কেবল ভালো মানের ফোন থাকলেই চমৎকার ছবি পাওয়া যায় না। এর জন্য প্রয়োজন কিছু কৌশল আর সৃজনশীলতা। কিছু নিয়ম মেনে চললে আপনার সাধারণ স্মার্টফোন দিয়েই এই ঈদে প্রফেশনাল মানের সব ছবি তোলা সম্ভব।
স্ট্রিম ডেস্ক

কোরবানির ঈদের আনন্দ মানেই নতুন পোশাক, সুস্বাদু খাবার আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানো দারুণ কিছু মুহূর্ত। আর এই বিশেষ দিনগুলোর প্রতিটি স্মৃতিকে অমলিন করে রাখতে এখন আমাদের সঙ্গী হাতের স্মার্টফোন।
তবে কেবল ভালো মানের ফোন থাকলেই চমৎকার ছবি পাওয়া যায় না। এর জন্য প্রয়োজন কিছু কৌশল আর সৃজনশীলতা। কিছু নিয়ম মেনে চললে আপনার সাধারণ স্মার্টফোন দিয়েই এই ঈদে প্রফেশনাল মানের সব ছবি তোলা সম্ভব।
আলো ও যুতসই সেটিংস
ফটোগ্রাফির আক্ষরিক অর্থই হলো ‘আলো দিয়ে আঁকা’। ভালো ছবির জন্য আলোর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু নেই। ঈদের সকালে ছবি তোলার সময় সবচেয়ে ভালো উৎস হলো প্রাকৃতিক আলো।
সরাসরি কড়া রোদে ছবি না তুলে জানালার পাশে বা বারান্দার সফট আলোতে ছবি তোলার চেষ্টা করুন। রোদে ছবি তুললে অনেক সময় চেহারায় ছায়া পড়ে, যা এড়াতে কোনো গাছের ছায়া বা বড় বিল্ডিংয়ের ছায়াযুক্ত স্থান বেছে নিন। মনে রাখবেন, আলোর উৎস যেন সবসময় আপনার সাবজেক্টের (যার ছবি তুলছেন) সামনে থাকে।
কারিগরি প্রস্তুতির ক্ষেত্রে সবচেয়ে অবহেলিত বিষয় ফোনের লেন্স পরিষ্কার করা। সারাদিন ব্যবহারের ফলে লেন্সে আঙুলের ছাপ বা ধুলো পড়ে ছবি ঝাপসা হয়ে যায়। তাই ছবি তোলার আগে অবশ্যই নরম সুতি কাপড় দিয়ে লেন্স মুছে নিন।
এ ছাড়া ফোনের সেটিংসে গিয়ে ‘গ্রিড লাইনস’ অপশনটি চালু করে নিন। এটি আপনাকে ‘রুল অব থার্ডস’ মেনে ছবি তুলতে সাহায্য করবে, যা ছবির ভারসাম্য বজায় রাখে। ডিজিটাল জুম করা থেকে বিরত থাকুন। জুম করলে ছবির পিক্সেল ফেটে যায়। এর বদলে সম্ভব হলে নিজে সাবজেক্টের কাছে এগিয়ে যান।
নান্দনিক কম্পোজিশন ও যুৎসই অ্যাঙ্গেল নির্বাচন
সাধারণ দৃশ্যকেও অসাধারণ করে তোলা যায় কেবল দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিয়ে। ছবি তোলার সময় সাবজেক্টকে সবসময় ফ্রেমের একদম মাঝখানে না রেখে ডানে বা বামে সরিয়ে রাখলে তা দেখতে বেশি নান্দনিক হয়।
অ্যাঙ্গেলের ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য আনুন। বিশেষ করে শিশুদের ছবি তোলার সময় আমরা প্রায়ই ভুল করি তাদের ওপর থেকে ফোন ধরে। এর বদলে আপনি নিজে হাঁটু গেড়ে বসে শিশুদের চোখের উচ্চতায় নেমে এসে ছবি তুলুন। এতে তাদের অভিব্যক্তি অনেক বেশি প্রাণবন্ত ও অর্থবহ মনে হয়।

