পরিবার, কর্মক্ষেত্র ও সামাজিক সম্পর্কের জটিল জালে আমরা এমনভাবে জড়িয়ে থাকি যে অনেক সময় চাইলেও কাউকে পুরোপুরি এড়িয়ে চলা সম্ভব হয় না। কেউ হয়ত সহকর্মী, কেউ আত্মীয়, কেউ বা এমন একজন যাকে প্রতিদিনই কোনো না কোনোভাবে মুখোমুখি হতে হয়।
তামান্না আনজুম

ক্ষতিকর বা টক্সিক মানুষদেরকে জীবন থেকে পুরোপুরি বাদ দিতে পারলে মনে এক ধরনের স্বস্তি কাজ করে। যেন দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা কোনো ভার হঠাৎ নেমে গেছে। কিন্তু বাস্তবতা এত সরল নয়।
পরিবার, কর্মক্ষেত্র ও সামাজিক সম্পর্কের জটিল জালে আমরা এমনভাবে জড়িয়ে থাকি যে অনেক সময় চাইলেও কাউকে পুরোপুরি এড়িয়ে চলা সম্ভব হয় না। কেউ হয়ত সহকর্মী, কেউ আত্মীয়, কেউ বা এমন একজন যাকে প্রতিদিনই কোনো না কোনোভাবে মুখোমুখি হতে হয়।
তাই প্রশ্নটা দাঁড়ায়, তাহলে কি তাঁদের সব আচরণ নীরবে মেনে নিতে হবে? নিজেদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে হলেও সম্পর্কটা টেনে নিয়ে যেতে হবে? উত্তরটা ‘না’। আবার এটাও সত্য, প্রতিশোধ নেওয়া বা তাঁদের মতোই সংবেদনশীলতা হারিয়ে ফেলা কোনো সমাধান নয়।
কারণ তাতে আমরা নিজেরাও ধীরে ধীরে সেই একই নেতিবাচক চক্রের অংশ হয়ে পড়ি। এর বদলে আমরা মাঝামাঝি পথ বেছে নিতে পারি। যেখানে আপনি সম্পর্কটা পুরোপুরি ছিন্ন করছেন না, কিন্তু নিজের মানসিক শান্তি ও সীমারেখাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।

কিছু কৌশল অবলম্বন করে এই ক্ষতিকর প্রভাবগুলোকে একটি সহনশীল পর্যায়ে নামিয়ে আনা সম্ভব। এই কৌশলগুলো নিয়ে কথা বলেছেন ব্রিটিশ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. লিয়ান টেন ব্রিংকে।
‘বাউন্ডারি’ বা সীমারেখা নির্ধারণ করা
ডার্ক পার্সোনালিটির মানুষরা নিয়ম ভাঙতে দারুণ পারদর্শী। তবে যেসব নিয়মের ব্যাপারে আমরা তেমন কথা বলি না, বা যেগুলোকে কমন সেন্স হিসেবে ধরি, সেগুলো ভাঙাই তাদের জন্য সবচেয়ে সহজ।
এক গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু ম্যানেজারকে টাকা দিয়ে বলা হয়েছিল, যেভাবে খুশি ভাগ করে নিন। কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম না থাকায়, যাদের মধ্যে সাইকোপ্যাথিক বৈশিষ্ট্য বেশি ছিল, তারা বেশিরভাগ টাকা নিজেরাই রেখে দেয়। মানে, একেবারে নিজের স্বার্থটাই আগে দেখেছে।
কিন্তু যখন গবেষকরা পরিষ্কার করে বলে দেন, ‘ন্যায্যভাবে ভাগ করতে হবে, এটা একটা বাধ্যতামূলক নিয়ম’। তখন সেই একই মানুষরাই অনেক বেশি ন্যায্য আচরণ করেছে। এখান থেকে শেখার বিষয়টা খুব সহজ। আপনি যদি নিজের সীমা পরিষ্কার করে না বলেন, অনেকেই সেটা মানবে না।

সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে সঠিক আচরণ করার জন্য নির্দিষ্ট নিয়মের প্রয়োজন হয় না। কারণ সহানুভূতিশীল মনোভাব বা অপরাধবোধই আমাদের সংযত রাখে। কিন্তু নেতিবাচক ব্যক্তিত্বের মানুষদের ক্ষেত্রে, সুস্পষ্ট নিয়ম ও তার কঠোর প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি।
আবেগে ভেসে না গিয়ে, একটু দূরত্ব রাখুন
সব কথার উত্তর দিতে হবে, সব আচরণের প্রতিক্রিয়া দেখাতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। বরং টক্সিক মানুষদের অনেকেই ইচ্ছে করেই এমন পরিস্থিতি তৈরি করে, যেখানে আপনি রাগ, কষ্ট বা অস্বস্তিতে প্রতিক্রিয়া দেন। কারণ তারা জানে, আপনি যত বেশি আবেগে জড়াবেন, তত বেশি আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে।
এখানেই দরকার সচেতনতা। নিজের কাছে প্রশ্ন করুন, এই কথাটা কি সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ? নাকি এটা শুধু আমাকে উত্তেজিত করার জন্য বলা হয়েছে?
যদি বুঝতে পারেন এটা অপ্রয়োজনীয় বা ইচ্ছাকৃতভাবে আপনাকে প্রভাবিত করার চেষ্টা, তাহলে নিজেকে থামান। সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া না দিয়ে একটু সময় নিন। অনেক সময় চুপ থাকা বা বিষয়টা এড়িয়ে যাওয়া—এটাই সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া।
এর মানে এই নয় যে আপনি দুর্বল বা উদাসীন। বরং আপনি বুঝে-শুনে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। কোন জায়গায় নিজের শক্তি ব্যয় করবেন, আর কোথায় করবেন না। ধীরে ধীরে এই অভ্যাস তৈরি হলে একটা জিনিস খেয়াল করবেন, আগে যেসব কথা আপনাকে খুব কষ্ট দিত, এখন সেগুলো আর তেমন প্রভাব ফেলছে না। কারণ আপনি আবেগের খেলায় অংশ নিচ্ছেন না। এই ‘ইমোশনাল ডিস্ট্যান্স’ আসলে এক ধরনের মানসিক সুরক্ষা।

যোগাযোগের ক্ষেত্রে সতর্ক হোন
নেতিবাচক বা টক্সিক মানুষরা অনেক সময় এমনভাবে কথা বলে যে তাদের অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসকে আমরা দক্ষতা ভেবে ভুল করি। বাস্তবে তারা বেশ চতুরভাবে মিথ্যা বলতে পারে এবং কথার জোরে অন্যকে প্রভাবিত করতে পারে। বিশেষ করে সামনাসামনি কথা বলার সময় তারা খুব দ্রুত আপনাকে চাপে ফেলে দিতে পারে। ফলে আপনি ঠিকভাবে ভাবার আগেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন বা তাদের কথায় রাজি হয়ে যান।
তাই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সম্ভব হলে মেসেজ বা ইমেইলের মাধ্যমে আলোচনা করা ভালো। এতে আপনি সময় নিয়ে ভেবে উত্তর দিতে পারেন, তাড়াহুড়া করতে হয় না। পাশাপাশি লিখিত যোগাযোগ থাকলে কথাগুলোর রেকর্ড থাকে, ফলে তারা সহজে কথার মারপ্যাঁচ দিয়ে আপনাকে বিভ্রান্ত করতে পারে না। এভাবে একটু সতর্ক থাকলেই টক্সিক মানুষের প্রভাব অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
প্রত্যাশা কমান, নিজেকে শক্ত রাখুন
আমরা অনেক সময় আশা করি, যে মানুষটা আমাদের কষ্ট দিচ্ছে, সে একদিন বুঝবে, বদলে যাবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সবাই বদলায় না। এই অপ্রয়োজনীয় আশা থেকেই বেশি হতাশা তৈরি হয়। তাই প্রত্যাশা একটু কমিয়ে আনাই ভালো। এতে মন হালকা থাকে, আর আপনি নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকা বিষয়গুলোর দিকে বেশি মন দিতে পারেন।
একই সঙ্গে একটা জিনিস মনে রাখা জরুরি, নিজেকে শক্ত রাখতে হবে। কিন্তু কঠিন হয়ে যাওয়া যাবে না। মানে, আপনি যেন কষ্ট পেয়ে পুরোপুরি অনুভূতিহীন হয়ে না যান। নিজের সংবেদনশীলতাকে বাঁচিয়ে রেখেই আপনি দূরত্ব তৈরি করতে পারেন। এটা দীর্ঘমেয়াদে মানসিক সুস্থতা ধরে রাখার অন্যতম উপায়।

