হামাস পুরোপুরি নিরস্ত্র না হলে গাজা পুনর্গঠন নয়: ইসরায়েল

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের তৈরি করা একটি সেনাঘাঁটি। পেছনে ধ্বংসপ্রাপ্ত গাজার আবাসিক ভবনের সারি। ছবি: রয়টার্স

হামাসের সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ না হওয়া পর্যন্ত গাজায় পুনর্গঠন শুরু করা হবে না বলে জানিয়েছে ইসরায়েল। একই সঙ্গে, হামাসের সব হালকা ও ভারী অস্ত্র এবং সুড়ঙ্গ ধ্বংসের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গঠন করা ‘বোর্ড অব পিস’-এর সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছেছে দেশটি।

সোমবার জেরুজালেমে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ট্রাম্পের বিশেষ দূত ও জামাতা জ্যারেড কুশনারের বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে বোর্ড অব পিসের গাজাবিষয়ক প্রতিনিধি নিকোলে ম্লাদেনভও উপস্থিত ছিলেন।

বোর্ড অব পিসের এক কর্মকর্তার বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, হামাস পুরোপুরি নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার বা নতুন করে সেনা মোতায়েন করা হবে না। হামাসের সব হালকা ও ভারী অস্ত্র এবং সুড়ঙ্গ ধ্বংস করা হবে, যাতে সেগুলো আর ব্যবহার করা না যায়।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, হামাস সন্ত্রাস, সহিংসতা বা পুনরায় অস্ত্র সংগ্রহ করলে আত্মরক্ষার পূর্ণ অধিকার ইসরায়েলের থাকবে।

বৈঠকের পর নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানায়, গাজার নিরস্ত্রীকরণ ও সামরিক সক্ষমতা বিলোপ নিয়ে একটি এবং পয়োনিষ্কাশন, বিশুদ্ধ পানি ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে আরেকটি কর্মগোষ্ঠী গঠনে একমত হয়েছে ইসরায়েল ও বোর্ড অব পিস। প্রথম কর্মগোষ্ঠীর কাজ দ্রুত শেষ করার এবং গাজায় পুনর্গঠন শুরুর আগে নিরস্ত্রীকরণ সম্পন্ন করার বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হয়েছে।

এর আগে রোববার মিসরে হামাসের নেতা খলিল আল-হাইয়ার সঙ্গে বৈঠক করেন কুশনার। গাজায় যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন এবং ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনার পরবর্তী ধাপ এগিয়ে নিতে ওই বৈঠক হয়। তবে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ ও ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের ক্রম নিয়ে দুই পক্ষের অবস্থান এখনও ভিন্ন।

ট্রাম্পের পরিকল্পনায় হামাসের নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে ধাপে ধাপে গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের কথা রয়েছে। তবে নেতানিয়াহু শুরু থেকেই বলে আসছেন, হামাস পুরোপুরি নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনী গাজা থেকে প্রত্যাহার করা হবে না।

সূত্র: রয়টার্স, আলজাজিরা ও জেরুজালেম পোস্ট

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত

হামাস পুরোপুরি নিরস্ত্র না হলে গাজা পুনর্গঠন নয়: ইসরায়েল