দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলে স্পষ্ট যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস বড় ধরনের পরাজয়ের মুখে পড়তে যাচ্ছে। প্রথমবারের মতো পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতার মসনদে বসতে যাচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।
স্ট্রিম ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনায় বড় ধরনের চমক দেখা যাচ্ছে। সোমবার (৪ মে) সকালে শুরু হওয়া গণনার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২৯৪টি আসনের মধ্যে প্রায় ১৯৬টিতেই এগিয়ে রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস মাত্র ৯১টি আসনে এগিয়ে আছে। ২৯৪ আসনের বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য কোনো দলের প্রয়োজন ১৪৮ আসনে জয়।
দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলে স্পষ্ট যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস বড় ধরনের পরাজয়ের মুখে পড়তে যাচ্ছে। প্রথমবারের মতো পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতার মসনদে বসতে যাচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।
এদিকে বিজেপি সরকার গঠন করলে মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে ইতিমধ্যে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। ভারতীয় দৈনিক দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বিজেপির সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেশ কয়েকজনের নাম সামনে এনেছে। আলোচনায় থাকা এই নেতাদের মধ্যে আছেন বর্তমান বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য বিজেপির বর্তমান সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এ ছাড়া রাজ্য বিজেপির সাবেক সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদারের নামও শোনা যাচ্ছে। সম্ভাব্য এই তালিকায় আরও আছেন সাবেক সাংবাদিক ও রাজ্যসভার সাবেক সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত।
মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন বর্তমান বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি একসময় ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছের লোক। ২০২১ সালের নির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস আগে তাঁর বিজেপিতে যোগ দেওয়া ছিল তৃণমূল নেত্রীর জন্য বড় ধাক্কা। তখন নন্দীগ্রাম বিধানসভায় মমতাকে হারিয়ে শুভেন্দু ব্যাপক সাড়া ফেলেছিলেন। ২০১১ সালে তৃণমূলের ক্ষমতায় আসার পেছনে নন্দীগ্রামের জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলন বড় ভূমিকা রেখেছিল।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ক্ষমতায় আসতে ব্যর্থ হলেও শুভেন্দু অধিকারী বিরোধী দলনেতার পদ পান। এরপর টানা পাঁচ বছর তিনি বিধানসভায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে বেশ সরব ছিলেন। কংগ্রেসের ছাত্র রাজনীতি দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় মমতার ডান হাত হয়ে তৃণমূলের শক্তিকে সংগঠিত করেছিলেন।
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপির বর্তমান সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য রাজ্য বিজেপিতে শুরু থেকেই সক্রিয়। আরএসএস’র পুরোনো কর্মী এবং অটল বিহারী বাজপেয়ীর মতো একজন মধ্যপন্থি মুখ হিসেবে পরিচিত তিনি। আরএসএস–এর সংগঠনচর্চা তাঁর রাজনৈতিক চিন্তা ও কাজের ধরনে প্রভাব ফেলেছে বলেই মনে করেন অনেক বিশ্লেষক।
শমীক ভট্টাচার্যের রাজনৈতিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক আসে ২০১৪ সালে। সেই বছর তিনি বসিরহাট দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে বিধানসভা উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়েন। কারণ, তিনিই ছিলেন পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রথম নির্বাচিত বিধায়ক। এরপর থেকে তিনি দলীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। কখনো সংগঠক, কখনো মুখপাত্র, কখনো বা নীতিনির্ধারণী আলোচনায় অংশগ্রহণকারী হিসেবে।
রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ পশ্চিমবাংলায় বেশ জনপ্রিয়। ২০১৬ সাল থেকে তিনি নেতৃত্বস্থানীয় ছিলেন। তখন তিনি ছিলেন দলের বিধায়ক। তাঁর নেতৃত্বে ২০১৯ সালে দলটি ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ১৮টিতে জয়লাভ করে। এটা এখন পর্যন্ত লোকসভা নির্বাচনে দলটির সেরা ফলাফল।
