তামান্না আনজুম

‘হ্যালো আপুরা, আজ আমার বেস্ট ফ্রেন্ডের বাসায় যাব। চলুন, আমার সঙ্গে আপনারাও রেডি হয়ে নিন।’ আমার ফোনের গ্যালারিতে এমন একটি ভিডিও খুঁজ়ে পেলাম। ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে আছে ১০ বছর বয়সী খালাতো বোন রাফিয়া। প্রথমে বেশ দামি কোরিয়ান টোনার মুখে মাখে। তারপর ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর বিশেষ সিরাম। রাফিয়া স্ক্রিনে সিরামের বোতলটি দেখিয়ে বলে, ‘ও মাই গড! দেখো এটা ত্বক কতটা গ্লোয়ি করে!’
প্রথমে ধাপে ধাপে স্কিনকেয়ার শেষ করে। তারপর চোখের নিচে নিখুঁতভাবে কনসিলার দেয়। গালে গোলাপি ব্লাশ আর হাইলাইটার ঘষে। চোখের পাপড়ি কার্ল করে সে দামি মাসকারা ও লিপগ্লস মাখে। সবশেষে চুলে ড্রায়ার দিয়ে সে বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার জন্য পুরোপুরি তৈরি হয়। ভিডিওটি প্রথমে দেখে খুব মজা পেলেও ধীরে ধীরে আমার কপালে চিন্তার ভাজ পড়ে। এসব পণ্য ব্যবহারের বয়স কি তার এখনও হয়েছে?
লকডাউনের সময়ে মজার ছলে শুরু হওয়া এই রূপচর্চা এখন বেশ জনপ্রিয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় খুদে ইনফ্লুয়েন্সাদের ফলোয়ার সংখ্যাও কম নয়।
ইউটিউবে ‘শিশুদের স্কিনকেয়ার’ বা ‘চাইল্ড ইনফ্লুয়েন্সার’ লিখলেই এমন শত শত ভিডিও সামনে আসে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিশুদের মধ্যে এই প্রবণতা এখন তুঙ্গে। কেবল দশ বছরের বেশী বয়সীরাই নয়, পাঁচ-ছয় বছরের অনেক শিশুও এখন নামিদামি স্কিনকেয়ার প্রোডাক্টস ও কসমেটিকস নিয়ে মেতে উঠছে। সোশ্যাল মিডিয়া খুললে প্রায়ই শিশুদের ‘গেট রেডি উইথ মি’ বা ‘আফটার স্কুল রুটিন’ নামে ভিডিও দেখতে পাওয়া যায়।
স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড ‘পাই’ ৯ থেকে ১২ বছর বয়সী ১৫০০ শিশুর ওপর একটি জরিপ চালায়। সেখানে দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক শিশুই প্রতি সপ্তাহে একাধিক স্কিনকেয়ার পণ্য ব্যবহার করে। তাদের অর্ধেকই মনে করে নিজেদের ত্বকের সমস্যা দূর করার জন্য এগুলো ব্যবহার করা প্রয়োজন। তবে গবেষকরা বলছেন, এ ধরনের বেশকিছু পণ্যে বয়সের ছাপ কমানোর উপাদান বা অ্যান্টি-এজিং উপাদানও পাওয়া গেছে।
উজ্জ্বল ও দীপ্তিময় ত্বক পাওয়ার জন্য বাজারে এখন বিশেষ চাইল্ড কেয়ার প্যাকও বিক্রি হচ্ছে।
নিউ ইয়র্কের কর্নেল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ও সোশ্যাল মিডিয়া গবেষক ব্রুক এরিন ডাফি বিবিসিকে বলেন, ‘৩০ ও ৪০ বছর বয়সী নারীরা দীর্ঘদিন ধরে স্কিনকেয়ার কোম্পানিগুলোর প্রধান লক্ষ্য ছিলেন। এসব কোম্পানি আমাদের বোঝাত যে চেহারায় বয়সের ছাপ পড়া একটি সমস্যা এবং তারা আমাদের কাছে সমাধান বিক্রি করত। কিন্তু এখন একদম ছোট মেয়েদেরও একই মানসিক চাপের মধ্যে ফেলা হচ্ছে।’
চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ এবং গবেষকেরা একটি নতুন শব্দ ব্যবহার করছেন। নাম ‘কসমেটিকোরেক্সিয়া’। এর মানে খুব অল্প বয়স থেকেই নিখুঁত ত্বক পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা, যার ফলে শিশুরা কসমেটিক পণ্যের আসক্তিমূলক ব্যবহারে জড়িয়ে পড়ে।
