স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস ও জাপান জানিয়েছে, তারা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিতে ‘যথাযথ উদ্যোগে’ যুক্ত হতে প্রস্তুত রয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিতে যথাযথ উদ্যোগে অবদান রাখতে আমরা আমাদের প্রস্তুতির কথা জানাচ্ছি। যেসব দেশ এই বিষয়ে প্রস্তুতিমূলক পরিকল্পনায় যুক্ত হচ্ছে, তাদের প্রতিশ্রুতিকে আমরা স্বাগত জানাই।’
যৌথ বিবৃতিতে এই ছয় দেশ জানিয়েছে, জ্বালানির উৎপাদন বাড়াতে এবং বৈশ্বিক বাজার স্থিতিশীল করতে তারা নির্দিষ্ট কয়েকটি জ্বালানি উৎপাদনকারী দেশের সঙ্গে একযোগে কাজ করবে।
কৌশলগত জ্বালানি মজুত (স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ) ছাড়ার বিষয়কে স্বাগত জানিয়ে যৌথ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল করতে আমরা অন্যান্য পদক্ষেপও গ্রহণ করব।’
এদিকে, অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করলে মিত্র দেশগুলোকে যুদ্ধাপরাধের ‘দোসর’ হওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিতসু মোতেগির সঙ্গে এক টেলিফোন আলাপে তিনি এই সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে বলেন, প্রণালির অবরোধ ভাঙার যেকোনো প্রচেষ্টায় কোনো দেশের অংশগ্রহণ মানেই হলো আগ্রাসন এবং আগ্রাসীদের সংঘটিত জঘন্য অপরাধের দোসর হওয়া।

যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস ও জাপান জানিয়েছে, তারা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিতে ‘যথাযথ উদ্যোগে’ যুক্ত হতে প্রস্তুত রয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিতে যথাযথ উদ্যোগে অবদান রাখতে আমরা আমাদের প্রস্তুতির কথা জানাচ্ছি। যেসব দেশ এই বিষয়ে প্রস্তুতিমূলক পরিকল্পনায় যুক্ত হচ্ছে, তাদের প্রতিশ্রুতিকে আমরা স্বাগত জানাই।’
যৌথ বিবৃতিতে এই ছয় দেশ জানিয়েছে, জ্বালানির উৎপাদন বাড়াতে এবং বৈশ্বিক বাজার স্থিতিশীল করতে তারা নির্দিষ্ট কয়েকটি জ্বালানি উৎপাদনকারী দেশের সঙ্গে একযোগে কাজ করবে।
কৌশলগত জ্বালানি মজুত (স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ) ছাড়ার বিষয়কে স্বাগত জানিয়ে যৌথ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল করতে আমরা অন্যান্য পদক্ষেপও গ্রহণ করব।’
এদিকে, অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করলে মিত্র দেশগুলোকে যুদ্ধাপরাধের ‘দোসর’ হওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিতসু মোতেগির সঙ্গে এক টেলিফোন আলাপে তিনি এই সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে বলেন, প্রণালির অবরোধ ভাঙার যেকোনো প্রচেষ্টায় কোনো দেশের অংশগ্রহণ মানেই হলো আগ্রাসন এবং আগ্রাসীদের সংঘটিত জঘন্য অপরাধের দোসর হওয়া।

অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করলে মার্কিন মিত্রদের যুদ্ধাপরাধের ‘দোসর’ হওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান ‘সঠিক পথেই এগোচ্ছে’ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। তবে এই যুদ্ধ কবে বা কীভাবে শেষ হবে, সে বিষয়ে কোনো সময়সীমা জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজের উত্তরসূরি ফ্রিডরিখ মের্জ জার্মান আইনপ্রণেতাদের জানিয়েছেন, ইরান যেন তার প্রতিবেশীদের জন্য হুমকি হয়ে না দাঁড়ায় সে বিষয়ে তিনি একমত। তবে আমেরিকা-ইসরায়েল যুদ্ধের যৌক্তিকতা নিয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানকে সতর্ক করে দিয়ে সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ বলেছেন, তাঁর দেশ ও উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর ইরানি হামলা হজমের ক্ষমতা সীমিত।
১২ ঘণ্টা আগে