ভালো ছবি তুলতে হলে যে দামী ক্যামেরা লাগবেই এমন কোনো কথা নেই। মোটামুটি মানের একটা স্মার্টফোন হলেই সুন্দর ছবি তোলা সম্ভব। সেক্ষেত্রে ছবি তোলার ‘ব্যাসিক’ কিছু কায়দাকানুন আয়ত্ত করতে হবে। কী সেগুলো? আর কেন মোবাইল ফটোগ্রাফি এত জনপ্রিয়?
আশরাফুল আলম

ভালো ফটোগ্রাফার হতে কে না চায়? অনেকেরই স্বপ্ন ভালো ছবি তোলার। তবে ছবি তুলতে হলে যে দামী ক্যামেরা লাগবেই এমন কোনো কথা নেই। মোটামুটি মানের একটা স্মার্টফোন হলেই সুন্দর ছবি তোলা সম্ভব। সেক্ষেত্রে ছবি তোলার ‘ব্যাসিক’ কিছু কায়দাকানুন আয়ত্ত করতে হবে।
আজকাল খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ‘মোবাইল ফটোগ্রাফি’। এটি মূলত স্মার্টফোন ব্যবহার করে ছবি তোলা, সম্পাদনা (এডিট) করাসহ সমগ্র প্রক্রিয়াটিকে বোঝায়। আসুন আমরা সংক্ষেপে জেনে নেই কী করে স্মার্টফোনে নান্দনিক ছবি তোলা যায়।
মোবাইল দিয়ে ভালো ছবি তুলতে হলে শুরুতে কিছু ব্যাসিক জিনিস ভালভাবে বুঝে নেওয়া দরকার। এগুলো ঠিকভাবে আয়ত্ত করতে পারলে আপনার ছবিতে দ্রুত পরিবর্তন আসবে।
স্মার্টফোনের ক্যামেরায় অনেক মোড থাকে। যেমন প্রো মোড, পোর্ট্রেট মোড, নাইট মোড, প্যানোরামা, এইচডিআর ইত্যাদি। এগুলো কী কাজে লাগে, কখন কোন মোড ব্যবহার করলে ছবি ভালো আসে, এসব আগে একটু খুঁটিয়ে দেখুন।
যেমন পোর্ট্রেট মোড মানুষ বা কোনো বিষয়কে (সাবজেক্ট) আলাদা করে তুলে ধরতে ব্যবহৃত হয়। নাইট মোড অন্ধকারে ছবি তুলতে সাহায্য করে। আর প্রো মোড ব্যবহার করলে আপনি নিজেই আলো, শাটার স্পিড, আইএসও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। মোডগুলো বুঝে নিতে পারলে আপনি পরিস্থিতি অনুযায়ী সঠিক মোড বেছে নিতে পারবেন।

