স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রতি বছরের মতো এবারও রমজান মাস শুরু হতেই রাজধানীর কাঁচাবাজার থেকে শুরু করে মুদি দোকান—সবখানেই বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম। তবে এবারের বিশেষত্ব হলো, দাম বাড়ার বিষয়টিকে ব্যবসায়ীরা এখন আর ‘পণ্য সংকট’ বলছেন না; বরং একে একপ্রকার ‘অলিখিত নিয়ম’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছেন।
রমজানের প্রথম দিন মোহাম্মদপুর টাউন হল ও এর আশপাশের বাজারে এক হালি লেবু বিক্রি হয়েছে ১২০ থেকে ১৫০ টাকায়। তবে রমজানের ষষ্ঠ দিন (আজ মঙ্গলবার) বাজার ঘুরে দেখা গেল, লেবুর দাম কমে এক হালি ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া পেঁয়াজের দামও কিছুটা কমেছে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ (মুড়িকাটা) বিক্রি হয়েছে ৪০–৫০ টাকায়। রোজার আগের দিন ও রোজার প্রথম দিনে দাম ছিল ৫০–৬০ টাকা।
তবে দাম বেড়েছে মুরগির। এক সপ্তাহ আগে এক কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল ১৫০–১৬০ টাকা। অন্যদিকে সোনালির দাম ছিল ২৮০ টাকা। আজ ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২০০–২২০ টাকায় এবং সোনালি বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকায়।
এছাড়া কাঁচা মরিচ, শসা, ক্ষীরা ও টমেটোর দামও বেড়েছে। মান ও জাতভেদে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ গতকাল বিক্রি হয়েছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায়, যা দুই দিন আগেও ছিল ১০০ থেকে ১২০ টাকা। শসা ও ক্ষীরা বিক্রি হয়েছে ৬০-৮০ টাকায়, তিন দিন আগে যার দাম ছিল ৫০-৬০ টাকা। টমেটো ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হলেও কয়েক দিন আগে ছিল ৪০-৫০ টাকা।
রোজার শুরু থেকে প্রতি কেজি লম্বা বেগুনের দাম ২০ টাকা বেড়ে হয়েছে ৮০-১০০ টাকা। একইভাবে ধনেপাতার দামও ২০ টাকা বেড়ে ৯০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মোহাম্মদপুর টাউনহল বাজার, জনতা বাজার, কৃষি মার্কেট ও কারওয়ান কাঁচা বাজার ঘুরে অন্তত ১২ জন বিক্রেতার সঙ্গে কথা হয়। তাঁরা জানান, বাজারে কোনো পণ্যেরই খুব একটা ঘাটতি নেই। তাহলে দাম বাড়ছে কেন? উত্তরে তাো যা বললেন তার বার্তা একটাই—‘প্রতিবছর রমজানের শুরুতে সব পণ্যের দাম বাড়ে, এটা নতুন কিছু নয়!’
মোহাম্মদপুর এলাকার ৪০ ফিট রোডের কাঁচা বাজারে মুরগি বিক্রি করেন ওসমান আলী। তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক বছর রমজান আইলেই মুরগির দাম বাড়ে। কেন বাড়ে, জানি না। সব কিছুর দাম বাড়ব, এইডাই নিয়ম।’
ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, যখনই কোনো পণ্যের চাহিদা তৈরি হয়, তখনই ব্যবসায়ীরা সুযোগ নেন। লেবুর বাজারে গত তিন–চার দিনে যা ঘটেছে, তা ঠিক চাহিদা ও জোগানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ক্রেতাদের ঠকিয়ে বাড়তি মুনাফা অর্জনের প্রবণতা এ ক্ষেত্রে দেখা গেছে। এর মূল কারণ সমাজের সব জায়গায় নৈতিক অবক্ষয় হয়েছে।
এছাড়া আমদানির খরচ বাড়ার অজুহাতেও বিক্রেতারা পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়। কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) গত মাসে জানিছে, আমদানির খরচ বাড়ার অজুহাতে মজুতদাররা প্রয়োজনের তুলনায় পণ্যের দাম অনেক বেশ বাড়িয়ে দিচ্ছে। টিসিবির মাধ্যমে সরকার পণ্য সরবরাহ করলেও তা চাহিদার তুলনায় অনেক কম।
নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার পেছনে পরিবহন খাতের চাঁদাবাজিও একটি কারণ বলে মনে করা হয়। বগুড়ার ট্রাকচালক সুমন ইসলাম জানান, রমজান উপলক্ষে মহাসড়কগুলোতে যানজট বাড়ে এবং সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে বিভিন্ন পয়েন্টে ‘চাঁদাবাজি’। পণ্যবাহী ট্রাক ঢাকা পৌঁছাতে যে পরিমাণ টাকা বিভিন্ন জায়গায় দিতে হয়, তাতে দাম না বাড়িয়ে উপায় থাকে না। এটা এখন এই ব্যবসার অলিখিত নিয়ম হয়ে গেছে।
পরিবহণে চাঁদাবাজির কথা স্বীকার করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ গতকাল সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘পরিবহন থেকে যে চাঁদা নিচ্ছে সেটা কোনো না কোনোভাবে ব্যবসার ওপরে আসছে। যে কোনো মূল্যে এই চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে।’
