চারদিকে নীল জল, মাঝখানে সবুজে মোড়া দ্বীপ ভারতের আন্দামানে বাস করেন হিমাংশু বণিক। দেশভাগ, উদ্বাস্তু জীবন, তারপর আন্দামান। দেশভাগের পর পূর্ববঙ্গ থেকে পশ্চিমবঙ্গে, তারপর কীভাবে বাঙালিরা আন্দামানে গেলেন?
অনন্ত রায়হান

আন্দামান এক অদ্ভুত জায়গা। চারদিকে নীল জলরাশি, মাঝখানে সবুজে মোড়া ছোট ছোট দ্বীপ। কোথাও ঘন অরণ্য, কোথাও রুপালি বালুর সৈকত। প্রকৃতির এই সৌন্দর্যের ভেতরেই ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে নীরবে দাঁড়িয়ে আছে ‘সেলুলার জেল’। একসময় এই জেলই ছিল ব্রিটিশদের ভয়ংকর ‘কালাপানি’। উপমহাদেশের ইতিহাসে এই নামের মানেই ছিল নির্বাসন। এখানেই বন্দী রাখা হয়েছিল ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের বহু নেতাকে।
আজকের আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ভারতের অন্যতম সংরক্ষিত অঞ্চল। ২০১১ সালের ভারতের আদমশুমারি অনুযায়ী প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার মানুষের বসবাস এই দ্বীপপুঞ্জে। আর আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই জনসংখ্যার প্রায় ২৯ শতাংশই বাঙালি, যাঁদের অনেকেই কয়েক প্রজন্ম ধরে এই দ্বীপের মাটিতেই গড়ে তুলেছেন তাঁদের ঘরবাড়ি ও জীবন।
গল্পটা শুরু হয় ১৯৪৭ সালের আগে-পরে। তখন আন্দামান ছিল প্রায় জনশূন্য, ভারত মহাসাগরের মাঝে এক বিচ্ছিন্ন দ্বীপমালা। দেশভাগের পর পূর্ববঙ্গ, অর্থাৎ আজকের বাংলাদেশ থেকে প্রচুর হিন্দু বাঙালি উদ্বাস্তু হয়ে পশ্চিমবঙ্গে চলে যান।

পশ্চিমবঙ্গের সরকার আর ভারতের কেন্দ্রীয় প্রশাসন তখন সিদ্ধান্ত নেয়, এই উদ্বাস্তু পরিবারগুলোর একটি অংশকে আন্দামানে পুনর্বাসন করা হবে। উদ্দেশ্য ছিল দ্বীপটিতে জনবসতি গড়ে তোলা এবং একই সঙ্গে উদ্বাস্তু সংকটের সমাধান। বলা হলো, আন্দামানে জনসংখ্যা কম, জমি উর্বর, আর প্রাকৃতিক সম্পদ আছে। সেখানে নতুন সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
সেই সময় সরকার ‘কলোনাইজিং অ্যাসিস্টেন্ট’ নামে কিছু পদ সৃষ্টি করে। এই কর্মকর্তাদের কাজ ছিল উপনিবেশ স্থাপনে সহায়তা করা। তাঁদের তত্ত্বাবধানেই শুরু হয় আন্দামানে বাঙালি পুনর্বাসন।
এভাবে আন্দামানে একে একে পৌঁছে যায় শত শত বাঙালি পরিবার। এর অধিকাংশই গিয়েছিলেন ভারতের সরকারি পুনর্বাসন প্রকল্পের মাধ্যমে। কেউ কেউ আবার ‘উন্নত জীবিকা’র আশায় আন্দামানে থাকা আত্মীয়ের মাধ্যমেও সেখানে পাড়ি জমিয়েছিলেন। তাঁদের পরবর্তী প্রজন্মই আজকের আন্দামানের বাঙালি।
এই পুনর্বাসনের ঢেউয়ে অনেকে জীবনের নানা বাঁকে এসে আন্দামানে ঠাঁই নিয়েছিলেন। তাঁদেরই একজন হিমাংশু বণিক, বয়স এখন ৮৫। তাঁর জন্ম কুমিল্লা জেলার বদরপুরের মাইজকার গ্রামে। ধনী পরিবারে জন্ম, কৃষিজমি-ধানের গোলা, বিশাল বড় দিঘি—সবই ছিল কুমিল্লায়। কিন্তু জীবনের ঘাত-প্রতিঘাত তাঁকে নিয়ে গিয়েছিল আন্দামানে।
হিমাংশুর শৈশব কেটেছে কুমিল্লার ফাওই প্রাইমারি স্কুলে। তারপর কলকাতা এন্টালির এক চার্চের স্কুলে পড়াশোনা করেন। এরপর আবার বাংলাদেশে আসেন বছরখানেকের জন্য। দেশভাগের পর তাঁর পরিবার পাড়ি জমায় ত্রিপুরার আগরতলায়। সেখানে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছিলেন।

