স্ট্রিম ডেস্ক

দক্ষিণ আফ্রিকার পশ্চিম উপকূলে হাম্পব্যাক তিমির অভূতপূর্ব সমাবেশ বিজ্ঞানী ও গবেষকদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে একদিনে ৩০৪টি হাম্পব্যাক তিমি শনাক্ত হওয়ার ঘটনা ইতোমধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। টানা দুই দিনের পর্যবেক্ষণে মোট ৩৭২টি পৃথক তিমি শনাক্ত করা হয়, যা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় নজির হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ঘটনা শুধু একটি বিরল দৃশ্য নয় বরং এটি প্রমাণ করে যে, একসময় প্রায় বিলুপ্তির পথে থাকা হাম্পব্যাক তিমি আবারও সমুদ্রে শক্তভাবে ফিরে আসছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের চোখে বিস্ময়কর দৃশ্য
এই বিশাল সমাবেশের সাক্ষী হন প্রকৃতি আলোকচিত্রী মোনিক ফলোজ ও ক্রিস ফলোজ। ভোরের আলো ফোটার আগেই তারা সমুদ্রে বের হন, আশায় ছিলেন বড় কোনো তিমির দল দেখতে পাবেন। কিন্তু সামনে যে দৃশ্য অপেক্ষা করছিল, তা তাদের কল্পনারও বাইরে ছিল।
চারপাশে শত শত তিমি—কেউ ডুব দিচ্ছে, কেউ ভেসে উঠছে, কেউ আবার লাফিয়ে উঠছে পানির ওপর। তিমিগুলোর শ্বাস ছাড়ার শব্দ দূর থেকেও শোনা যাচ্ছিল, আর কাছাকাছি গেলে সেই শব্দ যেন বিস্ফোরণের মতো লাগছিল।
শুধু দৃশ্য নয়, এই অভিজ্ঞতা ছিল গন্ধ ও শব্দে ভরা। তিমিরা যখন শ্বাস ছাড়ছিল, তখন তার গন্ধ বাতাসে ভেসে আসছিল, যা কাছ থেকে অনুভব করা একেবারেই ভিন্ন অভিজ্ঞতা।
সুপার গ্রুপ: নতুন আচরণের ইঙ্গিত
সাধারণত হাম্পব্যাক তিমি একাকী বা ছোট দলে বিচরণ করে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বড় বড় দলে তাদের জড়ো হওয়ার প্রবণতা বাড়ছে, যাকে গবেষকরা `সুপার-গ্রুপ’ নামে অভিহিত করছেন।
এ ধরনের দলে ২০টির বেশি তিমি কাছাকাছি অবস্থান করে। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলে দেখা সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোতে এই সংখ্যা কয়েকশ’ ছাড়িয়েছে।
২০১৫ সাল থেকে ২০২০ সালের মধ্যে এই অঞ্চলে সুপার-গ্রুপ দেখার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আগে যেখানে বছরে হাতে গোনা কয়েকবার এমন দৃশ্য দেখা যেত, এখন তা অনেকটাই নিয়মিত হয়ে উঠছে।

বিজ্ঞানীরা এখনও নিশ্চিত নন, কেন হাম্পব্যাক তিমি এত বড় দলে জড়ো হচ্ছে। তবে কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ সামনে এসেছে।
প্রথমত, খাদ্যের প্রাচুর্য। দক্ষিণ গোলার্ধের গ্রীষ্মকালে গভীর সমুদ্র থেকে পুষ্টিসমৃদ্ধ ঠান্ডা পানি উপরে উঠে আসে, যার ফলে প্ল্যাঙ্কটন ও ক্রিলের সংখ্যা বেড়ে যায়—যা হাম্পব্যাক তিমির প্রধান খাদ্য।
দ্বিতীয়ত, সংখ্যা বৃদ্ধি। গত কয়েক দশকে হাম্পব্যাক তিমির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, ফলে তারা নতুন এলাকা ও নতুন খাদ্য সংগ্রহের কৌশল খুঁজে নিচ্ছে।
তৃতীয়ত, এটি হয়তো তাদের স্বাভাবিক আচরণেরই অংশ ছিল, যা আগে কম সংখ্যার কারণে নজরে আসেনি।
বিশৃঙ্খলতার মাঝেও শৃঙ্খল
এই বিশাল দলগুলোর আচরণ অনেক সময় বিশৃঙ্খল মনে হয়। শত শত তিমি একসঙ্গে শিকার করতে গিয়ে যেন এলোমেলোভাবে চলাফেরা করছে।