তারপর আছে সিন্ডিকেট। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, পুরো বাজার ব্যবস্থাটি কিছু বড় কর্পোরেট হাউজ এবং পাইকারি সিন্ডিকেটের দখলে চলে গেছে। তারা পণ্য মজুত রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এবং পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়।
এ বিষয়ে গতকাল সোমবার মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজার পরিদর্শন শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সাংবাদিকদের বলেন, ‘কিছু মানুষ রোজার মাসের সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করছে। বাজারে পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও রমজানের আগে যে পণ্য ৪০-৫০ টাকা ছিল, তা হুট করে ১২০ টাকায় উঠে যাওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। যারা মূল্য বৃদ্ধির কারসাজিতে জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে আইন নিজের গতিতে চলবে।’
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালালেও তার প্রভাব খুব একটা স্থায়ী হচ্ছে না। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, অভিযান শেষ হতেই দাম আবার আগের জায়গায় ফিরে যায়। রমজানকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত মুনাফা লোটার এই অসুস্থ প্রতিযোগিতাকে ব্যবসায়ীরা ‘সিজনাল বিজনেস’ বা ‘মৌসুমি ব্যবসা’ হিসেবে দেখেন বলেই দাম বাড়ানোটা তাদের কাছে ‘নিয়মে’ পরিণত হয়েছে।
ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবের সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, পাইকারি ও খুচরা বাজারে সরকারের নিবিড় নজরদারি দরকার। অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তি দিতে হবে। এ জন্য ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী ও দৃশ্যমান হওয়া জরুরি। বাজার তদারকি এখনো সাময়িক ও পরিস্থিতিনির্ভর। এ কাজ সারা বছর হওয়া উচিত।

প্রতি বছরের মতো এবারও রমজান মাস শুরু হতেই রাজধানীর কাঁচাবাজার থেকে শুরু করে মুদি দোকান—সবখানেই বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম। তবে এবারের বিশেষত্ব হলো, দাম বাড়ার বিষয়টিকে ব্যবসায়ীরা এখন আর ‘পণ্য সংকট’ বলছেন না; বরং একে একপ্রকার ‘অলিখিত নিয়ম’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছেন।
রমজানের প্রথম দিন মোহাম্মদপুর টাউন হল ও এর আশপাশের বাজারে এক হালি লেবু বিক্রি হয়েছে ১২০ থেকে ১৫০ টাকায়। তবে রমজানের ষষ্ঠ দিন (আজ মঙ্গলবার) বাজার ঘুরে দেখা গেল, লেবুর দাম কমে এক হালি ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া পেঁয়াজের দামও কিছুটা কমেছে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ (মুড়িকাটা) বিক্রি হয়েছে ৪০–৫০ টাকায়। রোজার আগের দিন ও রোজার প্রথম দিনে দাম ছিল ৫০–৬০ টাকা।
তবে দাম বেড়েছে মুরগির। এক সপ্তাহ আগে এক কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল ১৫০–১৬০ টাকা। অন্যদিকে সোনালির দাম ছিল ২৮০ টাকা। আজ ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২০০–২২০ টাকায় এবং সোনালি বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকায়।
এছাড়া কাঁচা মরিচ, শসা, ক্ষীরা ও টমেটোর দামও বেড়েছে। মান ও জাতভেদে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ গতকাল বিক্রি হয়েছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায়, যা দুই দিন আগেও ছিল ১০০ থেকে ১২০ টাকা। শসা ও ক্ষীরা বিক্রি হয়েছে ৬০-৮০ টাকায়, তিন দিন আগে যার দাম ছিল ৫০-৬০ টাকা। টমেটো ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হলেও কয়েক দিন আগে ছিল ৪০-৫০ টাকা।
রোজার শুরু থেকে প্রতি কেজি লম্বা বেগুনের দাম ২০ টাকা বেড়ে হয়েছে ৮০-১০০ টাকা। একইভাবে ধনেপাতার দামও ২০ টাকা বেড়ে ৯০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মোহাম্মদপুর টাউনহল বাজার, জনতা বাজার, কৃষি মার্কেট ও কারওয়ান কাঁচা বাজার ঘুরে অন্তত ১২ জন বিক্রেতার সঙ্গে কথা হয়। তাঁরা জানান, বাজারে কোনো পণ্যেরই খুব একটা ঘাটতি নেই। তাহলে দাম বাড়ছে কেন? উত্তরে তাো যা বললেন তার বার্তা একটাই—‘প্রতিবছর রমজানের শুরুতে সব পণ্যের দাম বাড়ে, এটা নতুন কিছু নয়!’
