স্ট্রিম ডেস্ক

গত মাসে প্রাণঘাতী ব্যাপক দমন-পীড়নের পর ইরানে আবারও বড় পরিসরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা। বিবিসির যাচাই করা ভিডিওতে দেখা গেছে, রাজধানী তেহরানের শরিফ ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি ক্যাম্পাসে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) হাজারো শিক্ষার্থী সরকারবিরোধী বিক্ষোভ করেছেন। একপর্যায়ে সেখানে সরকারপন্থী সমর্থকদের সঙ্গে তাঁদের হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।
এদিন তেহরানের আরও একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলেও বিভিন্ন স্থানে সমাবেশের খবর পাওয়া যায়। জানুয়ারির গণবিক্ষোভে নিহতদের স্মরণে এসব কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
বিবিসির যাচাই করা ফুটেজে দেখা যায়, নতুন সেমিস্টারের শুরুতে শিক্ষার্থীরা ইরানের জাতীয় পতাকা হাতে শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল করছেন। তাঁরা ‘স্বৈরশাসকের মৃত্যুসহ’ বিভিন্ন সরকারবিরোধী স্লোগান দেন, যা দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রতি ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে।
রাজধানীর শহীদ বেহেশতি ইউনিভার্সিটিতে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচির ছবিও পাওয়া গেছে। একইভাবে আমিরকবির ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিতেও সরকারবিরোধী স্লোগানের ভিডিও যাচাই করেছে বিবিসি।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শহর মাশহাদে শিক্ষার্থীরা ‘স্বাধীনতা’ ও অধিকার আদায়ের স্লোগান দেন বলে জানা গেছে। দিনের শেষভাগে আরও কয়েকটি স্থানে বিক্ষোভের খবর আসে এবং আজ রোববার নতুন কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে।
এখন পর্যন্ত কোনো শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার হয়েছেন কিনা, তা স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছে বিবিসি।
প্রসঙ্গত, অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া গত মাসের আন্দোলন দ্রুত সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এটিই সবচেয়ে বড় বিক্ষোভে রূপ নেয় বলে বিবিসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্টস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, তারা ৬ হাজারের বেশি মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে। যদিও ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, নিহতের সংখ্যা ৩ হাজারের কিছু বেশি এবং তাদের বেশিরভাগই নিরাপত্তা সদস্য বা সহিংসতার শিকার সাধারণ মানুষ।
বর্তমান পরিস্থিতিতে একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সামরিক উত্তেজনা, অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ—দুই চাপের মধ্যেই রয়েছে ইরান। নির্বাসিত কিছু বিরোধী নেতা যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানালেও, অন্য অংশ বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করছে।

গত মাসে প্রাণঘাতী ব্যাপক দমন-পীড়নের পর ইরানে আবারও বড় পরিসরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা। বিবিসির যাচাই করা ভিডিওতে দেখা গেছে, রাজধানী তেহরানের শরিফ ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি ক্যাম্পাসে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) হাজারো শিক্ষার্থী সরকারবিরোধী বিক্ষোভ করেছেন। একপর্যায়ে সেখানে সরকারপন্থী সমর্থকদের সঙ্গে তাঁদের হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।
এদিন তেহরানের আরও একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলেও বিভিন্ন স্থানে সমাবেশের খবর পাওয়া যায়। জানুয়ারির গণবিক্ষোভে নিহতদের স্মরণে এসব কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
বিবিসির যাচাই করা ফুটেজে দেখা যায়, নতুন সেমিস্টারের শুরুতে শিক্ষার্থীরা ইরানের জাতীয় পতাকা হাতে শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল করছেন। তাঁরা ‘স্বৈরশাসকের মৃত্যুসহ’ বিভিন্ন সরকারবিরোধী স্লোগান দেন, যা দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রতি ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে।
রাজধানীর শহীদ বেহেশতি ইউনিভার্সিটিতে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচির ছবিও পাওয়া গেছে। একইভাবে আমিরকবির ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিতেও সরকারবিরোধী স্লোগানের ভিডিও যাচাই করেছে বিবিসি।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শহর মাশহাদে শিক্ষার্থীরা ‘স্বাধীনতা’ ও অধিকার আদায়ের স্লোগান দেন বলে জানা গেছে। দিনের শেষভাগে আরও কয়েকটি স্থানে বিক্ষোভের খবর আসে এবং আজ রোববার নতুন কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে।
এখন পর্যন্ত কোনো শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার হয়েছেন কিনা, তা স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছে বিবিসি।
প্রসঙ্গত, অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া গত মাসের আন্দোলন দ্রুত সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এটিই সবচেয়ে বড় বিক্ষোভে রূপ নেয় বলে বিবিসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্টস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, তারা ৬ হাজারের বেশি মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে। যদিও ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, নিহতের সংখ্যা ৩ হাজারের কিছু বেশি এবং তাদের বেশিরভাগই নিরাপত্তা সদস্য বা সহিংসতার শিকার সাধারণ মানুষ।
বর্তমান পরিস্থিতিতে একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সামরিক উত্তেজনা, অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ—দুই চাপের মধ্যেই রয়েছে ইরান। নির্বাসিত কিছু বিরোধী নেতা যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানালেও, অন্য অংশ বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফা শান্তি আলোচনা এগিয়ে নিতে তৎপরতা জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার আগে চলতি সপ্তাহেই সৌদি আরব ও তুরস্ক সফরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ফক্স নিউজে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, এটি প্রায় শেষের দিকে। মানে, আমি এটিকে খুব কাছাকাছি শেষ হয়ে আসা হিসেবেই দেখছি।’ খবর আল জাজিরার।
৬ ঘণ্টা আগে
ভারতের ছত্তিশগড়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিস্ফোরণে ১০ জন নিহত ও অন্তত ২৩ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজ্যের শক্তি জেলার সিংগিতারাই গ্রামে বেদান্ত লিমিটেডের কেন্দ্রে এই বিস্ফোরণ হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও লেবাননের রাষ্ট্রদূতেরা ওয়াশিংটন ডিসিতে আলোচনায় বসার পরও পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি হয়নি। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) একদিকে যখন আলোচনা চলছিল, দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় এদিন দিনভর ইসরায়েলের বিমান হামলা চলেছে এবং রাতেও তা অব্যাহত রয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে