তামান্না আনজুম

অনেক সময় শুধু হাতের লেখা দেখেই আমরা আন্দাজ করতে পারি, সেটি কোনো ছেলে নাকি মেয়ের। বিষয়টি অনেকের কাছে কেবল অনুমান মনে হলেও, গবেষণা বলছে এর পেছনে কিছু বাস্তব কারণ আছে। বিভিন্ন গবেষণা বলছে, পুরুষদের চেয়ে নারীদের হাতের লেখা সাধারণত বেশি পাঠযোগ্য ও পরিপাটি হয়। ইউনিভার্সিটি অব ওয়ারউইক-এর গবেষকেরা এই বিষয়ে উল্লেখ করেছেন, মেয়েরা সাধারণত ছেলেদের চেয়ে ভালো ও গোছানোভাবে লেখে।
আরও মজার বিষয় হলো, শুধু হাতের লেখা দেখে একজন মানুষের লিঙ্গ শনাক্ত করার ক্ষেত্রেও মানুষের সাফল্যের হার সাধারণ ধারণার চেয়ে বেশি। তাহলে প্রশ্ন হলো, নারীদের হাতের লেখা কেন তুলনামূলকভাবে বেশি সুন্দর ও গোছানো হয়? এর পেছনে কী শুধু অভ্যাস কাজ করে, নাকি রয়েছে জৈবিক ও সামাজিক কিছু কারণও?
২০০৩ সালের একটি গবেষণায় দেখা যায়, অগোছালো বা কম পরিষ্কার হাতের লেখার সঙ্গে অনেক সময় সমাজে প্রচলিত ‘পুরুষালি’ বৈশিষ্ট্যের সম্পর্ক থাকতে পারে। অন্যদিকে, পরিপাটি ও সুন্দর হাতের লেখা বেশি ‘নারীসুলভ’ বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে যুক্ত বলে মনে করা হয়। তবে গবেষকেরা জোর দিয়ে বলেছেন, হাতের লেখার ধরন কোনো মানুষের জৈবিক লিঙ্গ দ্বারা নির্ধারিত হয় না। নারী-পুরুষের হাতের লেখার এই পার্থক্যের পেছনে সমাজের বাঁধাধরা ধারণা বা ‘স্টেরিওটাইপ’ একটি সম্ভাব্য কারণ হতে পারে।
এ বিষয়ে ১৯৯১ সালের একটি পরীক্ষার ফলও বেশ মজার। সেখানে ৭ ও ৮ বছর বয়সী ছেলে ও মেয়েদের একে অপরের হাতের লেখা নকল করতে বলা হয়েছিল। দেখা যায়, নকল করার সময় ছেলেরা নিজের লেখা ‘আরও ছোট এবং সুন্দর’ করার চেষ্টা করেছিল। অন্যদিকে মেয়েরা ছেলেদের লেখা নকল করতে গিয়ে লেখাকে তুলনামূলক বড় ও কিছুটা অগোছালো করার চেষ্টা করেছে। অর্থাৎ খুব ছোট বয়স থেকেই হাতের লেখার এই পার্থক্য হতে পারে।
তবে গবেষকেরা এখানে লিঙ্গভিত্তিক পার্থক্যের ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলেননি। বরং প্রশ্ন রেখেছেন, মেয়েরা কি সুন্দর করে লিখতে বেশি চেষ্টা করে? কারণ সমাজ তাদের কাছ থেকে এমনটাই প্রত্যাশা করে? অর্থাৎ সুন্দর লেখার প্রত্যাশা থাকে দেখেই কি মেয়েদের ছোটবেলা থেকে বেশি উৎসাহিত করা হয়?
