স্ট্রিম ডেস্ক

বাংলাদেশের জনসংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি কাটছে না। বিবিএসের জনশুমারি অনুযায়ী সংখ্যা ১৭ কোটির কম, ইউএনএফপিএর প্রতিবেদনে তা প্রায় সাড়ে সতেরো কোটি। অথচ নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকার হিসাবে জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০ কোটিতে। সরকারি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার তথ্যের এই বিশাল ফারাক নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে জনমনে।
বেসরকারি ব্যাংকের চাকরিজীবী মো. লিটন হোসেন স্ট্রিমকে বলেন, জনসংখ্যা নিয়ে সরকারের দুই প্রতিষ্ঠান দুই ধরনের তথ্য দিচ্ছে। এটা তো ঠিক নয়। মানুষকে সঠিক সংখ্যা জানানো সরকারেরই দায়িত্ব।
একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থায় চাকরিরত তাপস বড়ুয়া বলেন, একই দেশের জনসংখ্যা নিয়ে একেক প্রতিষ্ঠান একেক রকম তথ্য দিচ্ছে, এতে উন্নয়ন পরিকল্পনা, বাজেট প্রণয়ন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্যনিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষাসহ নানা খাতে সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণের ক্ষেত্রেও প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।
এমন প্রেক্ষাপটে আজ শনিবার (১১ জুলাই) পালিত হচ্ছে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য—তরুণদের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি।
১৯৮৭ সালের ১১ জুলাই বিশ্বের জনসংখ্যা ৫০০ কোটি ছাড়িয়ে গেলে তা নিয়ে সারা বিশ্বে আলোচনা সৃষ্টি হয়। তৎকালীন বিশ্ব ব্যাংকের সিনিয়র ডেমোগ্রাফার ড. কে সি জাকারিয়া দিনটিকে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস হিসেবে পালনের পরামর্শ দেন।
এর দুই বছর পর ১৯৮৯ সালে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) গভর্নিং কাউন্সিল ১১ জুলাইকে ‘বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এর পরের বছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের উদ্যোগে প্রথমবার বিশ্বজুড়ে প্রায় ৯০টি দেশে দিবসটি উদযাপিত হয়। এর থেকে প্রতিবছর দিবসটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হয়ে আসছে।
দিবসটি পালনের মূল লক্ষ্য হলো, বিশ্ব জনসংখ্যা সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের ওপর জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে, পরিবার পরিকল্পনা, লিঙ্গসমতা, দারিদ্র্য, মাতৃস্বাস্থ্য এবং মানবাধিকারের মতো বিষয়ে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধিই এর লক্ষ্য। এছাড়া অপুষ্টি, শিক্ষার ঘাটতি, বেকারত্ব, স্বাস্থ্যসেবার অপ্রতুলতা, বাল্যবিবাহের মতো সমস্যাগুলোর মূলে থাকা অতিরিক্ত জনসংখ্যার বিষয়টি তুলে ধরাও এর অন্যতম উদ্দেশ্য।
বাংলাদেশেও প্রতিবছর দিবসটি গুরুত্ব সহকারে পালিত হয়, বিশেষ করে দেশের ঘনবসতির প্রেক্ষাপটে এর তাৎপর্য আরও বেশি প্রাসঙ্গিক।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ৩০ হাজার।
অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের ২০২৫ সালের ভোটার তালিকা অনুযায়ী বর্তমানে দেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৯ কোটি। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকাতেই ১ কোটি ৫১ লাখ মানুষ বাস করেন।
নির্বাচন কমিশনার তাহমিদা আহমদ গণমাধ্যমে বলেন, নির্বাচন কমিশনের জরিপকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছে। সুতরাং কমিশনের তথ্যই সঠিক। বিবিএসের তথ্য প্রশ্নবিদ্ধ।
সরকারি এ দুটি প্রতিষ্ঠানের বাইরে বাংলাদেশের জনসংখ্যা নিয়ে তথ্য দিয়েছে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ)। সংস্থাটির ‘বিশ্ব জনসংখ্যা পরিস্থিতি ২০২৫’ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, দেশের জনসংখ্যা এখন ১৭ কোটি ৫৭ লাখ। এর অর্ধেক নারী এবং দুই-তৃতীয়াংশ (১১৫ মিলিয়ন) কর্মক্ষম। সংস্থাটি আরও জানায়, জনসংখ্যার ৭ শতাংশ, প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী। অন্যদিকে ১০ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণের সংখ্যা প্রায় ৫ কোটি, যা মোট জনসংখ্যার ২৮ শতাংশ।
গত বছর ভোটার তালিকা প্রকাশের পরই দেশের মোট জনসংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তখন দেশের বেশ কয়েকটি শীর্ষ গণমাধ্যম বিষয়টি নিয়ে বিশ্লেষণাত্মক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিবিএসের জনশুমারি সবসময় শুষ্ক মৌসুমে পরিচালিত হলেও সর্বশেষ শুমারি প্রথমবারের মতো বর্ষাকালে হয়েছে। এতে বন্যার কারণে গণনা কার্যক্রম গুরুতরভাবে ব্যাহত হয়েছিল। এমনকি বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) তৃতীয়পক্ষীয় যাচাইয়ে দেখেছে, বিবিএসের মূল শুমারি প্রতিবেদনের তুলনায় প্রকৃত জনসংখ্যা ৪৬ লাখ ৭০ হাজার বেশি ছিল।
এছাড়া বিবিএসের নিজস্ব তথ্যেও অসামঞ্জস্য দেখা গেছে—২০২১ সালে প্রকাশিত এসভিআরএস ২০২০ প্রতিবেদনে যে সংখ্যা দেওয়া হয়েছিল, তা তারও দুই বছর আগের জনশুমারির তথ্যের চেয়ে কম ছিল, যদিও স্বাভাবিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হিসাবে তা বাড়ার কথা।
দেশের জনসংখ্যা বিভ্রান্তি নিয়ে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন গণমাধ্যমকে বলেন, গত ১৫ বছরে তথ্য-পরিসংখ্যান নিয়ে বিভ্রান্তি ও লুকোচুরি হয়েছে, যার ফলে এখন সঠিক তথ্য প্রকাশ করলেও তা নিয়ে মানুষের মনে সংশয় থেকে যায়।
কোনো কোনো গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে শক্তিশালী ডেটাবেজের অভাবকে দায়ী করা হয়েছে। প্রতিবেদনগুলো বলছে, উন্নত দেশগুলোতে জন্ম-মৃত্যুর তথ্য সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় সার্ভারে যুক্ত হয়, বিশেষত হাসপাতালের মাধ্যমে। কিন্তু বাংলাদেশে বিশেষ করে উপজেলা বা ইউনিয়ন পর্যায়ে এ ধরনের তথ্য যথাযথভাবে সংরক্ষিত হয় না। তাই শক্তিশালী ডেটাবেজের অভাবে জনসংখ্যার প্রকৃত চিত্র পাওয়া যায় না।
তবে নির্বাচন কমিশনার তাহমিদা আহমদ দাবি করেছেন, নির্বাচন কমিশনের তথ্যই সঠিক। কারণ তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরাসরি তথ্য সংগ্রহ করেছে।
তথ্যসূত্র: বিবিএস, নির্বাচন কমিশন, ইউএনএফপিএ ও বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক

বাংলাদেশের জনসংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি কাটছে না। বিবিএসের জনশুমারি অনুযায়ী সংখ্যা ১৭ কোটির কম, ইউএনএফপিএর প্রতিবেদনে তা প্রায় সাড়ে সতেরো কোটি। অথচ নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকার হিসাবে জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০ কোটিতে। সরকারি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার তথ্যের এই বিশাল ফারাক নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে জনমনে।
বেসরকারি ব্যাংকের চাকরিজীবী মো. লিটন হোসেন স্ট্রিমকে বলেন, জনসংখ্যা নিয়ে সরকারের দুই প্রতিষ্ঠান দুই ধরনের তথ্য দিচ্ছে। এটা তো ঠিক নয়। মানুষকে সঠিক সংখ্যা জানানো সরকারেরই দায়িত্ব।
একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থায় চাকরিরত তাপস বড়ুয়া বলেন, একই দেশের জনসংখ্যা নিয়ে একেক প্রতিষ্ঠান একেক রকম তথ্য দিচ্ছে, এতে উন্নয়ন পরিকল্পনা, বাজেট প্রণয়ন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্যনিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষাসহ নানা খাতে সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণের ক্ষেত্রেও প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।
এমন প্রেক্ষাপটে আজ শনিবার (১১ জুলাই) পালিত হচ্ছে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য—তরুণদের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি।
১৯৮৭ সালের ১১ জুলাই বিশ্বের জনসংখ্যা ৫০০ কোটি ছাড়িয়ে গেলে তা নিয়ে সারা বিশ্বে আলোচনা সৃষ্টি হয়। তৎকালীন বিশ্ব ব্যাংকের সিনিয়র ডেমোগ্রাফার ড. কে সি জাকারিয়া দিনটিকে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস হিসেবে পালনের পরামর্শ দেন।
এর দুই বছর পর ১৯৮৯ সালে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) গভর্নিং কাউন্সিল ১১ জুলাইকে ‘বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এর পরের বছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের উদ্যোগে প্রথমবার বিশ্বজুড়ে প্রায় ৯০টি দেশে দিবসটি উদযাপিত হয়। এর থেকে প্রতিবছর দিবসটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হয়ে আসছে।
দিবসটি পালনের মূল লক্ষ্য হলো, বিশ্ব জনসংখ্যা সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের ওপর জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে, পরিবার পরিকল্পনা, লিঙ্গসমতা, দারিদ্র্য, মাতৃস্বাস্থ্য এবং মানবাধিকারের মতো বিষয়ে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধিই এর লক্ষ্য। এছাড়া অপুষ্টি, শিক্ষার ঘাটতি, বেকারত্ব, স্বাস্থ্যসেবার অপ্রতুলতা, বাল্যবিবাহের মতো সমস্যাগুলোর মূলে থাকা অতিরিক্ত জনসংখ্যার বিষয়টি তুলে ধরাও এর অন্যতম উদ্দেশ্য।
বাংলাদেশেও প্রতিবছর দিবসটি গুরুত্ব সহকারে পালিত হয়, বিশেষ করে দেশের ঘনবসতির প্রেক্ষাপটে এর তাৎপর্য আরও বেশি প্রাসঙ্গিক।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ৩০ হাজার।
অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের ২০২৫ সালের ভোটার তালিকা অনুযায়ী বর্তমানে দেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৯ কোটি। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকাতেই ১ কোটি ৫১ লাখ মানুষ বাস করেন।
নির্বাচন কমিশনার তাহমিদা আহমদ গণমাধ্যমে বলেন, নির্বাচন কমিশনের জরিপকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছে। সুতরাং কমিশনের তথ্যই সঠিক। বিবিএসের তথ্য প্রশ্নবিদ্ধ।
সরকারি এ দুটি প্রতিষ্ঠানের বাইরে বাংলাদেশের জনসংখ্যা নিয়ে তথ্য দিয়েছে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ)। সংস্থাটির ‘বিশ্ব জনসংখ্যা পরিস্থিতি ২০২৫’ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, দেশের জনসংখ্যা এখন ১৭ কোটি ৫৭ লাখ। এর অর্ধেক নারী এবং দুই-তৃতীয়াংশ (১১৫ মিলিয়ন) কর্মক্ষম। সংস্থাটি আরও জানায়, জনসংখ্যার ৭ শতাংশ, প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী। অন্যদিকে ১০ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণের সংখ্যা প্রায় ৫ কোটি, যা মোট জনসংখ্যার ২৮ শতাংশ।
