স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) গাজায় যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির ঘোষণা দিয়েছেন। তবে এর দুই দিন পরও উপত্যকাটিতে অব্যাহত রয়েছে ইসরায়েলি হামলা। সর্বশেষ রোববার (২ আগস্ট) গাজাজুড়ে ইসরায়েলি বিমান হামলায় দুই শিশুসহ অন্তত আট ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। খবর রয়টার্স, আল জাজিরা ও আনাদোলু এজেন্সির।
গাজার স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস, মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ এবং গাজা সিটিতে চালানো পৃথক হামলায় নিহত হয়েছেন আট ফিলিস্তিনি। নিহতদের মধ্যে দুই শিশুও রয়েছে।
খান ইউনিসের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের আল-কারারা এলাকায় একটি অ্যাপার্টমেন্টে ইসরায়েলি বিমান হামলায় মাহমুদ জাকি আল-হামস (৩৮), তাঁর স্ত্রী ফাতিমা আল-হামস (৩৭) এবং তাঁদের কন্যাশিশু নিহত হন। এ হামলায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন।
এছাড়া মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহর আল-মাশালা এলাকায় একটি বাড়িতে ইসরায়েলি হেলিকপ্টার হামলায় কামাল আবু মুয়াইলিক (৬৮) ও তাঁর স্ত্রী হুদা (৫৯) নিহত হন।
অন্যদিকে গাজা সিটির আল-সুসি টাওয়ারের একটি অ্যাপার্টমেন্টে হামলায় আবদুল্লাহ আবু তাইফ (৩৩), তাঁর স্ত্রী আবির আনান (২৯) এবং তাঁদের পাঁচ বছর বয়সী ছেলে আজ্জাম নিহত হন। পশ্চিম গাজা সিটির আল-নাসর এলাকায় আরেকটি হামলায় অন্তত একজন আহত হয়েছেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে হামাস নিরস্ত্রীকরণে সম্মত হওয়ায় আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে বলে ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর এক দিন পর ট্রাম্পের বোর্ড অব পিস যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের জন্য ১৫ দফার একটি রোডম্যাপ প্রকাশ করে।
তবে এখনো সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু হয়নি। হামাস বলেছে, গত বছরের যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী ইসরায়েল সামরিক অভিযান বন্ধ করে সেনা প্রত্যাহার করলেই তারা অস্ত্র সমর্পণ করবে।
অন্যদিকে, রয়টার্সকে এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা বলেছেন, হামাসের ‘প্রকৃত নিরস্ত্রীকরণ’ না হলে বর্তমান অবস্থান থেকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে সরিয়ে নেওয়া হবে না।
এ বিষয়ে এখনো প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে দেশটির কট্টরপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গাভির এই উদ্যোগকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন। হামাসের শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্য করে অভিযান অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থানরত ফাতাহর সাবেক জ্যেষ্ঠ নেতা মোহাম্মদ দাহলান ফেসবুকে দাবি করেছেন, ট্রাম্পের জামাতা ও উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার তাঁকে জানিয়েছেন যে, গাজায় হামলা বন্ধে ইসরায়েলের সঙ্গে কাজ করছেন তিনি।
দাহলান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তবে এই উদ্যোগের সফলতা নির্ভর করছে ইসরায়েল গাজায় দৈনিক হামলা পুরোপুরি বন্ধ করে কি না, তার ওপর।
এদিকে শনিবার মধ্য গাজার একটি চিকিৎসাসামগ্রী সংরক্ষণাগারেও হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে ভবনটি ধ্বংস হয়ে প্রায় ২০ মিটার প্রশস্ত ও ১০ মিটার গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) গাজায় যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির ঘোষণা দিয়েছেন। তবে এর দুই দিন পরও উপত্যকাটিতে অব্যাহত রয়েছে ইসরায়েলি হামলা। সর্বশেষ রোববার (২ আগস্ট) গাজাজুড়ে ইসরায়েলি বিমান হামলায় দুই শিশুসহ অন্তত আট ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। খবর রয়টার্স, আল জাজিরা ও আনাদোলু এজেন্সির।
গাজার স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস, মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ এবং গাজা সিটিতে চালানো পৃথক হামলায় নিহত হয়েছেন আট ফিলিস্তিনি। নিহতদের মধ্যে দুই শিশুও রয়েছে।