গবেষকরা বলছেন, হাতের লেখা সুন্দর বা খারাপ হওয়ার পেছনে আরেকটি সম্ভাব্য কারণ হতে পারে মাতৃগর্ভে থাকাকালীন হরমোনের প্রভাব। গর্ভে বেড়ে ওঠার সময় ভ্রূণ বিভিন্ন পরিমাণে টেস্টোস্টেরন ও ইস্ট্রোজেন হরমোন গ্রহণ করে। এর মধ্যে ছেলেরা সাধারণত বেশি টেস্টোস্টেরন এবং মেয়েরা বেশি ইস্ট্রোজেন পেয়ে থাকে।
ব্যক্তির শরীরে এই গর্ভকালীন হরমোন কেমন ছিল, তার একটি বড় লক্ষণ হলো মানুষের অনামিকা আঙুলের তুলনায় তর্জনী আঙুলের দৈর্ঘ্য, যাকে বিজ্ঞানের ভাষায় ‘2D:4D অনুপাত’ বলা হয়। নারীদের ক্ষেত্রে এই অনুপাত সাধারণত এক (১)-এর ওপরে থাকার প্রবণতা দেখা যায়, অর্থাৎ তাদের অনামিকার চেয়ে তর্জনী আঙুলটি লম্বা হয়. পুরুষদের বেলায় ঘটে এর ঠিক উল্টোটা।
গবেষকরা বলছেন, মাতৃগর্ভে থাকাকালীন সময় শরীরে ইস্ট্রোজেনের প্রভাব বেশি এবং টেস্টোস্টেরনের প্রভাব কম থাকার কারণে এই অনুপাত এক-এর ওপরে থাকতে পারে। তবে এ ব্যাপারে এখনও বিতর্ক রয়েছে।
২০০৫ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা যায়, ডানহাতি নারীদের মধ্যে যাদের 2D:4D অনুপাত বেশি, তাদের হাতের লেখাও তুলনামূলক সুন্দর ও পরিপাটি হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। তবে কেন জন্মপূর্ব হরমোনের প্রভাব হাতের লেখার সঙ্গে সম্পর্কিত হবে, তার স্পষ্ট ব্যাখ্যা গবেষকেরা দিতে পারেননি।
এ ছাড়া মস্তিষ্কের বিকাশগত পার্থক্যও একটি কারণ হতে পারে। ‘প্যারেন্টিং ম্যাগাজিন’-এর একটি তথ্য অনুযায়ী, যখন শিশুরা মাত্র অক্ষর গঠন করা শেখে, তখন ছেলেদের মস্তিষ্কে্র সূক্ষ্ম ‘মোটর’ দক্ষতা নিয়ন্ত্রণকারী স্নায়ুতন্তুগুলো সাধারণত অতটা পরিপক্ব হয় না। এ কারণেও মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে হাতের লেখা রপ্ত করার ক্ষেত্রে বেশি উপযুক্ত হতে পারে।
ছেলেদের মস্তিষ্ক অবশ্য বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ঘাটতি পুষিয়ে নেয়। তাঁদের হাতের লেখাও আগের চেয়ে ভালো হয়। কিন্তু তবুও তা মেয়েদের মতো অতটা সুন্দর না-ও হতে পারে।
২০২০ সালে ‘হিউম্যান ব্রেইন ম্যাপিং’ জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় এফএমআরআই স্ক্যান ব্যবহার করে দেখা হয়, লেখার সময় মস্তিষ্কের কোন অংশগুলো সক্রিয় থাকে। সেখানে দেখা গেছে, হাত দিয়ে লেখার সময় পুরুষ ও নারীরা মস্তিষ্কের ভিন্ন ভিন্ন অংশ ব্যবহার করে। তবে মজার ব্যাপার হলো, নারী-পুরুষের হাতের লেখার মান প্রায় একরকম হলেও মস্তিষ্ক ব্যবহারের এই পার্থক্য দেখা গেছে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, জীবনের নানা অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে মস্তিষ্কের স্নায়বিক পথগুলো তৈরি হয়। একজন মানুষ কখন একটি কাজ শেখা শুরু করল, তাকে কীভাবে শেখানো হলো, সে কতটা অনুশীলন করল ইত্যাদি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে একই কাজ করার জন্য আলাদা আলাদা মানুষ মস্তিষ্কের ভিন্ন ভিন্ন অংশ ব্যবহার করতে পারে।