২০২১ এর বিধানসভা এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির পরাজয়ের পর দিলীপ ঘোষ দল থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন। তবে চলতি বছরের জানুয়ারিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁর সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁকে আবার সক্রিয় করা হয়। দিলীপ ঘোষ খড়গপুর সদর আসন থেকে জয়ী হতে চলেছেন।
প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এখন নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। রাজ্য বিজেপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সুকান্ত মজুমদার সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন।
তাঁর নেতৃত্বে দলটি ধীরে ধীরে শহরের বাইরে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গ অঞ্চলে বিজেপির সাংগঠনিক বিস্তার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উত্তরবঙ্গের সামাজিক-অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও স্থানীয় ইস্যুগুলোকে সামনে এনে তিনি সেখানে দলীয় সমর্থন বাড়াতে সক্ষম হন। এই কারণে উত্তরবঙ্গকে অনেকেই তার ‘শক্ত ঘাঁটি’ হিসেবে বিবেচনা করেন।
স্বপন দাশগুপ্ত ভারতের প্রভাবশালী বুদ্ধিজীবী ও সাংবাদিক। তিনি ভারতের আইনসভার উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার মনোনীত সাংসদ। ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করার জন্য তিনি রাজ্যসভা থেকে সরে যান। তবে নির্বাচনে পরাজিত হবার পর স্বপন দাশগুপ্ত ২০২১ সালের ১লা জুন পুনরায় রাজ্যসভার সাংসদ মনোনীত হন।
রাজ্য বিজেপির ‘ভদ্রলোক’ মুখ হিসেবে পরিচিত স্বপন দাশগুপ্ত দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বেশ ঘনিষ্ঠ। তবে প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার ঘাটতিকে তাঁর দুর্বলতা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
তথ্যসূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনায় বড় ধরনের চমক দেখা যাচ্ছে। সোমবার (৪ মে) সকালে শুরু হওয়া গণনার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২৯৪টি আসনের মধ্যে প্রায় ১৯৬টিতেই এগিয়ে রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস মাত্র ৯১টি আসনে এগিয়ে আছে। ২৯৪ আসনের বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য কোনো দলের প্রয়োজন ১৪৮ আসনে জয়।
দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলে স্পষ্ট যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস বড় ধরনের পরাজয়ের মুখে পড়তে যাচ্ছে। প্রথমবারের মতো পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতার মসনদে বসতে যাচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।
এদিকে বিজেপি সরকার গঠন করলে মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে ইতিমধ্যে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। ভারতীয় দৈনিক দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বিজেপির সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেশ কয়েকজনের নাম সামনে এনেছে। আলোচনায় থাকা এই নেতাদের মধ্যে আছেন বর্তমান বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য বিজেপির বর্তমান সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এ ছাড়া রাজ্য বিজেপির সাবেক সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদারের নামও শোনা যাচ্ছে। সম্ভাব্য এই তালিকায় আরও আছেন সাবেক সাংবাদিক ও রাজ্যসভার সাবেক সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত।
মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন বর্তমান বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি একসময় ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছের লোক। ২০২১ সালের নির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস আগে তাঁর বিজেপিতে যোগ দেওয়া ছিল তৃণমূল নেত্রীর জন্য বড় ধাক্কা। তখন নন্দীগ্রাম বিধানসভায় মমতাকে হারিয়ে শুভেন্দু ব্যাপক সাড়া ফেলেছিলেন। ২০১১ সালে তৃণমূলের ক্ষমতায় আসার পেছনে নন্দীগ্রামের জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলন বড় ভূমিকা রেখেছিল।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ক্ষমতায় আসতে ব্যর্থ হলেও শুভেন্দু অধিকারী বিরোধী দলনেতার পদ পান। এরপর টানা পাঁচ বছর তিনি বিধানসভায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে বেশ সরব ছিলেন। কংগ্রেসের ছাত্র রাজনীতি দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় মমতার ডান হাত হয়ে তৃণমূলের শক্তিকে সংগঠিত করেছিলেন।
