এলএনজি ফুরিয়ে এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ, কমল গ্যাস সরবরাহ

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ২২: ২৭
এলএনজি ফুরিয়ে এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ। ছবি: সংগৃহীত
এলএনজি ফুরিয়ে এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ। ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের মহেশখালীতে মার্কিন প্রতিষ্ঠান এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনালে (এফএসআরইউ) তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ফুরিয়ে গেছে। এতে থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে যায়।

বুধবার (১৯ আগস্ট) বেলা ৩টার দিকে টার্মিনালটি গ্যাসশূন্য হয়ে পড়লে সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। পেট্রোবাংলা ও রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল)

দুটি সূত্র স্ট্রিমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, নতুন কার্গো না আসা পর্যন্ত টার্মিনালটি বন্ধ থাকবে। টার্মিনাল বন্ধের কারণে দেশে গ্যাস সরবরাহ কমেছে।

দেশে বর্তমানে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট। পরিস্থিতি সামাল দিতে অন্তত ২৭০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা থাকে, যার মধ্যে ১০৫ কোটি ঘনফুট আসে এলএনজি থেকে।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ হওয়ার পর বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের মোট সরবরাহ ছিল ২১৮ কোটি ৯০ লাখ ঘনফুটে।

মহেশখালীতে আমদানি করা এলএনজি রূপান্তরের জন্য দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। এর মধ্যে এক্সিলারেটের সক্ষমতা দৈনিক ৬০ কোটি ঘনফুট এবং দেশীয় কোম্পানি সামিটের সক্ষমতা ৫০ কোটি ঘনফুট।

গত ২১ জুলাই অগ্নিকাণ্ডের পর এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালটি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ৬ আগস্ট আংশিক এবং ১৫ আগস্ট পুনরায় চালু হলেও মজুত ফুরিয়ে যাওয়ায় তা আবারও বন্ধ হলো।

পেট্রোবাংলা সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার একটি এলএনজি কার্গো আসার কথা রয়েছে, যা সামিটের টার্মিনালে যুক্ত হবে। অন্যদিকে, এক্সিলারেটের জন্য নতুন কার্গো পৌঁছাতে আগামী ২৩ থেকে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত

এলএনজি ফুরিয়ে এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ, কমল গ্যাস সরবরাহ