গত বছর ভোটার তালিকা প্রকাশের পরই দেশের মোট জনসংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তখন দেশের বেশ কয়েকটি শীর্ষ গণমাধ্যম বিষয়টি নিয়ে বিশ্লেষণাত্মক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিবিএসের জনশুমারি সবসময় শুষ্ক মৌসুমে পরিচালিত হলেও সর্বশেষ শুমারি প্রথমবারের মতো বর্ষাকালে হয়েছে। এতে বন্যার কারণে গণনা কার্যক্রম গুরুতরভাবে ব্যাহত হয়েছিল। এমনকি বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) তৃতীয়পক্ষীয় যাচাইয়ে দেখেছে, বিবিএসের মূল শুমারি প্রতিবেদনের তুলনায় প্রকৃত জনসংখ্যা ৪৬ লাখ ৭০ হাজার বেশি ছিল।
এছাড়া বিবিএসের নিজস্ব তথ্যেও অসামঞ্জস্য দেখা গেছে—২০২১ সালে প্রকাশিত এসভিআরএস ২০২০ প্রতিবেদনে যে সংখ্যা দেওয়া হয়েছিল, তা তারও দুই বছর আগের জনশুমারির তথ্যের চেয়ে কম ছিল, যদিও স্বাভাবিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হিসাবে তা বাড়ার কথা।
দেশের জনসংখ্যা বিভ্রান্তি নিয়ে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন গণমাধ্যমকে বলেন, গত ১৫ বছরে তথ্য-পরিসংখ্যান নিয়ে বিভ্রান্তি ও লুকোচুরি হয়েছে, যার ফলে এখন সঠিক তথ্য প্রকাশ করলেও তা নিয়ে মানুষের মনে সংশয় থেকে যায়।
কোনো কোনো গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে শক্তিশালী ডেটাবেজের অভাবকে দায়ী করা হয়েছে। প্রতিবেদনগুলো বলছে, উন্নত দেশগুলোতে জন্ম-মৃত্যুর তথ্য সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় সার্ভারে যুক্ত হয়, বিশেষত হাসপাতালের মাধ্যমে। কিন্তু বাংলাদেশে বিশেষ করে উপজেলা বা ইউনিয়ন পর্যায়ে এ ধরনের তথ্য যথাযথভাবে সংরক্ষিত হয় না। তাই শক্তিশালী ডেটাবেজের অভাবে জনসংখ্যার প্রকৃত চিত্র পাওয়া যায় না।
তবে নির্বাচন কমিশনার তাহমিদা আহমদ দাবি করেছেন, নির্বাচন কমিশনের তথ্যই সঠিক। কারণ তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরাসরি তথ্য সংগ্রহ করেছে।
তথ্যসূত্র: বিবিএস, নির্বাচন কমিশন, ইউএনএফপিএ ও বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক
.png)

দিনাজপুরের কিশোরী ইয়াসমিনকে ধর্ষণ ও হত্যার পর ৩১ বছর কেটে গেছে। এই তিন দশকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে অনেক দূর এগিয়েছে। শিক্ষাঙ্গন থেকে শুরু করে কর্মক্ষেত্র— সর্বস্তরে নারীদের সরব উপস্থিতি দৃশ্যমান। কিন্তু ৩১ বছর পরও যে প্রশ্নটি ঘুরেফিরে আসছে—নারীর নিরাপত্তা কতটা বাড়ল? ইয়াসমিন হত্যাকাণ্ডের
২৪ আগস্ট ২০২৬
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। ঢাকা হয়তো সরাসরি এই জোটে যোগ দেবে না। তবে ঘনিষ্ঠ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বঙ্গোপসাগরের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। এছাড়া ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় কৌশলকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে এবং দক্ষিণ এশিয়া
২৩ আগস্ট ২০২৬
পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত নতুন সামরিক চুক্তিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে বাংলাদেশ। চুক্তিটিকে অনেকে ‘ইসলামিক ন্যাটো’ হিসেবে অভিহিত করছেন। মক্কা জয়েন্ট ডিফেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট’ নামে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচিত এই সামরিক চুক্তিটি গত ৭ আগস্ট পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের
২৩ আগস্ট ২০২৬
ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে সহযোগিতা করা যেকোনো দেশকে কঠোর শাস্তির হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশটির বিরুদ্ধে বড় ধরনের অর্থনৈতিক যুদ্ধের দিন (ইকোনমিক ডি-ডে) ঘোষণা করেছেন তিনি। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের দুই বড় বাণিজ্যিক অংশীদার চীন ও রাশিয়ার ওপর চাপ সৃষ্টিতে ট্রাম্পের ক্ষমতা সী
২১ আগস্ট ২০২৬