এ ছাড়া ছেলেদের মধ্যে বামহাতি হওয়ার প্রবণতাও মেয়েদের চেয়ে বেশি দেখা যায়। এই বৈশিষ্ট্যকেও অনেক সময় খারাপ হাতের লেখার অন্যতম কারণ হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু বামহাতি মানুষের পক্ষেও হাতের লেখা সুন্দর করা সম্ভব, তাই বিষয়টিকে ব্যক্তির অনুশীলন ও স্কুলিং-এর সঙ্গেই বেশি সম্পর্কিত বলে মনে করা হয়।
এ ছাড়া হাতের লেখা নিয়ে সমাজে অনেক রকমের ধারণা প্রচলিত আছে। এর মধ্যে একটি হলো ‘গ্রাফোলজি’। এখানে দাবি করা হয়, হাতের লেখা দেখে মানুষের ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্য বিচার করা সম্ভব। তবে বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এর কোনো ভিত্তি নেই। হাতের লেখা পরীক্ষা করে লেখকের লিঙ্গ ছাড়া অন্য কোনো কিছু নিশ্চিতভাবে জানা যায় এমন কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
তথ্যসূত্র : সায়েন্স ফোকাস, জন এম. জেনিংস ডটকম

অনেক সময় শুধু হাতের লেখা দেখেই আমরা আন্দাজ করতে পারি, সেটি কোনো ছেলে নাকি মেয়ের। বিষয়টি অনেকের কাছে কেবল অনুমান মনে হলেও, গবেষণা বলছে এর পেছনে কিছু বাস্তব কারণ আছে। বিভিন্ন গবেষণা বলছে, পুরুষদের চেয়ে নারীদের হাতের লেখা সাধারণত বেশি পাঠযোগ্য ও পরিপাটি হয়। ইউনিভার্সিটি অব ওয়ারউইক-এর গবেষকেরা এই বিষয়ে উল্লেখ করেছেন, মেয়েরা সাধারণত ছেলেদের চেয়ে ভালো ও গোছানোভাবে লেখে।
আরও মজার বিষয় হলো, শুধু হাতের লেখা দেখে একজন মানুষের লিঙ্গ শনাক্ত করার ক্ষেত্রেও মানুষের সাফল্যের হার সাধারণ ধারণার চেয়ে বেশি। তাহলে প্রশ্ন হলো, নারীদের হাতের লেখা কেন তুলনামূলকভাবে বেশি সুন্দর ও গোছানো হয়? এর পেছনে কী শুধু অভ্যাস কাজ করে, নাকি রয়েছে জৈবিক ও সামাজিক কিছু কারণও?
২০০৩ সালের একটি গবেষণায় দেখা যায়, অগোছালো বা কম পরিষ্কার হাতের লেখার সঙ্গে অনেক সময় সমাজে প্রচলিত ‘পুরুষালি’ বৈশিষ্ট্যের সম্পর্ক থাকতে পারে। অন্যদিকে, পরিপাটি ও সুন্দর হাতের লেখা বেশি ‘নারীসুলভ’ বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে যুক্ত বলে মনে করা হয়। তবে গবেষকেরা জোর দিয়ে বলেছেন, হাতের লেখার ধরন কোনো মানুষের জৈবিক লিঙ্গ দ্বারা নির্ধারিত হয় না। নারী-পুরুষের হাতের লেখার এই পার্থক্যের পেছনে সমাজের বাঁধাধরা ধারণা বা ‘স্টেরিওটাইপ’ একটি সম্ভাব্য কারণ হতে পারে।
এ বিষয়ে ১৯৯১ সালের একটি পরীক্ষার ফলও বেশ মজার। সেখানে ৭ ও ৮ বছর বয়সী ছেলে ও মেয়েদের একে অপরের হাতের লেখা নকল করতে বলা হয়েছিল। দেখা যায়, নকল করার সময় ছেলেরা নিজের লেখা ‘আরও ছোট এবং সুন্দর’ করার চেষ্টা করেছিল। অন্যদিকে মেয়েরা ছেলেদের লেখা নকল করতে গিয়ে লেখাকে তুলনামূলক বড় ও কিছুটা অগোছালো করার চেষ্টা করেছে। অর্থাৎ খুব ছোট বয়স থেকেই হাতের লেখার এই পার্থক্য হতে পারে।
তবে গবেষকেরা এখানে লিঙ্গভিত্তিক পার্থক্যের ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলেননি। বরং প্রশ্ন রেখেছেন, মেয়েরা কি সুন্দর করে লিখতে বেশি চেষ্টা করে? কারণ সমাজ তাদের কাছ থেকে এমনটাই প্রত্যাশা করে? অর্থাৎ সুন্দর লেখার প্রত্যাশা থাকে দেখেই কি মেয়েদের ছোটবেলা থেকে বেশি উৎসাহিত করা হয়?