আবার ঘরোয়া পরিবেশে বা খাওয়ার টেবিলে যখন ঈদের খাবারের ছবি তুলবেন, তখন সরাসরি ওপর থেকে ছবি তোলার চেষ্টা করুন। বাড়ির স্থাপত্য বা নতুন পাঞ্জাবি-শাড়ির পুরো অবয়ব ফুটিয়ে তুলতে নিচু অ্যাঙ্গেল থেকে ছবি তুললে আভিজাত্য প্রকাশ পায়।
ছবির ব্যাকগ্রাউন্ডের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। ব্যাকগ্রাউন্ডে যেন খুব বেশি অগোছালো বা বেশি মানুষ না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখুন। ছিমছাম দেয়াল বা সুন্দর বাগান ব্যাকগ্রাউন্ড হিসেবে সেরা।
ক্যান্ডিড মোমেন্ট ও পূর্ণাঙ্গ ফ্যামিলি ফ্রেম
ঈদের আসল আনন্দ থাকে মানুষের হাসি-খুশি আর ব্যস্ততার মাঝে। সবাই মিলে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে ‘পোজ’ দেওয়া ছবির চেয়ে মানুষ যখন নিজের অজান্তেই হাসছে বা কথা বলছে, সেই ‘ক্যান্ডিড’ মুহূর্তগুলো অনেক বেশি স্মৃতিবহ হয়। যেমন মা রান্নায় ব্যস্ত, বড়রা কোলাকুলি করছে কিংবা ছোটরা মিলে হুল্লোড় করে সালামি গুনছে। এই মুহূর্তগুলো ফোনের ‘ব্রাস্ট মোড’ ব্যবহার করে ফ্রেমবন্দি করুন। এতে দ্রুত নড়াচড়া করা মুহূর্তগুলোর মাঝেও সেরা শটটি বেছে নেওয়া সহজ হয়।
পারিবারিক বড় গ্রুপ ছবির ক্ষেত্রে সবাইকে এক লাইনে দাঁড় করিয়ে না দিয়ে উচ্চতা অনুযায়ী সাজান। কেউ সোফায় বসুন, কেউ পেছনে দাঁড়িয়ে থাকুন—এভাবে কয়েকটি স্তর বা ‘লেয়ার’ তৈরি করলে গ্রুপ ছবি অনেক বেশি প্রফেশনাল মনে হয়।
ছবিতে ফটোগ্রাফার নিজেও যেন যুক্ত থাকতে পারেন, সেজন্য টাইমার ব্যবহার করুন।
ফোনটি একটি ট্রাইপডে বা স্থির জায়গায় বসিয়ে টাইমার সেট করে নিজেই ফ্রেমে চলে আসুন। এতে পরিবারের কেউ ছবির বাইরে থাকবে না এবং পূর্ণাঙ্গ একটি ফ্রেমে সবার মিলনমেলা ধরা পড়বে।
ক্যামেরা মোড ও এডিটিংয়ের ম্যাজিক
দামী স্মার্টফোনে অনেক ফিচার থাকে যেগুলোর সঠিক ব্যবহার আমরা অনেকেই জানি না। একক ছবি বা পোর্ট্রেটের জন্য ফোনের ‘প্রোটেট মোড’ বা ‘লাইভ ফোকাস’ ব্যবহার করুন। এটি সাবজেক্টকে গুরুত্ব দিয়ে পেছনের ব্যাকগ্রাউন্ড সুন্দরভাবে ব্লার করে দেয়। দেখতে ডিএসএলআর ক্যামেরার মতো লাগে।
যদি ঘরের ভেতরে বা অল্প আলোতে ছবি তোলেন, তবে ‘নাইট মোড’ ব্যবহার করুন। আবার যেখানে আলো এবং ছায়ার পার্থক্য অনেক বেশি, সেখানে ‘এইচডিআর মোড’ চালু রাখলে ছবির প্রতিটি অংশ সমানভাবে ফুটে ওঠে।
ছবি তোলার কাজ শেষ হলে এডিটিংয়ের মাধ্যমে তাতে শেষ ছোঁয়া দিতে পারেন। স্ন্যাপসিড, অ্যাডোবি লাইটরুম বা পিক্সআর্ট-এর মতো অ্যাপগুলো স্মার্টফোনেই চমৎকার এডিটিং সুবিধা দেয়।
