এক্সপ্লেইনার
কাজী নিশাত তাবাসসুম

সম্প্রতি কলকাতার একটি সড়কের নাম হাসান শহীদ সোহরাওয়ার্দীর পরিবর্তে গোপাল চন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের নামে করার সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। একপক্ষের কাছে এটি ‘ইতিহাসের সংশোধন’, অন্যপক্ষের কাছে ‘হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির’ অংশ।
এই বিতর্কের কেন্দ্রে শুধু একটি রাস্তার নাম নয়, রয়েছে দেশভাগ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, ইতিহাসের ব্যাখ্যা এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রশ্ন। রাজনীতিবিদদের মতে, এটি হিন্দু-মুসলিম বিভাজনকে আরও উসকে দেওয়ার কৌশল।
অনেকেই হাসান সোহরাওয়ার্দী এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে একই ব্যক্তি ভেবে ভুল করছেন। এমনকি সংবাদ মাধ্যমে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ভুল শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়েছিল যা পরে সংশোধিত হয়েছে। বাস্তবে তাঁরা সম্পর্কে মামা-ভাগ্নে।
কলকাতার সড়কটি যাঁর নামে নামকরণ করা হয়েছিল, তিনি হাসান সোহরাওয়ার্দী। পেশায় ছিলেন চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ ও শিল্প-সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষক। তিনি ব্রিটিশ ভারতের অন্যতম বুদ্ধিজীবী ছিলেন এবং কলকাতার চিকিৎসা ও শিক্ষা জগতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
অন্যদিকে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ছিলেন অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী। পরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন। তিনি ছিলেন হাসান সোহরাওয়ার্দীর ভাগ্নে।
তাই রাস্তার নাম পরিবর্তনের ঘটনাকে কেবল ১৯৪৬ সালের দাঙ্গার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করে দেখলে ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ আড়ালে থেকে যায়।
রাস্তার নতুন নাম হয়েছে গোপাল পাঁঠার নামে। গোপাল চন্দ্র মুখোপাধ্যায়, যিনি ‘গোপাল পাঁঠা’ নামে পরিচিত, তিনি পেশায় ছিলেন কলকাতার একজন মাংস ব্যবসায়ী। ১৯৪৬ সালের দ্য গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং বা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সময় তিনি হিন্দু এলাকাগুলোর আত্মরক্ষায় সংগঠিত ভূমিকা পালন করেছিলেন বলে সমর্থকদের দাবি।
গোপালের ভূমিকা নিয়ে বিতর্কও কম নয়। অনেক ঐতিহাসিকের মতে, আত্মরক্ষার পাশাপাশি প্রতিশোধমূলক সহিংসতার সঙ্গেও তাঁর নাম জড়িয়ে আছে। ফলে কারও কাছে তিনি ‘হিন্দু প্রতিরোধের নায়ক’, আবার কারও কাছে তিনি সাম্প্রদায়িক সহিংসতার অন্যতম চরিত্র।
এই কারণেই তাঁর নামে রাস্তার নামকরণকে শুধু একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে না। এটিকে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে স্মৃতির রাজনৈতিক পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে।
সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে রাস্তা, শহর কিংবা স্থাপনার নাম পরিবর্তনের প্রবণতা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে নতুন নয়। এর মাধ্যমে রাষ্ট্র নতুন রাজনৈতিক বা সাংস্কৃতিক বার্তা দিতে চায়।
