দিল্লির রাজপথে জেন-জি
লেখা:

পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস নিয়ে ক্ষোভের শুরুটা হয়েছিল অনলাইনে। কিন্তু খুব দ্রুত তা রাজপথের এক বিশাল আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। জেন-জি বা আজকের তরুণ প্রজন্ম এমন এক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে, যেখানে তাদের ভবিষ্যৎকে মূল্যহীন ভাবা হয়। তবে এই প্রজন্ম বুঝিয়ে দিচ্ছে, তাদের আর অবহেলা করা বা সস্তায় কেনা যাবে না।
এবারের আন্দোলন আগের যেকোনো প্রতিবাদের চেয়ে আলাদা। দিল্লির রাজপথ এখন এমন এক রণক্ষেত্র, যেখানে ক্ষমতাশালীদের আর মুখ লুকোনোর সুযোগ নেই। একটি সাধারণ প্রশ্নফাঁসের ঘটনাকে তরুণরা পুরো ব্যবস্থার ব্যর্থতা এবং মোদি সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে এক বিশাল প্রতিবাদে পরিণত করেছে। জবাবদিহির এই দাবি এখন সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দিকেই তাক করা।
কেন এই আন্দোলন মোদি সরকারকে এমনভাবে নাড়িয়ে দিল? এর পেছনে রয়েছে ৭টি প্রধান কারণ:
শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি দিয়ে এই আন্দোলনের শুরু। কারণ, বারবার প্রশ্নফাঁস এবং শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার মতো ঘটনায় তার চরম ব্যর্থতা। কিন্তু এখন ক্ষোভের আগুন সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দিকে। দীর্ঘ ১২ বছরের শাসনামলের হিসাব চাইছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষামন্ত্রী থাকলেন নাকি গেলেন, তা নিয়ে এখন আর কেউ ভাবছে না। ব্যর্থ শিক্ষামন্ত্রীকে আড়াল করতে গিয়ে মোদি নিজেই এখন তরুণদের কাঠগড়ায়।
প্রধান বিচারপতির একটি মন্তব্যের জেরে অনলাইনে 'ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)' নামে একটি ব্যঙ্গাত্মক প্রচারণার শুরু হয়। কিন্তু যন্তর মন্তর বা সংসদ ভবনের দিকে যে জনস্রোত, তা এখন সিজেপি বা সোনম ওয়াংচুকের মতো নেতাদের ছাড়িয়ে গেছে। এটি কোনো গতানুগতিক রাজনৈতিক জমায়েত নয়। ভাড়ায় চালিত বাসে করে কাউকে আনা হয়নি। তরুণরা নিজেদের তাগিদেই রাজপথে নেমেছে। ফলে নির্দিষ্ট কোনো নেতাকে চাপ দিয়ে বা কিনে নিয়ে এই আন্দোলন থামানোর কোনো উপায় সরকারের হাতে নেই।
আগে যেকোনো আন্দোলন দমাতে মোদি সরকার ও তাদের অনুগত গণমাধ্যম নানা তকমা লাগাত। সিএএ-বিরোধীদের বলা হতো 'মুসলিম বিক্ষোভ', কৃষকদের বলা হতো 'খালিস্তানি', আর ছাত্রদের বলা হতো 'দেশদ্রোহী' বা 'আরবান নকশাল'। কিন্তু এবারের আন্দোলনটি কর্মসংস্থান ও পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিয়ে। এখানে সব ধর্ম, বর্ণ ও অঞ্চলের মানুষ আছে। এরা সবাই সাধারণ মধ্যবিত্ত ও চাকরিপ্রার্থী। এদের গায়ে কোনো নেতিবাচক তকমা লাগানো কঠিন। উল্টো তকমা লাগাতে গেলে সরকারের নিজের ভোটব্যাংকই নষ্ট হবে। তাছাড়া শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণ অহিংস পথে হাঁটছে, যাতে গণমাধ্যম তাদের বদনাম করার কোনো সুযোগ না পায়।
