স্ট্রিম ডেস্ক

জাপান আবারও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। এবার তারা বানিয়েছে মানুষ ধোয়ার যন্ত্র। সম্প্রতি দেশটির ওসাকা শহরে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে ‘মিরাই হিউম্যান ওয়াশিং মেশিন’ নামের একটি যন্ত্র প্রদর্শণ করা হয়। সায়েন্স ইনকর্পোরেশন নামের একটি প্রতিষ্ঠান এই যন্ত্র তৈরি করেছে।
যন্ত্রটি মানুষকে গোসল করানো সহ বিশ্রাম ও স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণের কাজও করে। এটি ১৫ মিনিটের মধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষকে গোসল করাতে পারে। উন্নত পরিষ্কারকরন প্রযুক্তি, আরাম ও স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ সবকিছুই এতে রয়েছে।
বর্তমানে এটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে প্রবেশ করেছে। বিলাসবহুল হসপিটালিটি ও ওয়েলনেস সেক্টরে এর সম্ভাবনা বিশ্বব্যাপী আগ্রহ তৈরি করছে।
মানুষ ধোয়ার মেশিনের ধারণা একেবারে নতুন নয়। এর সূত্র পাওয়া যায় ১৯৭০ সালের ওসাকা এক্সপোতে। স্যানিও ইলেকট্রিক (বর্তমানে প্যানাসনিক হোল্ডিংস) সেখানে এই যন্ত্রের প্রথম মডেলটি প্রদর্শন করে।
সায়েন্স ইনকর্পোরেশনের চেয়ারম্যান ইয়াসুয়াকি আয়োইয়ামা তখন দশ বছরের শিশু ছিলেন এবং সেই প্রদর্শনী তাকে অনুপ্রাণিত করে। দীর্ঘ সময় পর তিনি ধারণাটিকে আধুনিক রূপে পুনর্জীবিত করেন।
২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে ওসাকা কানসাই এক্সপোতে নতুন এই প্রোটোটাইপটি প্রথম প্রদর্শিত হয়। গত ছয় মাস (এপ্রিল থেকে অক্টোবর) প্রদর্শনীতে ২ কোটি ৭০ লাখের বেশি মানুষ যন্ত্রটি দেখতে আসেন। দর্শকের দীর্ঘ লাইন প্রমাণ করে যে মেশিনটি সত্যিই তাদের প্রত্যাশা পূরণ করেছে।
একটি মার্কিন রিসোর্ট কোম্পানির আগ্রহের ফলে এটি প্রদর্শনী পণ্য থেকে বাণিজ্যিক পণ্যে রূপ নেয়।
কোম্পানির মুখপাত্র সাচিকো মায়েকুরা জানান, ‘আমাদের প্রেসিডেন্ট দশ বছর বয়সে এটি দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন।’
তিনি বলেন, এই মেশিন ‘শুধু শরীর নয়, আত্মাকেও পরিষ্কার করে।’
হিউম্যান ওয়াশিং মেশিনের কার্যপ্রণালি
মিরাই একটি উচ্চ-প্রযুক্তির স্পা ক্যাপসুলের মতো কাজ করে। ব্যবহারকারীকে কোনো কিছুই করতে হয় না এবং মোট প্রক্রিয়া প্রায় ১৫ মিনিটে সম্পন্ন হয়।
১. প্রবেশ ও অবস্থান গ্রহণ: ব্যবহারকারী ২.৩ মিটার দৈর্ঘ্যের পডে প্রবেশ করেন। ভেতরে আরামদায়ক, শরীর-অনুকূল সিটে শোয়া যায়। তারা এমআরআই বা ট্যানিং বেডের মতো সোজা হয়ে শুয়ে থাকেন। দরজা বন্ধ হলে ব্যক্তিগত, সিল করা পরিবেশ তৈরি হয়।
২. পরিষ্কারকরণ ধাপ: মেশিন চালু হলে উষ্ণ পানি, স্বয়ংক্রিয় সাবান ও উন্নত বাবল-টেকনোলজি ব্যবহার করে শরীর পরিষ্কার হয়। মাইক্রোবাবল—যা ত্বকের রন্ধ্রের চেয়েও ছোট—তেলতেলে ময়লা ও মৃত চামড়া দূর করে। আল্ট্রাসনিক বাবল ও হালকা ওয়াটারজেট বা ফাইন মিস্ট শাওয়ার পুরো শরীরে সমানভাবে প্রয়োগ হয়। এটি কাপড় ধোয়ার মেশিনের মতো কাজ করলেও ঝাঁকুনি বা ঘূর্ণনের মতো কোনো প্রক্রিয়া নেই।

