স্ট্রিম প্রতিবেদক

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, ভারতের একটি মহিলা মাদ্রাসায় হামলা করেছে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সন্ত্রাসীরা। ভিডিওতে দেখা যায়, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো ভবনের সামনে বোরকা পরা অনেক মেয়ে আতঙ্কে দৌড়ে পালাচ্ছে।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি ভারতের নয়। এটি ভারতের কোনো মাদ্রাসায় সাম্প্রদায়িক হামলার দৃশ্যও নয়। প্রকৃতপক্ষে, ভিডিওটি ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ইয়েমেনের রাজধানী সানার উত্তরের হামদান জেলার একটি বালিকা বিদ্যালয়ে হুথি বিদ্রোহীদের হামলার ঘটনার।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এবং এখানে।
ভিডিওতে দিনের বেলায় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সদৃশ ভবনের সামনে বোরকা পরা অনেক মেয়েকে দৌড়ে বের হতে দেখা যায়। তাদের কয়েকজনের কাঁধে ব্যাগও ছিল।
পোস্টগুলো পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, ভিডিওটির সঙ্গে ভারত, বিজেপি বা মাদ্রাসায় সাম্প্রদায়িক হামলার দাবি জুড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার নির্দিষ্ট স্থান, সময়, ভারতীয় কোনো সংবাদ প্রতিবেদন, পুলিশের দেওয়া তথ্য বা নির্ভরযোগ্য সূত্র উল্লেখ করা হয়নি।
ভিডিওটির সূত্র খুঁজতে গিয়ে Yemeni Radar #YemenCantWait নামের একটি এক্স অ্যাকাউন্টে একই ভিডিও পাওয়া যায়। ২০২৪ সালের ১২ অক্টোবর ভিডিওটি পোস্ট করে ক্যাপশনে বলা হয়, ইয়েমেনের সানার উত্তরের হামদান এলাকায় একটি বালিকা বিদ্যালয়ে হুথি মিলিশিয়ারা হামলা চালায়।
পরে প্রাসঙ্গিক কিওয়ার্ড দিয়ে অনুসন্ধানে ইয়েমেনি সংবাদমাধ্যম ‘ইয়েমেন শাবাব’-এর ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে একই ঘটনার তথ্য পাওয়া যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৬ সেপ্টেম্বর বিপ্লব বার্ষিকী উপলক্ষে স্কুল কর্তৃপক্ষ একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করতে যাচ্ছে, এমন অজুহাতে হুথিরা সানার উত্তরের হামদান জেলার একটি বালিকা বিদ্যালয়ে হামলা চালায়। তারা বিদ্যালয়ে ঢুকে শিক্ষার্থীদের বের করে দেয় এবং স্কুল বন্ধ করে দেয়।
আরও অনুসন্ধানে ইয়েমেনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল মাশহাদ আল ইয়েমেনির ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইয়েমেনের সানার হামদানে একটি বালিকা বিদ্যালয়ে হুথি সদস্যরা হামলা চালায়। এতে আতঙ্কিত ছাত্রীরা স্কুল থেকে পালিয়ে যায়।
অর্থাৎ, ভিডিওটি ইয়েমেনের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে হুথি বিদ্রোহীদের হামলার পুরোনো ঘটনা। এর সঙ্গে ভারত, বিজেপি বা ভারতের কোনো মাদ্রাসায় হামলার সম্পর্ক পাওয়া যায়নি।