ইতালির মিলান বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক জিওভানি দামিয়ানি তাঁর অল্প বয়সী ক্লায়েন্টদের এই আসক্তি দেখে গবেষণা শুরু করেন। তিনি ৮ থেকে ১৪ বছর বয়সী ৫৫ জন রোগীর সাক্ষাৎকার নেন। তিনি দেখেন, কসমেটিকোরেক্সিয়ার লক্ষণ ছিল এমন রোগীরা মোবাইল ফোনে বেশ আসক্ত ছিল। তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্কিনকেয়ার ভিডিও দেখত। এসব শিশুরা প্রতিদিন প্রায় ১০টি ভিন্ন স্কিনকেয়ার পণ্য ব্যবহার করত এবং মেকআপ ছাড়া পরিবারের সামনেও আসত না।
শিশুদের জন্য বানানো স্কিনকেয়ার পণ্যগুলো কিন্তু মোটেও সস্তা নয়। বিবিসির তথ্যমতে, অনূর্ধ্ব-১৮ বছর বয়সীদের তৈরি ১০০টি টিকটক ভিডিওর ওপর করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে, তাদের স্কিনকেয়ার রুটিনের গড় খরচ প্রায় ১২৫ পাউন্ড (প্রায় ১৭ হাজার টাকা)। ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে প্রতি তিন বা চার মাস পর পর এই পণ্যগুলো আবার কিনতে হয়।
ক্লিনজার, টোনার, প্রাইমার, ময়েশ্চারাইজার, সিরাম, আই ক্রিম এবং ফেস মিস্ট; কোরিয়ান ‘গ্লাস স্কিন’ পাওয়ার জন্য এই চক্র বারবার অনুসরণ করছে শিশুরা।
চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডক্টর জিন আয়ারের মতে, শিশুদের ত্বক ছোটবেলায় এমনিতেই নিখুঁত থাকে। এ সময় ত্বকের প্রাকৃতিক স্তর বা ব্যারিয়ার সুন্দরভাবে সংরক্ষিত থাকে, যা ক্ষতিকর উপাদান বাইরে রাখে এবং আর্দ্রতা ভেতরে ধরে রাখে।
ড. আয়ার বিবিসিকে বলেন, ‘এই পণ্যগুলো মূলত বয়সের ছাপ কমানোর জন্য তৈরি। অথচ শিশুদের এসব পণ্যের কোনো প্রয়োজন নেই। এগুলোতে এমন কিছু ক্ষতিকর উপাদান থাকে যা শিশুদের কোমল ত্বকের স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে।’
চিকিৎসকেরা জানান, কসমেটিকস ব্যবহারের কারণে অল্প বয়সীদের মধ্যে ব্রনের সমস্যা এবং ‘কন্টাক্ট ডার্মাটাইটিস’ আগের চেয়ে বেড়ে গেছে। কন্টাক্ট ডার্মাটাইটিস এক ধরণের একজিমা, যা কোনো নির্দিষ্ট রাসায়নিকের সংস্পর্শে এলে ত্বকে ছড়িয়ে পড়ে। এসব পণ্যের অনেকগুলোতেই ‘অ্যাক্টিভ ইনগ্রেডিয়েন্টস’ বা সক্রিয় উপাদান থাকে। এসব উপাদান ত্বকের কোষের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা বদলে দিতে পারে।
এর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী উপাদান হলো ‘রেটিনল’। এটি ত্বকের কোষের পুনর্গঠনের গতি বাড়িয়ে দেয় যা বয়সের ছাপ বা বলিরেখা কমাতে সাহায্য করে। তাই শিশুদের ত্বকের জন্য রেটিনল কোনো উপকারে আসে না। বরং ‘রেটিনল বার্ন’ বা ত্বক পুড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে।

‘হ্যালো আপুরা, আজ আমার বেস্ট ফ্রেন্ডের বাসায় যাব। চলুন, আমার সঙ্গে আপনারাও রেডি হয়ে নিন।’ আমার ফোনের গ্যালারিতে এমন একটি ভিডিও খুঁজ়ে পেলাম। ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে আছে ১০ বছর বয়সী খালাতো বোন রাফিয়া। প্রথমে বেশ দামি কোরিয়ান টোনার মুখে মাখে। তারপর ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর বিশেষ সিরাম। রাফিয়া স্ক্রিনে সিরামের বোতলটি দেখিয়ে বলে, ‘ও মাই গড! দেখো এটা ত্বক কতটা গ্লোয়ি করে!’