৩. রিনজিং ও ইন্দ্রিয়গত অভিজ্ঞতা: পরিষ্কার শেষ হলে পানির জেট দিয়ে বাবল ও সাবানের অবশেষ ধুয়ে ফেলা হয়। ভেতরে সঙ্গীত বাজে এবং স্ক্রিন বা প্রজেকশনে শান্ত ভিজ্যুয়াল দেখা যায়। এতে ব্যবহারকারী স্পা–সদৃশ আরাম পান।
৪. শুকানো ও বাহির হওয়া: শেষ ধাপে উষ্ণ বাতাসে দেহ সম্পূর্ণ শুকিয়ে ফেলা হয়। সেন্সর পুরো প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করে এবং কাজ শেষ হলে দরজা স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যায়।
মূল প্রযুক্তি ও বৈশিষ্ট্য
যন্ত্রটির কেন্দ্রে রয়েছে মাইক্রোবাবল প্রযুক্তি। এটি জাপানের স্পা ও সেলুনে গভীর ত্বক পরিচর্যার জন্য প্রচলিত। আল্ট্রাসনিক ওয়েভ, বাবল স্ট্রিম ও ওয়াটারজেটের সমন্বয় ক্ষতিহীন পরিষ্কার নিশ্চিত করে। এটি পরিবেশবান্ধব এবং এতে প্রচলিত গোসলের তুলনায় কম পানি খরচ হয়।
স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ এই ডিভাইসের বড় বৈশিষ্ট্য। এতে থাকা সেন্সর হৃদস্পন্দনসহ বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় তথ্য রিয়েল-টাইমে মেপে সম্ভাব্য অজ্ঞান হওয়া বা আতঙ্ক শনাক্ত করতে পারে। এটি বিশেষ করে প্রবীণ ও স্বাস্থ্য-সচেতন ব্যবহারকারীদের জন্য নিরাপত্তা দেয়।
আরামদায়ক সঙ্গীত ও ভিজ্যুয়াল মনকে প্রশান্ত করে, যা শরীরের পাশাপাশি মানসিক সুস্থতাও নিশ্চিত করে। এর ডিজাইনে বিলাসিতা ও কার্যকারিতা উভয় দিকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রাপ্যতা, মূল্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
২০২৫ সালের শেষ নাগাদ যন্ত্রটি বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। মূল্য ৬ কোটি ইয়েন (প্রায় ৩ লাখ ৮৫ হাজার মার্কিন ডলার)। এটি মূলত বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য।
প্রথম উৎপাদন ধাপে ৪০-৫০টি হাতে তৈরি ইউনিট বাজারে আসবে। উচ্চমানের হোটেল, অনসেন (গরম পানির স্পা), থিম পার্ক ও ওয়েলনেস সেন্টারে সরবরাহ করা হবে।
প্রথম ইউনিট ওসাকার একটি হোটেল ক্রয় করেছে। ইলেকট্রনিক্স রিটেইলার ইয়ামাদা দেনকিসহ আরও গ্রাহক এর জন্য বুকিং দিয়েছে।
টোকিওতে পাবলিক ডেমো আয়োজন করা হবে, যেখানে আগ্রহীরা সরাসরি পরীক্ষা করে দেখতে পারবেন।
ভবিষ্যতে প্রযুক্তিটি ব্যাপক উৎপাদনের উপযোগী হলে ঘরে ব্যবহারের জন্য সাশ্রয়ী সংস্করণও আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

জাপান আবারও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। এবার তারা বানিয়েছে মানুষ ধোয়ার যন্ত্র। সম্প্রতি দেশটির ওসাকা শহরে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে ‘মিরাই হিউম্যান ওয়াশিং মেশিন’ নামের একটি যন্ত্র প্রদর্শণ করা হয়। সায়েন্স ইনকর্পোরেশন নামের একটি প্রতিষ্ঠান এই যন্ত্র তৈরি করেছে।
যন্ত্রটি মানুষকে গোসল করানো সহ বিশ্রাম ও স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণের কাজও করে। এটি ১৫ মিনিটের মধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষকে গোসল করাতে পারে। উন্নত পরিষ্কারকরন প্রযুক্তি, আরাম ও স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ সবকিছুই এতে রয়েছে।
