জন্মদিনে স্মরণ
ফাবিহা বিনতে হক

শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নাম বললেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে এক লড়াকু মায়ের ছবি। যিনি সন্তান ও স্বামীকে হারিয়েও হার মানেননি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে আমৃত্যু লড়াই করেছেন। পশ্চিমবঙ্গের বিখ্যাত লেখিকা মহাশ্বেতা দেবীর ‘হাজার চুরাশির মা’ উপন্যাসে আমরা এমনই এক শোকাতুর মাকে দেখি। জাহানারা ইমামও ছিলেন তেমনই একজন। তবে উপন্যাসের শোকাহত মায়ের মতো জাহানারা ইমাম শুধু শোকে বিহ্বল হয়ে থেমে থাকেননি।
স্কুলে পড়ার সময় পাঠ্যবইয়ে যেদিন ‘একাত্তরের দিনগুলি’ পড়ি, মনে আছে চোখে পানি এসেছিল। আবেগাপ্লুত হয়েছিলাম। একজন নারীর চোখে, মায়ের চোখে সবার আগে পরিবর্তন আসে নিজের ঘরের ভেতর থেকে। রান্নাঘর, অন্দরমহল, বৈঠকখানা—সবকিছুতেই ধুলো জমতে থাকে। প্রতিটা দিন বদলে যায়। কোনো উৎসবই আর উৎসব থাকে না। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধার মা ছেলের অপেক্ষায় থাকেন। নিজেও অসীম সাহসে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করেন।
ছেলের যুদ্ধে যাওয়া থেকে শুরু করে শহীদ হওয়া পর্যন্ত সবকিছু পরম মমতায় তিনি লিখে গেছেন নিজের দিনলিপিতে। একাত্তরের সময় কখনো দেশের, কখনো নিজের ঘরের, কখনো সন্তানের সব পরিবর্তন ডায়েরিতে স্মৃতিকথা হিসেবে লিপিবদ্ধ করেছেন, যা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম দলিল হিসেবে ইতিহাস হয়ে আছে।
জাহানারা ইমাম ৬৩ বছরের বর্ণাঢ্য জীবনে অনেক কিছু করেছেন। লড়াকু পরিচয়ের আড়ালে অনেকটাই ঢাকা পড়ে গেছে তাঁর সাহিত্যিক পরিচয়। ‘একাত্তরের দিনগুলি’র বাইরেও তাঁর অন্য লেখাগুলো নিয়ে তেমন আলোচনা হতে দেখা যায় না। অথচ বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। জাহানারা ইমামের প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ২২। এর মধ্যে পাঠকপ্রিয়তার শীর্ষে ‘একাত্তরের দিনগুলি’। পেয়েছেন স্বাধীনতা পদক, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, রোকেয়া পদকসহ অসংখ্য সম্মাননা।

জাহানারা ইমাম রচিত আরেকটি অনবদ্য স্মৃতিচারণমূলক বই ‘অন্য জীবন’। একাত্তরের পর তাঁর জীবন কীভাবে বদলে গেল, একাত্তরের যুদ্ধে স্বামী ও সন্তান হারানোর শূন্যতা এবং পরবর্তী সময়ে নিজের ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই—সবকিছু সাবলীল ভাষায় উঠে এসেছে। এ ছাড়া তাঁর লেখা প্রবন্ধ ও স্মৃতিকথামূলক বইয়ের মধ্যে ‘বুকের ভেতরে আগুন’, ‘নাটকের অবসান’ এবং ‘প্রবাসের দিনলিপি’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
‘প্রবাসের দিনলিপি’ বইতে আমেরিকায় প্রবাস জীবনের বিচিত্র অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। সেখানে শুধু নিজের কথা নয়, বিদেশের সমাজ, সংস্কৃতি এবং সেখানকার মানুষের জীবনযাত্রার নিখুঁত পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছেন।
অনুবাদ সাহিত্যেও জাহানারা ইমামের অবদান বলার মতো। বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের জন্য তিনি চমৎকার কাজ করেছেন। মার্কিন লেখিকা লরা ইঙ্গলস ওয়াইল্ডারের বিখ্যাত শিশুতোষ সিরিজ ‘লিটল হাউস’-এর বইগুলো বাংলায় অনুবাদ করেছেন। ‘তুষার যুগের রোমাঞ্চ’, ‘নদীর তীরে কুটির’, ‘তেপান্তরের ছোট্ট শহর’—তাঁর অনূদিত শিশুতোষ বইগুলো নিয়ে তেমন আলোচনাই হয় না।
শহীদ জননী শিশুদের জন্য মৌলিক গল্পও লিখেছেন। ‘গজকচ্ছপ’ ও ‘সাতটি তারার ঝিকিমিকি’ বইগুলো ছোটদের মনোজগৎ নিয়ে তাঁর গভীর ভাবনার পরিচয় দেয়।
১৯২৯ সালের ৩ মে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার সুন্দরপুর গ্রামে জাহানারা ইমাম জন্মগ্রহণ করেন। পিতা সৈয়দ আবদুল আলী ছিলেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। বাড়িতে বাবার কাছেই শিক্ষা জীবনের হাতেখড়ি। জ্ঞানের পরিধি বিস্তৃত করতে জাহানারা ইমামকে তাঁর বাবা সবসময় অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন।

