আজ বিশ্ব অ্যাজমা দিবস
স্ট্রিম ডেস্ক

অ্যাজমা শ্বাসতন্ত্রের দীর্ঘস্থায়ী রোগ। একে পুরোপুরি সারিয়ে তোলা সম্ভব নয়। তবে সঠিক চিকিৎসা, নিয়মিত যত্ন এবং সচেতন জীবনযাত্রার মাধ্যমে এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ইনহেলার ব্যবহারের পাশাপাশি প্রতিদিনের খাওয়াদাওয়া ও অভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আনলে রোগী স্বাভাবিক জীবন কাটাতে পারেন।
অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে সবার আগে নিজের শারীরিক অবস্থা বুঝতে হবে। শ্বাসকষ্ট, কাশি বা বুকে চাপ অনুভূত হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। চিকিৎসকের দেওয়া ইনহেলার ঠিকভাবে ব্যবহার করলে শ্বাসনালির প্রদাহ কমে। এতে করে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয় না।
অনেক ক্ষেত্রে স্পেসার ব্যবহার করলে ইনহেলারের কার্যকারিতা আরও বাড়ে, কারণ এতে ওষুধ সরাসরি ফুসফুসে পৌঁছাতে পারে।
ওষুধের পাশাপাশি কিছু ঘরোয়া উপায় অ্যাজমার কষ্ট কমাতে কাজ করে। গরম পানির ভাপ নিলে শ্বাসনালি আর্দ্র থাকে এবং শ্বাস নিতে আরাম হয়। পাশাপাশি মধু আর আদার রস একসঙ্গে খেলে তা কাশি কমতে সাহায্য করে।
হলুদে থাকা ‘কুরকিউমিন’ উপাদানও শ্বাসনালির প্রদাহ কমাতে বেশ কার্যকর। লেবুতে থাকা ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়া গরম স্যুপ বা তরল খাবার শরীরকে আর্দ্র রাখে এবং শ্বাসনালির স্বাভাবিক কাজ বজায় রাখতে সাহায্য করে।
অ্যাজমা রোগীদের জন্য নিঃশ্বাসের ব্যায়াম বেশ উপকারী। প্রতিদিন নিয়ম করে বুক ভরে গভীর শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। এটা ফুসফুসের ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এ ছাড়া ঘরের পরিবেশ সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা প্রয়োজন।
ধুলাবালি ও দূষিত বাতাস থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকতে হবে। প্রয়োজনে ঘরের আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করাও সমান জরুরি। এতে শরীর সতেজ থাকে।
অ্যাজমা থাকলে কিছু বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা মানতে হয়। যেমন ধূমপানের অভ্যাস ছেড়ে দেওয়া উচিত। সিগারেটের ধোঁয়া শ্বাসনালির জন্য ক্ষতিকর। খাবারের ব্যাপারেও সচেতন হতে হবে। সহজে হজম হয় এমন খাবার খাওয়াই ভালো।
রাতে অতিরিক্ত খাওয়া উচিত নয়। এ ছাড়া গ্যাস বা অ্যাসিডিটি হয় এমন খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। দীর্ঘ সময় পেট খালি রাখা বা ভারী ব্যায়াম করা থেকেও বিরত থাকা ভালো।
চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করে রাখতে পারেন। নিয়মিত ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি ফ্লু ও নিউমোনিয়ার টিকা নেওয়াও জরুরি। অ্যাজমার প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান। বারবার ইনহেলার নেওয়ার প্রয়োজন হলে বুঝতে হবে রোগটি এখনও আপনার নিয়ন্ত্রণে নেই। এ অবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