বাবার অসুস্থতা আর সংসারের টানাপোড়েনে হিমাংশু আগরতলা গিয়ে দৈনিক মজুরিভিত্তিক শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন। অভাবের সংসার। একদিন আন্দামানে থাকা এক দিদির চিঠি পেলেন, ‘এখানে কাজ আছে, চলে এসো।’ এরপর ১৯৬৪ সালে স্ত্রী, মা ও সাত-আট মাসের মেয়েকে নিয়ে তিনি পাড়ি জমান আন্দামানে।
আন্দামানে গিয়ে প্রথমে ছোটখাটো ব্যবসা শুরু করেন। ধীরে ধীরে ব্যবসা বড় হয়। এখন সেই ব্যবসার দেখভাল করেন তাঁর ছেলেরা।
আন্দামানে গিয়ে প্রথমে তিনি ভেবেছিলেন, কিছুদিন পর হয়ত ফিরে যাবেন আগরতলায়। কিন্তু ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায়। স্থানীয় উপেন বর্মণ নামে এক ব্যক্তি তাঁকে থাকার জায়গা করে দেন। চাষের জন্য পেয়ে যান পাঁচ একর জমি। প্রথম বছরেই ভাগে পান ৩০-৩৫ বস্তা ধান। পরের বছর ১০ একর জমিতে চাষ শুরু করেন। ধীরে ধীরে ধান বিক্রি করে পুঁজি জমান, শুরু করেন বড় ব্যবসা।
হিমাংশুর স্ত্রী মিলন বণিকের জন্মও বাংলাদেশে। তিন-চার মাস বয়সে বাবা-মায়ের সঙ্গে তিনিও ত্রিপুরায় চলে যান। শৈশব কেটেছে সেখানেই। আন্দামানে গিয়ে তিনি শিক্ষিকা হিসেবে ওংগি জনগোষ্ঠীর স্কুলে পড়াতে শুরু করেন। ওংগি আন্দামানের একটি ছোট আদিবাসী সম্প্রদায়, যারা বনজ শিকার আর সংগ্রহের মাধ্যমে বেঁচে থাকে। মিলন বণিক তাঁদের হিন্দিতে পড়াতেন। সুনামির পর সেই কাজ ছেড়ে দেন।
হিমাংশু এখনো মাঝেমধ্যে কুমিল্লার কথা মনে করেন। বলেন, ‘আমাদের গ্রামে হিন্দু-মুসলমান সবাই মিলেমিশে থাকত। আমাদের এলাকায় দাঙ্গা ছিল না। একদিন আমাদের বাড়িতে তিনবার ডাকাতি হলো। মাটির নিচের সুড়ঙ্গ দিয়ে পালিয়ে বাঁচি।’ সেই স্মৃতি আজও তাঁর চোখে লেগে আছে।
হিমাংশু বলেন, ‘আমার ছেলে-মেয়েরা সবাই এখানে থাকে। ব্যবসা এখন ওরাই দেখে। কিন্তু এখনও কুমিল্লার কথা মনে পড়ে। সেখানেই ছিল আমার শৈশব।’ তিনি একবার বাংলাদেশেও এসেছিলেন। ঢাকায় আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। এখন বয়সের কারণে আর আসতে পারেন না। তবে তাঁর সন্তানরা এখনো বাংলাদেশে বেড়াতে আসেন।
হিমাংশু বণিকের মতো আন্দামানের অনেকে বাঙালি আজও মনে রেখেছেন নিজের ভিটাকে। তাঁদের চোখে আজও বাংলাদেশের আকাশ একটু অন্যরকম।