খান ইউনিসের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের আল-কারারা এলাকায় একটি অ্যাপার্টমেন্টে ইসরায়েলি বিমান হামলায় মাহমুদ জাকি আল-হামস (৩৮), তাঁর স্ত্রী ফাতিমা আল-হামস (৩৭) এবং তাঁদের কন্যাশিশু নিহত হন। এ হামলায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন।
এছাড়া মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহর আল-মাশালা এলাকায় একটি বাড়িতে ইসরায়েলি হেলিকপ্টার হামলায় কামাল আবু মুয়াইলিক (৬৮) ও তাঁর স্ত্রী হুদা (৫৯) নিহত হন।
অন্যদিকে গাজা সিটির আল-সুসি টাওয়ারের একটি অ্যাপার্টমেন্টে হামলায় আবদুল্লাহ আবু তাইফ (৩৩), তাঁর স্ত্রী আবির আনান (২৯) এবং তাঁদের পাঁচ বছর বয়সী ছেলে আজ্জাম নিহত হন। পশ্চিম গাজা সিটির আল-নাসর এলাকায় আরেকটি হামলায় অন্তত একজন আহত হয়েছেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে হামাস নিরস্ত্রীকরণে সম্মত হওয়ায় আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে বলে ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর এক দিন পর ট্রাম্পের বোর্ড অব পিস যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের জন্য ১৫ দফার একটি রোডম্যাপ প্রকাশ করে।
তবে এখনো সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু হয়নি। হামাস বলেছে, গত বছরের যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী ইসরায়েল সামরিক অভিযান বন্ধ করে সেনা প্রত্যাহার করলেই তারা অস্ত্র সমর্পণ করবে।
অন্যদিকে, রয়টার্সকে এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা বলেছেন, হামাসের ‘প্রকৃত নিরস্ত্রীকরণ’ না হলে বর্তমান অবস্থান থেকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে সরিয়ে নেওয়া হবে না।
এ বিষয়ে এখনো প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে দেশটির কট্টরপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গাভির এই উদ্যোগকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন। হামাসের শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্য করে অভিযান অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থানরত ফাতাহর সাবেক জ্যেষ্ঠ নেতা মোহাম্মদ দাহলান ফেসবুকে দাবি করেছেন, ট্রাম্পের জামাতা ও উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার তাঁকে জানিয়েছেন যে, গাজায় হামলা বন্ধে ইসরায়েলের সঙ্গে কাজ করছেন তিনি।
দাহলান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তবে এই উদ্যোগের সফলতা নির্ভর করছে ইসরায়েল গাজায় দৈনিক হামলা পুরোপুরি বন্ধ করে কি না, তার ওপর।
এদিকে শনিবার মধ্য গাজার একটি চিকিৎসাসামগ্রী সংরক্ষণাগারেও হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে ভবনটি ধ্বংস হয়ে প্রায় ২০ মিটার প্রশস্ত ও ১০ মিটার গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
.png)

ইউরোপের দুটি দেশে অজ্ঞাতনামা ড্রোন দেখা যাওয়ায় নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি বুলগেরিয়ায় ড্রোন বিস্ফোরিত হয়েছে। জার্মানির একটি সামরিক ঘাঁটির ওপর দুটি ড্রোন উড়তে দেখা গেছে। ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার চলমান যুদ্ধের মধ্যে এসব ঘটনা ঘটল।
৮ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ায় বিরল খনিজ স্ক্যান্ডিয়ামের একটি খনিতে ৪০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিবে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রতিরক্ষা বিভাগ শুক্রবার (৭ জুলাই) এই ঘোষণা দেয়।
১০ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ক্ষতিপূরণ না দিলে হরমুজ প্রণালি খোলা হবে না বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।শনিবার (৮ আগস্ট) সামাজিক মাধ্যম টেলিগ্রামে এ কথা জানান তিনি। আরাঘচি বলেন, ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ক্ষতিপূরণ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ পুনরায় খোলার সম্ভাবনা নেই।
১০ ঘণ্টা আগে
বহু বছর পর অং সান সু চির ছবি প্রকাশ করেছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। একইসঙ্গে তাঁকে একজন বিদেশি প্রতিনিধির সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এটি জান্তার নীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত নয়, বরং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার কৌশলের অংশ।
১২ ঘণ্টা আগে