তবে গবেষকদের মতে, এই বিশৃঙ্খলার মধ্যেও রয়েছে এক ধরনের শৃঙ্খলা। কখনও তারা সমন্বিতভাবে শিকার করে, আবার কখনও খাদ্যের প্রাচুর্যের কারণে প্রতিযোগিতামূলকভাবে দ্রুত খাবার সংগ্রহ করে।
তিমিরা ‘লাঞ্জ ফিডিং’বা দ্রুত গতিতে শিকার গিলে ফেলার মতো কৌশল ব্যবহার করে। অনেক সময় তারা প্রায় উল্লম্বভাবে পানির ওপর উঠে এসে শিকার ধরে।
এই পুরো প্রক্রিয়াটি বাইরে থেকে বিশৃঙ্খল মনে হলেও, প্রকৃতপক্ষে এটি একটি কার্যকর শিকার পদ্ধতি।
বিলুপ্তির মুখ থেকে ফিরে আসা
২০শতকের শিল্পভিত্তিক তিমি শিকার হাম্পব্যাক তিমির অস্তিত্বকে মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে ফেলে। একসময় তাদের সংখ্যা নেমে আসে পূর্বের তুলনায় ৫ শতাংশেরও কমে।
পরবর্তীতে আন্তর্জাতিকভাবে তিমি শিকার নিষিদ্ধ হওয়ার ফলে ধীরে ধীরে তাদের সংখ্যা বাড়তে শুরু করে। বর্তমানে দক্ষিণ গোলার্ধে তাদের সংখ্যা প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এই তিমিদের বড় একটি অংশই তুলনামূলক তরুণ, যা ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়।
হাম্পব্যাক তিমির সংখ্যা বৃদ্ধি শুধু একটি প্রজাতির পুনরুদ্ধার নয়, এটি পুরো সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক খবর।
তিমিরা এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে পুষ্টি বহন করে, যা সমুদ্রের খাদ্য শৃঙ্খলকে সমৃদ্ধ করে। ফলে তাদের উপস্থিতি সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এছাড়া, তাদের দীর্ঘ অভিবাসন সমুদ্রের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।
আছে হুমকিও
তবে আশার এই গল্পের মাঝেও কিছু শঙ্কা রয়ে গেছে। এখনও হাম্পব্যাক তিমি নানা ঝুঁকির মুখে রয়েছে। মাছ ধরার জালে আটকে যাওয়া, জাহাজের সঙ্গে সংঘর্ষ, সমুদ্রের শব্দ দূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব তাদের জন্য বড় হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পুনরুদ্ধার ধরে রাখতে হলে সমুদ্র সংরক্ষণে আরও কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলে হাম্পব্যাক তিমির এই বিশাল সমাবেশ প্রকৃতির এক বিরল ও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে। এটি দেখায়, সঠিক পদক্ষেপ নিলে বিপন্ন প্রজাতিও ঘুরে দাঁড়াতে পারে।
তবে এই ‘সুপার গ্রুপ’আচরণ স্থায়ী হবে কিনা, বা এর পেছনের প্রকৃত কারণ কী—তা জানতে আরও গবেষণা প্রয়োজন।
এর মধ্যেই সমুদ্রের বুকে শত শত তিমির একসঙ্গে ভেসে ওঠা যেন একটাই বার্তা দিচ্ছে—প্রকৃতি এখনো তার পুনর্জাগরণের ক্ষমতা হারায়নি।
তথ্যসুত্র: বিবিসি থেকে সংক্ষেপিত অনুবাদ

দক্ষিণ আফ্রিকার পশ্চিম উপকূলে হাম্পব্যাক তিমির অভূতপূর্ব সমাবেশ বিজ্ঞানী ও গবেষকদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে একদিনে ৩০৪টি হাম্পব্যাক তিমি শনাক্ত হওয়ার ঘটনা ইতোমধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। টানা দুই দিনের পর্যবেক্ষণে মোট ৩৭২টি পৃথক তিমি শনাক্ত করা হয়, যা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় নজির হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ঘটনা শুধু একটি বিরল দৃশ্য নয় বরং এটি প্রমাণ করে যে, একসময় প্রায় বিলুপ্তির পথে থাকা হাম্পব্যাক তিমি আবারও সমুদ্রে শক্তভাবে ফিরে আসছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের চোখে বিস্ময়কর দৃশ্য
