স্ট্রিম প্রতিবেদক

ইসলামী ব্যাংকের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান খুরশীদ আলম ঋণখেলাপি কিনা, এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, খুরশীদ আলম নিজে ঋণখেলাপি নন, তাঁর স্ত্রীর মালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠান ঋণখেলাপি।
মঙ্গলবার (২ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের বলেন, খোঁজ নিয়ে জানা গেছে– ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে ৩ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া একটি প্রতিষ্ঠানের যৌথ মালিক খুরশীদ আলমের স্ত্রী। ওই ঋণ পরে খেলাপি হয়েছে। ফলে খুরশীদ আলমকে ঋণখেলাপি হিসেবে অভিহিত করা সঠিক নয়। তাঁর স্ত্রীর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের ঋণ খেলাপি হলেও খুরশীদ আলম ব্যক্তিগতভাবে ঋণখেলাপি নন। স্ত্রীর ঋণ খেলাপির কারণে খুরশীদ আলমের চেয়ারম্যান হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই।
এদিকে, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক সূত্র জানায়, ২০১৬ সালে খুরশীদ আলমের স্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক জামাল মোল্লার স্ত্রীর নামে একটি কোম্পানি দিলকুশা শাখা থেকে ঋণ নেয়। কোম্পানির নাম ‘এগ্রোকর্প লিমিটেড’, যা পরে খেলাপি হয়ে পড়ে। কোম্পানিটির অস্তিত্ব নেই। বর্তমানে খেলাপির পরিমাণ ৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। তখন ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ছিলেন মোহাম্মদ সাইফুল আলম বা এস আলম।
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পদত্যাগ করতে হয় খুরশীদ আলমকে। আর জামাল মোল্লাকে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান করা হয়েছে।
খুরশীদ আলমকে ঘিরে সম্প্রতি পুরোনো অভিযোগও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের রংপুর অফিসে মহাব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি কৌশলে ৫৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর ২০১৮ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগ একটি অফিস আদেশ জারি করে।
ওই আদেশে বলা হয়, ২০১৭ সালের ৩ এপ্রিল খুরশীদ আলমের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক স্টাফ রেগুলেশনস-২০০৩-এর ৪৪ (১) (বি) ধারা অনুযায়ী তাঁর দুটি বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি (ইনক্রিমেন্ট) বন্ধ করা হয়।
তবে দীর্ঘ আট বছর পর ওই ঘটনার বিষয়ে অবস্থান জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘সে সময় খুরশীদ আলমের বিরুদ্ধে ভুল তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছিল। ফলে তাঁকে যে শাস্তি দেওয়া হয়েছিল, তা যথাযথ ছিল না। এ কারণেই পরে তিনি নির্বাহী পরিচালক এবং ডেপুটি গভর্নর হিসেবে পদোন্নতি পান।’
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে খুরশীদ আলমের নিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করে তাদের সিদ্ধান্ত সঠিক। কোনো ধরনের আন্দোলন বা চাপের মুখে বাংলাদেশ ব্যাংক সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করবে না।

ইসলামী ব্যাংকের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান খুরশীদ আলম ঋণখেলাপি কিনা, এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, খুরশীদ আলম নিজে ঋণখেলাপি নন, তাঁর স্ত্রীর মালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠান ঋণখেলাপি।
মঙ্গলবার (২ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের বলেন, খোঁজ নিয়ে জানা গেছে– ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে ৩ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া একটি প্রতিষ্ঠানের যৌথ মালিক খুরশীদ আলমের স্ত্রী। ওই ঋণ পরে খেলাপি হয়েছে। ফলে খুরশীদ আলমকে ঋণখেলাপি হিসেবে অভিহিত করা সঠিক নয়। তাঁর স্ত্রীর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের ঋণ খেলাপি হলেও খুরশীদ আলম ব্যক্তিগতভাবে ঋণখেলাপি নন। স্ত্রীর ঋণ খেলাপির কারণে খুরশীদ আলমের চেয়ারম্যান হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই।
এদিকে, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক সূত্র জানায়, ২০১৬ সালে খুরশীদ আলমের স্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক জামাল মোল্লার স্ত্রীর নামে একটি কোম্পানি দিলকুশা শাখা থেকে ঋণ নেয়। কোম্পানির নাম ‘এগ্রোকর্প লিমিটেড’, যা পরে খেলাপি হয়ে পড়ে। কোম্পানিটির অস্তিত্ব নেই। বর্তমানে খেলাপির পরিমাণ ৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। তখন ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ছিলেন মোহাম্মদ সাইফুল আলম বা এস আলম।
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পদত্যাগ করতে হয় খুরশীদ আলমকে। আর জামাল মোল্লাকে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান করা হয়েছে।
খুরশীদ আলমকে ঘিরে সম্প্রতি পুরোনো অভিযোগও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের রংপুর অফিসে মহাব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি কৌশলে ৫৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর ২০১৮ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগ একটি অফিস আদেশ জারি করে।
ওই আদেশে বলা হয়, ২০১৭ সালের ৩ এপ্রিল খুরশীদ আলমের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক স্টাফ রেগুলেশনস-২০০৩-এর ৪৪ (১) (বি) ধারা অনুযায়ী তাঁর দুটি বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি (ইনক্রিমেন্ট) বন্ধ করা হয়।
তবে দীর্ঘ আট বছর পর ওই ঘটনার বিষয়ে অবস্থান জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘সে সময় খুরশীদ আলমের বিরুদ্ধে ভুল তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছিল। ফলে তাঁকে যে শাস্তি দেওয়া হয়েছিল, তা যথাযথ ছিল না। এ কারণেই পরে তিনি নির্বাহী পরিচালক এবং ডেপুটি গভর্নর হিসেবে পদোন্নতি পান।’
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে খুরশীদ আলমের নিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করে তাদের সিদ্ধান্ত সঠিক। কোনো ধরনের আন্দোলন বা চাপের মুখে বাংলাদেশ ব্যাংক সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করবে না।

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের সময় তিন বছর বাড়ানোর অনুরোধ ইতিবাচকভাবে বিবেচনার সুপারিশ করেছে জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতিবিষয়ক কমিটি (সিডিপি)। মঙ্গলবার (২ জুন) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে (জানুয়ারি–মার্চ) ব্যাংক খাতে ঋণ বেড়েছে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা। তবে এই সময়ে খেলাপি বেড়েছে প্রায় ৩১ হাজার কোটি টাকা।
২ ঘণ্টা আগে
দেশের বাজারে সোনার দাম ভরিপ্রতি ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আজ থেকে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকায় বিক্রি হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
কোরবানির ঈদকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেন সবাই আরও বেশি করে কনটেন্ট আপলোড করে। কনটেন্টের এই হঠাৎ বিস্ফোরণের পেছনে শুধু উৎসবের উচ্ছ্বাসই নয়, আছে অর্থনীতিও। এখন ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক—প্রায় সব বড় প্ল্যাটফর্মই কনটেন্ট নির্মাতাদের বিভিন্ন শর্তের ভিত্তিতে অর্থ দেয়।
৩ দিন আগে