অ্যাজমা শ্বাসতন্ত্রের দীর্ঘস্থায়ী রোগ। একে পুরোপুরি সারিয়ে তোলা সম্ভব নয়। তবে সঠিক চিকিৎসা, নিয়মিত যত্ন এবং সচেতন জীবনযাত্রার মাধ্যমে এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ইনহেলার ব্যবহারের পাশাপাশি প্রতিদিনের খাওয়াদাওয়া ও অভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আনলে রোগী স্বাভাবিক জীবন কাটাতে পারেন।
অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে সবার আগে নিজের শারীরিক অবস্থা বুঝতে হবে। শ্বাসকষ্ট, কাশি বা বুকে চাপ অনুভূত হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। চিকিৎসকের দেওয়া ইনহেলার ঠিকভাবে ব্যবহার করলে শ্বাসনালির প্রদাহ কমে। এতে করে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয় না।
অনেক ক্ষেত্রে স্পেসার ব্যবহার করলে ইনহেলারের কার্যকারিতা আরও বাড়ে, কারণ এতে ওষুধ সরাসরি ফুসফুসে পৌঁছাতে পারে।
ওষুধের পাশাপাশি কিছু ঘরোয়া উপায় অ্যাজমার কষ্ট কমাতে কাজ করে। গরম পানির ভাপ নিলে শ্বাসনালি আর্দ্র থাকে এবং শ্বাস নিতে আরাম হয়। পাশাপাশি মধু আর আদার রস একসঙ্গে খেলে তা কাশি কমতে সাহায্য করে।
হলুদে থাকা ‘কুরকিউমিন’ উপাদানও শ্বাসনালির প্রদাহ কমাতে বেশ কার্যকর। লেবুতে থাকা ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়া গরম স্যুপ বা তরল খাবার শরীরকে আর্দ্র রাখে এবং শ্বাসনালির স্বাভাবিক কাজ বজায় রাখতে সাহায্য করে।
অ্যাজমা রোগীদের জন্য নিঃশ্বাসের ব্যায়াম বেশ উপকারী। প্রতিদিন নিয়ম করে বুক ভরে গভীর শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। এটা ফুসফুসের ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এ ছাড়া ঘরের পরিবেশ সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা প্রয়োজন।
ধুলাবালি ও দূষিত বাতাস থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকতে হবে। প্রয়োজনে ঘরের আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করাও সমান জরুরি। এতে শরীর সতেজ থাকে।
অ্যাজমা থাকলে কিছু বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা মানতে হয়। যেমন ধূমপানের অভ্যাস ছেড়ে দেওয়া উচিত। সিগারেটের ধোঁয়া শ্বাসনালির জন্য ক্ষতিকর। খাবারের ব্যাপারেও সচেতন হতে হবে। সহজে হজম হয় এমন খাবার খাওয়াই ভালো।
রাতে অতিরিক্ত খাওয়া উচিত নয়। এ ছাড়া গ্যাস বা অ্যাসিডিটি হয় এমন খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। দীর্ঘ সময় পেট খালি রাখা বা ভারী ব্যায়াম করা থেকেও বিরত থাকা ভালো।
চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করে রাখতে পারেন। নিয়মিত ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি ফ্লু ও নিউমোনিয়ার টিকা নেওয়াও জরুরি। অ্যাজমার প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান। বারবার ইনহেলার নেওয়ার প্রয়োজন হলে বুঝতে হবে রোগটি এখনও আপনার নিয়ন্ত্রণে নেই। এ অবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
.png)

কোনো খাবার শরীরের জন্য কতটা ভালো বা খারাপ হবে, তা নির্ভর করে কী পরিমাণে খাচ্ছেন, কীভাবে রান্না করছেন এবং আপনার সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাস কেমন, তার ওপর। তবে এর অর্থ এই নয় যে সব খাবার সবার জন্য সমানভাবে উপযোগী। নিজের শারীরিক অবস্থা ও প্রয়োজন অনুযায়ী সুষম খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
৩ ঘণ্টা আগেচিত্রশিল্পী তৌহিন হাসান ঘুরে দেখেছেন দেশ-বিদেশের বিখ্যাত সব আর্ট মিউজিয়াম ও আর্ট গ্যালারি। প্রতিটি সংগ্রহশালায় ক্যানভাস থেকে ক্যানভাসে তিনি খুঁজেছেন শিল্পের ভাষা; রঙ, আলো আর তুলির আঁচড়ে অনুভব করেছেন শিল্পীদের জীবন, সময় ও সৃষ্টির গল্প। সেই শিল্পভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে শুরু হলো নতুন ধারাবাহিক
৭ ঘণ্টা আগে
ইন্টারনেটের হাজারো নেতিবাচকতার ভিড়ে প্রাণীদের ‘কিউট’ ভিডিও ছিল এক চিলতে স্বস্তি। কিন্তু এআই-এর যুগে সেই নির্ভেজাল বিশ্বাসে এখন ফাটল ধরেছে। কোনো ভিডিও দেখে হাসার বদলে আমাদের মনে আগে প্রশ্ন জাগছে, এটি কি আসল নাকি এআই দিয়ে তৈরি? অবিশ্বাসের এই ডিজিটাল চোরাবালিতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন উঠছে, আমাদের ছোট ছোট আনন্দ
২৫ জুলাই ২০২৬
সমকালীন বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। জনপ্রিয়তা ও মননশীলতার মেলবন্ধনের দুর্লভ উদাহরণ তিনি। সৃজনশীল ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি তিনি একজন কর্মবীর। আজ তিনি সাতাশি বছর পূর্ণ করলেন।
২৫ জুলাই ২০২৬