এই বিশাল সমাবেশের সাক্ষী হন প্রকৃতি আলোকচিত্রী মোনিক ফলোজ ও ক্রিস ফলোজ। ভোরের আলো ফোটার আগেই তারা সমুদ্রে বের হন, আশায় ছিলেন বড় কোনো তিমির দল দেখতে পাবেন। কিন্তু সামনে যে দৃশ্য অপেক্ষা করছিল, তা তাদের কল্পনারও বাইরে ছিল।
চারপাশে শত শত তিমি—কেউ ডুব দিচ্ছে, কেউ ভেসে উঠছে, কেউ আবার লাফিয়ে উঠছে পানির ওপর। তিমিগুলোর শ্বাস ছাড়ার শব্দ দূর থেকেও শোনা যাচ্ছিল, আর কাছাকাছি গেলে সেই শব্দ যেন বিস্ফোরণের মতো লাগছিল।
শুধু দৃশ্য নয়, এই অভিজ্ঞতা ছিল গন্ধ ও শব্দে ভরা। তিমিরা যখন শ্বাস ছাড়ছিল, তখন তার গন্ধ বাতাসে ভেসে আসছিল, যা কাছ থেকে অনুভব করা একেবারেই ভিন্ন অভিজ্ঞতা।
সুপার গ্রুপ: নতুন আচরণের ইঙ্গিত
সাধারণত হাম্পব্যাক তিমি একাকী বা ছোট দলে বিচরণ করে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বড় বড় দলে তাদের জড়ো হওয়ার প্রবণতা বাড়ছে, যাকে গবেষকরা `সুপার-গ্রুপ’ নামে অভিহিত করছেন।
এ ধরনের দলে ২০টির বেশি তিমি কাছাকাছি অবস্থান করে। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলে দেখা সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোতে এই সংখ্যা কয়েকশ’ ছাড়িয়েছে।
২০১৫ সাল থেকে ২০২০ সালের মধ্যে এই অঞ্চলে সুপার-গ্রুপ দেখার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আগে যেখানে বছরে হাতে গোনা কয়েকবার এমন দৃশ্য দেখা যেত, এখন তা অনেকটাই নিয়মিত হয়ে উঠছে।

বিজ্ঞানীরা এখনও নিশ্চিত নন, কেন হাম্পব্যাক তিমি এত বড় দলে জড়ো হচ্ছে। তবে কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ সামনে এসেছে।
প্রথমত, খাদ্যের প্রাচুর্য। দক্ষিণ গোলার্ধের গ্রীষ্মকালে গভীর সমুদ্র থেকে পুষ্টিসমৃদ্ধ ঠান্ডা পানি উপরে উঠে আসে, যার ফলে প্ল্যাঙ্কটন ও ক্রিলের সংখ্যা বেড়ে যায়—যা হাম্পব্যাক তিমির প্রধান খাদ্য।
দ্বিতীয়ত, সংখ্যা বৃদ্ধি। গত কয়েক দশকে হাম্পব্যাক তিমির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, ফলে তারা নতুন এলাকা ও নতুন খাদ্য সংগ্রহের কৌশল খুঁজে নিচ্ছে।
তৃতীয়ত, এটি হয়তো তাদের স্বাভাবিক আচরণেরই অংশ ছিল, যা আগে কম সংখ্যার কারণে নজরে আসেনি।
বিশৃঙ্খলতার মাঝেও শৃঙ্খল
এই বিশাল দলগুলোর আচরণ অনেক সময় বিশৃঙ্খল মনে হয়। শত শত তিমি একসঙ্গে শিকার করতে গিয়ে যেন এলোমেলোভাবে চলাফেরা করছে।
তবে গবেষকদের মতে, এই বিশৃঙ্খলার মধ্যেও রয়েছে এক ধরনের শৃঙ্খলা। কখনও তারা সমন্বিতভাবে শিকার করে, আবার কখনও খাদ্যের প্রাচুর্যের কারণে প্রতিযোগিতামূলকভাবে দ্রুত খাবার সংগ্রহ করে।
তিমিরা ‘লাঞ্জ ফিডিং’বা দ্রুত গতিতে শিকার গিলে ফেলার মতো কৌশল ব্যবহার করে। অনেক সময় তারা প্রায় উল্লম্বভাবে পানির ওপর উঠে এসে শিকার ধরে।
এই পুরো প্রক্রিয়াটি বাইরে থেকে বিশৃঙ্খল মনে হলেও, প্রকৃতপক্ষে এটি একটি কার্যকর শিকার পদ্ধতি।
বিলুপ্তির মুখ থেকে ফিরে আসা
২০শতকের শিল্পভিত্তিক তিমি শিকার হাম্পব্যাক তিমির অস্তিত্বকে মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে ফেলে। একসময় তাদের সংখ্যা নেমে আসে পূর্বের তুলনায় ৫ শতাংশেরও কমে।
