স্ট্রিম প্রতিবেদক

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ফটোকার্ড ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ফটোকার্ডে দাবি করা হয়, বাসায় কাজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে একজন বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার হয়েছেন। তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, আলোচিত ফটোকার্ডটি ভুয়া এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা ।
ভাইরাল হওয়া ফটোকার্ডটি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এতে একটি গণমাধ্যমের নাম এবং প্রকাশের তারিখ হিসেবে ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ উল্লেখ করা হয়েছে। এই সূত্র ধরে বাংলাভিশনের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে ওই দিনের প্রকাশিত ফটোকার্ডগুলো পর্যালোচনা করা হয়। সেখানে বিএনপি নেতার গ্রেপ্তার-সংক্রান্ত এমন কোনো খবর বা ফটোকার্ড পাওয়া যায়নি।
তবে ওই দিন বেলা ৩টা ৪১ মিনিটে প্রকাশিত একটি ফটোকার্ড শনাক্ত করা গেছে, যার সঙ্গে ভাইরাল হওয়া ভুয়া কার্ডটির ছবির মিল রয়েছে।
প্রকৃত ফটোকার্ডটি পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, সেটির শিরোনাম ছিল— ‘ফেনীতে স্কুলছাত্র নাশিত হত্যা: ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড’। অর্থাৎ, একটি হত্যাকাণ্ডের বিচারসংক্রান্ত সংবাদে শিরোনাম পরিবর্তন করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিএনপি নেতার গ্রেপ্তারের মিথ্যা তথ্য সংযুক্ত করা হয়েছে।
এ দিকে, ভুয়া ফটোকার্ডে ব্যবহৃত ছবিটির প্রকৃত উৎস যাচাই করতে রিভার্স ইমেজ সার্চ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এতে জানা যায়, ছবিটি ফেনীতে স্কুলছাত্র নাশিত হত্যা মামলার কোনো আসামির নয়। বরং এটি কুমিল্লায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের ঘটনায় চাচা মো. ছিদ্দিকুর রহমান ছিদ্দিককে হত্যার দায়ে ভাতিজা মো. সারোয়ার আলমের মৃত্যুদণ্ডের সংবাদের সঙ্গে সম্পর্কিত। একাধিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে (১,২,৩) বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সব মিলিয়ে, আলোচিত ফটোকার্ডটি একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভুয়া তথ্য প্রচারের অংশ, যা বিভ্রান্তি ছড়াতে ডিজিটালভাবে সম্পাদনা করে তৈরি করা হয়েছে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ফটোকার্ড ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ফটোকার্ডে দাবি করা হয়, বাসায় কাজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে একজন বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার হয়েছেন। তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, আলোচিত ফটোকার্ডটি ভুয়া এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা ।
ভাইরাল হওয়া ফটোকার্ডটি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এতে একটি গণমাধ্যমের নাম এবং প্রকাশের তারিখ হিসেবে ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ উল্লেখ করা হয়েছে। এই সূত্র ধরে বাংলাভিশনের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে ওই দিনের প্রকাশিত ফটোকার্ডগুলো পর্যালোচনা করা হয়। সেখানে বিএনপি নেতার গ্রেপ্তার-সংক্রান্ত এমন কোনো খবর বা ফটোকার্ড পাওয়া যায়নি।
তবে ওই দিন বেলা ৩টা ৪১ মিনিটে প্রকাশিত একটি ফটোকার্ড শনাক্ত করা গেছে, যার সঙ্গে ভাইরাল হওয়া ভুয়া কার্ডটির ছবির মিল রয়েছে।
প্রকৃত ফটোকার্ডটি পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, সেটির শিরোনাম ছিল— ‘ফেনীতে স্কুলছাত্র নাশিত হত্যা: ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড’। অর্থাৎ, একটি হত্যাকাণ্ডের বিচারসংক্রান্ত সংবাদে শিরোনাম পরিবর্তন করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিএনপি নেতার গ্রেপ্তারের মিথ্যা তথ্য সংযুক্ত করা হয়েছে।
এ দিকে, ভুয়া ফটোকার্ডে ব্যবহৃত ছবিটির প্রকৃত উৎস যাচাই করতে রিভার্স ইমেজ সার্চ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এতে জানা যায়, ছবিটি ফেনীতে স্কুলছাত্র নাশিত হত্যা মামলার কোনো আসামির নয়। বরং এটি কুমিল্লায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের ঘটনায় চাচা মো. ছিদ্দিকুর রহমান ছিদ্দিককে হত্যার দায়ে ভাতিজা মো. সারোয়ার আলমের মৃত্যুদণ্ডের সংবাদের সঙ্গে সম্পর্কিত। একাধিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে (১,২,৩) বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সব মিলিয়ে, আলোচিত ফটোকার্ডটি একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভুয়া তথ্য প্রচারের অংশ, যা বিভ্রান্তি ছড়াতে ডিজিটালভাবে সম্পাদনা করে তৈরি করা হয়েছে।
.png)

শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জবাবদিহি এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। গত ২০ জুলাই দিল্লিতে সংসদ অভিমুখী পদযাত্রায় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ হয়।
২৩ জুলাই ২০২৬
ফেসবুক পেজ ‘Global Times Live’ সম্প্রতি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা, ‘নিজেদের গরু মহিষ নিয়ে দিল্লির পথে কৃষকরা।’ ভিডিওতে সড়কজুড়ে বিপুলসংখ্যক গরু এবং কিছু মানুষকে হাঁটতে দেখা যায়। ভিডিওটির ৬ সেকেন্ডে বাঁ পাশে ‘সোর্স–Kunal (এক্স)’ লেখা দেখা যায়।
২২ জুলাই ২০২৬
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে একই ঘটনার কয়েকটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়েছে।ভিডিওগুলোর বিভিন্ন অংশ সামনে আসার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাটি ঘিরে ব্যাখ্যাও কয়েক দফায় বদলেছে।
২১ জুলাই ২০২৬
ভিডিওতে ট্রাম্পকে বলতে শোনা যায়, শেখ হাসিনা বৈধ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরবেন। তাঁর প্রতি ট্রাম্পের পূর্ণ সমর্থন থাকবে।
১৭ জুলাই ২০২৬