স্ট্রিম ডেস্ক

সম্প্রতি ফেসবুকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানাকে উদ্ধৃত করে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দাবি করা হচ্ছে, তিনি বলেছেন— আওয়ামী লীগ যে উন্নয়ন করে গেছে, তা রক্ষণাবেক্ষণ করতেই একটি সরকারের মেয়াদ চলে যাবে। তবে যাচাইয়ে রুমিন ফারহানার নামে প্রচারিত এই বক্তব্যের পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। প্রকৃতপক্ষে, নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র ছাড়াই তাঁর নামে বানোয়াট একটি মন্তব্য প্রচার করা হয়েছে।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এবং এখানে।
আলোচিত ফটোকার্ডটি পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, এতে রুমিন ফারহানার ছবি ও তাঁর নাম ব্যবহার করে একটি রাজনৈতিক মন্তব্য জুড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে বক্তব্যটি কোথায়, কবে, বা কোন অনুষ্ঠানে দেওয়া হয়েছিল, সে বিষয়ে কোনো তথ্য উল্লেখ নেই। ফটোকার্ডটিতে বক্তব্যের উৎস, ভিডিও, সাক্ষাৎকার, সংবাদ প্রতিবেদন বা আনুষ্ঠানিক বিবৃতিরও কোনো সূত্র দেওয়া হয়নি।
স্ট্রিমের অনুসন্ধানে রুমিন ফারহানার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, বিভিন্ন মূলধারার গণমাধ্যম এবং অন্য নির্ভরযোগ্য সূত্রেও এ ধরনের বক্তব্যের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নামে এ ধরনের সূত্রবিহীন উক্তি প্রচারের ক্ষেত্রে এটি একটি পরিচিত কৌশল। এতে ব্যক্তির ছবি ও পরিচিতি ব্যবহার করে বক্তব্যটিকে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলার চেষ্টা করা হয়, কিন্তু যাচাই করলে দেখা যায়, মূল দাবির পক্ষে বাস্তব কোনো ভিত্তি নেই।
সুতরাং, রুমিন ফারহানার নামে প্রচারিত এই মন্তব্যটি ভুয়া ও বানোয়াট।
প্রসঙ্গত, স্ট্রিম আগেও বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তি ও জনপরিচিত মুখের নামে এভাবে উৎসহীন বক্তব্য, ফটোকার্ড ও মনগড়া উদ্ধৃতি ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা নিয়ে একাধিক ফ্যাক্টচেক প্রকাশ করেছে। (১,২,৩)

সম্প্রতি ফেসবুকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানাকে উদ্ধৃত করে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দাবি করা হচ্ছে, তিনি বলেছেন— আওয়ামী লীগ যে উন্নয়ন করে গেছে, তা রক্ষণাবেক্ষণ করতেই একটি সরকারের মেয়াদ চলে যাবে। তবে যাচাইয়ে রুমিন ফারহানার নামে প্রচারিত এই বক্তব্যের পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। প্রকৃতপক্ষে, নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র ছাড়াই তাঁর নামে বানোয়াট একটি মন্তব্য প্রচার করা হয়েছে।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এবং এখানে।
আলোচিত ফটোকার্ডটি পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, এতে রুমিন ফারহানার ছবি ও তাঁর নাম ব্যবহার করে একটি রাজনৈতিক মন্তব্য জুড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে বক্তব্যটি কোথায়, কবে, বা কোন অনুষ্ঠানে দেওয়া হয়েছিল, সে বিষয়ে কোনো তথ্য উল্লেখ নেই। ফটোকার্ডটিতে বক্তব্যের উৎস, ভিডিও, সাক্ষাৎকার, সংবাদ প্রতিবেদন বা আনুষ্ঠানিক বিবৃতিরও কোনো সূত্র দেওয়া হয়নি।
স্ট্রিমের অনুসন্ধানে রুমিন ফারহানার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, বিভিন্ন মূলধারার গণমাধ্যম এবং অন্য নির্ভরযোগ্য সূত্রেও এ ধরনের বক্তব্যের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নামে এ ধরনের সূত্রবিহীন উক্তি প্রচারের ক্ষেত্রে এটি একটি পরিচিত কৌশল। এতে ব্যক্তির ছবি ও পরিচিতি ব্যবহার করে বক্তব্যটিকে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলার চেষ্টা করা হয়, কিন্তু যাচাই করলে দেখা যায়, মূল দাবির পক্ষে বাস্তব কোনো ভিত্তি নেই।
সুতরাং, রুমিন ফারহানার নামে প্রচারিত এই মন্তব্যটি ভুয়া ও বানোয়াট।
প্রসঙ্গত, স্ট্রিম আগেও বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তি ও জনপরিচিত মুখের নামে এভাবে উৎসহীন বক্তব্য, ফটোকার্ড ও মনগড়া উদ্ধৃতি ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা নিয়ে একাধিক ফ্যাক্টচেক প্রকাশ করেছে। (১,২,৩)

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি পোস্ট ছড়িয়ে বলা হচ্ছে, বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিষয়ের অনার্স কোর্স বাতিল হচ্ছে। ফটোকার্ডে আরও বলা হয়েছে, পাঠ্যক্রমে যুক্ত হবে এআই, সাইবার সিকিউরিটি, আউটসোর্সিং ও অন্যান্য প্রযুক্তিনির্ভর বিষয়।
২ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, ডিভোর্সের পর কেউ দায়িত্ব না নেওয়ায় শিশু সন্তানকে এতিমখানায় ফেলে গেছেন জন্মদাতা বাবা-মা।
২ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, মাইন পাতার জন্য বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী বিএসএফের এক গুপ্তচরকে আটক করেছে বিজিবি। ভিডিওর ওপর বসানো লেখায় বলা হয়েছে, ‘সীমান্তে মাইন পাতার সময় ভারতীয় গুপ্তচর আটক।’
৩ দিন আগে
ফেসবুকে একটি ছবি ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, কারামুক্তির পর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী। ছবিতে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন আইভী।
৪ দিন আগে