স্ট্রিম প্রতিবেদক

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি সহিংস ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, সিলেটে আওয়ামী লীগ নেতাকে বাড়ি থেকে ধরে এনে প্রকাশ্যে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে বিএনপি-জামায়াতের ‘সন্ত্রাসী’রা। পোস্টে আরও দাবি করা হচ্ছে, এ ঘটনায় পুলিশ কোনো মামলা নেয়নি।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, প্রচারিত ভিডিওটি সিলেটের নয় এবং এতে কোনো আওয়ামী লীগ নেতাকে পুড়িয়ে হত্যার দৃশ্যও নেই। প্রকৃতপক্ষে, ভিডিওটি গত বছরের ডিসেম্বরে ময়মনসিংহের ভালুকায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দীপু চন্দ্র দাস নামের এক পোশাকশ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা ও পরে তার লাশে আগুন দেওয়ার ঘটনার।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
পোস্টগুলো পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, ভিডিওটির সঙ্গে সিলেট, আওয়ামী লীগ নেতা, বিএনপি-জামায়াত বা সাম্প্রতিক কোনো ঘটনার পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্র দেওয়া হয়নি। পোস্টগুলোতে কোনো সংবাদ প্রতিবেদন, থানার তথ্য, নিহত ব্যক্তির পরিচয়, মামলা নম্বর বা স্থানীয় কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যও উল্লেখ নেই।
ভিডিওটির সূত্র খুঁজতে গিয়ে একই দৃশ্যের একটি পুরোনো ভিডিও পাওয়া যায়, যা গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর ফেসবুকে প্রকাশিত হয়েছিল। ওই পোস্টের ক্যাপশনে বলা হয়, ময়মনসিংহের ভালুকায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দীপু চন্দ্র দাস নামের হিন্দু ধর্মের এক যুবককে একদল ব্যক্তি পিটিয়ে হত্যা করে। তিনি স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন এবং ওই এলাকায় ভাড়া থাকতেন।
পরবর্তী অনুসন্ধানে প্রথম আলোর ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টার দিকে ময়মনসিংহের ভালুকায় ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে দীপু চন্দ্র দাস নামের ২৭ বছর বয়সী এক পোশাকশ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ সময় কারখানার সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের জামিরদিয়া ডুবালিয়াপাড়া এলাকায় লোকজন বিক্ষোভ করে তার লাশে আগুন ধরিয়ে দেন।
অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে সিলেটে কোনো আওয়ামী লীগ নেতাকে বিএনপি বা জামায়াতের নেতাকর্মীরা বাড়ি থেকে ধরে এনে প্রকাশ্যে পুড়িয়ে হত্যা করেছে, এমন কোনো তথ্য মূলধারার গণমাধ্যমে পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ, ময়মনসিংহের ভালুকার পুরোনো একটি সহিংস ঘটনার ভিডিওকে সিলেটে আওয়ামী লীগ নেতা হত্যার সাম্প্রতিক ঘটনা দাবি করে প্রচার করা হচ্ছে।

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি সহিংস ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, সিলেটে আওয়ামী লীগ নেতাকে বাড়ি থেকে ধরে এনে প্রকাশ্যে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে বিএনপি-জামায়াতের ‘সন্ত্রাসী’রা। পোস্টে আরও দাবি করা হচ্ছে, এ ঘটনায় পুলিশ কোনো মামলা নেয়নি।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, প্রচারিত ভিডিওটি সিলেটের নয় এবং এতে কোনো আওয়ামী লীগ নেতাকে পুড়িয়ে হত্যার দৃশ্যও নেই। প্রকৃতপক্ষে, ভিডিওটি গত বছরের ডিসেম্বরে ময়মনসিংহের ভালুকায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দীপু চন্দ্র দাস নামের এক পোশাকশ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা ও পরে তার লাশে আগুন দেওয়ার ঘটনার।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
পোস্টগুলো পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, ভিডিওটির সঙ্গে সিলেট, আওয়ামী লীগ নেতা, বিএনপি-জামায়াত বা সাম্প্রতিক কোনো ঘটনার পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্র দেওয়া হয়নি। পোস্টগুলোতে কোনো সংবাদ প্রতিবেদন, থানার তথ্য, নিহত ব্যক্তির পরিচয়, মামলা নম্বর বা স্থানীয় কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যও উল্লেখ নেই।
ভিডিওটির সূত্র খুঁজতে গিয়ে একই দৃশ্যের একটি পুরোনো ভিডিও পাওয়া যায়, যা গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর ফেসবুকে প্রকাশিত হয়েছিল। ওই পোস্টের ক্যাপশনে বলা হয়, ময়মনসিংহের ভালুকায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দীপু চন্দ্র দাস নামের হিন্দু ধর্মের এক যুবককে একদল ব্যক্তি পিটিয়ে হত্যা করে। তিনি স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন এবং ওই এলাকায় ভাড়া থাকতেন।
পরবর্তী অনুসন্ধানে প্রথম আলোর ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টার দিকে ময়মনসিংহের ভালুকায় ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে দীপু চন্দ্র দাস নামের ২৭ বছর বয়সী এক পোশাকশ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ সময় কারখানার সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের জামিরদিয়া ডুবালিয়াপাড়া এলাকায় লোকজন বিক্ষোভ করে তার লাশে আগুন ধরিয়ে দেন।
অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে সিলেটে কোনো আওয়ামী লীগ নেতাকে বিএনপি বা জামায়াতের নেতাকর্মীরা বাড়ি থেকে ধরে এনে প্রকাশ্যে পুড়িয়ে হত্যা করেছে, এমন কোনো তথ্য মূলধারার গণমাধ্যমে পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ, ময়মনসিংহের ভালুকার পুরোনো একটি সহিংস ঘটনার ভিডিওকে সিলেটে আওয়ামী লীগ নেতা হত্যার সাম্প্রতিক ঘটনা দাবি করে প্রচার করা হচ্ছে।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সরু গলিপথে বোরকা পরা এক নারীকে টুপি-পাঞ্জাবি পরা এক ব্যক্তি যৌন হয়রানি করে পালিয়ে যাচ্ছেন।
১ দিন আগে
ফেসবুকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামের নামে একটি মন্তব্য ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দাবি করা হচ্ছে, তিনি বলেছেন, ‘ইউনুসের ভরসা আমেরিকা, হাসিনার ভরসা ভারত। তারেকের ভরসা লন্ডন। জামায়াতের ভরসা বাংলাদেশ।’
২ দিন আগে
ফেসবুকে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে নিয়ে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত করে বেহেশতে যাওয়া হবে নাকি? এ ভুয়া কথা শুনবেন না।’
২ দিন আগে
ফেসবুকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্ধৃত করে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে।
৪ দিন আগে