স্ট্রিম ডেস্ক

এবার ওমানে ‘ভয়াবহ বোমা হামলার’ হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৭ আগস্ট) ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘হরমুজ খোলার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালে আমরা ওমানের ওপর ভয়াবহ বোমা হামলা চালাব।’
এর আগে গত শনিবার তেহরান জানিয়েছিলো, কয়েক সপ্তাহের কারিগরি আলোচনার পর হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের রুটের মানচিত্র নিয়ে ওমানের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে তারা। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি পরিবহন হয়। ফলে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে।
ফক্স নিউজকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কর্মকর্তাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি যোগাযোগের একটি গোপন চ্যানেল চালু হয়েছে বলে জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমরা আইআরজিসির সঙ্গে একটি গোপন যোগাযোগ চ্যানেল রেখেছি। ইরানে আইআরজিসির কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলছি।’
তবে ইরানের সঙ্গে সংঘাত দ্রুত শেষ করায় কোনো তাড়া নেই বলেও জানান ট্রাম্প। আইআরজিসি সম্পর্কে তিনি বলেন, তারা ‘ভালো পোকার খেলোয়াড়’, কিন্তু তারা মারা যাচ্ছে। সংঘাত শেষ করার বিষয়ে তাঁর কোনো সময়সীমা নেই এবং তিনি তাড়াহুড়ো করছেন না বলেও জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
সাক্ষাৎকারে ইরানকে আত্মসমর্পণের আহ্বানও জানিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইরানের উচিত ‘আত্মসমর্পণের সাদা পতাকা তুলে দেওয়া’। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মজুত অস্ত্র সম্পর্কে জানতে চাইলে ট্রাম্প দাবি করেন, এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র যে অস্ত্র ব্যবহার করেছে, তা মোট মজুতের তুলনায় ‘অতি-সামান্য’।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে চুক্তি কিংবা হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার মতো কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না বলে জানিয়েছে ইরান। সোমবার তেহরানে সংবাদ সম্মেলনে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাগাই বলেন, ইসলামাবাদ সমঝোতায় ৬০ দিনের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা ছিল না। ওই সময়ের মধ্যে পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনা করার কথা বলা হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র শুরু থেকেই ওই সমঝোতা লঙ্ঘন করেছে। তাই ৬০ দিনের সময়সীমা বাড়ানো নিয়ে আলোচনার প্রশ্নই আসে না। ইরান জাতীয় স্বার্থ ও নিজস্ব মূল্যায়নের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে, কোনো চাপ বা কৃত্রিম সময়সীমার ভিত্তিতে নয়।
এদিকে ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গাজা নিয়েও মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, গাজায় ইসরায়েলিদের হামলা চালানো উচিত নয়। হামাস অস্ত্র সমর্পণে রাজি হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। হামাসের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলাদা একটি যোগাযোগ চ্যানেল রয়েছে বলেও জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা নিয়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের অবস্থান এখনও বিপরীতমুখী। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের নিরাপত্তা ও জাহাজ চলাচল নিয়ে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

এবার ওমানে ‘ভয়াবহ বোমা হামলার’ হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৭ আগস্ট) ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘হরমুজ খোলার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালে আমরা ওমানের ওপর ভয়াবহ বোমা হামলা চালাব।’
এর আগে গত শনিবার তেহরান জানিয়েছিলো, কয়েক সপ্তাহের কারিগরি আলোচনার পর হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের রুটের মানচিত্র নিয়ে ওমানের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে তারা। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি পরিবহন হয়। ফলে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে।
ফক্স নিউজকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কর্মকর্তাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি যোগাযোগের একটি গোপন চ্যানেল চালু হয়েছে বলে জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমরা আইআরজিসির সঙ্গে একটি গোপন যোগাযোগ চ্যানেল রেখেছি। ইরানে আইআরজিসির কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলছি।’
তবে ইরানের সঙ্গে সংঘাত দ্রুত শেষ করায় কোনো তাড়া নেই বলেও জানান ট্রাম্প। আইআরজিসি সম্পর্কে তিনি বলেন, তারা ‘ভালো পোকার খেলোয়াড়’, কিন্তু তারা মারা যাচ্ছে। সংঘাত শেষ করার বিষয়ে তাঁর কোনো সময়সীমা নেই এবং তিনি তাড়াহুড়ো করছেন না বলেও জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
সাক্ষাৎকারে ইরানকে আত্মসমর্পণের আহ্বানও জানিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইরানের উচিত ‘আত্মসমর্পণের সাদা পতাকা তুলে দেওয়া’। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মজুত অস্ত্র সম্পর্কে জানতে চাইলে ট্রাম্প দাবি করেন, এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র যে অস্ত্র ব্যবহার করেছে, তা মোট মজুতের তুলনায় ‘অতি-সামান্য’।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে চুক্তি কিংবা হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার মতো কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না বলে জানিয়েছে ইরান। সোমবার তেহরানে সংবাদ সম্মেলনে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাগাই বলেন, ইসলামাবাদ সমঝোতায় ৬০ দিনের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা ছিল না। ওই সময়ের মধ্যে পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনা করার কথা বলা হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র শুরু থেকেই ওই সমঝোতা লঙ্ঘন করেছে। তাই ৬০ দিনের সময়সীমা বাড়ানো নিয়ে আলোচনার প্রশ্নই আসে না। ইরান জাতীয় স্বার্থ ও নিজস্ব মূল্যায়নের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে, কোনো চাপ বা কৃত্রিম সময়সীমার ভিত্তিতে নয়।
এদিকে ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গাজা নিয়েও মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, গাজায় ইসরায়েলিদের হামলা চালানো উচিত নয়। হামাস অস্ত্র সমর্পণে রাজি হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। হামাসের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলাদা একটি যোগাযোগ চ্যানেল রয়েছে বলেও জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা নিয়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের অবস্থান এখনও বিপরীতমুখী। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের নিরাপত্তা ও জাহাজ চলাচল নিয়ে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
.png)

গত ৪৮ ঘণ্টায় গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় আরও অন্তত পাঁচ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন ১৮ জন। সোমবার (১৭ আগস্ট) গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। অন্যদিকে হামাসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গেও বৈঠক করেছেন ট্রাম্পের জামাতা কুশনার।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ সোমবার (১৭ আগস্ট) শেষ হচ্ছে। পরস্পরের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে কোনো পক্ষই সমঝোতার মেয়াদ বাড়াতে সম্মত হয়নি। গত মে মাসে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডে
৬ ঘণ্টা আগে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার তারাপীঠে একটি চারতলা হোটেলে আগুন লেগে অন্তত সাতজন পুণ্যার্থী নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। সোমবার (১৭ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৪টা থেকে ৫টার দিকে তারাপীঠ মন্দিরসংলগ্ন হোটেলটিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, আগুন লাগার সময় হোটেলের অতিথিরা ঘুমে ছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসে
৮ ঘণ্টা আগে
ইরান যুদ্ধে অংশ না নেওয়ায় দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ার পরিসর ‘উল্লেখযোগ্য কমানোর’ নির্দেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্ধারিত ১০ দিনব্যাপী বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়া ‘উলচি ফ্রিডম শিল্ড’ শুরু হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে এমন ঘোষণা দেন ট্রাম্প। সোমবার (১৭ আগস্ট) ট্রুথ সোশ্যা