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপির বর্তমান সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য রাজ্য বিজেপিতে শুরু থেকেই সক্রিয়। আরএসএস’র পুরোনো কর্মী এবং অটল বিহারী বাজপেয়ীর মতো একজন মধ্যপন্থি মুখ হিসেবে পরিচিত তিনি। আরএসএস–এর সংগঠনচর্চা তাঁর রাজনৈতিক চিন্তা ও কাজের ধরনে প্রভাব ফেলেছে বলেই মনে করেন অনেক বিশ্লেষক।
শমীক ভট্টাচার্যের রাজনৈতিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক আসে ২০১৪ সালে। সেই বছর তিনি বসিরহাট দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে বিধানসভা উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়েন। কারণ, তিনিই ছিলেন পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রথম নির্বাচিত বিধায়ক। এরপর থেকে তিনি দলীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। কখনো সংগঠক, কখনো মুখপাত্র, কখনো বা নীতিনির্ধারণী আলোচনায় অংশগ্রহণকারী হিসেবে।
রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ পশ্চিমবাংলায় বেশ জনপ্রিয়। ২০১৬ সাল থেকে তিনি নেতৃত্বস্থানীয় ছিলেন। তখন তিনি ছিলেন দলের বিধায়ক। তাঁর নেতৃত্বে ২০১৯ সালে দলটি ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ১৮টিতে জয়লাভ করে। এটা এখন পর্যন্ত লোকসভা নির্বাচনে দলটির সেরা ফলাফল।
২০২১ এর বিধানসভা এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির পরাজয়ের পর দিলীপ ঘোষ দল থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন। তবে চলতি বছরের জানুয়ারিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁর সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁকে আবার সক্রিয় করা হয়। দিলীপ ঘোষ খড়গপুর সদর আসন থেকে জয়ী হতে চলেছেন।
প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এখন নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। রাজ্য বিজেপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সুকান্ত মজুমদার সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন।
তাঁর নেতৃত্বে দলটি ধীরে ধীরে শহরের বাইরে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গ অঞ্চলে বিজেপির সাংগঠনিক বিস্তার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উত্তরবঙ্গের সামাজিক-অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও স্থানীয় ইস্যুগুলোকে সামনে এনে তিনি সেখানে দলীয় সমর্থন বাড়াতে সক্ষম হন। এই কারণে উত্তরবঙ্গকে অনেকেই তার ‘শক্ত ঘাঁটি’ হিসেবে বিবেচনা করেন।
স্বপন দাশগুপ্ত ভারতের প্রভাবশালী বুদ্ধিজীবী ও সাংবাদিক। তিনি ভারতের আইনসভার উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার মনোনীত সাংসদ। ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করার জন্য তিনি রাজ্যসভা থেকে সরে যান। তবে নির্বাচনে পরাজিত হবার পর স্বপন দাশগুপ্ত ২০২১ সালের ১লা জুন পুনরায় রাজ্যসভার সাংসদ মনোনীত হন।
রাজ্য বিজেপির ‘ভদ্রলোক’ মুখ হিসেবে পরিচিত স্বপন দাশগুপ্ত দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বেশ ঘনিষ্ঠ। তবে প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার ঘাটতিকে তাঁর দুর্বলতা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
তথ্যসূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

বিজয় এবারে তামিল রাজনীতির ‘সেনাপতি’ হতে চলেছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, তাঁর দল ১২৫ টি আসনে এগিয়ে আছে। তামিলনাড়ু এখন আর জিজ্ঞেস করছে না যে বিজয় ভিড় জমাতে পারবেন কি না; তারা জানতে চাচ্ছে তিনি ক্ষমতার মানচিত্র বদলে দিতে পারবেন কি না।
১২ ঘণ্টা আগে
শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নাম বললেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে এক লড়াকু মায়ের ছবি। যিনি সন্তান ও স্বামীকে হারিয়েও হার মানেননি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে আমৃত্যু লড়াই করেছেন।
১ দিন আগে
ইরান যুদ্ধের জেরে ঢাকায় জ্বালানি সংকট ও নানা ধরনের রাজনৈতিক-প্রাকৃতিক উত্তাপের ছড়াছড়ি। এর মধ্যেও গত ২৪ এপ্রিল (শুক্রবার) ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরার (আইসিসিবি) গাড়ি ও যন্ত্রাংশের মেলায় বৈদ্যুতিক যানবাহন (ইভি) প্রদর্শনীর মুগ্ধতা যেন গ্রীষ্মের প্রার্থীত বৃষ্টি। আমরা যখন মেলায় পৌছালাম ত
১ দিন আগে
তাই পরেরবার ক্লাসে বা মিটিংয়ে হাসি পেলে নিজেকে দোষ দেবেন না। মনে রাখবেন, মানুষের মস্তিষ্ক এভাবেই কাজ করে। আর এই হাসি আছে বলেই আমাদের জীবনটা এত সুন্দর আর আনন্দময়!
১ দিন আগে