ফটোগ্রাফিতে আলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রাকৃতিক আলোতে (বিশেষ করে সূর্যোদয় বা সূর্যাস্তের সময়, যাকে গোল্ডেন আওয়ার বলা হয়) ছবি তোলার চেষ্টা করুন। কারণ, এতে ‘সফট’ লাইট পাওয়া যায়। ভালো ছবি তুলতে দুপুরের প্রচণ্ড রোদ বা সরাসরি তীব্র আলো এড়িয়ে চলুন।
অনেক সময় ছবি ঝাপসা আসে শুধু লেন্স ময়লা থাকার কারণে। তাই ছবি তোলার আগে নরম কাপড় দিয়ে লেন্সটা মুছে নিন।
এরপর ছবির যে অংশে ফোকাস করতে চান, স্ক্রিনে সেখানে ট্যাপ করে ফোকাস ঠিক করুন। অধিকাংশ ফোনেই ফোকাস পয়েন্টের উপর ট্যাপ করে এক্সপোজার বা আলোর মাত্রা ম্যানুয়ালি অ্যাডজাস্ট করা যায়।
আপনার স্মার্টফোনের ক্যামেরা সেটিংস থেকে গ্রিডলাইন চালু করুন। ফ্রেমটি ৯টি সমান অংশে বিভক্ত হবে। ছবির মূল বিষয়বস্তুকে ছেদ বিন্দুগুলোতে বা রেখা বরাবর রাখার চেষ্টা করুন, এতে ছবি দেখতে আকর্ষণীয় হয়। এটা খুব ছোট কিন্তু খুব কার্যকর টিপস।
ছবিতে কোন জিনিসটা কোথায় থাকলে সুন্দর লাগবে, এই পরিকল্পনাই কম্পোজিশন। ছবি তোলার বিষয়টাকে বিভিন্ন এঙ্গেলে রেখে দেখুন কোনটা ভালো দেখায়।
ছবির মূল বিষয়ের চারপাশে কিছুটা খালি জায়গা রাখুন, যাতে ছবিটি ভালোভাবে ফুটে ওঠে। খালি জায়গা রাখলে বিষয়টা বেশি নজরে আসে। একে বলে নেগেটিভ স্পেস।
ফটো এডিটিং (সম্পাদনা) অ্যাপ ব্যবহার করে ছবির রঙ, কন্ট্রাস্ট এবং ব্রাইটনেস ঠিক করে নিন। স্ন্যাপসিড, লাইটরুম মোবাইল, ভিসকো-এর মতো অ্যাপ সাধারণ ছবিকেও এডিটিংয়ের মাধ্যমে অসাধারণ করে তোলা যায়। তবে খেয়াল রাখবেন এমন যেন না করেন যাতে ছবি অস্বাভাবিক দেখায়, তাই সাবধানে এডিট করুন।
ইউটিউব বা অন্যান্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মে মোবাইল ফটোগ্রাফির উপর অনেক টিউটোরিয়াল পাওয়া যায়। সেগুলো দেখে নতুন কৌশল শিখুন।
যত বেশি সম্ভব ছবি তুলুন। বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল এবং বিষয়বস্তু নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করুন। যত বেশি ছবি তুলবেন, তত বেশি বুঝবেন কীভাবে স্মার্টফোনে সুন্দর ছবি তোলা যায়।

মোবাইল ফটোগ্রাফির মূল সুবিধাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো এর সহজলভ্যতা। প্রায় সবার হাতেই এখন একটি স্মার্টফোন থাকে, তাই যেকোনো মুহূর্তে এবং যেকোনো জায়গায় ছবি তোলা সম্ভব হয়।
মোবাইল ডিভাইসগুলো বহনযোগ্য এবং ব্যবহার করা সহজ। ফটোগ্রাফির জন্য আলাদা করে দামি ক্যামেরা ও সরঞ্জাম বহন করার প্রয়োজন হয় না। আর স্মার্টফোনে তোলা ছবি বিভিন্ন এডিটিং অ্যাপ ব্যবহার করে সহজেই এডিট করা যায় এবং তাৎক্ষণিকভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ারও করা যায়।
এছাড়া আধুনিক স্মার্টফোনগুলোতে উন্নত সেন্সর, একাধিক লেন্স থাকে যা ক্যামেরার মতো ভালো মানের ছবি তুলতে সাহায্য করে। এই কারণগুলোই মোবাইল ফটোগ্রাফিকে আরও জনপ্রিয় করে তুলেছে।