পরবর্তীতে আন্তর্জাতিকভাবে তিমি শিকার নিষিদ্ধ হওয়ার ফলে ধীরে ধীরে তাদের সংখ্যা বাড়তে শুরু করে। বর্তমানে দক্ষিণ গোলার্ধে তাদের সংখ্যা প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এই তিমিদের বড় একটি অংশই তুলনামূলক তরুণ, যা ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়।
হাম্পব্যাক তিমির সংখ্যা বৃদ্ধি শুধু একটি প্রজাতির পুনরুদ্ধার নয়, এটি পুরো সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক খবর।
তিমিরা এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে পুষ্টি বহন করে, যা সমুদ্রের খাদ্য শৃঙ্খলকে সমৃদ্ধ করে। ফলে তাদের উপস্থিতি সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এছাড়া, তাদের দীর্ঘ অভিবাসন সমুদ্রের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।
আছে হুমকিও
তবে আশার এই গল্পের মাঝেও কিছু শঙ্কা রয়ে গেছে। এখনও হাম্পব্যাক তিমি নানা ঝুঁকির মুখে রয়েছে। মাছ ধরার জালে আটকে যাওয়া, জাহাজের সঙ্গে সংঘর্ষ, সমুদ্রের শব্দ দূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব তাদের জন্য বড় হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পুনরুদ্ধার ধরে রাখতে হলে সমুদ্র সংরক্ষণে আরও কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলে হাম্পব্যাক তিমির এই বিশাল সমাবেশ প্রকৃতির এক বিরল ও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে। এটি দেখায়, সঠিক পদক্ষেপ নিলে বিপন্ন প্রজাতিও ঘুরে দাঁড়াতে পারে।
তবে এই ‘সুপার গ্রুপ’আচরণ স্থায়ী হবে কিনা, বা এর পেছনের প্রকৃত কারণ কী—তা জানতে আরও গবেষণা প্রয়োজন।
এর মধ্যেই সমুদ্রের বুকে শত শত তিমির একসঙ্গে ভেসে ওঠা যেন একটাই বার্তা দিচ্ছে—প্রকৃতি এখনো তার পুনর্জাগরণের ক্ষমতা হারায়নি।
তথ্যসুত্র: বিবিসি থেকে সংক্ষেপিত অনুবাদ

তীব্র গরমে পুড়ছে দেশ। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ২৪ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তাপপ্রবাহ। গরমে বিপর্যস্ত জনজীবনে একটাই প্রশ্ন—স্বস্তির বৃষ্টি নামবে কবে? আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, দাবদাহ থেকে মুক্তি পেতে অপেক্ষা করতে হবে আরও দুই-তিন দিন। ২৫ এপ্রিলের আগে নেই কোনো সুখবর।
৩ দিন আগে
সময়টা ১৯৭০ সাল। এমন একটি তারিখ বেছে নেওয়া হলো, যেন স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েরাও এতে যুক্ত হতে পারে। তারিখ হলো ২২ এপ্রিল। বসন্তকালীন ছুটির পর। সেদিন আমেরিকার প্রায় ২ কোটি মানুষ নেমে এসেছিল রাস্তায়। কারণ, পৃথিবীকে বাঁচাতে হবে।
৩ দিন আগে
চারদিকে রাজধানী উন্নয়ন প্রকল্পের (রাজউক) আবাসন প্রকল্প আর দ্রুত বাড়তে থাকা কংক্রিটের জঙ্গল। চলছে জলাভূমি ভরাটের মহোৎসব। কিন্তু এর মাঝেই যেন এক টুকরো স্বস্তি হয়ে টিকে আছে ঢাকার উত্তরা সংলগ্ন দিয়াবাড়ি এলাকার প্রকৃতি।
৩ দিন আগে
বুড়িগঙ্গাসহ দেশের নদীগুলো বাঁচানো যাচ্ছে না; পরিবেশ ক্রমেই বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে পরিবেশ রক্ষার নামে দেশে যা চলছে, তাকে চরম ‘হিপোক্রেটিক বিহেভিয়ার’ (ভণ্ডামি) বলে আখ্যায়িত করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জামাল উদ্দিন রুনু।
৪ দিন আগে