তবে এডিটিংয়ের সময় খেয়াল রাখবেন যেন ছবির স্বাভাবিকতা নষ্ট না হয়। হালকা ব্রাইটনেস, কনট্রাস্ট এবং কালার স্যাচুরেশন ঠিক করে নিলেই ছবি জীবন্ত হয়ে ওঠে। অতিরিক্ত ফিল্টার ব্যবহার করলে ত্বকের রং কৃত্রিম মনে হতে পারে। তাই যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকুই এডিট করুন। মনে রাখবেন, একটি ভালো ছবি মানে হলো সেটি যেন আপনার ঈদের দিনটিকে ঠিক সেভাবেই মনে করিয়ে দেয় যেমনটা আপনি অনুভব করেছিলেন।
তবে ফোনের পেছনে সারাদিন ব্যয় না করে সেরা মুহূর্তগুলো দ্রুতবন্দি করে বাকি সময়টা প্রিয়জনদের সঙ্গে প্রাণভরে উপভোগ করুন।

কোরবানির ঈদের আনন্দ মানেই নতুন পোশাক, সুস্বাদু খাবার আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানো দারুণ কিছু মুহূর্ত। আর এই বিশেষ দিনগুলোর প্রতিটি স্মৃতিকে অমলিন করে রাখতে এখন আমাদের সঙ্গী হাতের স্মার্টফোন।
তবে কেবল ভালো মানের ফোন থাকলেই চমৎকার ছবি পাওয়া যায় না। এর জন্য প্রয়োজন কিছু কৌশল আর সৃজনশীলতা। কিছু নিয়ম মেনে চললে আপনার সাধারণ স্মার্টফোন দিয়েই এই ঈদে প্রফেশনাল মানের সব ছবি তোলা সম্ভব।
আলো ও যুতসই সেটিংস
ফটোগ্রাফির আক্ষরিক অর্থই হলো ‘আলো দিয়ে আঁকা’। ভালো ছবির জন্য আলোর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু নেই। ঈদের সকালে ছবি তোলার সময় সবচেয়ে ভালো উৎস হলো প্রাকৃতিক আলো।
সরাসরি কড়া রোদে ছবি না তুলে জানালার পাশে বা বারান্দার সফট আলোতে ছবি তোলার চেষ্টা করুন। রোদে ছবি তুললে অনেক সময় চেহারায় ছায়া পড়ে, যা এড়াতে কোনো গাছের ছায়া বা বড় বিল্ডিংয়ের ছায়াযুক্ত স্থান বেছে নিন। মনে রাখবেন, আলোর উৎস যেন সবসময় আপনার সাবজেক্টের (যার ছবি তুলছেন) সামনে থাকে।
কারিগরি প্রস্তুতির ক্ষেত্রে সবচেয়ে অবহেলিত বিষয় ফোনের লেন্স পরিষ্কার করা। সারাদিন ব্যবহারের ফলে লেন্সে আঙুলের ছাপ বা ধুলো পড়ে ছবি ঝাপসা হয়ে যায়। তাই ছবি তোলার আগে অবশ্যই নরম সুতি কাপড় দিয়ে লেন্স মুছে নিন।
এ ছাড়া ফোনের সেটিংসে গিয়ে ‘গ্রিড লাইনস’ অপশনটি চালু করে নিন। এটি আপনাকে ‘রুল অব থার্ডস’ মেনে ছবি তুলতে সাহায্য করবে, যা ছবির ভারসাম্য বজায় রাখে। ডিজিটাল জুম করা থেকে বিরত থাকুন। জুম করলে ছবির পিক্সেল ফেটে যায়। এর বদলে সম্ভব হলে নিজে সাবজেক্টের কাছে এগিয়ে যান।
নান্দনিক কম্পোজিশন ও যুৎসই অ্যাঙ্গেল নির্বাচন
সাধারণ দৃশ্যকেও অসাধারণ করে তোলা যায় কেবল দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিয়ে। ছবি তোলার সময় সাবজেক্টকে সবসময় ফ্রেমের একদম মাঝখানে না রেখে ডানে বা বামে সরিয়ে রাখলে তা দেখতে বেশি নান্দনিক হয়।
