হাড়কাঁপানো শীতে কাঁপছে পুরো দেশ। বিজ্ঞানসম্মত কিছু পদ্ধতি আছে যা অনুসরণ করলে শীতের তীব্রতা কিছুটা হলে কম অনুভব করবেন।
স্ট্রিম ডেস্ক

হাড়কাঁপানো শীতে কাঁপছে পুরো দেশ। বিভিন্ন এলাকায় কুয়াশার কারণে রোদের দেখা পাওয়া যাচ্ছে না। সঙ্গে যোগ হয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের শৈত্যপ্রবাহের বার্তা। যদিও ঢাকায় সরাসরি শৈত্যপ্রবাহ নেই, তবু উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বয়ে যাওয়া হিমেল হাওয়ায় শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে।
এমন শীতে জনজীবন যখন বিপর্যস্ত, তখন আমরা উষ্ণতা খুঁজতে আঁকড়ে ধরি লেপ-কম্বল কিংবা মোটা সোয়েটার। আমাদের ধারণা, গায়ের কাপড় যত মোটা হবে, শীত তত কম লাগবে। কিন্তু বিজ্ঞানসম্মত কিছু পদ্ধতি আছে যা অনুসরণ করলে শীতের তীব্রতা কিছুটা হলে কম অনুভব করবেন।
শীতের তীব্রতা বেশি হলে একটি ভারী সোয়েটার বা জ্যাকেট দিয়ে সাধারণত শীত নিবারণ করা সম্ভব হয় না। এই সমস্যার হাত থেকে বাঁচতে একটি ভারী সোয়েটার বা জ্যাকেট পরার বদলে ৩-৪টি পাতলা কাপড় একটার ওপর আরেকটা পরা অনেক বেশি কার্যকর। একে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘লেয়ারিং’।
আপনি যখন একাধিক কাপড় পরেন, তখন দুটি কাপড়ের স্তরের মাঝখানে বাতাস আটকা পড়ে। এই আটকে থাকা বাতাস আপনার শরীরের তাপকে বাইরে যেতে দেয় না এবং বাইরের ঠান্ডা বাতাসকে শরীরের ত্বকে লাগতে দেয় না।
বাইরে থেকে তাপ নেওয়ার চেয়ে শরীরের ভেতর থেকে তাপ উৎপন্ন করা বেশি কার্যকর। বিজ্ঞান একে বলে ‘ডায়েট ইনডিউসড থার্মোজেনেসিস’। কিছু খাবার আছে যা হজম হতে শরীরকে প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়। অর্থাৎ এই হজম প্রক্রিয়ার ফলে শরীরে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়।
এ ধরনের খাবারের মধ্যে আছে ডিম, বাদাম, ঘি বা পনির জাতীয় খাবার। এসব খাবার হজম হতে সময় অনেক বেশি নেয়। এছাড়া আদা, গোলমরিচ, দারুচিনি রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়। এক কাপ আদা-চা বা মশলা চা তাৎক্ষণিকভাবে শরীরের তাপমাত্রা বাড়াতে পারে। তাই শীতকালে চা বা কফির তুলনায় আদা-চা শরীরে উষ্ণতার অনুভূতি বেশি সময় ধরে রাখতে সাহায্য করতে পারে।
গরম স্যুপ বা ঝোল জাতীয় খাবার শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। একারণে শীতকালে ভুনা জাতীয় খাবারের বদলে ঝোলজাতীয় খাবার বেশি খান। ঝোলজাতীয় খাবার শরীরে তরল ও তাপ—দুটোই যোগায়।
আরেকটি বিষয় উল্লেখ না করলেই নয়। শীতকালে তৃষ্ণা পায় না বলে আমরা অনেকেই পানি কম খাই। কিন্তু পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন হলে রক্ত ঘন হয়ে যায়, ফলে শরীরে তাপ সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত হয়। তাই শীতকালেও পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি।
