদগুলোর তালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।
পাঁচ রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলো হলো—বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন (বিএসইসি), বাংলাদেশ রাসায়নিক শিল্প কর্পোরেশন (বিসিআইসি), বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (বিএসএফআইসি), বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশন (বিটিএমসি) এবং বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশন (বিজেএমসি)।
এ বিষয়ে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন লিংকডইন পোস্টে বলেন, ‘বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় বেসরকারি খাতই সবচেয়ে উপযুক্ত। সরকারের উচিত বেসরকারি বিনিয়োগের সঙ্গে প্রতিযোগিতা না করে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা।’
এই উদ্যোগকে ‘উইন-উইন’ মডেল হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, বেসরকারি খাত বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহার করে দ্রুত উৎপাদন শুরু করতে পারবে। অন্যদিকে সরকার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও রাষ্ট্রীয় আর্থিক চাপ কমানোর সুবিধা পাবে। কিছু ক্ষেত্রে নতুন শিল্প স্থাপনের মাধ্যমে আমদানি নির্ভরতা কমানো বা রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হতে পারে।
আশিক মাহমুদ জানান, এ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন জেলার শিল্পাঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত ইস্পাত, বস্ত্র, রাসায়নিক, চিনি, খাদ্য ও পাট খাতের ৪৪টি বিনিয়োগ সুযোগ চিহ্নিত হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এগুলো বিচ্ছিন্ন বা অনিয়ন্ত্রিত সম্পদ নয়। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এসব শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছিল। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেখানে প্রয়োজনীয় ইউটিলিটি, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং শিল্পভিত্তিক জনবল ও শিল্প কমিউনিটি বিদ্যমান রয়েছে।’
আশিক মাহমুদ জানান, দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে ইতোমধ্যে আলোচনা চলছে।
বিডার পক্ষ থেকে আগ্রহী বিনিয়োগকারীদের জন্য ৪৪টি শিল্প সম্পদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে একটি অনলাইন পোর্টাল (https://investbangladesh.gov.bd/) উন্মুক্ত করা হয়েছে। পোর্টালে প্রতিটি সম্পদের অবস্থান, আয়তন, অবকাঠামো এবং সম্ভাব্য বিনিয়োগ কাঠামো সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য রয়েছে।
.png)

টানা তিন মাস পর জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের নিচে নামলেও বাজারে তার প্রভাব মিলছে না। নিত্যপণ্যের পাশাপাশি জ্বালানি, বিদ্যুৎ, পরিবহন ও অন্যান্য সেবার উচ্চমূল্যে সংসার সামলাতে হিমশিম নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ। মজুরি বৃদ্ধির হারের চেয়ে মূল্যস্ফীতি বেশি থাকায় কমছে সার্বিক ক্রয়ক্ষমতা।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৮ হাজার ৪৮৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ থেকে ৯৩৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে ডিজিটাল রূপান্তর এবং অবকাঠামো বিনিয়োগ ও অর্থায়ন নিয়ে দুটি যৌথ ব্যবসায়িক টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে ভারতের ব্যবসায়ী সংগঠন কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (সিআইআই)।
১৮ আগস্ট ২০২৬
চীনের বাজার ধরতে রাজশাহীর রেশমকে আধুনিকায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলম। তিনি বলেন, চীনে বাজারে বাংলাদেশি রেশমের অবস্থান তৈরি করতে আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও উন্নত বিপণন কৌশল নিতে হবে। আধুনিকায়নের মাধ্যমে এই শিল্পের গৌরব ফিরিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে।
১৮ আগস্ট ২০২৬