বেকার তরুণদের প্রতি উচ্চ আদালতের কিছু অবজ্ঞাপূর্ণ মন্তব্য এবং প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে আইনি প্রতিকার না পাওয়া—এসব তরুণদের হতাশ করেছে। তারা বুঝতে পেরেছে, দেশের বিচারব্যবস্থা, গণমাধ্যম এবং সংসদ—সব কটি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানই সাধারণ মানুষের জন্য তাদের দরজা বন্ধ করে দিয়েছে। বড় বড় টিভি চ্যানেলগুলো এই বিশাল জমায়েতকে এড়িয়ে যাচ্ছে বা বদনাম করার চেষ্টা করছে। কোনো আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক উপায় না দেখেই মানুষ এখন বাধ্য হয়ে সরাসরি দিল্লির রাজপথ দখল করেছে।
গত এক মাস ধরে সরকার এই ছাত্রদের সম্পূর্ণ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে। সরকার আলোচনার জন্য কোনো মন্ত্রী বা আমলাকেও পাঠায়নি। কিন্তু শিক্ষার্থীরা এখন অনড়। প্রশ্নফাঁসের দায় কার? কী সংস্কার করা হবে? কেন এত প্রাণহানির পরও কোনো মন্ত্রী দায় নিচ্ছেন না?—এই প্রশ্নগুলোর জবাব তারা মোদি সরকারের কাছে চাইছে। এই ইস্যুকে কিছুতেই ধামাচাপা দিতে রাজি নয় তরুণরা। তারা জবাবদিহির দাবিটিকে একেবারে সংসদ ভবনের দোরগোড়ায় নিয়ে এসেছে।
মোদি সরকারের প্রতিক্রিয়া এ পর্যন্ত ছিল কেবলই নীরবতা আর এড়িয়ে যাওয়া। ছোট বা দুর্বল আন্দোলনের ক্ষেত্রে এই কৌশল কাজে লাগলেও, এবার তা বুমেরাং হয়েছে। অহিংস এই তরুণদের দমাতে সরকার এখন দিশেহারা। তারা বুঝতে পারছে না কীভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দেবে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রাজপথে নেমে তরুণরা যখন নিজেদের অধিকার আদায় করে নিয়েছে, সেই ইতিহাস সরকারেরও অজানা নয়। আর এই ভয়টাই এখন সরকারের ভেতরে কাজ করছে।
সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হলো, মানুষের মন থেকে ভয় পুরোপুরি কেটে গেছে। বিপুল পুলিশি টহল, সিসিটিভি ক্যামেরা, কাঁদানে গ্যাস বা লাঠিচার্জ—কোনো কিছুই আর তাদের ভয় দেখাতে পারছে না। সাধারণ মানুষ ঘরের চারদেওয়াল থেকে বেরিয়ে এসেছে। একাকিত্ব ভুলে তারা এখন এক জোরালো সম্মিলিত কণ্ঠে পরিণত হয়েছে।
সবশেষ, কোনো বিভাজন বা তকমা দিয়ে এই ছাত্র আন্দোলনকে আর থামানো যাচ্ছে না। মোদি সরকারের পুরোনো সব ছক এই তরুণদের কাছে এসে ভেঙে পড়েছে। নরেন্দ্র মোদির যে 'লৌহমানবের' ভাবমূর্তির ওপর ভর করে সরকার টিকে আছে, তা আজ দৃশ্যতই টলমলে। জবাবদিহির এই কঠিন সংকটে সরকার আজ সত্যিই বড় অসহায়।
(দ্য ওয়্যার-এর বিশ্লেষণটি ভাষান্তর করেছেন মুজাহিদুল ইসলাম)

পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস নিয়ে ক্ষোভের শুরুটা হয়েছিল অনলাইনে। কিন্তু খুব দ্রুত তা রাজপথের এক বিশাল আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। জেন-জি বা আজকের তরুণ প্রজন্ম এমন এক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে, যেখানে তাদের ভবিষ্যৎকে মূল্যহীন ভাবা হয়। তবে এই প্রজন্ম বুঝিয়ে দিচ্ছে, তাদের আর অবহেলা করা বা সস্তায় কেনা যাবে না।
এবারের আন্দোলন আগের যেকোনো প্রতিবাদের চেয়ে আলাদা। দিল্লির রাজপথ এখন এমন এক রণক্ষেত্র, যেখানে ক্ষমতাশালীদের আর মুখ লুকোনোর সুযোগ নেই। একটি সাধারণ প্রশ্নফাঁসের ঘটনাকে তরুণরা পুরো ব্যবস্থার ব্যর্থতা এবং মোদি সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে এক বিশাল প্রতিবাদে পরিণত করেছে। জবাবদিহির এই দাবি এখন সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দিকেই তাক করা।