ভারতে গত এক দশকে এই প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। যেমন ২০১৮ সালে এলাহাবাদের নাম হয়েছে প্রয়াগরাজ। ২০২২ সালে ফৈজাবাদ হয়েছে অযোধ্যা। মুঘলসরাই স্টেশনের নাম হয়েছে দীনদয়াল উপাধ্যায় জংশন। দিল্লির ঔরঙ্গজেব রোড হয়েছে ড. এপিজে আবদুল কালাম রোড।
প্রতিটি ক্ষেত্রেই যুক্তি ছিল ঔপনিবেশিক বা ‘বিতর্কিত’ অতীতের পরিবর্তে স্থানীয় বা জাতীয় ঐতিহ্যকে সামনে আনা। তবে সমালোচকদের মতে, এসব পরিবর্তনের বড় অংশই ইতিহাসের নির্দিষ্ট ব্যাখ্যাকে প্রতিষ্ঠা করার রাজনৈতিক প্রয়াস।
পশ্চিমবঙ্গ দীর্ঘদিন বামপন্থী ও পরে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক প্রভাবের মধ্যে ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজ্যে বিজেপির উত্থানের ফলে ইতিহাস ও পরিচয়ের রাজনীতি নতুন মাত্রা পেয়েছে।
কলকাতা এমন একটি শহর, যেখানে এখনও ব্রিটিশ যুগ, বাংলা নবজাগরণ, স্বাধীনতা আন্দোলন এবং দেশভাভের স্মৃতি পাশাপাশি রয়েছে। ফলে কোনও রাস্তার নাম পরিবর্তন কেবল প্রশাসনিক বিষয় থাকে না, তা রাজনৈতিক বিতর্কে পরিণত হয়। গোপাল পাঁঠার নামে রাস্তার নামকরণও সেই বৃহত্তর সাংস্কৃতিক সংঘর্ষের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো ইতিহাসকে নতুনভাবে ব্যাখ্যা করা এবং অতীতের হিন্দু বীরদের সামনে নিয়ে আসা।
এই দৃষ্টিভঙ্গিতে ১৯৪৬ সালের কলকাতা দাঙ্গা শুধু মুসলিম লীগের ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে’র ফল নয়, এটি হিন্দু সমাজের আত্মরক্ষার ইতিহাসও। সেই কারণে গোপাল পাঁঠার মতো ব্যক্তিত্বকে নতুনভাবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হয়।
অন্যদিকে সমালোচকদের বক্তব্য, এতে সাম্প্রদায়িক সংঘাতের জটিল ইতিহাসকে একপাক্ষিকভাবে উপস্থাপন করা হয় এবং সহিংসতার দায়-দায়িত্বের ভারসাম্য নষ্ট হয়।
রাস্তার নাম কখনো শুধু পথ নির্দেশ করে না, এটি বলে দেয় একটি সমাজ কাকে স্মরণ করতে চায়। একটি রাস্তার নাম পরিবর্তন মানে এক ব্যক্তিকে স্মৃতির কেন্দ্র থেকে সরিয়ে অন্যজনকে সেখানে বসানো। তাই এই ধরনের সিদ্ধান্তে ইতিহাস, আবেগ, রাজনীতি এবং পরিচয় সবকিছুই একসঙ্গে কাজ করে।
কলকাতার এই ঘটনাও সেই বৃহত্তর প্রশ্ন সামনে এনেছে—ইতিহাস কি গবেষণার ভিত্তিতে মূল্যায়িত হবে, নাকি বর্তমান রাজনৈতিক প্রয়োজন অনুযায়ী পুনর্লিখিত হবে?
হাসান সোহরাওয়ার্দীর নাম মুছে গোপাল পাঁঠার নামে রাস্তার নামকরণ শুধু একটি পৌরসভার সিদ্ধান্ত হিসেবে থাকে না, তা হয়ে ওঠে ভারতের বর্তমান পরিচয়-রাজনীতির প্রতীকী উদাহরণ। সাম্প্রতিক বিতর্ক অন্তত তারই ইঙ্গিত দেয়। এখানে একদিকে রয়েছে ইতিহাসের পুনর্ব্যাখ্যার দাবি, অন্যদিকে রয়েছে ইতিহাসকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অভিযোগ।

সম্প্রতি কলকাতার একটি সড়কের নাম হাসান শহীদ সোহরাওয়ার্দীর পরিবর্তে গোপাল চন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের নামে করার সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। একপক্ষের কাছে এটি ‘ইতিহাসের সংশোধন’, অন্যপক্ষের কাছে ‘হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির’ অংশ।
এই বিতর্কের কেন্দ্রে শুধু একটি রাস্তার নাম নয়, রয়েছে দেশভাগ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, ইতিহাসের ব্যাখ্যা এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রশ্ন। রাজনীতিবিদদের মতে, এটি হিন্দু-মুসলিম বিভাজনকে আরও উসকে দেওয়ার কৌশল।