গবেষকরা বলছেন, হাতের লেখা সুন্দর বা খারাপ হওয়ার পেছনে আরেকটি সম্ভাব্য কারণ হতে পারে মাতৃগর্ভে থাকাকালীন হরমোনের প্রভাব। গর্ভে বেড়ে ওঠার সময় ভ্রূণ বিভিন্ন পরিমাণে টেস্টোস্টেরন ও ইস্ট্রোজেন হরমোন গ্রহণ করে। এর মধ্যে ছেলেরা সাধারণত বেশি টেস্টোস্টেরন এবং মেয়েরা বেশি ইস্ট্রোজেন পেয়ে থাকে।
ব্যক্তির শরীরে এই গর্ভকালীন হরমোন কেমন ছিল, তার একটি বড় লক্ষণ হলো মানুষের অনামিকা আঙুলের তুলনায় তর্জনী আঙুলের দৈর্ঘ্য, যাকে বিজ্ঞানের ভাষায় ‘2D:4D অনুপাত’ বলা হয়। নারীদের ক্ষেত্রে এই অনুপাত সাধারণত এক (১)-এর ওপরে থাকার প্রবণতা দেখা যায়, অর্থাৎ তাদের অনামিকার চেয়ে তর্জনী আঙুলটি লম্বা হয়. পুরুষদের বেলায় ঘটে এর ঠিক উল্টোটা।
গবেষকরা বলছেন, মাতৃগর্ভে থাকাকালীন সময় শরীরে ইস্ট্রোজেনের প্রভাব বেশি এবং টেস্টোস্টেরনের প্রভাব কম থাকার কারণে এই অনুপাত এক-এর ওপরে থাকতে পারে। তবে এ ব্যাপারে এখনও বিতর্ক রয়েছে।
২০০৫ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা যায়, ডানহাতি নারীদের মধ্যে যাদের 2D:4D অনুপাত বেশি, তাদের হাতের লেখাও তুলনামূলক সুন্দর ও পরিপাটি হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। তবে কেন জন্মপূর্ব হরমোনের প্রভাব হাতের লেখার সঙ্গে সম্পর্কিত হবে, তার স্পষ্ট ব্যাখ্যা গবেষকেরা দিতে পারেননি।
এ ছাড়া মস্তিষ্কের বিকাশগত পার্থক্যও একটি কারণ হতে পারে। ‘প্যারেন্টিং ম্যাগাজিন’-এর একটি তথ্য অনুযায়ী, যখন শিশুরা মাত্র অক্ষর গঠন করা শেখে, তখন ছেলেদের মস্তিষ্কে্র সূক্ষ্ম ‘মোটর’ দক্ষতা নিয়ন্ত্রণকারী স্নায়ুতন্তুগুলো সাধারণত অতটা পরিপক্ব হয় না। এ কারণেও মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে হাতের লেখা রপ্ত করার ক্ষেত্রে বেশি উপযুক্ত হতে পারে।
ছেলেদের মস্তিষ্ক অবশ্য বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ঘাটতি পুষিয়ে নেয়। তাঁদের হাতের লেখাও আগের চেয়ে ভালো হয়। কিন্তু তবুও তা মেয়েদের মতো অতটা সুন্দর না-ও হতে পারে।
২০২০ সালে ‘হিউম্যান ব্রেইন ম্যাপিং’ জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় এফএমআরআই স্ক্যান ব্যবহার করে দেখা হয়, লেখার সময় মস্তিষ্কের কোন অংশগুলো সক্রিয় থাকে। সেখানে দেখা গেছে, হাত দিয়ে লেখার সময় পুরুষ ও নারীরা মস্তিষ্কের ভিন্ন ভিন্ন অংশ ব্যবহার করে। তবে মজার ব্যাপার হলো, নারী-পুরুষের হাতের লেখার মান প্রায় একরকম হলেও মস্তিষ্ক ব্যবহারের এই পার্থক্য দেখা গেছে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, জীবনের নানা অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে মস্তিষ্কের স্নায়বিক পথগুলো তৈরি হয়। একজন মানুষ কখন একটি কাজ শেখা শুরু করল, তাকে কীভাবে শেখানো হলো, সে কতটা অনুশীলন করল ইত্যাদি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে একই কাজ করার জন্য আলাদা আলাদা মানুষ মস্তিষ্কের ভিন্ন ভিন্ন অংশ ব্যবহার করতে পারে।