কেন এই আন্দোলন মোদি সরকারকে এমনভাবে নাড়িয়ে দিল? এর পেছনে রয়েছে ৭টি প্রধান কারণ:
শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি দিয়ে এই আন্দোলনের শুরু। কারণ, বারবার প্রশ্নফাঁস এবং শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার মতো ঘটনায় তার চরম ব্যর্থতা। কিন্তু এখন ক্ষোভের আগুন সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দিকে। দীর্ঘ ১২ বছরের শাসনামলের হিসাব চাইছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষামন্ত্রী থাকলেন নাকি গেলেন, তা নিয়ে এখন আর কেউ ভাবছে না। ব্যর্থ শিক্ষামন্ত্রীকে আড়াল করতে গিয়ে মোদি নিজেই এখন তরুণদের কাঠগড়ায়।
প্রধান বিচারপতির একটি মন্তব্যের জেরে অনলাইনে 'ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)' নামে একটি ব্যঙ্গাত্মক প্রচারণার শুরু হয়। কিন্তু যন্তর মন্তর বা সংসদ ভবনের দিকে যে জনস্রোত, তা এখন সিজেপি বা সোনম ওয়াংচুকের মতো নেতাদের ছাড়িয়ে গেছে। এটি কোনো গতানুগতিক রাজনৈতিক জমায়েত নয়। ভাড়ায় চালিত বাসে করে কাউকে আনা হয়নি। তরুণরা নিজেদের তাগিদেই রাজপথে নেমেছে। ফলে নির্দিষ্ট কোনো নেতাকে চাপ দিয়ে বা কিনে নিয়ে এই আন্দোলন থামানোর কোনো উপায় সরকারের হাতে নেই।
আগে যেকোনো আন্দোলন দমাতে মোদি সরকার ও তাদের অনুগত গণমাধ্যম নানা তকমা লাগাত। সিএএ-বিরোধীদের বলা হতো 'মুসলিম বিক্ষোভ', কৃষকদের বলা হতো 'খালিস্তানি', আর ছাত্রদের বলা হতো 'দেশদ্রোহী' বা 'আরবান নকশাল'। কিন্তু এবারের আন্দোলনটি কর্মসংস্থান ও পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিয়ে। এখানে সব ধর্ম, বর্ণ ও অঞ্চলের মানুষ আছে। এরা সবাই সাধারণ মধ্যবিত্ত ও চাকরিপ্রার্থী। এদের গায়ে কোনো নেতিবাচক তকমা লাগানো কঠিন। উল্টো তকমা লাগাতে গেলে সরকারের নিজের ভোটব্যাংকই নষ্ট হবে। তাছাড়া শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণ অহিংস পথে হাঁটছে, যাতে গণমাধ্যম তাদের বদনাম করার কোনো সুযোগ না পায়।
বেকার তরুণদের প্রতি উচ্চ আদালতের কিছু অবজ্ঞাপূর্ণ মন্তব্য এবং প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে আইনি প্রতিকার না পাওয়া—এসব তরুণদের হতাশ করেছে। তারা বুঝতে পেরেছে, দেশের বিচারব্যবস্থা, গণমাধ্যম এবং সংসদ—সব কটি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানই সাধারণ মানুষের জন্য তাদের দরজা বন্ধ করে দিয়েছে। বড় বড় টিভি চ্যানেলগুলো এই বিশাল জমায়েতকে এড়িয়ে যাচ্ছে বা বদনাম করার চেষ্টা করছে। কোনো আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক উপায় না দেখেই মানুষ এখন বাধ্য হয়ে সরাসরি দিল্লির রাজপথ দখল করেছে।
গত এক মাস ধরে সরকার এই ছাত্রদের সম্পূর্ণ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে। সরকার আলোচনার জন্য কোনো মন্ত্রী বা আমলাকেও পাঠায়নি। কিন্তু শিক্ষার্থীরা এখন অনড়। প্রশ্নফাঁসের দায় কার? কী সংস্কার করা হবে? কেন এত প্রাণহানির পরও কোনো মন্ত্রী দায় নিচ্ছেন না?—এই প্রশ্নগুলোর জবাব তারা মোদি সরকারের কাছে চাইছে। এই ইস্যুকে কিছুতেই ধামাচাপা দিতে রাজি নয় তরুণরা। তারা জবাবদিহির দাবিটিকে একেবারে সংসদ ভবনের দোরগোড়ায় নিয়ে এসেছে।