মোহাম্মদপুর এলাকার ৪০ ফিট রোডের কাঁচা বাজারে মুরগি বিক্রি করেন ওসমান আলী। তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক বছর রমজান আইলেই মুরগির দাম বাড়ে। কেন বাড়ে, জানি না। সব কিছুর দাম বাড়ব, এইডাই নিয়ম।’
ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, যখনই কোনো পণ্যের চাহিদা তৈরি হয়, তখনই ব্যবসায়ীরা সুযোগ নেন। লেবুর বাজারে গত তিন–চার দিনে যা ঘটেছে, তা ঠিক চাহিদা ও জোগানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ক্রেতাদের ঠকিয়ে বাড়তি মুনাফা অর্জনের প্রবণতা এ ক্ষেত্রে দেখা গেছে। এর মূল কারণ সমাজের সব জায়গায় নৈতিক অবক্ষয় হয়েছে।
এছাড়া আমদানির খরচ বাড়ার অজুহাতেও বিক্রেতারা পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়। কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) গত মাসে জানিছে, আমদানির খরচ বাড়ার অজুহাতে মজুতদাররা প্রয়োজনের তুলনায় পণ্যের দাম অনেক বেশ বাড়িয়ে দিচ্ছে। টিসিবির মাধ্যমে সরকার পণ্য সরবরাহ করলেও তা চাহিদার তুলনায় অনেক কম।
নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার পেছনে পরিবহন খাতের চাঁদাবাজিও একটি কারণ বলে মনে করা হয়। বগুড়ার ট্রাকচালক সুমন ইসলাম জানান, রমজান উপলক্ষে মহাসড়কগুলোতে যানজট বাড়ে এবং সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে বিভিন্ন পয়েন্টে ‘চাঁদাবাজি’। পণ্যবাহী ট্রাক ঢাকা পৌঁছাতে যে পরিমাণ টাকা বিভিন্ন জায়গায় দিতে হয়, তাতে দাম না বাড়িয়ে উপায় থাকে না। এটা এখন এই ব্যবসার অলিখিত নিয়ম হয়ে গেছে।
পরিবহণে চাঁদাবাজির কথা স্বীকার করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ গতকাল সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘পরিবহন থেকে যে চাঁদা নিচ্ছে সেটা কোনো না কোনোভাবে ব্যবসার ওপরে আসছে। যে কোনো মূল্যে এই চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে।’
তারপর আছে সিন্ডিকেট। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, পুরো বাজার ব্যবস্থাটি কিছু বড় কর্পোরেট হাউজ এবং পাইকারি সিন্ডিকেটের দখলে চলে গেছে। তারা পণ্য মজুত রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এবং পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়।
এ বিষয়ে গতকাল সোমবার মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজার পরিদর্শন শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সাংবাদিকদের বলেন, ‘কিছু মানুষ রোজার মাসের সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করছে। বাজারে পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও রমজানের আগে যে পণ্য ৪০-৫০ টাকা ছিল, তা হুট করে ১২০ টাকায় উঠে যাওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। যারা মূল্য বৃদ্ধির কারসাজিতে জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে আইন নিজের গতিতে চলবে।’
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালালেও তার প্রভাব খুব একটা স্থায়ী হচ্ছে না। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, অভিযান শেষ হতেই দাম আবার আগের জায়গায় ফিরে যায়। রমজানকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত মুনাফা লোটার এই অসুস্থ প্রতিযোগিতাকে ব্যবসায়ীরা ‘সিজনাল বিজনেস’ বা ‘মৌসুমি ব্যবসা’ হিসেবে দেখেন বলেই দাম বাড়ানোটা তাদের কাছে ‘নিয়মে’ পরিণত হয়েছে।
ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবের সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, পাইকারি ও খুচরা বাজারে সরকারের নিবিড় নজরদারি দরকার। অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তি দিতে হবে। এ জন্য ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী ও দৃশ্যমান হওয়া জরুরি। বাজার তদারকি এখনো সাময়িক ও পরিস্থিতিনির্ভর। এ কাজ সারা বছর হওয়া উচিত।

রমজানে বাংলাদেশের বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বাড়াটা এক প্রকার ‘নিয়ম’হয়ে দাঁড়ালেও বিশ্বের অনেক মুসলিম প্রধান দেশে চিত্রটি সম্পূর্ণ উল্টো। মধ্যপ্রাচ্যসহ অনেক দেশে এ সময় নিত্যপণ্যের দাম কমানো হয় বা স্থিতিশীল রাখা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
উচ্চ সুদ, ভঙ্গুর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, চাঁদাবাজি এবং জ্বালানি অনিশ্চয়তাকে দেশের অর্থনীতির জন্য ‘আত্মঘাতী’ বলে অভিহিত করেছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ।
১ দিন আগে
বাজরের বর্তমান পরিস্থিতি সন্তোষজনক এবং শিগগিরই ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মোহাম্মদপুর টাউন হল কাঁচাবাজার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
১ দিন আগে
দেশের বাজারে আবারও বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। স্থানীয় বাজারে তেজাবী (পিউর) সোনার মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে নতুন এই মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
১ দিন আগে