স্ট্রিম প্রতিবেদক

ফেসবুকে নেত্রকোনার মদন উপজেলায় এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলা ঘিরে নতুন একটি দাবি ছড়িয়েছে। পোস্টগুলোতে বলা হচ্ছে, শিশুটির আপন নানাই ধর্ষক এবং ডিএনএ টেস্টে এমন রিপোর্ট পাওয়া গেছে।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, দাবিটি সঠিক নয়। এখন পর্যন্ত শিশুটির ডিএনএ টেস্ট হয়েছে, এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ডিএনএ পরীক্ষা হওয়ার আগেই সামাজিক মাধ্যমে এটিকে ‘রিপোর্ট’ হিসেবে প্রচার করা হয়েছে।
পোস্টগুলোতে লেখা হয়েছে, ‘১১ বছরের ধর্ষিতা সেই মেয়েটির ধর্ষক তার আপন নানা, ডিএনএ টেস্ট থেকে রিপোর্ট! আপনারা না জেনেই একজন আলেমকে দোষী সাব্যস্ত করলেন?’ একই ধরনের দাবি একাধিক ফেসবুক পেজ ও অ্যাকাউন্ট থেকে ছড়ানো হয়েছে। (১,২)
তবে এসব পোস্টে ডিএনএ রিপোর্টের কোনো কপি নেই। পরীক্ষার তারিখ নেই। কোনো ল্যাবের নাম নেই। পুলিশ, আদালত বা পরিবারের কোনো বক্তব্যও যুক্ত করা হয়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৩ এপ্রিল শিশুটির মা বাদী হয়ে আমান উল্লাহ সাগরসহ দুজনের বিরুদ্ধে মদন থানায় মামলা করেন। এরপর থেকে সাগর পলাতক ছিলেন। তবে গ্রেপ্তারের আগে মঙ্গলবার সামাজিক মাধ্যমে তিনি আত্মপক্ষ সমর্থন করে একটি ভিডিও বক্তব্য দেন। এরপরই তাকে রাতে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান র্যাব-১৪ মিডিয়ার কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সামসুজ্জামান।
এ বিষয়ে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম স্ট্রিমকে জানান, সামাজিক মাধ্যমে ডিএনএ রিপোর্ট নিয়ে যে দাবি ছড়ানো হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন। শিশুটির এখনো ডিএনএ টেস্ট করা হয়নি।
এ ছাড়া ডিএনএ টেস্ট হয়েছে বা এ সংক্রান্ত কোনো রিপোর্ট পাওয়া গেছে, এমন তথ্য কোনো সংবাদমাধ্যম, মামলা বা পুলিশ সূত্রে পাওয়া যায়নি।

ফেসবুকে নেত্রকোনার মদন উপজেলায় এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলা ঘিরে নতুন একটি দাবি ছড়িয়েছে। পোস্টগুলোতে বলা হচ্ছে, শিশুটির আপন নানাই ধর্ষক এবং ডিএনএ টেস্টে এমন রিপোর্ট পাওয়া গেছে।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, দাবিটি সঠিক নয়। এখন পর্যন্ত শিশুটির ডিএনএ টেস্ট হয়েছে, এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ডিএনএ পরীক্ষা হওয়ার আগেই সামাজিক মাধ্যমে এটিকে ‘রিপোর্ট’ হিসেবে প্রচার করা হয়েছে।
পোস্টগুলোতে লেখা হয়েছে, ‘১১ বছরের ধর্ষিতা সেই মেয়েটির ধর্ষক তার আপন নানা, ডিএনএ টেস্ট থেকে রিপোর্ট! আপনারা না জেনেই একজন আলেমকে দোষী সাব্যস্ত করলেন?’ একই ধরনের দাবি একাধিক ফেসবুক পেজ ও অ্যাকাউন্ট থেকে ছড়ানো হয়েছে। (১,২)
তবে এসব পোস্টে ডিএনএ রিপোর্টের কোনো কপি নেই। পরীক্ষার তারিখ নেই। কোনো ল্যাবের নাম নেই। পুলিশ, আদালত বা পরিবারের কোনো বক্তব্যও যুক্ত করা হয়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৩ এপ্রিল শিশুটির মা বাদী হয়ে আমান উল্লাহ সাগরসহ দুজনের বিরুদ্ধে মদন থানায় মামলা করেন। এরপর থেকে সাগর পলাতক ছিলেন। তবে গ্রেপ্তারের আগে মঙ্গলবার সামাজিক মাধ্যমে তিনি আত্মপক্ষ সমর্থন করে একটি ভিডিও বক্তব্য দেন। এরপরই তাকে রাতে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান র্যাব-১৪ মিডিয়ার কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সামসুজ্জামান।
এ বিষয়ে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম স্ট্রিমকে জানান, সামাজিক মাধ্যমে ডিএনএ রিপোর্ট নিয়ে যে দাবি ছড়ানো হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন। শিশুটির এখনো ডিএনএ টেস্ট করা হয়নি।
এ ছাড়া ডিএনএ টেস্ট হয়েছে বা এ সংক্রান্ত কোনো রিপোর্ট পাওয়া গেছে, এমন তথ্য কোনো সংবাদমাধ্যম, মামলা বা পুলিশ সূত্রে পাওয়া যায়নি।

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে ঝড়ো আবহাওয়ার মধ্যে পানিতে ডুবে থাকা ধানের জমিতে এক ব্যক্তিকে খাবার খেতে দেখা যায়। ভিডিওটির ওপর লেখা রয়েছে, ‘ধান কাটার ফাঁকে ক্ষুধার যন্ত্রণা ঝড়ের মধ্যেও সংগ্রামে কৃষক।’
১ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে পশ্চিমভঙ্গের বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ছে। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা, ‘হাসিনা ওয়াজেদ বৈধ প্রধানমন্ত্রী, এরা (বিএনপি) অবৈধ। হাসিনা ওয়াজেদ প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই ঢাকাতে শাহজালাল এয়ারপোর্টে নামবেন। স্যালুট দিয়ে নিয়ে যেতে হবে।-শুভেন্দু অধিকারী’।
২ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি সহিংস ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, সিলেটে আওয়ামী লীগ নেতাকে বাড়ি থেকে ধরে এনে প্রকাশ্যে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে বিএনপি-জামায়াতের ‘সন্ত্রাসী’রা।
২ দিন আগে
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সরু গলিপথে বোরকা পরা এক নারীকে টুপি-পাঞ্জাবি পরা এক ব্যক্তি যৌন হয়রানি করে পালিয়ে যাচ্ছেন।
৩ দিন আগে