স্টিভ সালগ্রা রেমা

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক সহিংসতার খবর সামনে আসছে। এই উত্তেজনার মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়ায় পুরোনো ভিডিও, ভিন্ন ঘটনার ফুটেজ এবং বিভ্রান্তিকর দাবি।
পর্যালোচনায় দেখা যায়, এসব দাবির বড় অংশে রাজনৈতিক সহিংসতার খবরের সঙ্গে ধর্মীয় পরিচয় ও বাংলাদেশে পালানোর দাবি জুড়ে দিয়ে উদ্বেগ বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
দাবিগুলোর মধ্যে মুসলিমদের ওপর হামলা, বাড়িঘর ভাঙচুর ও আগুন দেওয়ার অভিযোগ যেমন ছিল, তেমনি ‘অনুপ্রবেশকারীদের’ বাংলাদেশে পালানোর দাবিও প্রচারিত হয়েছে।
প্রহরী নিউজ নামের ফেসবুক পেজ থেকে প্রচারিত একটি ভিডিওতে দাবি করা হয়, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর মুসলিমদের বাড়িঘর ভাঙচুর করছে বিজেপি হিন্দুত্ববাদীরা। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভিডিওটিতে ১ লাখ ৩৬ হাজারের বেশি রিঅ্যাকশন, ৭ হাজার ৭০০ এর বেশি মন্তব্য এবং ২৭ হাজারের বেশি শেয়ার দেখা গেছে।
স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের পরের নয়। প্রজ্ঞা আইএএস অ্যাকাডেমি নামের একটি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর একই দৃশ্যের ভিডিও পাওয়া যায়। সেখানে ভিডিওটিকে আসামে চালানো উচ্ছেদ অভিযানের দৃশ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
এ নিয়ে ডেকান হেরাল্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়, আসামের গোয়ালপাড়ার দাহিকাটা সংরক্ষিত বনভূমি এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে রাজ্যের বন বিভাগ। প্রতিবেদনে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের বরাতে বলা হয়, গৌহাটি হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী ওই অভিযান চালানো হয়।
ভিডিওটির প্রেক্ষাপট পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা নয় বরং আসামের বনভূমি এলাকা থেকে বসতি উচ্ছেদ অভিযান।
সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, সাম্প্রদায়িক হামলার দাবি
একটি ভিডিওতে আগুনে পুড়তে থাকা দোকানের দৃশ্য ছড়িয়ে দাবি করা হয়, এটি পশ্চিমবঙ্গে মুসলিমদের ওপর হিন্দুদের হামলার ঘটনা। তবে যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি নির্বাচন-পরবর্তী কোনো হামলার নয়। এটি পশ্চিমবঙ্গের মধ্যমগ্রাম স্টেশনসংলগ্ন এলাকার সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা।
এ নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্যমগ্রাম স্টেশনের কাছে একটি মিষ্টির দোকানসহ একাধিক দোকানে আগুন লাগে। প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি মিষ্টির দোকানে প্রথম আগুন লাগে। পরে তা আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে।
আজ তক বাংলার প্রতিবেদনেও বলা হয়, মধ্যমগ্রাম স্টেশন ও বয়েজ হাই স্কুলের মধ্যবর্তী দোকানগুলোতে আগুন লাগে। স্থানীয় সূত্রের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, একটি দোকানে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর আগুন দ্রুত আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে।

অর্থাৎ, আগুনের দৃশ্যটি বাস্তব হলেও এর সঙ্গে সাম্প্রদায়িক হামলার সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। মধ্যমগ্রামের সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ভিডিওকে পশ্চিমবঙ্গে মুসলিমদের ওপর হামলার দাবি হিসেবে প্রচার করা হয়েছে।
আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, টুপি-পাঞ্জাবি পরা বহু মানুষ মালামাল নিয়ে কোথাও উঠছেন। ভিডিওটি ছড়িয়ে দাবি করা হয়, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ‘অনুপ্রবেশকারীরা’ বাংলাদেশে পালাচ্ছে।
ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদন বলছে, ভিডিওটি পশ্চিমবঙ্গের কোনো রেলস্টেশনের নয়। এটি বরিশালের চরমোনাই মাহফিল শেষে মুসল্লিদের লঞ্চে ওঠার পুরোনো দৃশ্য। একই ভিডিও ২০২৬ সালের ৫ মার্চ ‘লঞ্চ ক্যাপচার’ নামের একটি ফেসবুক পেজে পোস্ট হয়েছিল। আরও পুরোনো অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বরও একই দৃশ্যের ভিডিও ফেসবুকে ছিল, যেখানে এটিকে চরমোনাই মাহফিল শেষে মুসল্লিদের লঞ্চে ওঠার দৃশ্য বলা হয়েছে।
লাঠি হাতে ভাঙচুরের আরেকটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের পর মুসলিমদের ওপর দলটির সমর্থকেরা হামলা চালাচ্ছেন। তথ্য যাচাইকারী গবেষণা সংস্থা ডিসমিসল্যাব জানিয়েছে, ভিডিওটি পশ্চিমবঙ্গের নয়। এটি রাজস্থানের যোধপুরের প্রতাপ নগর এলাকার ঘটনা।
প্রতিবেদন বলছে, সেখানে বেলুন ছোড়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের পর যানবাহন ভাঙচুর হয়েছিল। পুরোনো এই ঘটনাকে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন-পরবর্তী মুসলিমদের ওপর হামলার দাবি হিসেবে প্রচার করা হয়েছে।