আন্দামান এক অদ্ভুত জায়গা। চারদিকে নীল জলরাশি, মাঝখানে সবুজে মোড়া ছোট ছোট দ্বীপ। কোথাও ঘন অরণ্য, কোথাও রুপালি বালুর সৈকত। প্রকৃতির এই সৌন্দর্যের ভেতরেই ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে নীরবে দাঁড়িয়ে আছে ‘সেলুলার জেল’। একসময় এই জেলই ছিল ব্রিটিশদের ভয়ংকর ‘কালাপানি’। উপমহাদেশের ইতিহাসে এই নামের মানেই ছিল নির্বাসন। এখানেই বন্দী রাখা হয়েছিল ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের বহু নেতাকে।
আজকের আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ভারতের অন্যতম সংরক্ষিত অঞ্চল। ২০১১ সালের ভারতের আদমশুমারি অনুযায়ী প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার মানুষের বসবাস এই দ্বীপপুঞ্জে। আর আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই জনসংখ্যার প্রায় ২৯ শতাংশই বাঙালি, যাঁদের অনেকেই কয়েক প্রজন্ম ধরে এই দ্বীপের মাটিতেই গড়ে তুলেছেন তাঁদের ঘরবাড়ি ও জীবন।
গল্পটা শুরু হয় ১৯৪৭ সালের আগে-পরে। তখন আন্দামান ছিল প্রায় জনশূন্য, ভারত মহাসাগরের মাঝে এক বিচ্ছিন্ন দ্বীপমালা। দেশভাগের পর পূর্ববঙ্গ, অর্থাৎ আজকের বাংলাদেশ থেকে প্রচুর হিন্দু বাঙালি উদ্বাস্তু হয়ে পশ্চিমবঙ্গে চলে যান।

পশ্চিমবঙ্গের সরকার আর ভারতের কেন্দ্রীয় প্রশাসন তখন সিদ্ধান্ত নেয়, এই উদ্বাস্তু পরিবারগুলোর একটি অংশকে আন্দামানে পুনর্বাসন করা হবে। উদ্দেশ্য ছিল দ্বীপটিতে জনবসতি গড়ে তোলা এবং একই সঙ্গে উদ্বাস্তু সংকটের সমাধান। বলা হলো, আন্দামানে জনসংখ্যা কম, জমি উর্বর, আর প্রাকৃতিক সম্পদ আছে। সেখানে নতুন সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
সেই সময় সরকার ‘কলোনাইজিং অ্যাসিস্টেন্ট’ নামে কিছু পদ সৃষ্টি করে। এই কর্মকর্তাদের কাজ ছিল উপনিবেশ স্থাপনে সহায়তা করা। তাঁদের তত্ত্বাবধানেই শুরু হয় আন্দামানে বাঙালি পুনর্বাসন।
এভাবে আন্দামানে একে একে পৌঁছে যায় শত শত বাঙালি পরিবার। এর অধিকাংশই গিয়েছিলেন ভারতের সরকারি পুনর্বাসন প্রকল্পের মাধ্যমে। কেউ কেউ আবার ‘উন্নত জীবিকা’র আশায় আন্দামানে থাকা আত্মীয়ের মাধ্যমেও সেখানে পাড়ি জমিয়েছিলেন। তাঁদের পরবর্তী প্রজন্মই আজকের আন্দামানের বাঙালি।
এই পুনর্বাসনের ঢেউয়ে অনেকে জীবনের নানা বাঁকে এসে আন্দামানে ঠাঁই নিয়েছিলেন। তাঁদেরই একজন হিমাংশু বণিক, বয়স এখন ৮৫। তাঁর জন্ম কুমিল্লা জেলার বদরপুরের মাইজকার গ্রামে। ধনী পরিবারে জন্ম, কৃষিজমি-ধানের গোলা, বিশাল বড় দিঘি—সবই ছিল কুমিল্লায়। কিন্তু জীবনের ঘাত-প্রতিঘাত তাঁকে নিয়ে গিয়েছিল আন্দামানে।
হিমাংশুর শৈশব কেটেছে কুমিল্লার ফাওই প্রাইমারি স্কুলে। তারপর কলকাতা এন্টালির এক চার্চের স্কুলে পড়াশোনা করেন। এরপর আবার বাংলাদেশে আসেন বছরখানেকের জন্য। দেশভাগের পর তাঁর পরিবার পাড়ি জমায় ত্রিপুরার আগরতলায়। সেখানে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছিলেন।