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, ভারতের একটি মহিলা মাদ্রাসায় হামলা করেছে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সন্ত্রাসীরা। ভিডিওতে দেখা যায়, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো ভবনের সামনে বোরকা পরা অনেক মেয়ে আতঙ্কে দৌড়ে পালাচ্ছে।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি ভারতের নয়। এটি ভারতের কোনো মাদ্রাসায় সাম্প্রদায়িক হামলার দৃশ্যও নয়। প্রকৃতপক্ষে, ভিডিওটি ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ইয়েমেনের রাজধানী সানার উত্তরের হামদান জেলার একটি বালিকা বিদ্যালয়ে হুথি বিদ্রোহীদের হামলার ঘটনার।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এবং এখানে।
ভিডিওতে দিনের বেলায় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সদৃশ ভবনের সামনে বোরকা পরা অনেক মেয়েকে দৌড়ে বের হতে দেখা যায়। তাদের কয়েকজনের কাঁধে ব্যাগও ছিল।
পোস্টগুলো পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, ভিডিওটির সঙ্গে ভারত, বিজেপি বা মাদ্রাসায় সাম্প্রদায়িক হামলার দাবি জুড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার নির্দিষ্ট স্থান, সময়, ভারতীয় কোনো সংবাদ প্রতিবেদন, পুলিশের দেওয়া তথ্য বা নির্ভরযোগ্য সূত্র উল্লেখ করা হয়নি।
ভিডিওটির সূত্র খুঁজতে গিয়ে Yemeni Radar #YemenCantWait নামের একটি এক্স অ্যাকাউন্টে একই ভিডিও পাওয়া যায়। ২০২৪ সালের ১২ অক্টোবর ভিডিওটি পোস্ট করে ক্যাপশনে বলা হয়, ইয়েমেনের সানার উত্তরের হামদান এলাকায় একটি বালিকা বিদ্যালয়ে হুথি মিলিশিয়ারা হামলা চালায়।
পরে প্রাসঙ্গিক কিওয়ার্ড দিয়ে অনুসন্ধানে ইয়েমেনি সংবাদমাধ্যম ‘ইয়েমেন শাবাব’-এর ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে একই ঘটনার তথ্য পাওয়া যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৬ সেপ্টেম্বর বিপ্লব বার্ষিকী উপলক্ষে স্কুল কর্তৃপক্ষ একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করতে যাচ্ছে, এমন অজুহাতে হুথিরা সানার উত্তরের হামদান জেলার একটি বালিকা বিদ্যালয়ে হামলা চালায়। তারা বিদ্যালয়ে ঢুকে শিক্ষার্থীদের বের করে দেয় এবং স্কুল বন্ধ করে দেয়।
আরও অনুসন্ধানে ইয়েমেনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল মাশহাদ আল ইয়েমেনির ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইয়েমেনের সানার হামদানে একটি বালিকা বিদ্যালয়ে হুথি সদস্যরা হামলা চালায়। এতে আতঙ্কিত ছাত্রীরা স্কুল থেকে পালিয়ে যায়।
অর্থাৎ, ভিডিওটি ইয়েমেনের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে হুথি বিদ্রোহীদের হামলার পুরোনো ঘটনা। এর সঙ্গে ভারত, বিজেপি বা ভারতের কোনো মাদ্রাসায় হামলার সম্পর্ক পাওয়া যায়নি।
.png)

বাংলাদেশে একজন হিন্দু নারী শিক্ষককে ইসলামপন্থীরা মারধর করেছেন দাবি করে রাজবাড়ীর একটি ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ছড়িয়ে পড়েছে।
৩১ আগস্ট ২০২৬
ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রচার করে দাবি করা হচ্ছে, প্রকাশ্য স্থানে অবৈধ অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেওয়া হচ্ছে। ভিডিওটিতে দুই ব্যক্তিকে হাঁটতে দেখা যায়, যাদের দুজনের হাতেই বন্দুকের মতো দেখতে বস্তু রয়েছে। এ ধরনের আরও ভিডিও দেখুন এখানে, এখানে। তবে যাচাইয়ে দেখা যায়, ভিডিওটি প্রকাশ্যে অবৈধ অস্ত্র নিয়ে মহড়ার কোনো
২৫ আগস্ট ২০২৬
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে, নিজ উপজেলা কচুয়ায় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে (১, ২)। ভিডিওটির ক্যাপশনে তাঁকে অবমাননাকরভাবে ‘মুরগি মিলন’ উল্লেখ করে দাবি করা হয়েছে, গাড়ি ভাঙচুরের পর তিনি ফোন করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিষয়টি জানানোর অনুরোধ করেছেন।
২৪ আগস্ট ২০২৬
ফেসবুকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের নামে প্রচারিত একটি ফটোকার্ডে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচনী খরচ বাঁচাতে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে কোনো উপনির্বাচন হবে না (১, ২)। ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা জামায়াতের প্রার্থীই ওই আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন।
২৩ আগস্ট ২০২৬