স্ট্রিম সংবাদদাতা

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীন ১৮টি বিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে অংশ নেওয়া ১২৪ জন শিক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। অর্থাৎ এসব বিদ্যালয়ে পাসের হার শূন্য শতাংশ।
সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা যায়।
তথ্য অনুযায়ী, রংপুর বিভাগের আট জেলার ১৮টি বিদ্যালয়ে একই চিত্র দেখা গেছে। দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার গোলাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ১৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়। এছাড়া রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার কুমারপুর হাই স্কুল থেকে ১৮ জন ও ঘাসিপুর হাই স্কুল থেকে ১৫ জন; নীলফামারীর ডোমার উপজেলার আমবাড়ী বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১০ জন; কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার তালতলা হাই স্কুল থেকে ১২ জন, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পূর্ব কুমারপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১ জন, ভুরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪ জন এবং ব্রাহ্মণপাড়া হাই স্কুল থেকে ৪ জন পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছে।
এদিকে গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার উত্তর দামোদরপুর কাজীপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫ জন ও পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩ জন; লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার এএম রথবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫ জন; ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪ জন, অনভারডিঘি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭ জন, মাধবপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫ জন, তাওরিগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫ জন এবং হরিপুর উপজেলার রামপুর ভাতুরিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩ জন পরীক্ষার্থী ছিল। এছাড়া পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার বালারামহাট মডেল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১ জন এবং বোদা সর্দারপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩ জন অংশ নেয়। এসব বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।
এমন খারাপ ফলের কারণ খতিয়ে দেখার কথা জানিয়ে বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. বোরহান উদ্দিন বলেন, কোথায় কী ধরনের ঘাটতি রয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হবে এবং ভালো ফল নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের তদারকি করা হবে।
বোর্ডের সচিব অধ্যাপক নূর মো. আব্দুর রাজ্জাক জানান, শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে ডেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। ভবিষ্যতে ভালো ফলের জন্য তাদের কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট লিখিত পরিকল্পনা নেওয়ার পাশাপাশি বোর্ডের পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীন ১৮টি বিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে অংশ নেওয়া ১২৪ জন শিক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। অর্থাৎ এসব বিদ্যালয়ে পাসের হার শূন্য শতাংশ।
সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা যায়।
তথ্য অনুযায়ী, রংপুর বিভাগের আট জেলার ১৮টি বিদ্যালয়ে একই চিত্র দেখা গেছে। দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার গোলাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ১৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়। এছাড়া রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার কুমারপুর হাই স্কুল থেকে ১৮ জন ও ঘাসিপুর হাই স্কুল থেকে ১৫ জন; নীলফামারীর ডোমার উপজেলার আমবাড়ী বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১০ জন; কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার তালতলা হাই স্কুল থেকে ১২ জন, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পূর্ব কুমারপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১ জন, ভুরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪ জন এবং ব্রাহ্মণপাড়া হাই স্কুল থেকে ৪ জন পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছে।
এদিকে গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার উত্তর দামোদরপুর কাজীপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫ জন ও পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩ জন; লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার এএম রথবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫ জন; ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪ জন, অনভারডিঘি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭ জন, মাধবপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫ জন, তাওরিগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫ জন এবং হরিপুর উপজেলার রামপুর ভাতুরিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩ জন পরীক্ষার্থী ছিল। এছাড়া পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার বালারামহাট মডেল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১ জন এবং বোদা সর্দারপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩ জন অংশ নেয়। এসব বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।
এমন খারাপ ফলের কারণ খতিয়ে দেখার কথা জানিয়ে বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. বোরহান উদ্দিন বলেন, কোথায় কী ধরনের ঘাটতি রয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হবে এবং ভালো ফল নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের তদারকি করা হবে।
বোর্ডের সচিব অধ্যাপক নূর মো. আব্দুর রাজ্জাক জানান, শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে ডেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। ভবিষ্যতে ভালো ফলের জন্য তাদের কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট লিখিত পরিকল্পনা নেওয়ার পাশাপাশি বোর্ডের পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।
.png)

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯ জন শিক্ষক ও ৬ জন কর্মচারী থাকার পরও এসএসসি পরীক্ষায় ১৮ জন পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। একই ইউনিয়নের আরেকটি বিদ্যালয়ের ১৫ পরীক্ষার্থীর ফলও শূন্য।
৪১ মিনিট আগে
মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হারে বিপর্যয় ঘটেছে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ, যা গত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীও কমেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শহীদ শামসুজ্জোহা হলে প্রতিবন্ধী কোটায় সিট বরাদ্দ পেলেও উঠতে পারছেন না মোহাম্মদ মুসাদ্দেক হোসেন। তাঁর বরাদ্দ সিটে অবস্থান করছেন আরেক শিক্ষার্থী। তাঁকে হল সংসদের নেতারা আশ্রয় দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ব্যঙ্গাত্মক বিতর্কের মোশন পরিবর্তন করতে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) এই চাপ দিয়েছে বলে অভিযোগ শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের সহকারী বিতর্ক ও সাহিত্য সম্পাদক বাধন বিশ্বাসের।
৯ ঘণ্টা আগে