বাবার অসুস্থতা আর সংসারের টানাপোড়েনে হিমাংশু আগরতলা গিয়ে দৈনিক মজুরিভিত্তিক শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন। অভাবের সংসার। একদিন আন্দামানে থাকা এক দিদির চিঠি পেলেন, ‘এখানে কাজ আছে, চলে এসো।’ এরপর ১৯৬৪ সালে স্ত্রী, মা ও সাত-আট মাসের মেয়েকে নিয়ে তিনি পাড়ি জমান আন্দামানে।
আন্দামানে গিয়ে প্রথমে ছোটখাটো ব্যবসা শুরু করেন। ধীরে ধীরে ব্যবসা বড় হয়। এখন সেই ব্যবসার দেখভাল করেন তাঁর ছেলেরা।
আন্দামানে গিয়ে প্রথমে তিনি ভেবেছিলেন, কিছুদিন পর হয়ত ফিরে যাবেন আগরতলায়। কিন্তু ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায়। স্থানীয় উপেন বর্মণ নামে এক ব্যক্তি তাঁকে থাকার জায়গা করে দেন। চাষের জন্য পেয়ে যান পাঁচ একর জমি। প্রথম বছরেই ভাগে পান ৩০-৩৫ বস্তা ধান। পরের বছর ১০ একর জমিতে চাষ শুরু করেন। ধীরে ধীরে ধান বিক্রি করে পুঁজি জমান, শুরু করেন বড় ব্যবসা।
হিমাংশুর স্ত্রী মিলন বণিকের জন্মও বাংলাদেশে। তিন-চার মাস বয়সে বাবা-মায়ের সঙ্গে তিনিও ত্রিপুরায় চলে যান। শৈশব কেটেছে সেখানেই। আন্দামানে গিয়ে তিনি শিক্ষিকা হিসেবে ওংগি জনগোষ্ঠীর স্কুলে পড়াতে শুরু করেন। ওংগি আন্দামানের একটি ছোট আদিবাসী সম্প্রদায়, যারা বনজ শিকার আর সংগ্রহের মাধ্যমে বেঁচে থাকে। মিলন বণিক তাঁদের হিন্দিতে পড়াতেন। সুনামির পর সেই কাজ ছেড়ে দেন।
হিমাংশু এখনো মাঝেমধ্যে কুমিল্লার কথা মনে করেন। বলেন, ‘আমাদের গ্রামে হিন্দু-মুসলমান সবাই মিলেমিশে থাকত। আমাদের এলাকায় দাঙ্গা ছিল না। একদিন আমাদের বাড়িতে তিনবার ডাকাতি হলো। মাটির নিচের সুড়ঙ্গ দিয়ে পালিয়ে বাঁচি।’ সেই স্মৃতি আজও তাঁর চোখে লেগে আছে।
হিমাংশু বলেন, ‘আমার ছেলে-মেয়েরা সবাই এখানে থাকে। ব্যবসা এখন ওরাই দেখে। কিন্তু এখনও কুমিল্লার কথা মনে পড়ে। সেখানেই ছিল আমার শৈশব।’ তিনি একবার বাংলাদেশেও এসেছিলেন। ঢাকায় আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। এখন বয়সের কারণে আর আসতে পারেন না। তবে তাঁর সন্তানরা এখনো বাংলাদেশে বেড়াতে আসেন।
হিমাংশু বণিকের মতো আন্দামানের অনেকে বাঙালি আজও মনে রেখেছেন নিজের ভিটাকে। তাঁদের চোখে আজও বাংলাদেশের আকাশ একটু অন্যরকম।

প্রযুক্তির ইতিহাসে ১৯২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। বর্তমান যুগে আমরা যে টেলিভিশনকে দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ধরে নিয়েছি, তার যাত্রা শুরু হয়েছিল এই দিনটিতেই। স্কটিশ প্রকৌশলী জন লগি বেয়ার্ড সেদিন প্রথমবারের মতো ‘রিয়েল টেলিভিশন’ বা প্রকৃত টেলিভিশন জনসমক্ষে প্রদর্শন কর
৩১ মিনিট আগে
দোহারের ইকরাশি গ্রামের শান্তি রানী পাল। বয়স ৯২ বছর। বয়সের ভারে অনেকটাই নুয়ে পড়েছেন। চোখের আলো কমে গেছে, গলার স্বরও ভেঙে গেছে; তবু সংসারের চাকাকে সচল রাখতে আদি পেশা হিসেবে কুমারের কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
২০ ঘণ্টা আগে
জেনে অবাক হবেন যে শত বছর আগে বৃহত্তর বগুড়া অঞ্চলে বন্যপ্রাণী বাস করত। কোন কোন বন্যপ্রাণী ও পাখি সেখানে ছিল? নদী, জলাভূমি ও পুকুরে কী কী মাছ পাওয়া যেত? ১৯১০ সালে প্রকাশিত জে এন গুপ্ত-এর পূর্ববঙ্গ ও আসামের ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ার (বগুড়া) থেকে অনুবাদ করেছেন ভূ-পর্যটক তারেক অণু।
১ দিন আগে
আজ ২৫ জানুয়ারি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মদিন। সাহিত্যিক হিসেবে সাহিত্য-পরিসরে শতবর্ষ পরেও তিনি বেঁচে আছেন সক্রিয়তার ভেতর দিয়েই। এও সত্য যে, তাঁকে নিয়ে তাঁর কালেই তো বেশ জোরজারের সাথে চর্চা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে ধুন্ধুমারভাবে প্রভাবিত করে গেছেন বিচিত্র ধারার সাহিত্যের লোকজনকে। এসবের পরও সেইকালে মধুসূদন
১ দিন আগে