স্ট্রিম প্রতিবেদক

সম্প্রতি ফেসবুকে পশ্চিমভঙ্গের বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ছে। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা, ‘হাসিনা ওয়াজেদ বৈধ প্রধানমন্ত্রী, এরা (বিএনপি) অবৈধ। হাসিনা ওয়াজেদ প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই ঢাকাতে শাহজালাল এয়ারপোর্টে নামবেন। স্যালুট দিয়ে নিয়ে যেতে হবে।-শুভেন্দু অধিকারী’।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, শুভেন্দু অধিকারী বক্তব্যটি বিএনপি সরকারের উদ্দেশে দেননি। প্রকৃতপক্ষে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারকে নিয়ে সমালোচনা করতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেছিলেন।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
পোস্টটি পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, ভিডিওর ক্যাপশনে শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যের সঙ্গে ‘বিএনপি সরকার’ প্রসঙ্গ যুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু ক্যাপশনে বক্তব্যটির তারিখ, পূর্ণ ভিডিও, অনুষ্ঠান, সংবাদ প্রতিবেদন বা প্রেক্ষাপট উল্লেখ করা হয়নি। ফলে ভিডিওটি দেখে মনে হতে পারে, তিনি সম্প্রতি বিএনপি সরকারের উদ্দেশে এই মন্তব্য করেছেন।
পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট কিওয়ার্ডে অনুসন্ধান করলে সমকাল ও ইন্ডিয়া টুডের ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদন পাওয়া যায়। সমকালের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ঘোজাডাঙ্গা আন্তর্জাতিক সীমান্তে একটি কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের বৈধ প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন। একই বক্তব্যে তিনি বাংলাদেশের তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারকে অবৈধ বলেও মন্তব্য করেন।
ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, শুভেন্দু অধিকারী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকারকে ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়ে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের বৈধ প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছিলেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, শেখ হাসিনাকে সরাতে হলে তা গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমেই হতে হবে এবং তিনি ঢাকায় ফিরলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই অভ্যর্থনা পাবেন।
অর্থাৎ, শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যটি ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের এবং সেটি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আলোচিত পোস্টে বক্তব্যটির সঙ্গে ‘বিএনপি সরকার’ প্রসঙ্গ যুক্ত করে নতুন প্রেক্ষাপটে উপস্থাপন করা হয়েছে।
শুভেন্দু অধিকারীর ‘শেখ হাসিনা বৈধ প্রধানমন্ত্রী’ মন্তব্যটি বিএনপি সরকারের উদ্দেশে দেওয়া হয়েছে দাবিটি বিভ্রান্তিকর। বক্তব্যটি পুরোনো এবং তা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারকে নিয়ে করা হয়েছিল।

সম্প্রতি ফেসবুকে পশ্চিমভঙ্গের বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ছে। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা, ‘হাসিনা ওয়াজেদ বৈধ প্রধানমন্ত্রী, এরা (বিএনপি) অবৈধ। হাসিনা ওয়াজেদ প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই ঢাকাতে শাহজালাল এয়ারপোর্টে নামবেন। স্যালুট দিয়ে নিয়ে যেতে হবে।-শুভেন্দু অধিকারী’।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, শুভেন্দু অধিকারী বক্তব্যটি বিএনপি সরকারের উদ্দেশে দেননি। প্রকৃতপক্ষে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারকে নিয়ে সমালোচনা করতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেছিলেন।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
পোস্টটি পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, ভিডিওর ক্যাপশনে শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যের সঙ্গে ‘বিএনপি সরকার’ প্রসঙ্গ যুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু ক্যাপশনে বক্তব্যটির তারিখ, পূর্ণ ভিডিও, অনুষ্ঠান, সংবাদ প্রতিবেদন বা প্রেক্ষাপট উল্লেখ করা হয়নি। ফলে ভিডিওটি দেখে মনে হতে পারে, তিনি সম্প্রতি বিএনপি সরকারের উদ্দেশে এই মন্তব্য করেছেন।
পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট কিওয়ার্ডে অনুসন্ধান করলে সমকাল ও ইন্ডিয়া টুডের ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদন পাওয়া যায়। সমকালের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ঘোজাডাঙ্গা আন্তর্জাতিক সীমান্তে একটি কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের বৈধ প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন। একই বক্তব্যে তিনি বাংলাদেশের তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারকে অবৈধ বলেও মন্তব্য করেন।
ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, শুভেন্দু অধিকারী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকারকে ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়ে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের বৈধ প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছিলেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, শেখ হাসিনাকে সরাতে হলে তা গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমেই হতে হবে এবং তিনি ঢাকায় ফিরলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই অভ্যর্থনা পাবেন।
অর্থাৎ, শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যটি ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের এবং সেটি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আলোচিত পোস্টে বক্তব্যটির সঙ্গে ‘বিএনপি সরকার’ প্রসঙ্গ যুক্ত করে নতুন প্রেক্ষাপটে উপস্থাপন করা হয়েছে।
শুভেন্দু অধিকারীর ‘শেখ হাসিনা বৈধ প্রধানমন্ত্রী’ মন্তব্যটি বিএনপি সরকারের উদ্দেশে দেওয়া হয়েছে দাবিটি বিভ্রান্তিকর। বক্তব্যটি পুরোনো এবং তা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারকে নিয়ে করা হয়েছিল।
.png)

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনজুড়ে মাঠের তুলনায় সামাজিক মাধ্যমেই প্রচারণা ছিল বেশি। তবে দিনশেষে দেখা গেছে, এসব প্রচারের বড় অংশ ছিল পুরোনো ও ভুয়া ভিডিও।
২০ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, গাইবান্ধায় রামমূর্তি স্থাপনে বাধা দেওয়ার পর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হিন্দুদের বিক্ষোভ। ভিডিওর ওপরে লেখা, ‘রাম মূর্তি স্থাপনে বাধা দেওয়ায় গাইবান্ধায় বিক্ষোভ করেছে হিন্দুরা।’
২ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ছবি ছড়িয়েছে। এতে দাবি করা হয়েছে, আর্জেন্টিনার পতাকা নিয়ে রাস্তায় মিছিল করায় সেনাবাহিনীর হামলায় ১০ জন আহত হয়েছেন।
৭ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়েছে। এতে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশে ইয়ামাহার একটি শোরুমে ঢুকে ডাকাত এক ব্যক্তিকে মারধর করেছে। পরে শোরুমের সব কিছু হাতিয়ে নিয়েছে।
৭ দিন আগে