অনেকেই গায়ে ভারী জ্যাকেট পরেন কিন্তু কান বা পা খোলা রাখেন। এতে শীতের অনুভূতি কমে না। বিজ্ঞান বলছে, যখন পরিবেশ ক্রমাগত ঠান্ডা হতে থাকে, আমাদের মস্তিষ্ক শরীরের রক্তপ্রবাহকে হাত-পা থেকে সরিয়ে হৃদপিণ্ড, ফুসফুস ও মস্তিষ্কের দিকে পাঠিয়ে দেয় যাতে এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলো গরম থাকে। একে বলা হয় ‘ভ্যাসোকনস্ট্রাকশন। রক্তপ্রবাহ কমে যায় বলেই শীতে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যায়।
এছাড়া মাথা ও কান খোলা থাকলে ওই অংশ দিয়েই তুলনামূলক বেশি তাপ বেরিয়ে যায়, যাকে বলে ‘রেডিয়েন্ট হিট লস’। এ কারণে শরীরের তাপ আটকে রাখতে মাফলার ও টুপি পরা জরুরি। এছাড়া মোজা পরার আগে পায়ে ভ্যাসলিন বা তেল মেখে নিলে তা একটি সুরক্ষাস্তর তৈরি করে এবং তাপ ধরে রাখে।
শীতকালে নড়াচড়া করতেও অস্বস্তি হয়। তাই আমরা অনেকেই একজায়গায় জুবুথুবু হয়ে বসে থাকি। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে, এতে ঠান্ডা বেশি লাগে। শরীর যখন শীতে কাঁপুনি দেয়, তখন মূলত মাংসপেশিগুলো দ্রুত সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে তাপ উৎপাদন করার চেষ্টা করে।
তাই শীতকালে আপনি যদি হালকা ব্যায়াম করেন বা হাঁটাহাঁটি করেন, তবে আপনার পেশিগুলো সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে শরীরে মেটাবলিক হিট তৈরি করবে। খুব শীতে ঘরের মধ্যেই হালকা স্ট্রেচিং বা হাঁটাহাঁটি করুন। তবে খেয়াল রাখবেন যেন ঘাম না হয়। কারণ ঘাম শুকালে শরীর উল্টো ঠান্ডা হয়ে যাবে।
ঘর গরম রাখতে রুম হিটার ছাড়াও বিজ্ঞানের ‘গ্রিনহাউস ইফেক্ট’ কাজে লাগানো যায়। দিনের বেলা জানালার পর্দা ও জানালা খুলে ঘরে রোদ ঢুকতে দিন। কাঁচ ভেদ করে আসা সূর্যের তাপ ঘরের আসবাবপত্র ও মেঝে গরম করে ঘরকে কিছুটা উষ্ণতা দেয়।
তবে সূর্য ডোবার আগেই জানালা বন্ধ করে ভারী পর্দা টেনে দিন। এটি বাইরের ঠান্ডা বাতাসকে কাঁচের সংস্পর্শে আসতে বাধা দেবে এবং দিনের বেলা জমে থাকা তাপ ঘরের ভেতরে আটকে রাখবে।
শীতকালে আমাদের ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। বিজ্ঞান বলছে, শুষ্ক ত্বকের চেয়ে আর্দ্র বা তেলযুক্ত ত্বক তাপ বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারে। তাই গোসলের পর শরীরে সরিষার তেল বা লোশন মাখলে শুধু শরীরের রুক্ষভাবই দূর হয় না বরং এটি ত্বকের ওপর একটি স্তর তৈরি হয়, যা শরীরকে বাইরের ঠান্ডা থেকে কিছুটা হলেও রক্ষা করে।

হাড়কাঁপানো শীতে কাঁপছে পুরো দেশ। বিভিন্ন এলাকায় কুয়াশার কারণে রোদের দেখা পাওয়া যাচ্ছে না। সঙ্গে যোগ হয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের শৈত্যপ্রবাহের বার্তা। যদিও ঢাকায় সরাসরি শৈত্যপ্রবাহ নেই, তবু উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বয়ে যাওয়া হিমেল হাওয়ায় শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে।
এমন শীতে জনজীবন যখন বিপর্যস্ত, তখন আমরা উষ্ণতা খুঁজতে আঁকড়ে ধরি লেপ-কম্বল কিংবা মোটা সোয়েটার। আমাদের ধারণা, গায়ের কাপড় যত মোটা হবে, শীত তত কম লাগবে। কিন্তু বিজ্ঞানসম্মত কিছু পদ্ধতি আছে যা অনুসরণ করলে শীতের তীব্রতা কিছুটা হলে কম অনুভব করবেন।