ভালো ফটোগ্রাফার হতে কে না চায়? অনেকেরই স্বপ্ন ভালো ছবি তোলার। তবে ছবি তুলতে হলে যে দামী ক্যামেরা লাগবেই এমন কোনো কথা নেই। মোটামুটি মানের একটা স্মার্টফোন হলেই সুন্দর ছবি তোলা সম্ভব। সেক্ষেত্রে ছবি তোলার ‘ব্যাসিক’ কিছু কায়দাকানুন আয়ত্ত করতে হবে।
আজকাল খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ‘মোবাইল ফটোগ্রাফি’। এটি মূলত স্মার্টফোন ব্যবহার করে ছবি তোলা, সম্পাদনা (এডিট) করাসহ সমগ্র প্রক্রিয়াটিকে বোঝায়। আসুন আমরা সংক্ষেপে জেনে নেই কী করে স্মার্টফোনে নান্দনিক ছবি তোলা যায়।
মোবাইল দিয়ে ভালো ছবি তুলতে হলে শুরুতে কিছু ব্যাসিক জিনিস ভালভাবে বুঝে নেওয়া দরকার। এগুলো ঠিকভাবে আয়ত্ত করতে পারলে আপনার ছবিতে দ্রুত পরিবর্তন আসবে।
স্মার্টফোনের ক্যামেরায় অনেক মোড থাকে। যেমন প্রো মোড, পোর্ট্রেট মোড, নাইট মোড, প্যানোরামা, এইচডিআর ইত্যাদি। এগুলো কী কাজে লাগে, কখন কোন মোড ব্যবহার করলে ছবি ভালো আসে, এসব আগে একটু খুঁটিয়ে দেখুন।
যেমন পোর্ট্রেট মোড মানুষ বা কোনো বিষয়কে (সাবজেক্ট) আলাদা করে তুলে ধরতে ব্যবহৃত হয়। নাইট মোড অন্ধকারে ছবি তুলতে সাহায্য করে। আর প্রো মোড ব্যবহার করলে আপনি নিজেই আলো, শাটার স্পিড, আইএসও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। মোডগুলো বুঝে নিতে পারলে আপনি পরিস্থিতি অনুযায়ী সঠিক মোড বেছে নিতে পারবেন।

ফটোগ্রাফিতে আলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রাকৃতিক আলোতে (বিশেষ করে সূর্যোদয় বা সূর্যাস্তের সময়, যাকে গোল্ডেন আওয়ার বলা হয়) ছবি তোলার চেষ্টা করুন। কারণ, এতে ‘সফট’ লাইট পাওয়া যায়। ভালো ছবি তুলতে দুপুরের প্রচণ্ড রোদ বা সরাসরি তীব্র আলো এড়িয়ে চলুন।
অনেক সময় ছবি ঝাপসা আসে শুধু লেন্স ময়লা থাকার কারণে। তাই ছবি তোলার আগে নরম কাপড় দিয়ে লেন্সটা মুছে নিন।
এরপর ছবির যে অংশে ফোকাস করতে চান, স্ক্রিনে সেখানে ট্যাপ করে ফোকাস ঠিক করুন। অধিকাংশ ফোনেই ফোকাস পয়েন্টের উপর ট্যাপ করে এক্সপোজার বা আলোর মাত্রা ম্যানুয়ালি অ্যাডজাস্ট করা যায়।
আপনার স্মার্টফোনের ক্যামেরা সেটিংস থেকে গ্রিডলাইন চালু করুন। ফ্রেমটি ৯টি সমান অংশে বিভক্ত হবে। ছবির মূল বিষয়বস্তুকে ছেদ বিন্দুগুলোতে বা রেখা বরাবর রাখার চেষ্টা করুন, এতে ছবি দেখতে আকর্ষণীয় হয়। এটা খুব ছোট কিন্তু খুব কার্যকর টিপস।
ছবিতে কোন জিনিসটা কোথায় থাকলে সুন্দর লাগবে, এই পরিকল্পনাই কম্পোজিশন। ছবি তোলার বিষয়টাকে বিভিন্ন এঙ্গেলে রেখে দেখুন কোনটা ভালো দেখায়।
ছবির মূল বিষয়ের চারপাশে কিছুটা খালি জায়গা রাখুন, যাতে ছবিটি ভালোভাবে ফুটে ওঠে। খালি জায়গা রাখলে বিষয়টা বেশি নজরে আসে। একে বলে নেগেটিভ স্পেস।
ফটো এডিটিং (সম্পাদনা) অ্যাপ ব্যবহার করে ছবির রঙ, কন্ট্রাস্ট এবং ব্রাইটনেস ঠিক করে নিন। স্ন্যাপসিড, লাইটরুম মোবাইল, ভিসকো-এর মতো অ্যাপ সাধারণ ছবিকেও এডিটিংয়ের মাধ্যমে অসাধারণ করে তোলা যায়। তবে খেয়াল রাখবেন এমন যেন না করেন যাতে ছবি অস্বাভাবিক দেখায়, তাই সাবধানে এডিট করুন।
ইউটিউব বা অন্যান্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মে মোবাইল ফটোগ্রাফির উপর অনেক টিউটোরিয়াল পাওয়া যায়। সেগুলো দেখে নতুন কৌশল শিখুন।
যত বেশি সম্ভব ছবি তুলুন। বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল এবং বিষয়বস্তু নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করুন। যত বেশি ছবি তুলবেন, তত বেশি বুঝবেন কীভাবে স্মার্টফোনে সুন্দর ছবি তোলা যায়।

