স্ট্রিম প্রতিবেদক

ফেসবুকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামের নামে একটি মন্তব্য ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দাবি করা হচ্ছে, তিনি বলেছেন, ‘ইউনুসের ভরসা আমেরিকা, হাসিনার ভরসা ভারত। তারেকের ভরসা লন্ডন। জামায়াতের ভরসা বাংলাদেশ।’
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, তাজুল ইসলাম এমন মন্তব্য করেননি। কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র ছাড়াই তার নামে ভুয়া এই বক্তব্য প্রচার হয়েছে।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
পর্যালোচনায় দেখা যায়, তাজুল ইসলামের মন্তব্য দাবিতে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে কোনো তথ্যসূত্র নেই। পরে অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামের ফেসবুক পেজ ও প্রোফাইল, মূলধারার গণমাধ্যম এবং অন্যান্য নির্ভরযোগ্য সূত্রে অনুসন্ধান করেও এই দাবি সংবলিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আরও অনুসন্ধানে দেখা যায়, এই বক্তব্য শুরুতে তাজুল ইসলামের নামে ছড়ায়নি। অন্তত গত ৯ এপ্রিল থেকে একই ধরনের একটি লেখা ফেসবুকে নামহীন প্রচার হচ্ছে। ওই সংস্করণে বলা হয়েছিল, ‘ইউনুসের ভরসা আমেরিকা, হাসিনার ভরসা ভারত। জামায়াতের ভরসা পাকিস্তান, তারেক রহমানের ভরসা বাংলাদেশ।’
পরে ১০ এপ্রিল থেকে একই বক্তব্যের ভাষা বদলে ‘ইউনুসের ভরসা আমেরিকা, হাসিনার ভরসা ভারত। তারেকের ভরসা লন্ডন, জামায়াতের ভরসা বাংলাদেশ’ আকারে প্রচার শুরু হয়।
অর্থাৎ, আগে থেকে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি নামহীন রাজনৈতিক মন্তব্য পরে তাজুল ইসলামের নামে প্রচার হয়েছে।

ফেসবুকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামের নামে একটি মন্তব্য ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দাবি করা হচ্ছে, তিনি বলেছেন, ‘ইউনুসের ভরসা আমেরিকা, হাসিনার ভরসা ভারত। তারেকের ভরসা লন্ডন। জামায়াতের ভরসা বাংলাদেশ।’
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, তাজুল ইসলাম এমন মন্তব্য করেননি। কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র ছাড়াই তার নামে ভুয়া এই বক্তব্য প্রচার হয়েছে।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
পর্যালোচনায় দেখা যায়, তাজুল ইসলামের মন্তব্য দাবিতে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে কোনো তথ্যসূত্র নেই। পরে অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামের ফেসবুক পেজ ও প্রোফাইল, মূলধারার গণমাধ্যম এবং অন্যান্য নির্ভরযোগ্য সূত্রে অনুসন্ধান করেও এই দাবি সংবলিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আরও অনুসন্ধানে দেখা যায়, এই বক্তব্য শুরুতে তাজুল ইসলামের নামে ছড়ায়নি। অন্তত গত ৯ এপ্রিল থেকে একই ধরনের একটি লেখা ফেসবুকে নামহীন প্রচার হচ্ছে। ওই সংস্করণে বলা হয়েছিল, ‘ইউনুসের ভরসা আমেরিকা, হাসিনার ভরসা ভারত। জামায়াতের ভরসা পাকিস্তান, তারেক রহমানের ভরসা বাংলাদেশ।’
পরে ১০ এপ্রিল থেকে একই বক্তব্যের ভাষা বদলে ‘ইউনুসের ভরসা আমেরিকা, হাসিনার ভরসা ভারত। তারেকের ভরসা লন্ডন, জামায়াতের ভরসা বাংলাদেশ’ আকারে প্রচার শুরু হয়।
অর্থাৎ, আগে থেকে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি নামহীন রাজনৈতিক মন্তব্য পরে তাজুল ইসলামের নামে প্রচার হয়েছে।
.png)

চলমান এই আন্দোলন ঘিরে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে একের পর এক ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য।
৩ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যম এক্সে এক নারীকে লাঠি দিয়ে মারধরের ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশে হিন্দু নারীকে দিনদুপুরে মারধর করা হচ্ছে। ওই পোস্টে বলা হয়, ‘হিন্দুদের জন্য বাংলাদেশ নরকের চেয়ে কম নয়।’
১৩ জুলাই ২০২৬
প্রবল স্রোতে কয়েকজন কাঁধে করে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা পার করছেন– এমন ভিডিও ছড়িয়ে ফেসবুকে দাবি করা হচ্ছে, অন্তঃসত্ত্বা মা ও শিশুকে বাঁচানো হয়েছে।
১১ জুলাই ২০২৬
ফেসবুকে সংঘর্ষ ও মারধরের একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, ভারতের উত্তর প্রদেশে গাড়ি ওভারটেক করাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশি পর্যটকদের ওপর হামলা হয়েছে।
০৮ জুলাই ২০২৬