স্ট্রিম প্রতিবেদক

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, ‘মুসলমান মেরে মন্দিরের ঘণ্টার সাথে ঝুলিয়ে রেখেছে কট্টরপন্থী উগ্রবাদী হিন্দুরা।’ ছবিতে একজন ব্যক্তিকে বড় একটি ঘণ্টার ভেতরে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়।
তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ছবিটি কোনো মুসলিম ব্যক্তিকে হত্যা করে মন্দিরের ঘণ্টার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখার ঘটনার নয়। এটি মূলত ইতালির ভেনিসে অনুষ্ঠিত ‘ভেনিস বিয়েনালে ২০২৬’-এর অস্ট্রিয়া প্যাভিলিয়নে প্রদর্শিত ‘সিওয়ার্ল্ড ভেনিস’ নামের একটি পারফরম্যান্স আর্টের দৃশ্য। কাজটির শিল্পী অস্ট্রিয়ান কোরিওগ্রাফার ও পারফরম্যান্স আর্টিস্ট ফ্লোরেনটিনা হোলজিঙ্গার।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে এবং এখানে।
ভিডিওটি পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, খোলা জায়গায় একটি বড় ঘণ্টার ভেতর একজন ব্যক্তি ঝুলন্ত অবস্থায় আছেন। তার মাথা নিচের দিকে এবং শরীরের অংশ ঘণ্টার ভেতরে অবস্থান করছে।
ভিডিওটি যাচাই করতে রিভার্স ইমেজ সার্চ এবং সংশ্লিষ্ট কিওয়ার্ড দিয়ে অনুসন্ধান করলে ইতালির সংবাদমাধ্যম ChioggiaTV-এর একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। ২০২৬ সালের ৮ মে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে থাকা ছবির সঙ্গে ভিডিওর বড় ঘণ্টা ও ঝুলন্ত নারীর দৃশ্যের মিল রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভেনিস বিয়েনালে ২০২৬-এ অস্ট্রিয়া প্যাভিলিয়নে ফ্লোরেনটিনা হোলজিঙ্গারের ‘সিওয়ার্ল্ড ভেনিস’ কাজটি আলোচনায় আসে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্যাভিলিয়নে বড় ব্রোঞ্জের ঘণ্টার জন্য পারফর্মাররা ‘মানব ক্ল্যাপার’ হিসেবে কাজ করেন।

এ তথ্যের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের ছবির ক্যাপশনেরও মিল পাওয়া যায়। সেখানে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ৬ মে ইতালির ভেনিসে ভেনিস বিয়েনালে ২০২৬-এ অস্ট্রিয়া প্যাভিলিয়নের ‘সিওয়ার্ল্ড ভেনিস’ প্রদর্শনীতে একজন পারফর্মার নিজের শরীর দিয়ে ঘণ্টা বাজান।
অর্থাৎ ভাইরাল ভিডিওটি বাস্তব হলেও এর সঙ্গে প্রচারিত দাবি সত্য নয়। এটি কোনো মন্দিরে মুসলিম ব্যক্তিকে হত্যা করে ঘণ্টার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখার দৃশ্য নয়; বরং ইতালির ভেনিস বিয়েনালে ২০২৬-এ অস্ট্রিয়া প্যাভিলিয়নে ফ্লোরেন্তিনা হলজিঙ্গারের ‘সিওয়ার্ল্ড ভেনিস’ পারফরম্যান্স আর্টের দৃশ্য।

