স্ট্রিম প্রতিবেদক

ধান খেতের মাঝে সরু আইল ধরে হাঁটছে হলুদ ও গোলাপি পোশাক পরা এক শিশু। হাতে কালচে রঙের একটি বিড়াল। শিশুটির পেছন পেছন গুটি গুটি পায়ে হাঁটছে একটি শজারু (দেখুন এখানে, এখানে, এখানে)।
সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এমন একটি ভিডিও নজর কেড়েছে অনেকের। একাধিক পোস্টে এটি বাংলাদেশের গ্রামের দৃশ্য বলে দাবি করা হয় (১,২,৩)। তবে যাচাই করে দেখা গেছে, এটি বাংলাদেশের নয়, বরং শ্রীলঙ্কার ভিডিও।
ভিডিওটি বাংলাদেশের জানিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের সোশ্যাল পোস্টেও দেখা যায়। দ্য টেলিগ্রাফের পোস্টে ভিডিওটির ওপরের লেখায় এবং ক্যাপশনে শিশুটি বাংলাদেশের বলা হয়। একই পোস্টে #bangladesh হ্যাশট্যাগও ব্যবহার করা হয়।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়। অনুসন্ধানে ভিডিওটির সবচেয়ে পুরোনো যে পোস্ট পাওয়া গেছে, সেটি শ্রীলঙ্কার একটি ফেসবুক প্রোফাইল থেকে করা।
যাচাইয়ের শুরুতে ভিডিওটির কি-ফ্রেম নিয়ে রিভার্স সার্চ করা হয়। এতে সিংহলি ভাষার একটি পোস্টে ভিডিওটি পাওয়া যায়। পোস্টটির ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘ගමක අසිරිය සංහිදියාව හා සුන්දර ලමාවිය 😍’। গুগল ট্রান্সলেট দিয়ে অনুবাদ করলে এর বাংলা অর্থ দাঁড়ায়, ‘গ্রামের সৌন্দর্য, সম্প্রীতি ও সুন্দর শৈশব।’
অনুসন্ধানে ভিডিওটির সবচেয়ে পুরোনো পাওয়া পোস্ট দেখা যায় Prabath Silva নামের একটি ফেসবুক আইডিতে। ওই আইডি থেকে ১১ জুন ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছিল। পোস্টটির ক্যাপশন ছিল সিংহলি ভাষায়। সেখানে লেখা ছিল, ‘අක්කා එක්ක කුබුරු යන ඉත්තෑ මල්ලි’। গুগল ট্রান্সলেট অনুযায়ী, এর অর্থ দাঁড়ায়, ‘আপার সঙ্গে ধানখেতে যাচ্ছে শজারু ভাই।’
শুধু ১১ জুনের পোস্টই নয়, Prabath Silva আইডিতে একই শিশু ও শজারুকে ঘিরে আরও কয়েকটি ভিডিও পাওয়া যায়। ১৪ জুনের একটি ভিডিওতে শজারুটিকে বোতল দিয়ে খাবার দিতে দেখা যায়। ২০ জুনের আরেকটি ভিডিওতেও শিশুটির সঙ্গে শজারুর মেলামেশার দৃশ্য দেখা যায়। এসব পোস্টেও সিংহলি ভাষার ক্যাপশন ব্যবহার করা হয়েছে।
ওই আইডির প্রোফাইল তথ্যেও পলোন্নারুয়া অবস্থান দেখা যায়। পলোন্নারুয়া শ্রীলঙ্কার উত্তর-মধ্য প্রদেশের একটি জেলা।
ভিডিওটির প্রেক্ষাপট জানতে প্রভাত সিলভার সঙ্গে ফেসবুকে যোগাযোগ করা হয়। তবে প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত তার সাড়া পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ, ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়। এটি শ্রীলঙ্কা-সংশ্লিষ্ট সিংহলি ভাষার ফেসবুক প্রোফাইলে আগে পোস্ট করা হয়েছিল। বিড়াল হাতে শিশুর পেছনে শজারু হাঁটার ভিডিওটি বাংলাদেশের গ্রামের দৃশ্য বলে প্রচার করা বিভ্রান্তিকর।