শর্ট সার্কিটের আগুনে সাম্প্রদায়িক হামলার দাবি
একটি অগ্নিকাণ্ডের ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর দলটির কর্মীরা মুসলিম সম্প্রদায়ের ঘরবাড়িতে আগুন দিচ্ছে। তবে ফ্যাক্টওয়াচের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি নির্বাচন-পরবর্তী কোনো হামলার নয়।
রিভার্স ইমেজ সার্চে একই ধরনের ভিডিও ২০২৬ সালের ২৬ এপ্রিল পুনম ডান্স নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলে পাওয়া যায়। সেখানে আক্রা সন্তোষপুর স্টেশন রোড এলাকার নাম উল্লেখ ছিল। হিন্দুস্তান টাইমস ও নিউজ১৮-এর প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার আক্রা স্টেশনসংলগ্ন একটি বস্তিতে শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগে।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা হয় ৪ মে। অর্থাৎ, আগুনের ঘটনা ফল ঘোষণার আগেই ঘটে। তাই শর্ট সার্কিট থেকে লাগা আগুনের ভিডিওকে বিজেপির জয়ের পর মুসলিমদের ঘরবাড়িতে আগুন দেওয়ার দাবি হিসেবে প্রচার করা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক সহিংসতার খবর সামনে আসছে। এই উত্তেজনার মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়ায় পুরোনো ভিডিও, ভিন্ন ঘটনার ফুটেজ এবং বিভ্রান্তিকর দাবি।
পর্যালোচনায় দেখা যায়, এসব দাবির বড় অংশে রাজনৈতিক সহিংসতার খবরের সঙ্গে ধর্মীয় পরিচয় ও বাংলাদেশে পালানোর দাবি জুড়ে দিয়ে উদ্বেগ বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
দাবিগুলোর মধ্যে মুসলিমদের ওপর হামলা, বাড়িঘর ভাঙচুর ও আগুন দেওয়ার অভিযোগ যেমন ছিল, তেমনি ‘অনুপ্রবেশকারীদের’ বাংলাদেশে পালানোর দাবিও প্রচারিত হয়েছে।
প্রহরী নিউজ নামের ফেসবুক পেজ থেকে প্রচারিত একটি ভিডিওতে দাবি করা হয়, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর মুসলিমদের বাড়িঘর ভাঙচুর করছে বিজেপি হিন্দুত্ববাদীরা। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভিডিওটিতে ১ লাখ ৩৬ হাজারের বেশি রিঅ্যাকশন, ৭ হাজার ৭০০ এর বেশি মন্তব্য এবং ২৭ হাজারের বেশি শেয়ার দেখা গেছে।
স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের পরের নয়। প্রজ্ঞা আইএএস অ্যাকাডেমি নামের একটি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর একই দৃশ্যের ভিডিও পাওয়া যায়। সেখানে ভিডিওটিকে আসামে চালানো উচ্ছেদ অভিযানের দৃশ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
এ নিয়ে ডেকান হেরাল্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়, আসামের গোয়ালপাড়ার দাহিকাটা সংরক্ষিত বনভূমি এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে রাজ্যের বন বিভাগ। প্রতিবেদনে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের বরাতে বলা হয়, গৌহাটি হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী ওই অভিযান চালানো হয়।
ভিডিওটির প্রেক্ষাপট পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা নয় বরং আসামের বনভূমি এলাকা থেকে বসতি উচ্ছেদ অভিযান।
সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, সাম্প্রদায়িক হামলার দাবি
একটি ভিডিওতে আগুনে পুড়তে থাকা দোকানের দৃশ্য ছড়িয়ে দাবি করা হয়, এটি পশ্চিমবঙ্গে মুসলিমদের ওপর হিন্দুদের হামলার ঘটনা। তবে যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি নির্বাচন-পরবর্তী কোনো হামলার নয়। এটি পশ্চিমবঙ্গের মধ্যমগ্রাম স্টেশনসংলগ্ন এলাকার সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা।
এ নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্যমগ্রাম স্টেশনের কাছে একটি মিষ্টির দোকানসহ একাধিক দোকানে আগুন লাগে। প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি মিষ্টির দোকানে প্রথম আগুন লাগে। পরে তা আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে।
আজ তক বাংলার প্রতিবেদনেও বলা হয়, মধ্যমগ্রাম স্টেশন ও বয়েজ হাই স্কুলের মধ্যবর্তী দোকানগুলোতে আগুন লাগে। স্থানীয় সূত্রের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, একটি দোকানে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর আগুন দ্রুত আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে।