শীতের তীব্রতা বেশি হলে একটি ভারী সোয়েটার বা জ্যাকেট দিয়ে সাধারণত শীত নিবারণ করা সম্ভব হয় না। এই সমস্যার হাত থেকে বাঁচতে একটি ভারী সোয়েটার বা জ্যাকেট পরার বদলে ৩-৪টি পাতলা কাপড় একটার ওপর আরেকটা পরা অনেক বেশি কার্যকর। একে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘লেয়ারিং’।
আপনি যখন একাধিক কাপড় পরেন, তখন দুটি কাপড়ের স্তরের মাঝখানে বাতাস আটকা পড়ে। এই আটকে থাকা বাতাস আপনার শরীরের তাপকে বাইরে যেতে দেয় না এবং বাইরের ঠান্ডা বাতাসকে শরীরের ত্বকে লাগতে দেয় না।
বাইরে থেকে তাপ নেওয়ার চেয়ে শরীরের ভেতর থেকে তাপ উৎপন্ন করা বেশি কার্যকর। বিজ্ঞান একে বলে ‘ডায়েট ইনডিউসড থার্মোজেনেসিস’। কিছু খাবার আছে যা হজম হতে শরীরকে প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়। অর্থাৎ এই হজম প্রক্রিয়ার ফলে শরীরে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়।
এ ধরনের খাবারের মধ্যে আছে ডিম, বাদাম, ঘি বা পনির জাতীয় খাবার। এসব খাবার হজম হতে সময় অনেক বেশি নেয়। এছাড়া আদা, গোলমরিচ, দারুচিনি রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়। এক কাপ আদা-চা বা মশলা চা তাৎক্ষণিকভাবে শরীরের তাপমাত্রা বাড়াতে পারে। তাই শীতকালে চা বা কফির তুলনায় আদা-চা শরীরে উষ্ণতার অনুভূতি বেশি সময় ধরে রাখতে সাহায্য করতে পারে।
গরম স্যুপ বা ঝোল জাতীয় খাবার শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। একারণে শীতকালে ভুনা জাতীয় খাবারের বদলে ঝোলজাতীয় খাবার বেশি খান। ঝোলজাতীয় খাবার শরীরে তরল ও তাপ—দুটোই যোগায়।
আরেকটি বিষয় উল্লেখ না করলেই নয়। শীতকালে তৃষ্ণা পায় না বলে আমরা অনেকেই পানি কম খাই। কিন্তু পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন হলে রক্ত ঘন হয়ে যায়, ফলে শরীরে তাপ সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত হয়। তাই শীতকালেও পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি।
অনেকেই গায়ে ভারী জ্যাকেট পরেন কিন্তু কান বা পা খোলা রাখেন। এতে শীতের অনুভূতি কমে না। বিজ্ঞান বলছে, যখন পরিবেশ ক্রমাগত ঠান্ডা হতে থাকে, আমাদের মস্তিষ্ক শরীরের রক্তপ্রবাহকে হাত-পা থেকে সরিয়ে হৃদপিণ্ড, ফুসফুস ও মস্তিষ্কের দিকে পাঠিয়ে দেয় যাতে এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলো গরম থাকে। একে বলা হয় ‘ভ্যাসোকনস্ট্রাকশন। রক্তপ্রবাহ কমে যায় বলেই শীতে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যায়।
এছাড়া মাথা ও কান খোলা থাকলে ওই অংশ দিয়েই তুলনামূলক বেশি তাপ বেরিয়ে যায়, যাকে বলে ‘রেডিয়েন্ট হিট লস’। এ কারণে শরীরের তাপ আটকে রাখতে মাফলার ও টুপি পরা জরুরি। এছাড়া মোজা পরার আগে পায়ে ভ্যাসলিন বা তেল মেখে নিলে তা একটি সুরক্ষাস্তর তৈরি করে এবং তাপ ধরে রাখে।