বাবা সৈয়দ আবদুল আলীর কাছে নিয়মিত যেসব পত্রিকা আসত, সেগুলো পড়েই জাহানারা ইমামের চিন্তার জগৎ প্রসারিত হতে থাকে। বই পড়ার প্রতি কিশোরী জাহানারার এই আগ্রহ নজর কাড়ে বাবার এক বন্ধুর। জাহানারা তাঁকে আদর করে ডাকতেন ‘মটকা চাচা’। চাচা তাঁকে বেছে বেছে চমৎকার সব বই উপহার দিতেন। বইগুলো তাঁর মেধা ও মননে পরিবর্তন আনে।
জাহানারা ইমাম ছিলেন সময়ের চেয়ে এগিয়ে। সমাজ যখন মেয়েদের চার দেয়ালে বন্দি দেখতে অভ্যস্ত, তখন তিনি ঢাকার রাস্তায় নিজে গাড়ি চালাতেন। পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে বাঙালি নারীর এমন স্বাধীন চলাফেরা ছিল অভাবনীয়। জাহানারা ইমামের জীবনযাপন ছিল রুচিশীল। এলিফ্যান্ট রোডে তাঁর বাড়ি ‘কণিকা’ ছিল সে সময়ের সংস্কৃতিকর্মী ও বুদ্ধিজীবীদের আড্ডার কেন্দ্রবিন্দু।
জাহানারা ইমাম ছিলেন সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা। ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজেও শিক্ষকতা করেছেন। চাকরি, সংসার, সাহিত্যচর্চা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড—সবকিছুই তিনি সমান দক্ষতায় সামলেছেন।
জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে এই লড়াকু নারীকে মুখোমুখি হতে হয় ভয়ংকর বাস্তবতার সঙ্গে। ক্যানসার নিয়েই লড়ে যান জাহানারা ইমাম। শেষদিকে তাঁর কথা বলার ক্ষমতা ছিল না। ছোট ছোট চিরকুট লিখে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। তবুও এই মহীয়সী নারী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি থেকে এক চুল সরে আসেননি। ১৯৯৪ সালের ২৬ জুন মাউন্ট সাইনাই হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে গিয়েও তিনি এ দেশের সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। নিজে গাড়ি চালিয়ে জাহানারা ইমাম অস্ত্র পেয়ে সেগুলো মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধের সময়। একজন লেখক, একজন মা এবং একজন আপসহীন সংগঠক—সব পরিচয়েই জাহানারা ইমাম তাঁর সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে ছিলেন। তাঁর এই অসামান্য জীবন ও কর্ম আমাদের জন্য চিরকাল অমূল্য প্রেরণা হয়ে থাকবে।

শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নাম বললেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে এক লড়াকু মায়ের ছবি। যিনি সন্তান ও স্বামীকে হারিয়েও হার মানেননি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে আমৃত্যু লড়াই করেছেন। পশ্চিমবঙ্গের বিখ্যাত লেখিকা মহাশ্বেতা দেবীর ‘হাজার চুরাশির মা’ উপন্যাসে আমরা এমনই এক শোকাতুর মাকে দেখি। জাহানারা ইমামও ছিলেন তেমনই একজন। তবে উপন্যাসের শোকাহত মায়ের মতো জাহানারা ইমাম শুধু শোকে বিহ্বল হয়ে থেমে থাকেননি।
স্কুলে পড়ার সময় পাঠ্যবইয়ে যেদিন ‘একাত্তরের দিনগুলি’ পড়ি, মনে আছে চোখে পানি এসেছিল। আবেগাপ্লুত হয়েছিলাম। একজন নারীর চোখে, মায়ের চোখে সবার আগে পরিবর্তন আসে নিজের ঘরের ভেতর থেকে। রান্নাঘর, অন্দরমহল, বৈঠকখানা—সবকিছুতেই ধুলো জমতে থাকে। প্রতিটা দিন বদলে যায়। কোনো উৎসবই আর উৎসব থাকে না। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধার মা ছেলের অপেক্ষায় থাকেন। নিজেও অসীম সাহসে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করেন।
ছেলের যুদ্ধে যাওয়া থেকে শুরু করে শহীদ হওয়া পর্যন্ত সবকিছু পরম মমতায় তিনি লিখে গেছেন নিজের দিনলিপিতে। একাত্তরের সময় কখনো দেশের, কখনো নিজের ঘরের, কখনো সন্তানের সব পরিবর্তন ডায়েরিতে স্মৃতিকথা হিসেবে লিপিবদ্ধ করেছেন, যা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম দলিল হিসেবে ইতিহাস হয়ে আছে।
জাহানারা ইমাম ৬৩ বছরের বর্ণাঢ্য জীবনে অনেক কিছু করেছেন। লড়াকু পরিচয়ের আড়ালে অনেকটাই ঢাকা পড়ে গেছে তাঁর সাহিত্যিক পরিচয়। ‘একাত্তরের দিনগুলি’র বাইরেও তাঁর অন্য লেখাগুলো নিয়ে তেমন আলোচনা হতে দেখা যায় না। অথচ বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। জাহানারা ইমামের প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ২২। এর মধ্যে পাঠকপ্রিয়তার শীর্ষে ‘একাত্তরের দিনগুলি’। পেয়েছেন স্বাধীনতা পদক, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, রোকেয়া পদকসহ অসংখ্য সম্মাননা।

জাহানারা ইমাম রচিত আরেকটি অনবদ্য স্মৃতিচারণমূলক বই ‘অন্য জীবন’। একাত্তরের পর তাঁর জীবন কীভাবে বদলে গেল, একাত্তরের যুদ্ধে স্বামী ও সন্তান হারানোর শূন্যতা এবং পরবর্তী সময়ে নিজের ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই—সবকিছু সাবলীল ভাষায় উঠে এসেছে। এ ছাড়া তাঁর লেখা প্রবন্ধ ও স্মৃতিকথামূলক বইয়ের মধ্যে ‘বুকের ভেতরে আগুন’, ‘নাটকের অবসান’ এবং ‘প্রবাসের দিনলিপি’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
‘প্রবাসের দিনলিপি’ বইতে আমেরিকায় প্রবাস জীবনের বিচিত্র অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। সেখানে শুধু নিজের কথা নয়, বিদেশের সমাজ, সংস্কৃতি এবং সেখানকার মানুষের জীবনযাত্রার নিখুঁত পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছেন।
অনুবাদ সাহিত্যেও জাহানারা ইমামের অবদান বলার মতো। বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের জন্য তিনি চমৎকার কাজ করেছেন। মার্কিন লেখিকা লরা ইঙ্গলস ওয়াইল্ডারের বিখ্যাত শিশুতোষ সিরিজ ‘লিটল হাউস’-এর বইগুলো বাংলায় অনুবাদ করেছেন। ‘তুষার যুগের রোমাঞ্চ’, ‘নদীর তীরে কুটির’, ‘তেপান্তরের ছোট্ট শহর’—তাঁর অনূদিত শিশুতোষ বইগুলো নিয়ে তেমন আলোচনাই হয় না।
শহীদ জননী শিশুদের জন্য মৌলিক গল্পও লিখেছেন। ‘গজকচ্ছপ’ ও ‘সাতটি তারার ঝিকিমিকি’ বইগুলো ছোটদের মনোজগৎ নিয়ে তাঁর গভীর ভাবনার পরিচয় দেয়।
১৯২৯ সালের ৩ মে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার সুন্দরপুর গ্রামে জাহানারা ইমাম জন্মগ্রহণ করেন। পিতা সৈয়দ আবদুল আলী ছিলেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। বাড়িতে বাবার কাছেই শিক্ষা জীবনের হাতেখড়ি। জ্ঞানের পরিধি বিস্তৃত করতে জাহানারা ইমামকে তাঁর বাবা সবসময় অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন।

