স্ট্রিম ডেস্ক

কোরবানির ঈদে বাড়িতে বানানো হয় মাংসের বিভিন্ন পদ। সকালে মাংস-রুটি, দুপুরে কালাভুনা বা মেজবানি গরুর মাংস আর রাতে পোলাও-কোরমা কিংবা বিরিয়ানি। ঈদের সময়টায় কখনও নিজের ঘরে, কখনও দাওয়াতে মাংস খাওয়ার ধুম চলতেই থাকে। তবে উৎসবের আনন্দে অনেকেই হিসাব ছাড়া মাংস খেয়ে ফেলেন। এতে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে।
মাংস খেতে হবে পরিমাণমতো এবং স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে। একটু সচেতন হলেই ঈদের আনন্দ আর স্বাস্থ্য দুটোই ঠিক রাখা যায়।
গরু বা খাসির মাংস হজম হতে অনেক সময় নেয়। একবারে বেশি মাংস খেলে পেট ব্যথা, গ্যাস, বদহজম বা কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। পিত্তথলিতে সমস্যা থাকলে এই কষ্ট আরও বেড়ে যায়। এ ছাড়া মাংসের চর্বি রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্রোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। এ ছাড়া যাঁদের আগে থেকেই হার্টের সমস্যা বা উচ্চ রক্তচাপ আছে, তাঁদের জন্য বেশি মাংস খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ।
এ ছাড়া মাংসে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি থাকে। তাই বেশি মাংস খেলে শরীরে অতিরিক্ত ক্যালরি জমা হতে পারে। অতিরিক্ত প্রোটিন কিডনির ওপরও চাপ ফেলতে পারে। বেশি মাংস খেলে রক্তে ইউরিক অ্যাসিডও বেড়ে যায়। এতে অস্থিসন্ধি বা জয়েন্টে ব্যথা, বিশেষ করে গেঁটে বাতের বেড়ে যেতে পারে।
রান্নার সময় একটু নিয়ম মানলে স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানো যায়। রান্নার আগে মাংসের গায়ে লেগে থাকা সাদা চর্বি কেটে ফেলে দিন। চামড়াসহ মাংস খাওয়া থেকে দূরে থাকুন। এতে ক্ষতিকর চর্বি অনেকটাই কমে যাবে। মাংস অতিরিক্ত তেল-মসলা দিয়ে কষিয়ে রান্না করবেন না। এর বদলে কম তেলে রান্না, গ্রিল বা সেদ্ধ করে খাওয়ার অভ্যাস করুন।
উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমাতে খাবারে লবণের ব্যবহার কমিয়ে দিন। রান্নায় বেশি করে আদা দিন। কারণ আদা দ্রুত খাবার হজম করতে সাহায্য করে।
খাবার টেবিলে হিসাব করে খাওয়া জরুরি। একবারে থালাভর্তি মাংস না খেয়ে সারা দিনে অল্প অল্প করে কয়েকবার খান। শুধু মাংস না খেয়ে পাতে প্রচুর সালাদ, লেবু, শসা, টমেটো এবং সবজি রাখুন। সবজির আঁশ শরীরের ক্ষতিকর চর্বি কমাতে সাহায্য করে। সালাদ হজম সহজ করে শরীরে পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখে।
পেট ভরে খাওয়ার পর আমাদের অনেকেরই শুয়ে পড়তে ইচ্ছা হয়। এই অভ্যাসটি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। মাংস খাওয়ার পর প্রচুর পানি পান করুন। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে পানি ভালো কাজ করে। খাওয়ার পর এক গ্লাস হালকা গরম লেবুপানি খেতে পারেন। এটা হজমশক্তি বাড়াতে কাজ করে। তবে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকলে লেবুপানি এড়িয়ে চলাই ভালো।
ঈদের দিন খাওয়ার পর বিছানায় না শুয়ে হালকা হাঁটাচলা করুন। এতে খাবার সহজে হজম হয়।