প্রথমে ধাপে ধাপে স্কিনকেয়ার শেষ করে। তারপর চোখের নিচে নিখুঁতভাবে কনসিলার দেয়। গালে গোলাপি ব্লাশ আর হাইলাইটার ঘষে। চোখের পাপড়ি কার্ল করে সে দামি মাসকারা ও লিপগ্লস মাখে। সবশেষে চুলে ড্রায়ার দিয়ে সে বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার জন্য পুরোপুরি তৈরি হয়। ভিডিওটি প্রথমে দেখে খুব মজা পেলেও ধীরে ধীরে আমার কপালে চিন্তার ভাজ পড়ে। এসব পণ্য ব্যবহারের বয়স কি তার এখনও হয়েছে?
লকডাউনের সময়ে মজার ছলে শুরু হওয়া এই রূপচর্চা এখন বেশ জনপ্রিয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় খুদে ইনফ্লুয়েন্সাদের ফলোয়ার সংখ্যাও কম নয়।
ইউটিউবে ‘শিশুদের স্কিনকেয়ার’ বা ‘চাইল্ড ইনফ্লুয়েন্সার’ লিখলেই এমন শত শত ভিডিও সামনে আসে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিশুদের মধ্যে এই প্রবণতা এখন তুঙ্গে। কেবল দশ বছরের বেশী বয়সীরাই নয়, পাঁচ-ছয় বছরের অনেক শিশুও এখন নামিদামি স্কিনকেয়ার প্রোডাক্টস ও কসমেটিকস নিয়ে মেতে উঠছে। সোশ্যাল মিডিয়া খুললে প্রায়ই শিশুদের ‘গেট রেডি উইথ মি’ বা ‘আফটার স্কুল রুটিন’ নামে ভিডিও দেখতে পাওয়া যায়।
স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড ‘পাই’ ৯ থেকে ১২ বছর বয়সী ১৫০০ শিশুর ওপর একটি জরিপ চালায়। সেখানে দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক শিশুই প্রতি সপ্তাহে একাধিক স্কিনকেয়ার পণ্য ব্যবহার করে। তাদের অর্ধেকই মনে করে নিজেদের ত্বকের সমস্যা দূর করার জন্য এগুলো ব্যবহার করা প্রয়োজন। তবে গবেষকরা বলছেন, এ ধরনের বেশকিছু পণ্যে বয়সের ছাপ কমানোর উপাদান বা অ্যান্টি-এজিং উপাদানও পাওয়া গেছে।
উজ্জ্বল ও দীপ্তিময় ত্বক পাওয়ার জন্য বাজারে এখন বিশেষ চাইল্ড কেয়ার প্যাকও বিক্রি হচ্ছে।
নিউ ইয়র্কের কর্নেল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ও সোশ্যাল মিডিয়া গবেষক ব্রুক এরিন ডাফি বিবিসিকে বলেন, ‘৩০ ও ৪০ বছর বয়সী নারীরা দীর্ঘদিন ধরে স্কিনকেয়ার কোম্পানিগুলোর প্রধান লক্ষ্য ছিলেন। এসব কোম্পানি আমাদের বোঝাত যে চেহারায় বয়সের ছাপ পড়া একটি সমস্যা এবং তারা আমাদের কাছে সমাধান বিক্রি করত। কিন্তু এখন একদম ছোট মেয়েদেরও একই মানসিক চাপের মধ্যে ফেলা হচ্ছে।’
চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ এবং গবেষকেরা একটি নতুন শব্দ ব্যবহার করছেন। নাম ‘কসমেটিকোরেক্সিয়া’। এর মানে খুব অল্প বয়স থেকেই নিখুঁত ত্বক পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা, যার ফলে শিশুরা কসমেটিক পণ্যের আসক্তিমূলক ব্যবহারে জড়িয়ে পড়ে।
ইতালির মিলান বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক জিওভানি দামিয়ানি তাঁর অল্প বয়সী ক্লায়েন্টদের এই আসক্তি দেখে গবেষণা শুরু করেন। তিনি ৮ থেকে ১৪ বছর বয়সী ৫৫ জন রোগীর সাক্ষাৎকার নেন। তিনি দেখেন, কসমেটিকোরেক্সিয়ার লক্ষণ ছিল এমন রোগীরা মোবাইল ফোনে বেশ আসক্ত ছিল। তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্কিনকেয়ার ভিডিও দেখত। এসব শিশুরা প্রতিদিন প্রায় ১০টি ভিন্ন স্কিনকেয়ার পণ্য ব্যবহার করত এবং মেকআপ ছাড়া পরিবারের সামনেও আসত না।