অ্যাঙ্গেলের ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য আনুন। বিশেষ করে শিশুদের ছবি তোলার সময় আমরা প্রায়ই ভুল করি তাদের ওপর থেকে ফোন ধরে। এর বদলে আপনি নিজে হাঁটু গেড়ে বসে শিশুদের চোখের উচ্চতায় নেমে এসে ছবি তুলুন। এতে তাদের অভিব্যক্তি অনেক বেশি প্রাণবন্ত ও অর্থবহ মনে হয়।

আবার ঘরোয়া পরিবেশে বা খাওয়ার টেবিলে যখন ঈদের খাবারের ছবি তুলবেন, তখন সরাসরি ওপর থেকে ছবি তোলার চেষ্টা করুন। বাড়ির স্থাপত্য বা নতুন পাঞ্জাবি-শাড়ির পুরো অবয়ব ফুটিয়ে তুলতে নিচু অ্যাঙ্গেল থেকে ছবি তুললে আভিজাত্য প্রকাশ পায়।
ছবির ব্যাকগ্রাউন্ডের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। ব্যাকগ্রাউন্ডে যেন খুব বেশি অগোছালো বা বেশি মানুষ না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখুন। ছিমছাম দেয়াল বা সুন্দর বাগান ব্যাকগ্রাউন্ড হিসেবে সেরা।
ক্যান্ডিড মোমেন্ট ও পূর্ণাঙ্গ ফ্যামিলি ফ্রেম
ঈদের আসল আনন্দ থাকে মানুষের হাসি-খুশি আর ব্যস্ততার মাঝে। সবাই মিলে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে ‘পোজ’ দেওয়া ছবির চেয়ে মানুষ যখন নিজের অজান্তেই হাসছে বা কথা বলছে, সেই ‘ক্যান্ডিড’ মুহূর্তগুলো অনেক বেশি স্মৃতিবহ হয়। যেমন মা রান্নায় ব্যস্ত, বড়রা কোলাকুলি করছে কিংবা ছোটরা মিলে হুল্লোড় করে সালামি গুনছে। এই মুহূর্তগুলো ফোনের ‘ব্রাস্ট মোড’ ব্যবহার করে ফ্রেমবন্দি করুন। এতে দ্রুত নড়াচড়া করা মুহূর্তগুলোর মাঝেও সেরা শটটি বেছে নেওয়া সহজ হয়।
পারিবারিক বড় গ্রুপ ছবির ক্ষেত্রে সবাইকে এক লাইনে দাঁড় করিয়ে না দিয়ে উচ্চতা অনুযায়ী সাজান। কেউ সোফায় বসুন, কেউ পেছনে দাঁড়িয়ে থাকুন—এভাবে কয়েকটি স্তর বা ‘লেয়ার’ তৈরি করলে গ্রুপ ছবি অনেক বেশি প্রফেশনাল মনে হয়।
ছবিতে ফটোগ্রাফার নিজেও যেন যুক্ত থাকতে পারেন, সেজন্য টাইমার ব্যবহার করুন।
ফোনটি একটি ট্রাইপডে বা স্থির জায়গায় বসিয়ে টাইমার সেট করে নিজেই ফ্রেমে চলে আসুন। এতে পরিবারের কেউ ছবির বাইরে থাকবে না এবং পূর্ণাঙ্গ একটি ফ্রেমে সবার মিলনমেলা ধরা পড়বে।
ক্যামেরা মোড ও এডিটিংয়ের ম্যাজিক
দামী স্মার্টফোনে অনেক ফিচার থাকে যেগুলোর সঠিক ব্যবহার আমরা অনেকেই জানি না। একক ছবি বা পোর্ট্রেটের জন্য ফোনের ‘প্রোটেট মোড’ বা ‘লাইভ ফোকাস’ ব্যবহার করুন। এটি সাবজেক্টকে গুরুত্ব দিয়ে পেছনের ব্যাকগ্রাউন্ড সুন্দরভাবে ব্লার করে দেয়। দেখতে ডিএসএলআর ক্যামেরার মতো লাগে।
