স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে হরমুজ প্রণালিতে ‘পুরোদমে আক্রমণাত্মক’ অবস্থানে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে ইরান।
সোমবার রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা তেহরানের প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান পরিবর্তনের এ হুঁশিয়ারি দেন।
ওই কর্মকর্তা বলেন, হরমুজ প্রণালি ও আশপাশের অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়লে আরও কঠোর অবস্থানে যেতে প্রস্তুত রয়েছে ইরান। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ভাঙতে ‘সময়মতো ও নিখুঁত’ সামরিক হামলা চালানোর সিদ্ধান্তও নিতে পারে তেহরান।
ইরানের ওই কর্মকর্তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধের স্থায়ী অবসান এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরুর বিষয়ে আলোচনা এখন স্থবির হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে জুনের অন্তর্বর্তী সমঝোতার সব শর্ত বাস্তবায়ন করতে হবে। এসব শর্ত বাস্তবায়নকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে পরবর্তী আলোচনার পূর্বশর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছে তেহরান।
গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছিল। এতে দুই দেশের মধ্যে স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছাতে ৬০ দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করা এবং দেশটির ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো বিষয়ও এতে অন্তর্ভুক্ত ছিল।
তবে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের মতবিরোধের জেরে ওই সমঝোতা ভেস্তে যায়। ইরানের দাবি, সমঝোতার একটি ধারায় প্রণালিটি পরিচালনার অধিকার তাদের দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য এই ব্যাখ্যা প্রত্যাখ্যান করেছে।
এদিকে হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানের সঙ্গেও আলাদাভাবে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। প্রণালিটির ব্যবস্থাপনা নিয়ে দুই দেশ একটি সমঝোতার কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে তেহরান।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হুমকির মধ্যে হরমুজ প্রণালি নিয়ে উত্তেজনা আরও বাড়ছে। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এই জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হতো। ফলে প্রণালিতে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা তৈরি হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে নতুন করে হামলা চালিয়েছে। এতে আঞ্চলিক সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সোমবার হুতির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেন, বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে সৌদি আরবের একটি সামরিক জাহাজ ও চারটি প্রহরা জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে হরমুজ প্রণালিতে ‘পুরোদমে আক্রমণাত্মক’ অবস্থানে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে ইরান।
সোমবার রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা তেহরানের প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান পরিবর্তনের এ হুঁশিয়ারি দেন।
ওই কর্মকর্তা বলেন, হরমুজ প্রণালি ও আশপাশের অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়লে আরও কঠোর অবস্থানে যেতে প্রস্তুত রয়েছে ইরান। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ভাঙতে ‘সময়মতো ও নিখুঁত’ সামরিক হামলা চালানোর সিদ্ধান্তও নিতে পারে তেহরান।
ইরানের ওই কর্মকর্তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধের স্থায়ী অবসান এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরুর বিষয়ে আলোচনা এখন স্থবির হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে জুনের অন্তর্বর্তী সমঝোতার সব শর্ত বাস্তবায়ন করতে হবে। এসব শর্ত বাস্তবায়নকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে পরবর্তী আলোচনার পূর্বশর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছে তেহরান।
গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছিল। এতে দুই দেশের মধ্যে স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছাতে ৬০ দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করা এবং দেশটির ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো বিষয়ও এতে অন্তর্ভুক্ত ছিল।
তবে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের মতবিরোধের জেরে ওই সমঝোতা ভেস্তে যায়। ইরানের দাবি, সমঝোতার একটি ধারায় প্রণালিটি পরিচালনার অধিকার তাদের দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য এই ব্যাখ্যা প্রত্যাখ্যান করেছে।
এদিকে হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানের সঙ্গেও আলাদাভাবে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। প্রণালিটির ব্যবস্থাপনা নিয়ে দুই দেশ একটি সমঝোতার কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে তেহরান।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হুমকির মধ্যে হরমুজ প্রণালি নিয়ে উত্তেজনা আরও বাড়ছে। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এই জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হতো। ফলে প্রণালিতে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা তৈরি হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে নতুন করে হামলা চালিয়েছে। এতে আঞ্চলিক সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সোমবার হুতির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেন, বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে সৌদি আরবের একটি সামরিক জাহাজ ও চারটি প্রহরা জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।
.png)

হামাসের সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ না হওয়া পর্যন্ত গাজায় পুনর্গঠন শুরু করা হবে না বলে জানিয়েছে ইসরায়েল। একই সঙ্গে, হামাসের সব হালকা ও ভারী অস্ত্র এবং সুড়ঙ্গ ধ্বংসের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গঠন করা ‘বোর্ড অব পিস’-এর সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছেছে দেশটি।
৩৫ মিনিট আগে
এবার ওমানে ‘ভয়াবহ বোমা হামলার’ হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৭ আগস্ট) ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘হরমুজ খোলার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালে আমরা ওমানের ওপর ভয়াবহ বোমা হামলা চালাব।’ এর আগে গত শনিবার তেহরান জানিয়েছিলো, কয়েক সপ্তাহের কারিগরি আলোচনার পর হরমুজ প
৪ ঘণ্টা আগে
গত ৪৮ ঘণ্টায় গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় আরও অন্তত পাঁচ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন ১৮ জন। সোমবার (১৭ আগস্ট) গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। অন্যদিকে হামাসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গেও বৈঠক করেছেন ট্রাম্পের জামাতা কুশনার।
৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ সোমবার (১৭ আগস্ট) শেষ হচ্ছে। পরস্পরের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে কোনো পক্ষই সমঝোতার মেয়াদ বাড়াতে সম্মত হয়নি। গত মে মাসে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডে