ঢাকার ৯৮% শিশুর রক্তে ক্ষতিকর সিসা, প্রতিকারে ১০ বছর মেয়াদি কৌশলপত্র

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২৩: ৫১
শিশু, গর্ভবতী নারী ও শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি সীসাদূষণের শিকার হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার ৯৮ শতাংশ শিশুর রক্তে মাত্রাতিরিক্ত সিসা পাওয়া গেছে। এই বিষক্রিয়া প্রতিরোধে ২০৩৫ সাল নাগাদ সিসামুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে ১০ বছর মেয়াদি একটি জাতীয় কৌশলপত্র ও কর্মপরিকল্পনা অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার (১৭ আগস্ট) মন্ত্রিসভার ১৭তম বৈঠকে এটি অনুমোদিত হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অনুমোদিত ‘ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড মাল্টি-ইয়ার অ্যাকশন প্ল্যান ফর আ লেড-ফ্রি বাংলাদেশ (২০২৬-৩৫)’ শীর্ষক সিসা শনাক্তের উপায় ও প্রতিকার খুঁজতে খসড়া প্রণয়ন করেছে সরকার।

সিসা মূলত মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্র ও মস্তিষ্কের স্থায়ী ক্ষতি করে। এর কোনো নিরাপদ মাত্রা নেই। সীসা বিষক্রিয়ার কারণে স্নায়ুতন্ত্র ও মস্তিষ্কের ক্ষতি, স্মৃতিশক্তি ও বুদ্ধিবৃত্তি কমে যাওয়া, আচরণগত সমস্যা, রক্তশূন্যতা, কিডনি রোগ, হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এছাড়া প্রজনন স্বাস্থ্য, গর্ভাবস্থা, হাড়, দাঁত ও পাচনতন্ত্রেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস)জরিপে ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ শিশুর রক্তে সিসা পাওয়া গেছে। আইসিডিডিআর,বির পরীক্ষায় ঢাকায় ২ থেকে ৪ বছর বয়সী ৯৮ শতাংশ শিশুর শরীরে ক্ষতিকর সিসা মিলেছে।

কৌশলপত্রে ২০৩০ সাল নাগাদ ৫০ শতাংশ এবং ২০৩৫ সাল নাগাদ ৯৫ শতাংশ শিশুর রক্তে সিসার মাত্রা কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত

ঢাকার ৯৮% শিশুর রক্তে ক্ষতিকর সিসা, প্রতিকারে ১০ বছর মেয়াদি কৌশলপত্র