মোদি সরকারের প্রতিক্রিয়া এ পর্যন্ত ছিল কেবলই নীরবতা আর এড়িয়ে যাওয়া। ছোট বা দুর্বল আন্দোলনের ক্ষেত্রে এই কৌশল কাজে লাগলেও, এবার তা বুমেরাং হয়েছে। অহিংস এই তরুণদের দমাতে সরকার এখন দিশেহারা। তারা বুঝতে পারছে না কীভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দেবে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রাজপথে নেমে তরুণরা যখন নিজেদের অধিকার আদায় করে নিয়েছে, সেই ইতিহাস সরকারেরও অজানা নয়। আর এই ভয়টাই এখন সরকারের ভেতরে কাজ করছে।
সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হলো, মানুষের মন থেকে ভয় পুরোপুরি কেটে গেছে। বিপুল পুলিশি টহল, সিসিটিভি ক্যামেরা, কাঁদানে গ্যাস বা লাঠিচার্জ—কোনো কিছুই আর তাদের ভয় দেখাতে পারছে না। সাধারণ মানুষ ঘরের চারদেওয়াল থেকে বেরিয়ে এসেছে। একাকিত্ব ভুলে তারা এখন এক জোরালো সম্মিলিত কণ্ঠে পরিণত হয়েছে।
সবশেষ, কোনো বিভাজন বা তকমা দিয়ে এই ছাত্র আন্দোলনকে আর থামানো যাচ্ছে না। মোদি সরকারের পুরোনো সব ছক এই তরুণদের কাছে এসে ভেঙে পড়েছে। নরেন্দ্র মোদির যে 'লৌহমানবের' ভাবমূর্তির ওপর ভর করে সরকার টিকে আছে, তা আজ দৃশ্যতই টলমলে। জবাবদিহির এই কঠিন সংকটে সরকার আজ সত্যিই বড় অসহায়।
(দ্য ওয়্যার-এর বিশ্লেষণটি ভাষান্তর করেছেন মুজাহিদুল ইসলাম)
.png)

জুন মাসে দিল্লির যন্তর মন্তরে শুরু হয়েছিল নিট-দুর্নীতি এবং শিক্ষা ব্যবস্থার জবাবদিহির দাবিতে প্রতিবাদ। প্রথমে সেটি ছিল ছাত্র-যুবদের আন্দোলন। পরে সেই মঞ্চেই অনশনে বসেন পরিবেশকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই আন্দোলন দেশের অন্যতম আলোচিত রাজনৈতিক ও নাগরিক আন্দোলনে পরিণত হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যেতে চান বা ইতোমধ্যে সেখানে পড়াশোনা করছেন এমন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তন এনেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) একটি চূড়ান্ত বিধিমালা প্রকাশ করেছে, যার মাধ্যমে প্রায় পাঁচ দশক
২০ জুলাই ২০২৬
চার বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয় ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’। পুরো পৃথিবী যেন এক বিশাল ফুটবল স্টেডিয়ামে পরিণত হয়। এক মাসের জন্য বদলে যায় সবার রুটিন। বদলে যায় অনেক দেশের কর্মব্যস্ততা, রাত জেগে খেলা দেখে কোটি কোটি মানুষ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ভরে ওঠে তর্ক-বিতর্কে, আর শেষ বাঁশি বাজতেই শুরু হয় বিজয়-উল্লাস ক
১৯ জুলাই ২০২৬
কয়েক দিন আগে পাকিস্তান থেকে বেলুচিস্তানের স্বাধীনতার ঘোষণা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ‘রিপাবলিক অব বেলুচিস্তান’ নামে নতুন একটি রাষ্ট্রের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে বলে ফেসবুক, এক্স ও টিকটকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের ব্যবহারকারীরা সত্য হিসেবে প্রচার করেন।
১৮ জুলাই ২০২৬