বর্তমানে এটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে প্রবেশ করেছে। বিলাসবহুল হসপিটালিটি ও ওয়েলনেস সেক্টরে এর সম্ভাবনা বিশ্বব্যাপী আগ্রহ তৈরি করছে।
মানুষ ধোয়ার মেশিনের ধারণা একেবারে নতুন নয়। এর সূত্র পাওয়া যায় ১৯৭০ সালের ওসাকা এক্সপোতে। স্যানিও ইলেকট্রিক (বর্তমানে প্যানাসনিক হোল্ডিংস) সেখানে এই যন্ত্রের প্রথম মডেলটি প্রদর্শন করে।
সায়েন্স ইনকর্পোরেশনের চেয়ারম্যান ইয়াসুয়াকি আয়োইয়ামা তখন দশ বছরের শিশু ছিলেন এবং সেই প্রদর্শনী তাকে অনুপ্রাণিত করে। দীর্ঘ সময় পর তিনি ধারণাটিকে আধুনিক রূপে পুনর্জীবিত করেন।
২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে ওসাকা কানসাই এক্সপোতে নতুন এই প্রোটোটাইপটি প্রথম প্রদর্শিত হয়। গত ছয় মাস (এপ্রিল থেকে অক্টোবর) প্রদর্শনীতে ২ কোটি ৭০ লাখের বেশি মানুষ যন্ত্রটি দেখতে আসেন। দর্শকের দীর্ঘ লাইন প্রমাণ করে যে মেশিনটি সত্যিই তাদের প্রত্যাশা পূরণ করেছে।
একটি মার্কিন রিসোর্ট কোম্পানির আগ্রহের ফলে এটি প্রদর্শনী পণ্য থেকে বাণিজ্যিক পণ্যে রূপ নেয়।
কোম্পানির মুখপাত্র সাচিকো মায়েকুরা জানান, ‘আমাদের প্রেসিডেন্ট দশ বছর বয়সে এটি দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন।’
তিনি বলেন, এই মেশিন ‘শুধু শরীর নয়, আত্মাকেও পরিষ্কার করে।’
হিউম্যান ওয়াশিং মেশিনের কার্যপ্রণালি
মিরাই একটি উচ্চ-প্রযুক্তির স্পা ক্যাপসুলের মতো কাজ করে। ব্যবহারকারীকে কোনো কিছুই করতে হয় না এবং মোট প্রক্রিয়া প্রায় ১৫ মিনিটে সম্পন্ন হয়।
১. প্রবেশ ও অবস্থান গ্রহণ: ব্যবহারকারী ২.৩ মিটার দৈর্ঘ্যের পডে প্রবেশ করেন। ভেতরে আরামদায়ক, শরীর-অনুকূল সিটে শোয়া যায়। তারা এমআরআই বা ট্যানিং বেডের মতো সোজা হয়ে শুয়ে থাকেন। দরজা বন্ধ হলে ব্যক্তিগত, সিল করা পরিবেশ তৈরি হয়।
২. পরিষ্কারকরণ ধাপ: মেশিন চালু হলে উষ্ণ পানি, স্বয়ংক্রিয় সাবান ও উন্নত বাবল-টেকনোলজি ব্যবহার করে শরীর পরিষ্কার হয়। মাইক্রোবাবল—যা ত্বকের রন্ধ্রের চেয়েও ছোট—তেলতেলে ময়লা ও মৃত চামড়া দূর করে। আল্ট্রাসনিক বাবল ও হালকা ওয়াটারজেট বা ফাইন মিস্ট শাওয়ার পুরো শরীরে সমানভাবে প্রয়োগ হয়। এটি কাপড় ধোয়ার মেশিনের মতো কাজ করলেও ঝাঁকুনি বা ঘূর্ণনের মতো কোনো প্রক্রিয়া নেই।

৩. রিনজিং ও ইন্দ্রিয়গত অভিজ্ঞতা: পরিষ্কার শেষ হলে পানির জেট দিয়ে বাবল ও সাবানের অবশেষ ধুয়ে ফেলা হয়। ভেতরে সঙ্গীত বাজে এবং স্ক্রিন বা প্রজেকশনে শান্ত ভিজ্যুয়াল দেখা যায়। এতে ব্যবহারকারী স্পা–সদৃশ আরাম পান।
৪. শুকানো ও বাহির হওয়া: শেষ ধাপে উষ্ণ বাতাসে দেহ সম্পূর্ণ শুকিয়ে ফেলা হয়। সেন্সর পুরো প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করে এবং কাজ শেষ হলে দরজা স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যায়।
মূল প্রযুক্তি ও বৈশিষ্ট্য