শিশুদের জন্য বানানো স্কিনকেয়ার পণ্যগুলো কিন্তু মোটেও সস্তা নয়। বিবিসির তথ্যমতে, অনূর্ধ্ব-১৮ বছর বয়সীদের তৈরি ১০০টি টিকটক ভিডিওর ওপর করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে, তাদের স্কিনকেয়ার রুটিনের গড় খরচ প্রায় ১২৫ পাউন্ড (প্রায় ১৭ হাজার টাকা)। ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে প্রতি তিন বা চার মাস পর পর এই পণ্যগুলো আবার কিনতে হয়।
ক্লিনজার, টোনার, প্রাইমার, ময়েশ্চারাইজার, সিরাম, আই ক্রিম এবং ফেস মিস্ট; কোরিয়ান ‘গ্লাস স্কিন’ পাওয়ার জন্য এই চক্র বারবার অনুসরণ করছে শিশুরা।
চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডক্টর জিন আয়ারের মতে, শিশুদের ত্বক ছোটবেলায় এমনিতেই নিখুঁত থাকে। এ সময় ত্বকের প্রাকৃতিক স্তর বা ব্যারিয়ার সুন্দরভাবে সংরক্ষিত থাকে, যা ক্ষতিকর উপাদান বাইরে রাখে এবং আর্দ্রতা ভেতরে ধরে রাখে।
ড. আয়ার বিবিসিকে বলেন, ‘এই পণ্যগুলো মূলত বয়সের ছাপ কমানোর জন্য তৈরি। অথচ শিশুদের এসব পণ্যের কোনো প্রয়োজন নেই। এগুলোতে এমন কিছু ক্ষতিকর উপাদান থাকে যা শিশুদের কোমল ত্বকের স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে।’
চিকিৎসকেরা জানান, কসমেটিকস ব্যবহারের কারণে অল্প বয়সীদের মধ্যে ব্রনের সমস্যা এবং ‘কন্টাক্ট ডার্মাটাইটিস’ আগের চেয়ে বেড়ে গেছে। কন্টাক্ট ডার্মাটাইটিস এক ধরণের একজিমা, যা কোনো নির্দিষ্ট রাসায়নিকের সংস্পর্শে এলে ত্বকে ছড়িয়ে পড়ে। এসব পণ্যের অনেকগুলোতেই ‘অ্যাক্টিভ ইনগ্রেডিয়েন্টস’ বা সক্রিয় উপাদান থাকে। এসব উপাদান ত্বকের কোষের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা বদলে দিতে পারে।
এর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী উপাদান হলো ‘রেটিনল’। এটি ত্বকের কোষের পুনর্গঠনের গতি বাড়িয়ে দেয় যা বয়সের ছাপ বা বলিরেখা কমাতে সাহায্য করে। তাই শিশুদের ত্বকের জন্য রেটিনল কোনো উপকারে আসে না। বরং ‘রেটিনল বার্ন’ বা ত্বক পুড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে।

অনেকেই অকারণে আল্ট্রাসাউন্ড নিয়ে ভয় পান। কিন্তু চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সময়ে করা আলট্রাসনোগ্রাম মা ও শিশুর নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত কার্যকর এবং নিরাপদ একটি পরীক্ষা। মনে রাখতে হবে, এটি হতে পারে একটি সুস্থ ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা।
২১ ঘণ্টা আগে
বাংলা গানের আকাশের ধ্রুবতারা, কণ্ঠযোদ্ধা এবং সুরের জাদুকর লাকী আখান্দ। সুরের মূর্ছনায় যিনি বাঙালির হৃদয়ে অমর হয়ে আছেন। আজ তাঁর জন্মদিনে ফিরে দেখা যাক কিংবদন্তি শিল্পীর জীবনের অজানা কিছু অধ্যায়।
১ দিন আগে
গরমের সময় গরম লাগবে এটিই স্বাভাবিক। কিন্তু একই ঘরে থাকার পরও কেউ ঘেমে একেবারে অস্থির, আবার কেউ এতটা গরম অনুভব করছেন না। একজন বলছেন ফ্যানের মাত্রা সর্বোচ্চ বাড়িয়ে দিতে, আবার কেউ বলছেন কিছুটা কমাতে। এসিতে থেকেও এমনটা হয়। কিন্তু কেন বাইরের তাপমাত্রা একই অথচ সবার গরম লাগার অনুভূতি সমান নয়?
১ দিন আগে
আজ ৪২ বছরে ওয়ারফেজ। ভাঙা-গড়ার খেলায় স্থির থেকে কীভাবে তারা আজও নতুন প্রজন্মের কাছে সমানভাবে প্রাসঙ্গিক? কেন ব্যান্ডটি আলাদা?
২ দিন আগে