ক্ষতিকর বা টক্সিক মানুষদেরকে জীবন থেকে পুরোপুরি বাদ দিতে পারলে মনে এক ধরনের স্বস্তি কাজ করে। যেন দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা কোনো ভার হঠাৎ নেমে গেছে। কিন্তু বাস্তবতা এত সরল নয়।
পরিবার, কর্মক্ষেত্র ও সামাজিক সম্পর্কের জটিল জালে আমরা এমনভাবে জড়িয়ে থাকি যে অনেক সময় চাইলেও কাউকে পুরোপুরি এড়িয়ে চলা সম্ভব হয় না। কেউ হয়ত সহকর্মী, কেউ আত্মীয়, কেউ বা এমন একজন যাকে প্রতিদিনই কোনো না কোনোভাবে মুখোমুখি হতে হয়।
তাই প্রশ্নটা দাঁড়ায়, তাহলে কি তাঁদের সব আচরণ নীরবে মেনে নিতে হবে? নিজেদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে হলেও সম্পর্কটা টেনে নিয়ে যেতে হবে? উত্তরটা ‘না’। আবার এটাও সত্য, প্রতিশোধ নেওয়া বা তাঁদের মতোই সংবেদনশীলতা হারিয়ে ফেলা কোনো সমাধান নয়।
কারণ তাতে আমরা নিজেরাও ধীরে ধীরে সেই একই নেতিবাচক চক্রের অংশ হয়ে পড়ি। এর বদলে আমরা মাঝামাঝি পথ বেছে নিতে পারি। যেখানে আপনি সম্পর্কটা পুরোপুরি ছিন্ন করছেন না, কিন্তু নিজের মানসিক শান্তি ও সীমারেখাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।

কিছু কৌশল অবলম্বন করে এই ক্ষতিকর প্রভাবগুলোকে একটি সহনশীল পর্যায়ে নামিয়ে আনা সম্ভব। এই কৌশলগুলো নিয়ে কথা বলেছেন ব্রিটিশ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. লিয়ান টেন ব্রিংকে।
‘বাউন্ডারি’ বা সীমারেখা নির্ধারণ করা
ডার্ক পার্সোনালিটির মানুষরা নিয়ম ভাঙতে দারুণ পারদর্শী। তবে যেসব নিয়মের ব্যাপারে আমরা তেমন কথা বলি না, বা যেগুলোকে কমন সেন্স হিসেবে ধরি, সেগুলো ভাঙাই তাদের জন্য সবচেয়ে সহজ।
এক গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু ম্যানেজারকে টাকা দিয়ে বলা হয়েছিল, যেভাবে খুশি ভাগ করে নিন। কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম না থাকায়, যাদের মধ্যে সাইকোপ্যাথিক বৈশিষ্ট্য বেশি ছিল, তারা বেশিরভাগ টাকা নিজেরাই রেখে দেয়। মানে, একেবারে নিজের স্বার্থটাই আগে দেখেছে।
কিন্তু যখন গবেষকরা পরিষ্কার করে বলে দেন, ‘ন্যায্যভাবে ভাগ করতে হবে, এটা একটা বাধ্যতামূলক নিয়ম’। তখন সেই একই মানুষরাই অনেক বেশি ন্যায্য আচরণ করেছে। এখান থেকে শেখার বিষয়টা খুব সহজ। আপনি যদি নিজের সীমা পরিষ্কার করে না বলেন, অনেকেই সেটা মানবে না।

সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে সঠিক আচরণ করার জন্য নির্দিষ্ট নিয়মের প্রয়োজন হয় না। কারণ সহানুভূতিশীল মনোভাব বা অপরাধবোধই আমাদের সংযত রাখে। কিন্তু নেতিবাচক ব্যক্তিত্বের মানুষদের ক্ষেত্রে, সুস্পষ্ট নিয়ম ও তার কঠোর প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি।
আবেগে ভেসে না গিয়ে, একটু দূরত্ব রাখুন
সব কথার উত্তর দিতে হবে, সব আচরণের প্রতিক্রিয়া দেখাতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। বরং টক্সিক মানুষদের অনেকেই ইচ্ছে করেই এমন পরিস্থিতি তৈরি করে, যেখানে আপনি রাগ, কষ্ট বা অস্বস্তিতে প্রতিক্রিয়া দেন। কারণ তারা জানে, আপনি যত বেশি আবেগে জড়াবেন, তত বেশি আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে।
এখানেই দরকার সচেতনতা। নিজের কাছে প্রশ্ন করুন, এই কথাটা কি সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ? নাকি এটা শুধু আমাকে উত্তেজিত করার জন্য বলা হয়েছে?
যদি বুঝতে পারেন এটা অপ্রয়োজনীয় বা ইচ্ছাকৃতভাবে আপনাকে প্রভাবিত করার চেষ্টা, তাহলে নিজেকে থামান। সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া না দিয়ে একটু সময় নিন। অনেক সময় চুপ থাকা বা বিষয়টা এড়িয়ে যাওয়া—এটাই সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া।
এর মানে এই নয় যে আপনি দুর্বল বা উদাসীন। বরং আপনি বুঝে-শুনে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। কোন জায়গায় নিজের শক্তি ব্যয় করবেন, আর কোথায় করবেন না। ধীরে ধীরে এই অভ্যাস তৈরি হলে একটা জিনিস খেয়াল করবেন, আগে যেসব কথা আপনাকে খুব কষ্ট দিত, এখন সেগুলো আর তেমন প্রভাব ফেলছে না। কারণ আপনি আবেগের খেলায় অংশ নিচ্ছেন না। এই ‘ইমোশনাল ডিস্ট্যান্স’ আসলে এক ধরনের মানসিক সুরক্ষা।