যন্ত্রটির কেন্দ্রে রয়েছে মাইক্রোবাবল প্রযুক্তি। এটি জাপানের স্পা ও সেলুনে গভীর ত্বক পরিচর্যার জন্য প্রচলিত। আল্ট্রাসনিক ওয়েভ, বাবল স্ট্রিম ও ওয়াটারজেটের সমন্বয় ক্ষতিহীন পরিষ্কার নিশ্চিত করে। এটি পরিবেশবান্ধব এবং এতে প্রচলিত গোসলের তুলনায় কম পানি খরচ হয়।
স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ এই ডিভাইসের বড় বৈশিষ্ট্য। এতে থাকা সেন্সর হৃদস্পন্দনসহ বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় তথ্য রিয়েল-টাইমে মেপে সম্ভাব্য অজ্ঞান হওয়া বা আতঙ্ক শনাক্ত করতে পারে। এটি বিশেষ করে প্রবীণ ও স্বাস্থ্য-সচেতন ব্যবহারকারীদের জন্য নিরাপত্তা দেয়।
আরামদায়ক সঙ্গীত ও ভিজ্যুয়াল মনকে প্রশান্ত করে, যা শরীরের পাশাপাশি মানসিক সুস্থতাও নিশ্চিত করে। এর ডিজাইনে বিলাসিতা ও কার্যকারিতা উভয় দিকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রাপ্যতা, মূল্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
২০২৫ সালের শেষ নাগাদ যন্ত্রটি বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। মূল্য ৬ কোটি ইয়েন (প্রায় ৩ লাখ ৮৫ হাজার মার্কিন ডলার)। এটি মূলত বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য।
প্রথম উৎপাদন ধাপে ৪০-৫০টি হাতে তৈরি ইউনিট বাজারে আসবে। উচ্চমানের হোটেল, অনসেন (গরম পানির স্পা), থিম পার্ক ও ওয়েলনেস সেন্টারে সরবরাহ করা হবে।
প্রথম ইউনিট ওসাকার একটি হোটেল ক্রয় করেছে। ইলেকট্রনিক্স রিটেইলার ইয়ামাদা দেনকিসহ আরও গ্রাহক এর জন্য বুকিং দিয়েছে।
টোকিওতে পাবলিক ডেমো আয়োজন করা হবে, যেখানে আগ্রহীরা সরাসরি পরীক্ষা করে দেখতে পারবেন।
ভবিষ্যতে প্রযুক্তিটি ব্যাপক উৎপাদনের উপযোগী হলে ঘরে ব্যবহারের জন্য সাশ্রয়ী সংস্করণও আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাবের জবাব পাঠিয়েছে ইরান। মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের মাধ্যমে এই উত্তর পাঠানো হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লিভিটের কন্যাসন্তানের জন্মে অভিনন্দন জানিয়েছে ইরান। তবে একই সঙ্গে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিনাবের একটি স্কুলে মার্কিন হামলায় ১৬৮ শিশুর মৃত্যুর নির্মম স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়েছে দেশটি।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে হামলা চালাতে ইরাকের মরুভূমিতে গোপন সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেছিল ইসরায়েল। মার্কিন কর্মকর্তাসহ বিষয়টি সম্পর্কে জানেন এমন একাধিক ব্যক্তির বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
১৪ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার বান্নু জেলায় আত্মঘাতী গাড়ি বোমা হামলায় অন্তত ১৫ পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। শনিবার রাতে ফতেহ খেল পুলিশ পোস্টে এই হামলা হয়। খবর পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনের।
১৭ ঘণ্টা আগে