এ ছাড়া ছেলেদের মধ্যে বামহাতি হওয়ার প্রবণতাও মেয়েদের চেয়ে বেশি দেখা যায়। এই বৈশিষ্ট্যকেও অনেক সময় খারাপ হাতের লেখার অন্যতম কারণ হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু বামহাতি মানুষের পক্ষেও হাতের লেখা সুন্দর করা সম্ভব, তাই বিষয়টিকে ব্যক্তির অনুশীলন ও স্কুলিং-এর সঙ্গেই বেশি সম্পর্কিত বলে মনে করা হয়।
এ ছাড়া হাতের লেখা নিয়ে সমাজে অনেক রকমের ধারণা প্রচলিত আছে। এর মধ্যে একটি হলো ‘গ্রাফোলজি’। এখানে দাবি করা হয়, হাতের লেখা দেখে মানুষের ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্য বিচার করা সম্ভব। তবে বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এর কোনো ভিত্তি নেই। হাতের লেখা পরীক্ষা করে লেখকের লিঙ্গ ছাড়া অন্য কোনো কিছু নিশ্চিতভাবে জানা যায় এমন কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
তথ্যসূত্র : সায়েন্স ফোকাস, জন এম. জেনিংস ডটকম

সাহিত্য সমালোচকদের মতে, ফররুখ আহমদ কাব্যের মাধ্যমে ইসলামি ভাবধারাকে এ দেশে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন। এজন্য তিনি রাষ্ট্রের কোনো আনুকূল্য পাননি। বরং তাঁকে শিকার হতে হয়েছে তীব্র প্রতিরোধ ও প্রতিহিংসার। তবুও ক্ষুরধার কলম থেমে থাকেনি।
১২ ঘণ্টা আগে
বরফভাঙা জাহাজে টানা আট দিনের এই রোমাঞ্চকর যাত্রায় তাঁরা ৮২ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ অতিক্রম করেন। উত্তাল সমুদ্র আর কনকনে ঠান্ডার মাঝে ‘বরফের জঙ্গল’ পেরিয়ে তাঁরা বিরল অভিজ্ঞতার সাক্ষী হয়েছেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
আজ ৯ জুন, আন্তর্জাতিক আর্কাইভস দিবস। ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্মারকগুলো সংরক্ষণের গুরুত্ব সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালন করা হয়। মূলত প্রাচীন নথি, দলিলাদি এবং আমাদের জাতীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো যাতে হারিয়ে না যায়, তা নিশ্চিত করাই এই দিবসটির মূল লক্ষ্য।
১ দিন আগে
বাংলাদেশের মানুষের কাছে রাজনীতি অত্যন্ত আকর্ষণীয় বিষয়। রাষ্ট্রের বিন্যাস আর গঠনকাঠামো বুঝতে চাওয়া পাঠকের সংখ্যা প্রচুর। এ ধরনের বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রতি বছর বেশ কিছু বই প্রকাশিত হয়। তবে বিগত কয়েক দশকে রাজনীতিকে কেন্দ্র করেই বিশেষ বিষয়কেন্দ্রিক বই প্রকাশের প্রবণতা বেড়েছে। এই ধারাবাহিকতায় সাম্প্রতিক স
২ দিন আগে