যোগাযোগের ক্ষেত্রে সতর্ক হোন
নেতিবাচক বা টক্সিক মানুষরা অনেক সময় এমনভাবে কথা বলে যে তাদের অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসকে আমরা দক্ষতা ভেবে ভুল করি। বাস্তবে তারা বেশ চতুরভাবে মিথ্যা বলতে পারে এবং কথার জোরে অন্যকে প্রভাবিত করতে পারে। বিশেষ করে সামনাসামনি কথা বলার সময় তারা খুব দ্রুত আপনাকে চাপে ফেলে দিতে পারে। ফলে আপনি ঠিকভাবে ভাবার আগেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন বা তাদের কথায় রাজি হয়ে যান।
তাই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সম্ভব হলে মেসেজ বা ইমেইলের মাধ্যমে আলোচনা করা ভালো। এতে আপনি সময় নিয়ে ভেবে উত্তর দিতে পারেন, তাড়াহুড়া করতে হয় না। পাশাপাশি লিখিত যোগাযোগ থাকলে কথাগুলোর রেকর্ড থাকে, ফলে তারা সহজে কথার মারপ্যাঁচ দিয়ে আপনাকে বিভ্রান্ত করতে পারে না। এভাবে একটু সতর্ক থাকলেই টক্সিক মানুষের প্রভাব অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
প্রত্যাশা কমান, নিজেকে শক্ত রাখুন
আমরা অনেক সময় আশা করি, যে মানুষটা আমাদের কষ্ট দিচ্ছে, সে একদিন বুঝবে, বদলে যাবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সবাই বদলায় না। এই অপ্রয়োজনীয় আশা থেকেই বেশি হতাশা তৈরি হয়। তাই প্রত্যাশা একটু কমিয়ে আনাই ভালো। এতে মন হালকা থাকে, আর আপনি নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকা বিষয়গুলোর দিকে বেশি মন দিতে পারেন।
একই সঙ্গে একটা জিনিস মনে রাখা জরুরি, নিজেকে শক্ত রাখতে হবে। কিন্তু কঠিন হয়ে যাওয়া যাবে না। মানে, আপনি যেন কষ্ট পেয়ে পুরোপুরি অনুভূতিহীন হয়ে না যান। নিজের সংবেদনশীলতাকে বাঁচিয়ে রেখেই আপনি দূরত্ব তৈরি করতে পারেন। এটা দীর্ঘমেয়াদে মানসিক সুস্থতা ধরে রাখার অন্যতম উপায়।

‘দামে কম, মানে ভালো’ জিনিস কিনতে কে না চায়? বিশেষ করে, কম টাকা খরচ করে নতুনের মতো ‘সেকেন্ড হ্যান্ড’ জিনিস কিনতে পারলে খুশি খুশি লাগে। কিন্তু মনে রাখা জরুরি, সব পুরোনো জিনিসই ব্যবহারের জন্য নিরাপদ নয়। এগুলো আপনার স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।
৭ ঘণ্টা আগে
মীর মশাররফের আগে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় উপন্যাস রচনার ক্ষেত্রে যে ইউরোপীয় মডেল অনুসরণ করেছেন, সেখানে মশাররফের অবস্থান কোথায়? এই প্রশ্নটি ধরেই মূলত মীর মশাররফ হোসেনের খোঁজ করা দরকার। সেক্ষেত্রে তাঁর ‘বিষাদ-সিন্ধু’ উপন্যাসটিকে গ্রহণ করা যাক।
১ দিন আগে
বাজার করা, বন্ধুবান্ধব-আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা, ঘুরতে যাওয়া, ঘরের কাজ—সবকিছু যেন এই একদিনের জন্য। ফলে শুক্রবার শুরু হওয়ার আগেই দিনটি হয়ে যায় ‘লোডেড’। গবেষণায় দেখা গেছে, আধুনিক জীবনে সপ্তাহান্তকে মানুষ বিশ্রামের জন্য ভেবে রাখলেও বাস্তবে তা হয়ে ওঠে অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করার দিন।
১ দিন আগে
সকালবেলায় ঘুম ভাঙার পরেই আমাদের হাত চলে যায় স্মার্টফোনে। নিউজফিড খুললেই চোখের সামনে ভেসে আসে একের পর এক খারাপ খবর। কোথাও মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে, কোথাও যুদ্ধ, আবার কোথাও ভয়ংকর কোনো অপরাধের খবর।
২ দিন আগে