স্ট্রিম প্রতিবেদক

সম্প্রতি ফেসবুকে কুমিল্লা-৪ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহকে নিয়ে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। ফটোকার্ডে দেখা যায়, বিএনপি সরকারের উদ্দেশে হাসনাত আবদুল্লাহ বলছেন, ‘ওরা আগেই ভালো ছিল। মা ছিল জেলে, ছেলে ছিল লন্ডনে আর নেতা কর্মীরা ছিল ধান খেতে। আজকে মুক্তি পেয়ে ওরা সংবিধান চিনেছে’। তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, হাসনাত আবদুল্লাহ এমন কোনো মন্তব্য করেননি। কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র ছাড়াই তাঁর নামে এই ভুয়া বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এবং এখানে।
ফটোকার্ডটি ফেসবুকে Rafiq Hannan নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে। পোস্টটিতে প্রায় ৯৬ হাজার ৮০০টি প্রতিক্রিয়া, ১ হাজার ৯০০টি মন্তব্য এবং ২ হাজার ৩০০টি শেয়ার রয়েছে। পোস্টের মন্তব্যের ঘরেও অনেককে এই বক্তব্য সত্য ধরে প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা গেছে। একজন লিখেছেন, ‘কথা বলতে গেলেও হ্যাডাম লাগে। জ্বি আপনি সত্যি কথাই বলেছেন।’ আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘ঠিক ক্যাপ্টেন, তুমি শুধু কুমিল্লার নয় বাংলাদেশের গর্ব।’
তবে স্ট্রিমের অনুসন্ধানে আলোচিত বক্তব্যের পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। ওই ফটোকার্ড সংবলিত ফেসবুক পোস্টগুলোতে হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যের কোনো উৎস উল্লেখ করা হয়নি। তিনি কবে কোথায়, কোন প্রেক্ষাপটে এমন বক্তব্য দিয়েছেন তার উল্লেখ নেই। গণমাধ্যমেও হাসনাত আবদুল্লাহর এমন কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সুতরাং, ভাইরাল ফটোকার্ডের ভাষ্য, পোস্টে দেওয়া তথ্যের ঘাটতি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য যাচাই করে দেখা যায়, হাসনাত আবদুল্লাহকে উদ্ধৃত করে প্রচারিত মন্তব্যটি ভুয়া।

সম্প্রতি ফেসবুকে কুমিল্লা-৪ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহকে নিয়ে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। ফটোকার্ডে দেখা যায়, বিএনপি সরকারের উদ্দেশে হাসনাত আবদুল্লাহ বলছেন, ‘ওরা আগেই ভালো ছিল। মা ছিল জেলে, ছেলে ছিল লন্ডনে আর নেতা কর্মীরা ছিল ধান খেতে। আজকে মুক্তি পেয়ে ওরা সংবিধান চিনেছে’। তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, হাসনাত আবদুল্লাহ এমন কোনো মন্তব্য করেননি। কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র ছাড়াই তাঁর নামে এই ভুয়া বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এবং এখানে।
ফটোকার্ডটি ফেসবুকে Rafiq Hannan নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে। পোস্টটিতে প্রায় ৯৬ হাজার ৮০০টি প্রতিক্রিয়া, ১ হাজার ৯০০টি মন্তব্য এবং ২ হাজার ৩০০টি শেয়ার রয়েছে। পোস্টের মন্তব্যের ঘরেও অনেককে এই বক্তব্য সত্য ধরে প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা গেছে। একজন লিখেছেন, ‘কথা বলতে গেলেও হ্যাডাম লাগে। জ্বি আপনি সত্যি কথাই বলেছেন।’ আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘ঠিক ক্যাপ্টেন, তুমি শুধু কুমিল্লার নয় বাংলাদেশের গর্ব।’
তবে স্ট্রিমের অনুসন্ধানে আলোচিত বক্তব্যের পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। ওই ফটোকার্ড সংবলিত ফেসবুক পোস্টগুলোতে হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যের কোনো উৎস উল্লেখ করা হয়নি। তিনি কবে কোথায়, কোন প্রেক্ষাপটে এমন বক্তব্য দিয়েছেন তার উল্লেখ নেই। গণমাধ্যমেও হাসনাত আবদুল্লাহর এমন কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সুতরাং, ভাইরাল ফটোকার্ডের ভাষ্য, পোস্টে দেওয়া তথ্যের ঘাটতি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য যাচাই করে দেখা যায়, হাসনাত আবদুল্লাহকে উদ্ধৃত করে প্রচারিত মন্তব্যটি ভুয়া।

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, সাপের খেলা দেখাতে এলাকায় প্রবেশ করায় বেদে পরিবারের নারীদের চুল কেটে দিয়েছেন ‘মুগদা উপজেলা’ জামায়াতের নেতা আলী হাসান।
২ দিন আগে
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্ট দাবি করা হয়, আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে মৃত্যুর পর মুক্তিযোদ্ধা ও ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকাকে জাতীয় সংসদ ভবনে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে দেওয়া হয়নি।
৩ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, কুষ্টিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতা ওমর ফারুককে এস্কেভেটরে (স্থানীয়ভাবে ‘ভেকু’ নামে পরিচিত) ঝুলিয়ে পেটাচ্ছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা। ভিডিওতে দেখা যায়, একজন ব্যক্তিকে ভেকুর বাকেটের অংশে উল্টো করে বেঁধে মারধর করা হচ্ছে।
৫ দিন আগে
আলোচিত ভিডিও বরিশাল থানায় ধর্ষণের বর্ণনা দেওয়ার কোনো দৃশ্য নয়। এটি কুমিল্লায় এনজিও কর্মীদের বিরুদ্ধে এক দম্পতিকে মারধর এবং লাঞ্ছনার অভিযোগের ঘটনার।
১২ দিন আগে