মোবাইল ফটোগ্রাফির মূল সুবিধাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো এর সহজলভ্যতা। প্রায় সবার হাতেই এখন একটি স্মার্টফোন থাকে, তাই যেকোনো মুহূর্তে এবং যেকোনো জায়গায় ছবি তোলা সম্ভব হয়।
মোবাইল ডিভাইসগুলো বহনযোগ্য এবং ব্যবহার করা সহজ। ফটোগ্রাফির জন্য আলাদা করে দামি ক্যামেরা ও সরঞ্জাম বহন করার প্রয়োজন হয় না। আর স্মার্টফোনে তোলা ছবি বিভিন্ন এডিটিং অ্যাপ ব্যবহার করে সহজেই এডিট করা যায় এবং তাৎক্ষণিকভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ারও করা যায়।
এছাড়া আধুনিক স্মার্টফোনগুলোতে উন্নত সেন্সর, একাধিক লেন্স থাকে যা ক্যামেরার মতো ভালো মানের ছবি তুলতে সাহায্য করে। এই কারণগুলোই মোবাইল ফটোগ্রাফিকে আরও জনপ্রিয় করে তুলেছে।
.png)

ইন্টারনেটের হাজারো নেতিবাচকতার ভিড়ে প্রাণীদের ‘কিউট’ ভিডিও ছিল এক চিলতে স্বস্তি। কিন্তু এআই-এর যুগে সেই নির্ভেজাল বিশ্বাসে এখন ফাটল ধরেছে। কোনো ভিডিও দেখে হাসার বদলে আমাদের মনে আগে প্রশ্ন জাগছে, এটি কি আসল নাকি এআই দিয়ে তৈরি? অবিশ্বাসের এই ডিজিটাল চোরাবালিতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন উঠছে, আমাদের ছোট ছোট আনন্দ
১৫ ঘণ্টা আগে
সমকালীন বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। জনপ্রিয়তা ও মননশীলতার মেলবন্ধনের দুর্লভ উদাহরণ তিনি। সৃজনশীল ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি তিনি একজন কর্মবীর। আজ তিনি সাতাশি বছর পূর্ণ করলেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
এইতো কিছুদিন আগে কথা। অফিস থেকে বেরিয়ে বিশেষ একটি কাজে শাহবাগের উদ্দেশ্যে রিকশায় উঠেছিলাম। বিকেলের ব্যস্ত ঢাকার চিরচেনা যানজটে রিকশাটি একসময় থেমে গেল। চারপাশে শুধু হর্নের শব্দ, মানুষের কোলাহল আর অসংখ্য গাড়ির সারি। ঠিক সেই মুহূর্তেই কানে ভেসে এলো এক পরিচিত সুর ‘আলো আমার আলো ওগো, আলো ভুবনভরা’…!
১৮ ঘণ্টা আগে
প্রাক-আধুনিক যুগের আদর্শবাদী তারুণ্য থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের টেক-স্যাভি ‘জেন জি’ প্রজন্ম—প্রতিটি যুগের তারুণ্যের রক্তস্রোত প্রমাণ করেছে যে বন্দুকের নল বা রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন দিয়ে মানুষের মুক্তির স্পৃহাকে চিরতরে বন্দি করা যায় না। আর এই প্রতিটি রক্তঝরা লড়াইয়ে নারীর সক্রিয়, সমান্তরাল, আপসহীন ও বীরত্বপূ
১৯ ঘণ্টা আগে