কোরবানির ঈদে বাড়িতে বানানো হয় মাংসের বিভিন্ন পদ। সকালে মাংস-রুটি, দুপুরে কালাভুনা বা মেজবানি গরুর মাংস আর রাতে পোলাও-কোরমা কিংবা বিরিয়ানি। ঈদের সময়টায় কখনও নিজের ঘরে, কখনও দাওয়াতে মাংস খাওয়ার ধুম চলতেই থাকে। তবে উৎসবের আনন্দে অনেকেই হিসাব ছাড়া মাংস খেয়ে ফেলেন। এতে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে।
মাংস খেতে হবে পরিমাণমতো এবং স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে। একটু সচেতন হলেই ঈদের আনন্দ আর স্বাস্থ্য দুটোই ঠিক রাখা যায়।
গরু বা খাসির মাংস হজম হতে অনেক সময় নেয়। একবারে বেশি মাংস খেলে পেট ব্যথা, গ্যাস, বদহজম বা কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। পিত্তথলিতে সমস্যা থাকলে এই কষ্ট আরও বেড়ে যায়। এ ছাড়া মাংসের চর্বি রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্রোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। এ ছাড়া যাঁদের আগে থেকেই হার্টের সমস্যা বা উচ্চ রক্তচাপ আছে, তাঁদের জন্য বেশি মাংস খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ।
এ ছাড়া মাংসে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি থাকে। তাই বেশি মাংস খেলে শরীরে অতিরিক্ত ক্যালরি জমা হতে পারে। অতিরিক্ত প্রোটিন কিডনির ওপরও চাপ ফেলতে পারে। বেশি মাংস খেলে রক্তে ইউরিক অ্যাসিডও বেড়ে যায়। এতে অস্থিসন্ধি বা জয়েন্টে ব্যথা, বিশেষ করে গেঁটে বাতের বেড়ে যেতে পারে।
রান্নার সময় একটু নিয়ম মানলে স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানো যায়। রান্নার আগে মাংসের গায়ে লেগে থাকা সাদা চর্বি কেটে ফেলে দিন। চামড়াসহ মাংস খাওয়া থেকে দূরে থাকুন। এতে ক্ষতিকর চর্বি অনেকটাই কমে যাবে। মাংস অতিরিক্ত তেল-মসলা দিয়ে কষিয়ে রান্না করবেন না। এর বদলে কম তেলে রান্না, গ্রিল বা সেদ্ধ করে খাওয়ার অভ্যাস করুন।
উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমাতে খাবারে লবণের ব্যবহার কমিয়ে দিন। রান্নায় বেশি করে আদা দিন। কারণ আদা দ্রুত খাবার হজম করতে সাহায্য করে।
খাবার টেবিলে হিসাব করে খাওয়া জরুরি। একবারে থালাভর্তি মাংস না খেয়ে সারা দিনে অল্প অল্প করে কয়েকবার খান। শুধু মাংস না খেয়ে পাতে প্রচুর সালাদ, লেবু, শসা, টমেটো এবং সবজি রাখুন। সবজির আঁশ শরীরের ক্ষতিকর চর্বি কমাতে সাহায্য করে। সালাদ হজম সহজ করে শরীরে পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখে।
পেট ভরে খাওয়ার পর আমাদের অনেকেরই শুয়ে পড়তে ইচ্ছা হয়। এই অভ্যাসটি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। মাংস খাওয়ার পর প্রচুর পানি পান করুন। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে পানি ভালো কাজ করে। খাওয়ার পর এক গ্লাস হালকা গরম লেবুপানি খেতে পারেন। এটা হজমশক্তি বাড়াতে কাজ করে। তবে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকলে লেবুপানি এড়িয়ে চলাই ভালো।
ঈদের দিন খাওয়ার পর বিছানায় না শুয়ে হালকা হাঁটাচলা করুন। এতে খাবার সহজে হজম হয়।
.png)

ইন্টারনেটের হাজারো নেতিবাচকতার ভিড়ে প্রাণীদের ‘কিউট’ ভিডিও ছিল এক চিলতে স্বস্তি। কিন্তু এআই-এর যুগে সেই নির্ভেজাল বিশ্বাসে এখন ফাটল ধরেছে। কোনো ভিডিও দেখে হাসার বদলে আমাদের মনে আগে প্রশ্ন জাগছে, এটি কি আসল নাকি এআই দিয়ে তৈরি? অবিশ্বাসের এই ডিজিটাল চোরাবালিতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন উঠছে, আমাদের ছোট ছোট আনন্দ
১০ ঘণ্টা আগে
সমকালীন বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। জনপ্রিয়তা ও মননশীলতার মেলবন্ধনের দুর্লভ উদাহরণ তিনি। সৃজনশীল ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি তিনি একজন কর্মবীর। আজ তিনি সাতাশি বছর পূর্ণ করলেন।
১১ ঘণ্টা আগে
এইতো কিছুদিন আগে কথা। অফিস থেকে বেরিয়ে বিশেষ একটি কাজে শাহবাগের উদ্দেশ্যে রিকশায় উঠেছিলাম। বিকেলের ব্যস্ত ঢাকার চিরচেনা যানজটে রিকশাটি একসময় থেমে গেল। চারপাশে শুধু হর্নের শব্দ, মানুষের কোলাহল আর অসংখ্য গাড়ির সারি। ঠিক সেই মুহূর্তেই কানে ভেসে এলো এক পরিচিত সুর ‘আলো আমার আলো ওগো, আলো ভুবনভরা’…!
১৩ ঘণ্টা আগে
প্রাক-আধুনিক যুগের আদর্শবাদী তারুণ্য থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের টেক-স্যাভি ‘জেন জি’ প্রজন্ম—প্রতিটি যুগের তারুণ্যের রক্তস্রোত প্রমাণ করেছে যে বন্দুকের নল বা রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন দিয়ে মানুষের মুক্তির স্পৃহাকে চিরতরে বন্দি করা যায় না। আর এই প্রতিটি রক্তঝরা লড়াইয়ে নারীর সক্রিয়, সমান্তরাল, আপসহীন ও বীরত্বপূ
১৩ ঘণ্টা আগে