যদি ঘরের ভেতরে বা অল্প আলোতে ছবি তোলেন, তবে ‘নাইট মোড’ ব্যবহার করুন। আবার যেখানে আলো এবং ছায়ার পার্থক্য অনেক বেশি, সেখানে ‘এইচডিআর মোড’ চালু রাখলে ছবির প্রতিটি অংশ সমানভাবে ফুটে ওঠে।
ছবি তোলার কাজ শেষ হলে এডিটিংয়ের মাধ্যমে তাতে শেষ ছোঁয়া দিতে পারেন। স্ন্যাপসিড, অ্যাডোবি লাইটরুম বা পিক্সআর্ট-এর মতো অ্যাপগুলো স্মার্টফোনেই চমৎকার এডিটিং সুবিধা দেয়।
তবে এডিটিংয়ের সময় খেয়াল রাখবেন যেন ছবির স্বাভাবিকতা নষ্ট না হয়। হালকা ব্রাইটনেস, কনট্রাস্ট এবং কালার স্যাচুরেশন ঠিক করে নিলেই ছবি জীবন্ত হয়ে ওঠে। অতিরিক্ত ফিল্টার ব্যবহার করলে ত্বকের রং কৃত্রিম মনে হতে পারে। তাই যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকুই এডিট করুন। মনে রাখবেন, একটি ভালো ছবি মানে হলো সেটি যেন আপনার ঈদের দিনটিকে ঠিক সেভাবেই মনে করিয়ে দেয় যেমনটা আপনি অনুভব করেছিলেন।
তবে ফোনের পেছনে সারাদিন ব্যয় না করে সেরা মুহূর্তগুলো দ্রুতবন্দি করে বাকি সময়টা প্রিয়জনদের সঙ্গে প্রাণভরে উপভোগ করুন।
বাস থেকে নেমে, বিপত্তি বাধলো হোটেলের রিসিপশনে এসে। বিপত্তি না বলে ‘বিপদ’ বলা ভালো—‘মহা বিপদ’। রিসিপশনিস্ট ছেলেটা জানাল, তাদের হোটেলে আজকের তারিখে আমার নামে কোনো রিজার্ভেশন নেই।
১ ঘণ্টা আগে
কোরবানির ঈদে বাড়িতে বানানো হয় মাংসের বিভিন্ন পদ। সকালে মাংস-রুটি, দুপুরে কালাভুনা বা মেজবানি গরুর মাংস আর রাতে পোলাও-কোরমা কিংবা বিরিয়ানি। ঈদের সময়টায় কখনও নিজের ঘরে, কখনও দাওয়াতে মাংস খাওয়ার ধুম চলতেই থাকে। তবে উৎসবের আনন্দে অনেকেই হিসাব ছাড়া মাংস খেয়ে ফেলেন। এতে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে।
৪ ঘণ্টা আগে
কলম আমার বয়সী মানুষের কাছে খুব পছন্দ আর শখের বস্তু। সম্ভবত আমাদের প্রজন্মই চক বা পেন্সিল থেকে শুরু করে বলপেন হয়ে স্মার্টপেনের বিবর্তন দেখতে পেয়েছে। এর আগে ঘড়ি নিয়ে আমার একটা লেখা সম্পর্কে অনেকেই ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন। কলম নিয়ে লেখার জন্য উৎসাহ দিয়েছেন। সে সূত্রে আজ বলা যাক কলমের গল্প।
৫ ঘণ্টা আগে
বারিধারার এই ডুপলেক্স ভবনের দক্ষিণের মাস্টার বেডরুমটা বুড়ো আমজাদ সাহেবের এখন স্থায়ী ঠিকানা। পাশের ঝকঝকে টয়লেট আর লেক ভিউ বারান্দাটাও তার। শরীর আর মনের যে অবস্থা, তাতে জুম্মার নামাজে মসজিদে যাওয়ার সামর্থ্যটুকুও হারিয়েছেন তিনি। জায়নামাজে বসে তসবিহ গোনা আর শেলফের উপরে রাখা পবিত্র কোরআনের ক্যালিগ্রাফি
৫ ঘণ্টা আগে