অর্থাৎ, আগুনের দৃশ্যটি বাস্তব হলেও এর সঙ্গে সাম্প্রদায়িক হামলার সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। মধ্যমগ্রামের সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ভিডিওকে পশ্চিমবঙ্গে মুসলিমদের ওপর হামলার দাবি হিসেবে প্রচার করা হয়েছে।
আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, টুপি-পাঞ্জাবি পরা বহু মানুষ মালামাল নিয়ে কোথাও উঠছেন। ভিডিওটি ছড়িয়ে দাবি করা হয়, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ‘অনুপ্রবেশকারীরা’ বাংলাদেশে পালাচ্ছে।
ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদন বলছে, ভিডিওটি পশ্চিমবঙ্গের কোনো রেলস্টেশনের নয়। এটি বরিশালের চরমোনাই মাহফিল শেষে মুসল্লিদের লঞ্চে ওঠার পুরোনো দৃশ্য। একই ভিডিও ২০২৬ সালের ৫ মার্চ ‘লঞ্চ ক্যাপচার’ নামের একটি ফেসবুক পেজে পোস্ট হয়েছিল। আরও পুরোনো অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বরও একই দৃশ্যের ভিডিও ফেসবুকে ছিল, যেখানে এটিকে চরমোনাই মাহফিল শেষে মুসল্লিদের লঞ্চে ওঠার দৃশ্য বলা হয়েছে।
লাঠি হাতে ভাঙচুরের আরেকটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের পর মুসলিমদের ওপর দলটির সমর্থকেরা হামলা চালাচ্ছেন। তথ্য যাচাইকারী গবেষণা সংস্থা ডিসমিসল্যাব জানিয়েছে, ভিডিওটি পশ্চিমবঙ্গের নয়। এটি রাজস্থানের যোধপুরের প্রতাপ নগর এলাকার ঘটনা।
প্রতিবেদন বলছে, সেখানে বেলুন ছোড়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের পর যানবাহন ভাঙচুর হয়েছিল। পুরোনো এই ঘটনাকে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন-পরবর্তী মুসলিমদের ওপর হামলার দাবি হিসেবে প্রচার করা হয়েছে।

শর্ট সার্কিটের আগুনে সাম্প্রদায়িক হামলার দাবি
একটি অগ্নিকাণ্ডের ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর দলটির কর্মীরা মুসলিম সম্প্রদায়ের ঘরবাড়িতে আগুন দিচ্ছে। তবে ফ্যাক্টওয়াচের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি নির্বাচন-পরবর্তী কোনো হামলার নয়।
রিভার্স ইমেজ সার্চে একই ধরনের ভিডিও ২০২৬ সালের ২৬ এপ্রিল পুনম ডান্স নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলে পাওয়া যায়। সেখানে আক্রা সন্তোষপুর স্টেশন রোড এলাকার নাম উল্লেখ ছিল। হিন্দুস্তান টাইমস ও নিউজ১৮-এর প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার আক্রা স্টেশনসংলগ্ন একটি বস্তিতে শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগে।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা হয় ৪ মে। অর্থাৎ, আগুনের ঘটনা ফল ঘোষণার আগেই ঘটে। তাই শর্ট সার্কিট থেকে লাগা আগুনের ভিডিওকে বিজেপির জয়ের পর মুসলিমদের ঘরবাড়িতে আগুন দেওয়ার দাবি হিসেবে প্রচার করা হয়েছে।
.png)

তবে স্ট্রিমকে সংশ্লিষ্ট দুই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, লোডশেডিংয়ের কারণে ওই দুই যুবক রেললাইনে ঘুমিয়েছিলেন—এমন তথ্য তাঁরা কোনো গণমাধ্যমকে দেননি।
১৩ আগস্ট ২০২৬
পোস্টগুলোর ক্যাপশনে বলা হয়, চাঁদার দাবিতে ঢাকা আইনজীবী সমিতি ভবনের কর্মকর্তাদের ওপর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছেন। তবে স্ট্রিমের অনুসন্ধানে এই দাবির সঙ্গে প্রকৃত ঘটনার মিল পাওয়া যায়নি।
১৩ আগস্ট ২০২৬
ফেসবুকে শেখ হাসিনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, এটি গত ৫ আগস্ট তার লাইভে কথা বলার আগের মুহূর্তের দৃশ্য। ভিডিওটিতে শেখ হাসিনাকে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির সঙ্গে দেখা যায়।
১৩ আগস্ট ২০২৬
ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রচার করে দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশের একটি মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের ডামি বা নকল AK-47 দিয়ে অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ভিডিওটিতে একটি কক্ষে এক ব্যক্তিকে রাইফেলের মতো দেখতে একটি বস্তু হাতে সেটির বিভিন্ন অংশ দেখাতে দেখা যায়।
১২ আগস্ট ২০২৬