ধান খেতের মাঝে সরু আইল ধরে হাঁটছে হলুদ ও গোলাপি পোশাক পরা এক শিশু। হাতে কালচে রঙের একটি বিড়াল। শিশুটির পেছন পেছন গুটি গুটি পায়ে হাঁটছে একটি শজারু (দেখুন এখানে, এখানে, এখানে)।
সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এমন একটি ভিডিও নজর কেড়েছে অনেকের। একাধিক পোস্টে এটি বাংলাদেশের গ্রামের দৃশ্য বলে দাবি করা হয় (১,২,৩)। তবে যাচাই করে দেখা গেছে, এটি বাংলাদেশের নয়, বরং শ্রীলঙ্কার ভিডিও।
ভিডিওটি বাংলাদেশের জানিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের সোশ্যাল পোস্টেও দেখা যায়। দ্য টেলিগ্রাফের পোস্টে ভিডিওটির ওপরের লেখায় এবং ক্যাপশনে শিশুটি বাংলাদেশের বলা হয়। একই পোস্টে #bangladesh হ্যাশট্যাগও ব্যবহার করা হয়।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়। অনুসন্ধানে ভিডিওটির সবচেয়ে পুরোনো যে পোস্ট পাওয়া গেছে, সেটি শ্রীলঙ্কার একটি ফেসবুক প্রোফাইল থেকে করা।
যাচাইয়ের শুরুতে ভিডিওটির কি-ফ্রেম নিয়ে রিভার্স সার্চ করা হয়। এতে সিংহলি ভাষার একটি পোস্টে ভিডিওটি পাওয়া যায়। পোস্টটির ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘ගමක අසිරිය සංහිදියාව හා සුන්දර ලමාවිය 😍’। গুগল ট্রান্সলেট দিয়ে অনুবাদ করলে এর বাংলা অর্থ দাঁড়ায়, ‘গ্রামের সৌন্দর্য, সম্প্রীতি ও সুন্দর শৈশব।’
অনুসন্ধানে ভিডিওটির সবচেয়ে পুরোনো পাওয়া পোস্ট দেখা যায় Prabath Silva নামের একটি ফেসবুক আইডিতে। ওই আইডি থেকে ১১ জুন ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছিল। পোস্টটির ক্যাপশন ছিল সিংহলি ভাষায়। সেখানে লেখা ছিল, ‘අක්කා එක්ක කුබුරු යන ඉත්තෑ මල්ලි’। গুগল ট্রান্সলেট অনুযায়ী, এর অর্থ দাঁড়ায়, ‘আপার সঙ্গে ধানখেতে যাচ্ছে শজারু ভাই।’
শুধু ১১ জুনের পোস্টই নয়, Prabath Silva আইডিতে একই শিশু ও শজারুকে ঘিরে আরও কয়েকটি ভিডিও পাওয়া যায়। ১৪ জুনের একটি ভিডিওতে শজারুটিকে বোতল দিয়ে খাবার দিতে দেখা যায়। ২০ জুনের আরেকটি ভিডিওতেও শিশুটির সঙ্গে শজারুর মেলামেশার দৃশ্য দেখা যায়। এসব পোস্টেও সিংহলি ভাষার ক্যাপশন ব্যবহার করা হয়েছে।
ওই আইডির প্রোফাইল তথ্যেও পলোন্নারুয়া অবস্থান দেখা যায়। পলোন্নারুয়া শ্রীলঙ্কার উত্তর-মধ্য প্রদেশের একটি জেলা।
ভিডিওটির প্রেক্ষাপট জানতে প্রভাত সিলভার সঙ্গে ফেসবুকে যোগাযোগ করা হয়। তবে প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত তার সাড়া পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ, ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়। এটি শ্রীলঙ্কা-সংশ্লিষ্ট সিংহলি ভাষার ফেসবুক প্রোফাইলে আগে পোস্ট করা হয়েছিল। বিড়াল হাতে শিশুর পেছনে শজারু হাঁটার ভিডিওটি বাংলাদেশের গ্রামের দৃশ্য বলে প্রচার করা বিভ্রান্তিকর।
.png)

তবে স্ট্রিমকে সংশ্লিষ্ট দুই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, লোডশেডিংয়ের কারণে ওই দুই যুবক রেললাইনে ঘুমিয়েছিলেন—এমন তথ্য তাঁরা কোনো গণমাধ্যমকে দেননি।
১৩ আগস্ট ২০২৬
পোস্টগুলোর ক্যাপশনে বলা হয়, চাঁদার দাবিতে ঢাকা আইনজীবী সমিতি ভবনের কর্মকর্তাদের ওপর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছেন। তবে স্ট্রিমের অনুসন্ধানে এই দাবির সঙ্গে প্রকৃত ঘটনার মিল পাওয়া যায়নি।
১৩ আগস্ট ২০২৬
ফেসবুকে শেখ হাসিনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, এটি গত ৫ আগস্ট তার লাইভে কথা বলার আগের মুহূর্তের দৃশ্য। ভিডিওটিতে শেখ হাসিনাকে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির সঙ্গে দেখা যায়।
১৩ আগস্ট ২০২৬
ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রচার করে দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশের একটি মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের ডামি বা নকল AK-47 দিয়ে অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ভিডিওটিতে একটি কক্ষে এক ব্যক্তিকে রাইফেলের মতো দেখতে একটি বস্তু হাতে সেটির বিভিন্ন অংশ দেখাতে দেখা যায়।
১২ আগস্ট ২০২৬