অনেকেই হাসান সোহরাওয়ার্দী এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে একই ব্যক্তি ভেবে ভুল করছেন। এমনকি সংবাদ মাধ্যমে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ভুল শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়েছিল যা পরে সংশোধিত হয়েছে। বাস্তবে তাঁরা সম্পর্কে মামা-ভাগ্নে।
কলকাতার সড়কটি যাঁর নামে নামকরণ করা হয়েছিল, তিনি হাসান সোহরাওয়ার্দী। পেশায় ছিলেন চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ ও শিল্প-সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষক। তিনি ব্রিটিশ ভারতের অন্যতম বুদ্ধিজীবী ছিলেন এবং কলকাতার চিকিৎসা ও শিক্ষা জগতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
অন্যদিকে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ছিলেন অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী। পরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন। তিনি ছিলেন হাসান সোহরাওয়ার্দীর ভাগ্নে।
তাই রাস্তার নাম পরিবর্তনের ঘটনাকে কেবল ১৯৪৬ সালের দাঙ্গার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করে দেখলে ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ আড়ালে থেকে যায়।
রাস্তার নতুন নাম হয়েছে গোপাল পাঁঠার নামে। গোপাল চন্দ্র মুখোপাধ্যায়, যিনি ‘গোপাল পাঁঠা’ নামে পরিচিত, তিনি পেশায় ছিলেন কলকাতার একজন মাংস ব্যবসায়ী। ১৯৪৬ সালের দ্য গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং বা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সময় তিনি হিন্দু এলাকাগুলোর আত্মরক্ষায় সংগঠিত ভূমিকা পালন করেছিলেন বলে সমর্থকদের দাবি।
গোপালের ভূমিকা নিয়ে বিতর্কও কম নয়। অনেক ঐতিহাসিকের মতে, আত্মরক্ষার পাশাপাশি প্রতিশোধমূলক সহিংসতার সঙ্গেও তাঁর নাম জড়িয়ে আছে। ফলে কারও কাছে তিনি ‘হিন্দু প্রতিরোধের নায়ক’, আবার কারও কাছে তিনি সাম্প্রদায়িক সহিংসতার অন্যতম চরিত্র।
এই কারণেই তাঁর নামে রাস্তার নামকরণকে শুধু একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে না। এটিকে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে স্মৃতির রাজনৈতিক পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে।
সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে রাস্তা, শহর কিংবা স্থাপনার নাম পরিবর্তনের প্রবণতা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে নতুন নয়। এর মাধ্যমে রাষ্ট্র নতুন রাজনৈতিক বা সাংস্কৃতিক বার্তা দিতে চায়।
ভারতে গত এক দশকে এই প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। যেমন ২০১৮ সালে এলাহাবাদের নাম হয়েছে প্রয়াগরাজ। ২০২২ সালে ফৈজাবাদ হয়েছে অযোধ্যা। মুঘলসরাই স্টেশনের নাম হয়েছে দীনদয়াল উপাধ্যায় জংশন। দিল্লির ঔরঙ্গজেব রোড হয়েছে ড. এপিজে আবদুল কালাম রোড।
প্রতিটি ক্ষেত্রেই যুক্তি ছিল ঔপনিবেশিক বা ‘বিতর্কিত’ অতীতের পরিবর্তে স্থানীয় বা জাতীয় ঐতিহ্যকে সামনে আনা। তবে সমালোচকদের মতে, এসব পরিবর্তনের বড় অংশই ইতিহাসের নির্দিষ্ট ব্যাখ্যাকে প্রতিষ্ঠা করার রাজনৈতিক প্রয়াস।
পশ্চিমবঙ্গ দীর্ঘদিন বামপন্থী ও পরে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক প্রভাবের মধ্যে ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজ্যে বিজেপির উত্থানের ফলে ইতিহাস ও পরিচয়ের রাজনীতি নতুন মাত্রা পেয়েছে।
