স্ট্রিম প্রতিবেদক

ফেসবুকে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে নিয়ে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত করে বেহেশতে যাওয়া হবে নাকি? এ ভুয়া কথা শুনবেন না।’
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি সম্পাদিত। প্রকৃতপক্ষে, নির্বাচনী প্রচারণার সময় বিরোধী দলের প্রতীক নিয়ে দেওয়া তার একটি পুরোনো বক্তব্যের নির্দিষ্ট অংশ কেটে এবং প্রেক্ষাপট বাদ দিয়ে প্রচার করা হয়েছে। তিনি নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাতকে ভুয়া বলেননি।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এবং এখানে।
আলোচিত ভিডিওটি পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, এতে এহছানুল হক মিলনের বক্তব্যের একটি ছোট অংশ ব্যবহার করা হয়েছে। তবে ভিডিওতে বক্তব্যের আগের ও পরের অংশ রাখা হয়নি। ফলে তিনি কী প্রসঙ্গে কথাগুলো বলেছিলেন, তা স্পষ্ট নয়।
অনুসন্ধানে এহছানুল হক মিলনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে গত ৬ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত একই বক্তব্যের দীর্ঘ ভিডিও পাওয়া যায়। সেখানে দেখা যায়, তিনি কয়েকজন নারীর সঙ্গে কথোপকথনের সময় জানতে চান, ‘পাল্লায়’ ভোট দিলে বেহেশতের টিকিট পাওয়া যাবে কি না। উপস্থিত নারীরা তা অস্বীকার করেন। এরপর তিনি জানতে চান, তাহলে কীভাবে বেহেশতে যাওয়া যাবে। উত্তরে তারা নামাজ-রোজার কথা বলেন। পরে তিনি নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাতের প্রসঙ্গ তুললে উপস্থিত ব্যক্তিরা সম্মতিসূচক উত্তর দেন।
এরপর তিনি ‘এই ভুয়া কথা শুনবেন না’ মন্তব্যটি করেন। পূর্ণাঙ্গ কথোপকথন থেকে বোঝা যায়, তার মন্তব্যটি নামাজ, রোজা, হজ বা জাকাতকে উদ্দেশ্য করে নয়। তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, কোনো রাজনৈতিক প্রতীকে ভোট দিলেই বেহেশতে যাওয়া যাবে, এমন দাবি ভুয়া।
আলোচিত ভিডিওতে ‘পাল্লায় ভোট’ প্রসঙ্গ ও উপস্থিত ব্যক্তিদের উত্তর বাদ দেওয়ায় বক্তব্যটির অর্থ বদলে গেছে। মূলত, এহছানুল হক মিলনের বক্তব্যের খণ্ডিত অংশ প্রচার করে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছে।

ফেসবুকে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে নিয়ে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত করে বেহেশতে যাওয়া হবে নাকি? এ ভুয়া কথা শুনবেন না।’
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি সম্পাদিত। প্রকৃতপক্ষে, নির্বাচনী প্রচারণার সময় বিরোধী দলের প্রতীক নিয়ে দেওয়া তার একটি পুরোনো বক্তব্যের নির্দিষ্ট অংশ কেটে এবং প্রেক্ষাপট বাদ দিয়ে প্রচার করা হয়েছে। তিনি নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাতকে ভুয়া বলেননি।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এবং এখানে।
আলোচিত ভিডিওটি পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, এতে এহছানুল হক মিলনের বক্তব্যের একটি ছোট অংশ ব্যবহার করা হয়েছে। তবে ভিডিওতে বক্তব্যের আগের ও পরের অংশ রাখা হয়নি। ফলে তিনি কী প্রসঙ্গে কথাগুলো বলেছিলেন, তা স্পষ্ট নয়।
অনুসন্ধানে এহছানুল হক মিলনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে গত ৬ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত একই বক্তব্যের দীর্ঘ ভিডিও পাওয়া যায়। সেখানে দেখা যায়, তিনি কয়েকজন নারীর সঙ্গে কথোপকথনের সময় জানতে চান, ‘পাল্লায়’ ভোট দিলে বেহেশতের টিকিট পাওয়া যাবে কি না। উপস্থিত নারীরা তা অস্বীকার করেন। এরপর তিনি জানতে চান, তাহলে কীভাবে বেহেশতে যাওয়া যাবে। উত্তরে তারা নামাজ-রোজার কথা বলেন। পরে তিনি নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাতের প্রসঙ্গ তুললে উপস্থিত ব্যক্তিরা সম্মতিসূচক উত্তর দেন।
এরপর তিনি ‘এই ভুয়া কথা শুনবেন না’ মন্তব্যটি করেন। পূর্ণাঙ্গ কথোপকথন থেকে বোঝা যায়, তার মন্তব্যটি নামাজ, রোজা, হজ বা জাকাতকে উদ্দেশ্য করে নয়। তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, কোনো রাজনৈতিক প্রতীকে ভোট দিলেই বেহেশতে যাওয়া যাবে, এমন দাবি ভুয়া।
আলোচিত ভিডিওতে ‘পাল্লায় ভোট’ প্রসঙ্গ ও উপস্থিত ব্যক্তিদের উত্তর বাদ দেওয়ায় বক্তব্যটির অর্থ বদলে গেছে। মূলত, এহছানুল হক মিলনের বক্তব্যের খণ্ডিত অংশ প্রচার করে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছে।

ফেসবুকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্ধৃত করে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে।
২ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহসভাপতি সাদিক কায়েমের একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, গুজব ছড়ানোর দায়ে তিনি প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন। ভিডিওটির ক্যাপশনেও বলা হচ্ছে, ‘গুজব ছড়ানোর দায়ে ক্ষমা চাইলে নীলক্ষেতের ভিপি সাদিক কায়েম।’
৪ দিন আগে
দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সম্ভাব্য জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় পুলিশ সদর দপ্তরের সতর্কতামূলক নির্দেশনার খবর প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
৫ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানাকে উদ্ধৃত করে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে।
৬ দিন আগে