স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশে জ্বালানি সরবরাহ ও পাম্পগুলোতে ভিড় নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যে ফেসবুকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে নিয়ে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। ফটোকার্ডটিতে দাবি করা হচ্ছে, তিনি বলেছেন, ‘গতকাল রাতে আমি ঢাকার অন্তত ১০টা পাম্পে গিয়েছি, কোথাও কোনো ভিড় বা জ্বালানি সংকট চোখে পড়েনি।’
স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, প্রতিমন্ত্রী এমন কোনো মন্তব্য করেননি। কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই তার নামে ভুয়া এই বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
আলোচিত দাবিতে প্রচারিত পোস্টগুলো পর্যালোচনা করে বক্তব্যটির কোনো নির্ভরযোগ্য উৎসের সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো যাচাই করেও এমন কোনো বক্তব্যের সমর্থনে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি।
পরে এ বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের নামে ভুয়া ফটোকার্ড ছড়িয়ে মানহানির অপচেষ্টার অভিযোগে সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. শাহীদুল ইসলাম তাঁর পক্ষে ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা মডেল থানায় জিডি করেন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।জিডিতে উল্লেখ করা হয়, ফটোকার্ডে প্রতিমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার করে তাঁর নামে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছে।
ভাইরাল ফটোকার্ডে অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের নামে যে বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে, সেটি তাঁর প্রকৃত বক্তব্য নয়। গণমাধ্যম সূত্রেও আলোচিত দাবির পক্ষে সমর্থনযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

দেশে জ্বালানি সরবরাহ ও পাম্পগুলোতে ভিড় নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যে ফেসবুকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে নিয়ে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। ফটোকার্ডটিতে দাবি করা হচ্ছে, তিনি বলেছেন, ‘গতকাল রাতে আমি ঢাকার অন্তত ১০টা পাম্পে গিয়েছি, কোথাও কোনো ভিড় বা জ্বালানি সংকট চোখে পড়েনি।’
স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, প্রতিমন্ত্রী এমন কোনো মন্তব্য করেননি। কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই তার নামে ভুয়া এই বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
আলোচিত দাবিতে প্রচারিত পোস্টগুলো পর্যালোচনা করে বক্তব্যটির কোনো নির্ভরযোগ্য উৎসের সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো যাচাই করেও এমন কোনো বক্তব্যের সমর্থনে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি।
পরে এ বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের নামে ভুয়া ফটোকার্ড ছড়িয়ে মানহানির অপচেষ্টার অভিযোগে সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. শাহীদুল ইসলাম তাঁর পক্ষে ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা মডেল থানায় জিডি করেন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।জিডিতে উল্লেখ করা হয়, ফটোকার্ডে প্রতিমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার করে তাঁর নামে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছে।
ভাইরাল ফটোকার্ডে অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের নামে যে বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে, সেটি তাঁর প্রকৃত বক্তব্য নয়। গণমাধ্যম সূত্রেও আলোচিত দাবির পক্ষে সমর্থনযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

সম্প্রতি ফেসবুকে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জা মেলোনি ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ছবি যুক্ত করে দাবি করা হচ্ছে, ইতালি আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলি পর্যটকদের দেশে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, যুবলীগের এক নেতাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে প্রকাশ্যে নির্যাতন করছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা। পোস্টের ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘যুবলীগ নেতাকে গাছের সাথে বেঁধে প্রকাশ্য নি"র্যা"তন করছে বিএনপির স'ন্ত্রাসীরা।’
১ দিন আগে
এগুলো বাস্তব কোনো মেট্রোরেলের খুঁটিতে আঁকা শেখ হাসিনার গ্রাফিতি নয়। এআই দিয়ে তৈরি ছবিগুলো রাজনৈতিক ক্যাপশনসহ বাস্তব দৃশ্যের মতো করে প্রচার করা হয়েছে।
১ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে ‘গ্রেপ্তার হলেন এমপি মাশরাফি বিন মুর্তজা’ ক্যাপশনে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। এতে মাশরাফিকে হাতকড়া দিয়ে পুলিশ নিয়ে যাচ্ছে, এমন ছবিও যুক্ত।
৪ দিন আগে