কলকাতা এমন একটি শহর, যেখানে এখনও ব্রিটিশ যুগ, বাংলা নবজাগরণ, স্বাধীনতা আন্দোলন এবং দেশভাভের স্মৃতি পাশাপাশি রয়েছে। ফলে কোনও রাস্তার নাম পরিবর্তন কেবল প্রশাসনিক বিষয় থাকে না, তা রাজনৈতিক বিতর্কে পরিণত হয়। গোপাল পাঁঠার নামে রাস্তার নামকরণও সেই বৃহত্তর সাংস্কৃতিক সংঘর্ষের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো ইতিহাসকে নতুনভাবে ব্যাখ্যা করা এবং অতীতের হিন্দু বীরদের সামনে নিয়ে আসা।
এই দৃষ্টিভঙ্গিতে ১৯৪৬ সালের কলকাতা দাঙ্গা শুধু মুসলিম লীগের ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে’র ফল নয়, এটি হিন্দু সমাজের আত্মরক্ষার ইতিহাসও। সেই কারণে গোপাল পাঁঠার মতো ব্যক্তিত্বকে নতুনভাবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হয়।
অন্যদিকে সমালোচকদের বক্তব্য, এতে সাম্প্রদায়িক সংঘাতের জটিল ইতিহাসকে একপাক্ষিকভাবে উপস্থাপন করা হয় এবং সহিংসতার দায়-দায়িত্বের ভারসাম্য নষ্ট হয়।
রাস্তার নাম কখনো শুধু পথ নির্দেশ করে না, এটি বলে দেয় একটি সমাজ কাকে স্মরণ করতে চায়। একটি রাস্তার নাম পরিবর্তন মানে এক ব্যক্তিকে স্মৃতির কেন্দ্র থেকে সরিয়ে অন্যজনকে সেখানে বসানো। তাই এই ধরনের সিদ্ধান্তে ইতিহাস, আবেগ, রাজনীতি এবং পরিচয় সবকিছুই একসঙ্গে কাজ করে।
কলকাতার এই ঘটনাও সেই বৃহত্তর প্রশ্ন সামনে এনেছে—ইতিহাস কি গবেষণার ভিত্তিতে মূল্যায়িত হবে, নাকি বর্তমান রাজনৈতিক প্রয়োজন অনুযায়ী পুনর্লিখিত হবে?
হাসান সোহরাওয়ার্দীর নাম মুছে গোপাল পাঁঠার নামে রাস্তার নামকরণ শুধু একটি পৌরসভার সিদ্ধান্ত হিসেবে থাকে না, তা হয়ে ওঠে ভারতের বর্তমান পরিচয়-রাজনীতির প্রতীকী উদাহরণ। সাম্প্রতিক বিতর্ক অন্তত তারই ইঙ্গিত দেয়। এখানে একদিকে রয়েছে ইতিহাসের পুনর্ব্যাখ্যার দাবি, অন্যদিকে রয়েছে ইতিহাসকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অভিযোগ।
.png)

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী (বিএএফ) চীনের অত্যাধুনিক জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনেবে বলে আলোচনা শোনা যাচ্ছে। চীনের সঙ্গে যুদ্ধবিমান ক্রয়সংক্রান্ত চুক্তি সম্পন্ন হলে পাকিস্তানের পর বাংলাদেশ হবে বিশ্বের দ্বিতীয় দেশ, যারা চীনের এই ফোর পয়েন্ট ফাইভ জি বহুমুখী যুদ্ধবিমান পরিচালনা করবে।
১ ঘণ্টা আগে
একসময় পাকিস্তানের নাম উচ্চারিত হতো বিদ্যুৎ সংকট, লোডশেডিং আর জ্বালানি আমদানিনির্ভর অর্থনীতির উদাহরণ হিসেবে। দিনের পর দিন বিদ্যুৎ থাকত না, শিল্পকারখানা উৎপাদন কমিয়ে দিত, আর সরকারকে ভর্তুকি দিয়ে বিদ্যুৎ খাত টিকিয়ে রাখতে হিমশিম খেতে হতো। সেই পাকিস্তানই আজ বিশ্বের আলোচিত সৌরবিদ্যুৎ বাজারগুলোর একটি।
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের রাজনীতিতে চীন গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অংশীদার। অবকাঠামো উন্নয়ন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে বেইজিংয়ের গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে।
১ দিন আগে
বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে ঢাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য আবার খুলে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। এই দুই পদক্ষেপ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিতে পারে।
২ দিন আগে