স্ট্রিম প্রতিবেদক

জ্বালানি তেলের যথাযথ ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করাসহ অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য কেন্দ্রীয় এবং আঞ্চলিক ‘মনিটরিং ও কন্ট্রোল সেল’ গঠন করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।
আজ সোমবার (৯ মার্চ) বিপিসির চেয়ারম্যান রেজানুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের নির্দেশনায় বিপিসি এবং তাদের অধীনস্থ বিপণন কোম্পানির সমন্বয়ে এসব সেল গঠন করা হয়েছে।’
এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দুটি কেন্দ্রীয় সেলের পাশাপাশি পাঁচটি আঞ্চলিক মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের সল্টগোলা রোডে অবস্থিত বিপিসির বিএসসি ভবনে কেন্দ্রীয় মনিটরিং ও কন্ট্রোল সেল স্থাপন করা হয়েছে। এ সেলের মুখ্য সমন্বয়কারীর দায়িত্বে রয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব এ কে এম ফজলুল হক। তাঁর সঙ্গে বিপিসির বণ্টন ও বিপণন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন।
এ ছাড়া বিপিসির নিজস্ব একটি মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। সেটিরও কার্যালয় চট্টগ্রামে বিপিসির বিএসসি ভবনে। এ সেলে বিপিসির বণ্টন ও বিপণন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মোরশেদ হোসাইন আজাদ মুখ্য সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন।
কেন্দ্রীয় সেলের পাশাপাশি দেশের পাঁচটি অঞ্চলে পৃথক আঞ্চলিক কন্ট্রোল সেল গঠন করা হয়েছে। এগুলো হলো ঢাকা, বগুড়া, খুলনা, সিলেট ও বরিশাল অঞ্চল।
ঢাকা অঞ্চলের কন্ট্রোল সেল মতিঝিলে অবস্থিত মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের আঞ্চলিক কার্যালয়ে স্থাপন করা হয়েছে। এখানে বিভিন্ন বিপণন কোম্পানির সহকারী মহাব্যবস্থাপক ও ব্যবস্থাপক পর্যায়ের কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করছেন।
একইভাবে বগুড়া অঞ্চলের কন্ট্রোল সেল উপশহরে অবস্থিত মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের আঞ্চলিক কার্যালয়ে, খুলনা অঞ্চলের সেল খালিশপুরে, সিলেট অঞ্চলের সেল শাহজালাল উপশহরে এবং বরিশাল অঞ্চলের সেল বান্দরোডে স্থাপন করা হয়েছে।
বিপিসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ছুটির দিনসহ প্রতিদিন মনিটরিং ও কন্ট্রোল সেল চালু থাকবে। আঞ্চলিক কন্ট্রোল সেলগুলো নিয়মিতভাবে ডিপোগুলোর পেট্রোলিয়াম পণ্যের মজুদ, সরবরাহ ও বিক্রয় পরিস্থিতিসহ ওই অঞ্চলের বিদ্যমান ডিজেলের খুচরা মূল্য পরিস্থিতি কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল সেলে প্রেরণ করবে।
আঞ্চলিক কন্ট্রোল সেলগুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল সেল পেট্রোলিয়াম পণ্যের মজুদ প্রতিবেদন নিয়মিতভাবে প্রস্তুত করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে পাঠাবে।

জ্বালানি তেলের যথাযথ ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করাসহ অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য কেন্দ্রীয় এবং আঞ্চলিক ‘মনিটরিং ও কন্ট্রোল সেল’ গঠন করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।
আজ সোমবার (৯ মার্চ) বিপিসির চেয়ারম্যান রেজানুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের নির্দেশনায় বিপিসি এবং তাদের অধীনস্থ বিপণন কোম্পানির সমন্বয়ে এসব সেল গঠন করা হয়েছে।’
এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দুটি কেন্দ্রীয় সেলের পাশাপাশি পাঁচটি আঞ্চলিক মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের সল্টগোলা রোডে অবস্থিত বিপিসির বিএসসি ভবনে কেন্দ্রীয় মনিটরিং ও কন্ট্রোল সেল স্থাপন করা হয়েছে। এ সেলের মুখ্য সমন্বয়কারীর দায়িত্বে রয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব এ কে এম ফজলুল হক। তাঁর সঙ্গে বিপিসির বণ্টন ও বিপণন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন।
এ ছাড়া বিপিসির নিজস্ব একটি মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। সেটিরও কার্যালয় চট্টগ্রামে বিপিসির বিএসসি ভবনে। এ সেলে বিপিসির বণ্টন ও বিপণন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মোরশেদ হোসাইন আজাদ মুখ্য সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন।
কেন্দ্রীয় সেলের পাশাপাশি দেশের পাঁচটি অঞ্চলে পৃথক আঞ্চলিক কন্ট্রোল সেল গঠন করা হয়েছে। এগুলো হলো ঢাকা, বগুড়া, খুলনা, সিলেট ও বরিশাল অঞ্চল।
ঢাকা অঞ্চলের কন্ট্রোল সেল মতিঝিলে অবস্থিত মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের আঞ্চলিক কার্যালয়ে স্থাপন করা হয়েছে। এখানে বিভিন্ন বিপণন কোম্পানির সহকারী মহাব্যবস্থাপক ও ব্যবস্থাপক পর্যায়ের কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করছেন।
একইভাবে বগুড়া অঞ্চলের কন্ট্রোল সেল উপশহরে অবস্থিত মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের আঞ্চলিক কার্যালয়ে, খুলনা অঞ্চলের সেল খালিশপুরে, সিলেট অঞ্চলের সেল শাহজালাল উপশহরে এবং বরিশাল অঞ্চলের সেল বান্দরোডে স্থাপন করা হয়েছে।
বিপিসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ছুটির দিনসহ প্রতিদিন মনিটরিং ও কন্ট্রোল সেল চালু থাকবে। আঞ্চলিক কন্ট্রোল সেলগুলো নিয়মিতভাবে ডিপোগুলোর পেট্রোলিয়াম পণ্যের মজুদ, সরবরাহ ও বিক্রয় পরিস্থিতিসহ ওই অঞ্চলের বিদ্যমান ডিজেলের খুচরা মূল্য পরিস্থিতি কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল সেলে প্রেরণ করবে।
আঞ্চলিক কন্ট্রোল সেলগুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল সেল পেট্রোলিয়াম পণ্যের মজুদ প্রতিবেদন নিয়মিতভাবে প্রস্তুত করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে পাঠাবে।

দুই দশক পর ক্ষমায় ফিরে ঝুঁকি নিল বিএনপি সরকার। জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রথম বাজেট দিয়ে উচ্চাশার বাণী শোনালেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
১২ ঘণ্টা আগে
বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্পায়ন গতিশীল এবং উৎপাদন ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কর সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। বিভিন্ন খাতে উৎসে উল্লেখযোগ্য হারে কর কমানো এবং করপোরেট করহার দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল রাখার প্রস্তাব রয়েছে বাজেটে।
১৪ ঘণ্টা আগে
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৪২ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সংসদে বাজেট বক্তৃতায় এই তথ্য জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
১৫ ঘণ্টা আগে
ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, ‘৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট এবং ৩০ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেশি রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় বেশ চ্যালেঞ্জিং।’
১৬ ঘণ্টা আগে