বাবা সৈয়দ আবদুল আলীর কাছে নিয়মিত যেসব পত্রিকা আসত, সেগুলো পড়েই জাহানারা ইমামের চিন্তার জগৎ প্রসারিত হতে থাকে। বই পড়ার প্রতি কিশোরী জাহানারার এই আগ্রহ নজর কাড়ে বাবার এক বন্ধুর। জাহানারা তাঁকে আদর করে ডাকতেন ‘মটকা চাচা’। চাচা তাঁকে বেছে বেছে চমৎকার সব বই উপহার দিতেন। বইগুলো তাঁর মেধা ও মননে পরিবর্তন আনে।
জাহানারা ইমাম ছিলেন সময়ের চেয়ে এগিয়ে। সমাজ যখন মেয়েদের চার দেয়ালে বন্দি দেখতে অভ্যস্ত, তখন তিনি ঢাকার রাস্তায় নিজে গাড়ি চালাতেন। পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে বাঙালি নারীর এমন স্বাধীন চলাফেরা ছিল অভাবনীয়। জাহানারা ইমামের জীবনযাপন ছিল রুচিশীল। এলিফ্যান্ট রোডে তাঁর বাড়ি ‘কণিকা’ ছিল সে সময়ের সংস্কৃতিকর্মী ও বুদ্ধিজীবীদের আড্ডার কেন্দ্রবিন্দু।
জাহানারা ইমাম ছিলেন সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা। ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজেও শিক্ষকতা করেছেন। চাকরি, সংসার, সাহিত্যচর্চা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড—সবকিছুই তিনি সমান দক্ষতায় সামলেছেন।
জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে এই লড়াকু নারীকে মুখোমুখি হতে হয় ভয়ংকর বাস্তবতার সঙ্গে। ক্যানসার নিয়েই লড়ে যান জাহানারা ইমাম। শেষদিকে তাঁর কথা বলার ক্ষমতা ছিল না। ছোট ছোট চিরকুট লিখে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। তবুও এই মহীয়সী নারী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি থেকে এক চুল সরে আসেননি। ১৯৯৪ সালের ২৬ জুন মাউন্ট সাইনাই হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে গিয়েও তিনি এ দেশের সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। নিজে গাড়ি চালিয়ে জাহানারা ইমাম অস্ত্র পেয়ে সেগুলো মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধের সময়। একজন লেখক, একজন মা এবং একজন আপসহীন সংগঠক—সব পরিচয়েই জাহানারা ইমাম তাঁর সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে ছিলেন। তাঁর এই অসামান্য জীবন ও কর্ম আমাদের জন্য চিরকাল অমূল্য প্রেরণা হয়ে থাকবে।

ইরান যুদ্ধের জেরে ঢাকায় জ্বালানি সংকট ও নানা ধরনের রাজনৈতিক-প্রাকৃতিক উত্তাপের ছড়াছড়ি। এর মধ্যেও গত ২৪ এপ্রিল (শুক্রবার) ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরার (আইসিসিবি) গাড়ি ও যন্ত্রাংশের মেলায় বৈদ্যুতিক যানবাহন (ইভি) প্রদর্শনীর মুগ্ধতা যেন গ্রীষ্মের প্রার্থীত বৃষ্টি। আমরা যখন মেলায় পৌছালাম ত
৩ ঘণ্টা আগে
তাই পরেরবার ক্লাসে বা মিটিংয়ে হাসি পেলে নিজেকে দোষ দেবেন না। মনে রাখবেন, মানুষের মস্তিষ্ক এভাবেই কাজ করে। আর এই হাসি আছে বলেই আমাদের জীবনটা এত সুন্দর আর আনন্দময়!
৪ ঘণ্টা আগে
ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের হাতে পৌঁছে যায় খবরের কাগজ, কিংবা টিভির পর্দায় ভেসে ওঠে দেশ-বিদেশের সংবাদ। কিন্তু এই প্রতিটি শব্দের বুননে মিশে থাকে একদল অদম্য মানুষের ঘাম আর অশ্রু, যাদের বলা হয় সাংবাদিক বা গণমাধ্যমকর্মী।
৮ ঘণ্টা আগে
গতকাল ছিল পয়লা মে, মেহনতের দিন। আজ ২ মে, মগজ-বুদ্ধি আর হাসির রাজা ‘জয় বাবা মানিকনাথ’-এর জন্মদিন। ‘মানিক’ মানে সত্যজিৎ রায়ের ডাক নাম। এই মানুষটা (মানে সত্যজিৎ রায়) আমাদের নিয়ে কত সুন্দর করে মজা করে গেছেন!
১ দিন আগে