স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ ও চার কমিশনার পদত্যাগ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ মে) সকালে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে তাঁরা পদত্যাগপত্র জমা দেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক।
পদত্যাগ করা চার কমিশনার হলেন মহসিন চৌধুরী, আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ ও মো. সাইফউদ্দিন।
এদিকে, আজই নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।
চেয়ারম্যান ও কমিশনাররা ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন বলে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্র জানিয়েছে।
বিএসইসির বিদায়ী চেয়ারম্যান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছেন, গত ২১ মাস বিএসইসির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের পর আমি ব্যক্তিগত বিষয়ে মনোনিবেশ করার জন্য পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
তিনি লিখেছেন, আমরা অত্যন্ত বিশৃঙ্খল সময়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলাম এবং তাৎক্ষণিকভাবে আইনি কাঠামো ও বাজার শৃঙ্খলার দীর্ঘ সংস্কার কাজ শুরু করি। এই সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে আমরা পাঁচটি বিধিমালার (মার্জিন, আইপিও, মিউচুয়াল ফান্ড, ঋণ সিকিউরিটিজ, হুইসেলব্লোয়ার) গেজেট প্রকাশ করেছি। এ ছাড়া জনমত যাচাইয়ের জন্য সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ৩টি খসড়া বিধিমালা/নির্দেশিকা প্রকাশ করেছি। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের চূড়ান্ত বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত (এফআইডি) পাসের জন্য দুটি আইনের খসড়াও (বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন এবং ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড আইন) তৈরি করেছি।
বাজারের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বিধি-পালন ও আইন প্রয়োগে অত্যন্ত কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি এনেছেন দাবি করে বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, আমরা সব আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক হস্তক্ষেপের প্রক্রিয়া দূর করেছি এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও নিয়মিত অংশীজনদের (স্টেকহোল্ডার) সম্পৃক্তকরণ কর্মসূচির মাধ্যমে বাজার, মধ্যস্থতাকারী ও ইস্যুকারীদের স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছি।
একটি পুনরুজ্জীবিত এবং প্রাণবন্ত বিএসইসি দলের মাধ্যমে উপরের সব পদক্ষেপ অর্জন করা সম্ভব হয়েছে জানিয়ে তিনি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ ও চার কমিশনার পদত্যাগ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ মে) সকালে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে তাঁরা পদত্যাগপত্র জমা দেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক।
পদত্যাগ করা চার কমিশনার হলেন মহসিন চৌধুরী, আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ ও মো. সাইফউদ্দিন।
এদিকে, আজই নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।
চেয়ারম্যান ও কমিশনাররা ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন বলে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্র জানিয়েছে।
বিএসইসির বিদায়ী চেয়ারম্যান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছেন, গত ২১ মাস বিএসইসির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের পর আমি ব্যক্তিগত বিষয়ে মনোনিবেশ করার জন্য পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
তিনি লিখেছেন, আমরা অত্যন্ত বিশৃঙ্খল সময়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলাম এবং তাৎক্ষণিকভাবে আইনি কাঠামো ও বাজার শৃঙ্খলার দীর্ঘ সংস্কার কাজ শুরু করি। এই সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে আমরা পাঁচটি বিধিমালার (মার্জিন, আইপিও, মিউচুয়াল ফান্ড, ঋণ সিকিউরিটিজ, হুইসেলব্লোয়ার) গেজেট প্রকাশ করেছি। এ ছাড়া জনমত যাচাইয়ের জন্য সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ৩টি খসড়া বিধিমালা/নির্দেশিকা প্রকাশ করেছি। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের চূড়ান্ত বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত (এফআইডি) পাসের জন্য দুটি আইনের খসড়াও (বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন এবং ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড আইন) তৈরি করেছি।
বাজারের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বিধি-পালন ও আইন প্রয়োগে অত্যন্ত কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি এনেছেন দাবি করে বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, আমরা সব আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক হস্তক্ষেপের প্রক্রিয়া দূর করেছি এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও নিয়মিত অংশীজনদের (স্টেকহোল্ডার) সম্পৃক্তকরণ কর্মসূচির মাধ্যমে বাজার, মধ্যস্থতাকারী ও ইস্যুকারীদের স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছি।
একটি পুনরুজ্জীবিত এবং প্রাণবন্ত বিএসইসি দলের মাধ্যমে উপরের সব পদক্ষেপ অর্জন করা সম্ভব হয়েছে জানিয়ে তিনি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

ন্যূনতম আয়কর ৫ হাজার টাকার পাশাপাশি প্রথম করদাতাদের ক্ষেত্রে এটি ন্যূনতম ১ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এবারের বাজেটে। অর্থ্যাৎ, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে করের পরিমাণ কম হলেও পুরোনো করদাতাদের ৫ হাজার এবং নতুনদের ১ হাজার টাকা দিতে হবে।
৫ মিনিট আগে
আর্থসামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি পার্বত্য তিন জেলায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও স্থানীয় মানুষের আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন কৃষি ও বৃক্ষরোপণ প্রকল্পে সরকার বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে।
৯ মিনিট আগে
পরিবেশের ক্ষতির জন্য দুই গাড়ির মালিক হলেই সরকারকে প্রতি বছর দিতে হয় সারচার্জ। ন্যূনতম এই করের পরিমাণ ২৫ হাজার টাকা। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে এটি আগের মতোই রাখা হয়েছে।
২৩ মিনিট আগে
র্তমান করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থ বিলের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা অনুযায়ী—
২৯ মিনিট আগে