শীতকালে নড়াচড়া করতেও অস্বস্তি হয়। তাই আমরা অনেকেই একজায়গায় জুবুথুবু হয়ে বসে থাকি। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে, এতে ঠান্ডা বেশি লাগে। শরীর যখন শীতে কাঁপুনি দেয়, তখন মূলত মাংসপেশিগুলো দ্রুত সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে তাপ উৎপাদন করার চেষ্টা করে।
তাই শীতকালে আপনি যদি হালকা ব্যায়াম করেন বা হাঁটাহাঁটি করেন, তবে আপনার পেশিগুলো সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে শরীরে মেটাবলিক হিট তৈরি করবে। খুব শীতে ঘরের মধ্যেই হালকা স্ট্রেচিং বা হাঁটাহাঁটি করুন। তবে খেয়াল রাখবেন যেন ঘাম না হয়। কারণ ঘাম শুকালে শরীর উল্টো ঠান্ডা হয়ে যাবে।
ঘর গরম রাখতে রুম হিটার ছাড়াও বিজ্ঞানের ‘গ্রিনহাউস ইফেক্ট’ কাজে লাগানো যায়। দিনের বেলা জানালার পর্দা ও জানালা খুলে ঘরে রোদ ঢুকতে দিন। কাঁচ ভেদ করে আসা সূর্যের তাপ ঘরের আসবাবপত্র ও মেঝে গরম করে ঘরকে কিছুটা উষ্ণতা দেয়।
তবে সূর্য ডোবার আগেই জানালা বন্ধ করে ভারী পর্দা টেনে দিন। এটি বাইরের ঠান্ডা বাতাসকে কাঁচের সংস্পর্শে আসতে বাধা দেবে এবং দিনের বেলা জমে থাকা তাপ ঘরের ভেতরে আটকে রাখবে।
শীতকালে আমাদের ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। বিজ্ঞান বলছে, শুষ্ক ত্বকের চেয়ে আর্দ্র বা তেলযুক্ত ত্বক তাপ বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারে। তাই গোসলের পর শরীরে সরিষার তেল বা লোশন মাখলে শুধু শরীরের রুক্ষভাবই দূর হয় না বরং এটি ত্বকের ওপর একটি স্তর তৈরি হয়, যা শরীরকে বাইরের ঠান্ডা থেকে কিছুটা হলেও রক্ষা করে।

ইলিয়াস আসন পাতেন কাৎলাহার বিলের উত্তর সিথানে পাকুড়গাছের মাথায়। সেই তখন থেকে দিনের বেলা রোদের মধ্যে রোদ হয়ে ছড়িয়ে থাকেন সারাটা বিলজুড়ে। আর রাতভর বিল শাসন করেন ওই পাকুড়গাছের ওপর থেকে; তিনি আকাশের মেঘ খেদান, ভেড়ার পাল সাতড়ে পার করেন, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে গরুর দালালের সঙ্গে আলাপ জুড়ে দেন...
৯ ঘণ্টা আগে
নিজে দৃষ্টিহীন হয়েও হাজারো দৃষ্টিহীন মানুষের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়েছেন লুই ব্রেইল। আজ তাঁর জন্মদিন। এই কিংবদন্তীর স্মরণে বিশ্বজুড়ে আজকের দিনটি বিশ্ব ব্রেইল দিবস হিসেবে পালিত হয়। কিন্তু যে পদ্ধতির জন্য আজ বিশ্বজুড়ে দৃষ্টিহীনরা শিক্ষার আলো পাচ্ছে, সেই ‘ব্রেইল পদ্ধতি’তাঁর জীবদ্দশায় ছিল উপেক্ষিত।
১১ ঘণ্টা আগে
শীতকালে শিশুদের সুস্থ রাখতে প্রয়োজন বিশেষ যত্ন ও বাড়তি সতর্কতা। চলুন দেখে নেওয়া যাক, শীতে শিশুদের সুরক্ষিত রাখতে কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
১২ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের সাহিত্য অঙ্গনে ২০২৫ সালটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ওই বছরে রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের ঢেউ স্পষ্টভাবেই লেগেছিল প্রকাশনা শিল্পে। নানা চড়াই-উতরাই ও অনিশ্চয়তা পেরিয়ে অনুষ্ঠিত ‘অমর একুশে বইমেলা ২০২৫’-এ পাঠক ও প্রকাশকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।
১৬ ঘণ্টা আগে