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, ‘মুসলমান মেরে মন্দিরের ঘণ্টার সাথে ঝুলিয়ে রেখেছে কট্টরপন্থী উগ্রবাদী হিন্দুরা।’ ছবিতে একজন ব্যক্তিকে বড় একটি ঘণ্টার ভেতরে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়।
তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ছবিটি কোনো মুসলিম ব্যক্তিকে হত্যা করে মন্দিরের ঘণ্টার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখার ঘটনার নয়। এটি মূলত ইতালির ভেনিসে অনুষ্ঠিত ‘ভেনিস বিয়েনালে ২০২৬’-এর অস্ট্রিয়া প্যাভিলিয়নে প্রদর্শিত ‘সিওয়ার্ল্ড ভেনিস’ নামের একটি পারফরম্যান্স আর্টের দৃশ্য। কাজটির শিল্পী অস্ট্রিয়ান কোরিওগ্রাফার ও পারফরম্যান্স আর্টিস্ট ফ্লোরেনটিনা হোলজিঙ্গার।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে এবং এখানে।
ভিডিওটি পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, খোলা জায়গায় একটি বড় ঘণ্টার ভেতর একজন ব্যক্তি ঝুলন্ত অবস্থায় আছেন। তার মাথা নিচের দিকে এবং শরীরের অংশ ঘণ্টার ভেতরে অবস্থান করছে।
ভিডিওটি যাচাই করতে রিভার্স ইমেজ সার্চ এবং সংশ্লিষ্ট কিওয়ার্ড দিয়ে অনুসন্ধান করলে ইতালির সংবাদমাধ্যম ChioggiaTV-এর একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। ২০২৬ সালের ৮ মে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে থাকা ছবির সঙ্গে ভিডিওর বড় ঘণ্টা ও ঝুলন্ত নারীর দৃশ্যের মিল রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভেনিস বিয়েনালে ২০২৬-এ অস্ট্রিয়া প্যাভিলিয়নে ফ্লোরেনটিনা হোলজিঙ্গারের ‘সিওয়ার্ল্ড ভেনিস’ কাজটি আলোচনায় আসে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্যাভিলিয়নে বড় ব্রোঞ্জের ঘণ্টার জন্য পারফর্মাররা ‘মানব ক্ল্যাপার’ হিসেবে কাজ করেন।

এ তথ্যের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের ছবির ক্যাপশনেরও মিল পাওয়া যায়। সেখানে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ৬ মে ইতালির ভেনিসে ভেনিস বিয়েনালে ২০২৬-এ অস্ট্রিয়া প্যাভিলিয়নের ‘সিওয়ার্ল্ড ভেনিস’ প্রদর্শনীতে একজন পারফর্মার নিজের শরীর দিয়ে ঘণ্টা বাজান।
অর্থাৎ ভাইরাল ভিডিওটি বাস্তব হলেও এর সঙ্গে প্রচারিত দাবি সত্য নয়। এটি কোনো মন্দিরে মুসলিম ব্যক্তিকে হত্যা করে ঘণ্টার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখার দৃশ্য নয়; বরং ইতালির ভেনিস বিয়েনালে ২০২৬-এ অস্ট্রিয়া প্যাভিলিয়নে ফ্লোরেন্তিনা হলজিঙ্গারের ‘সিওয়ার্ল্ড ভেনিস’ পারফরম্যান্স আর্টের দৃশ্য।

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, ভারতের একটি মহিলা মাদ্রাসায় হামলা করেছে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সন্ত্রাসীরা। ভিডিওতে দেখা যায়, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো ভবনের সামনে বোরকা পরা অনেক মেয়ে আতঙ্কে দৌড়ে পালাচ্ছে।
২১ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলের সমন্বয়ক সিনথিয়া মেহজাবিনের মাতলামির দৃশ্য।
২ দিন আগে
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক সহিংসতার খবর সামনে আসছে। এই উত্তেজনার মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়ায় পুরোনো ভিডিও, ভিন্ন ঘটনার ফুটেজ এবং বিভ্রান্তিকর দাবি।
৬ দিন আগে
ফেসবুকে নেত্রকোনার মদন উপজেলায় এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলা ঘিরে নতুন একটি দাবি ছড়িয়েছে। পোস্টগুলোতে বলা হচ্ছে, শিশুটির আপন নানাই ধর্ষক এবং ডিএনএ টেস্টে এমন রিপোর্ট পাওয়া গেছে।
৭ দিন আগে